31/01/2026
মায়ের হাতের ছোটমাছের রান্না —
তিতকুটে পুঁটি, ছোটপোনা, কুচোচিংড়ি, চুনাপুঁটি— ভাবতেই জিভে জল চলে আসে।
মাকে রান্নাঘরে খুব একটা রাগ করতে দেখিনি—হয়তো করতেনও, কিন্তু খাবার টেবিলে আমাদের তৃপ্ত মুখ দেখলে সব গলে যেত।
পোনামাছ পেঁয়াজ দিয়ে ভুনা, টমেটো দেওয়া নদীর বাইল্যা, ঝিরিঝিরি আলু দিয়ে মলা মাছ, পাঁচমিশালি পোনার ঝালঝাল স্বাদ, কাঁচামরিচের গন্ধে ভরা টেংরার পোনা—লিখে স্বাদ বোঝানো যাবে না।
ঝিঙে আর কাঁঠালবিচি দিয়ে কুচোচিংড়ির মাখামাখা তরকারি, আলু-বেগুন কুচি দিয়ে দাড়কিনি মাছের চচ্চড়ি—তাতে কাঁচামরিচের বাড়াবাড়ি থাকবেই। আর ধনেপাতা দেওয়া খলসে মাছের ঘ্রাণ? সেটা পাক খেতে খেতে আমাদের উঠান পেরিয়ে পাশের বাড়ি চলে যেত।
আজকাল ছোটমাছের ঝামেলা নিতে চায় কে? বাছা, ঘষা, ধোয়া—সবই ধৈর্যের পরীক্ষা। সারাদিন চাকরি বা ব্যবসার পর কুচো মাছ পরিষ্কার করে রান্না করার শক্তি সবার থাকে না। সেটাকে দোষও দেওয়া যায় না।
গরম ভাতে একটু কাগজি লেবুর সাথে ছোটমাছের চচ্চড়ির কথা মনে পড়লে মন তো মানে না।
আপনারও যদি এমন কোনো দিন আসে—আমাদের জানাবেন। কোন মাছের চচ্চড়ি খেতে চান, বললেই হলো। কেটে-বেছে, লবণ পানি ঝরিয়ে ফ্রেশ মাছ পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়। আর একেবারে খাবার পাতে চাইলে—রান্না করেও দেওয়া যাবে।
আমাদের কমেন্ট করে বা ইনবক্স করে জানিয়েন আপনাকে কোন ছোটমাছের স্বাদ ডাকছে?