03/05/2026
21-4-2026
এই দিনটা আমার জীবনের স্মরণীয় দিনগুলোর একটি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ভাবছিলাম —আজ আমার ভার্সিটির ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ।
গত রাত থেকেই ভেতরে ভেতরে অজানা এক চাপ আর টেনশন কাজ করছিল—জিততে পারব তো? তার ওপর সন্ধ্যায় আবার মেহেদি প্রোগ্রামের অর্ডার নেওয়া। খেলা আর প্রোগ্রাম,দুটো বড় দায়িত্ব একসাথে ঠিকভাবে সামলাতে পারব তো?
পায়ে তখন বেশ ইনজুরি ছিল...হাঁটার মতো অবস্থাও ঠিকমতো ছিল না।তবুও খেলতেই হবে—কারণ এটাই আমার ভার্সিটি লাইফের শেষ টুর্নামেন্ট। জিদ ধরেছিলাম, যাই হোক না কেন, মাঠে নামবই। এটা শুধু একটা ম্যাচ না—এর সাথে জড়িয়ে আছে পুরো ডিপার্টমেন্টের আবেগ, ভালোবাসা আর গর্ব। তাই নিজের কষ্ট, ইনজুরি।
এমন হাজারো চিন্তা নিয়ে সকালেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম।
সবকিছু পাশ কাটিয়ে দৃঢ় মনোবল নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মাঠে নামার পর সব চিন্তা ভুলে শুধু নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত আমরা চ্যাম্পিয়ন হলাম।
আলহামদুলিল্লাহ,,,,,, পুরো টুর্নামেন্টে চারটা সার্টিফিকেট অর্জন করেছি 😍
ট্রফিটা হাতে নেওয়ার সেই মুহূর্তটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না—মনে এক অদ্ভুত শান্তি, গর্ব আর আনন্দ একসাথে কাজ করছিল। সেই সাথে নিজের প্রতি বিশ্বাস আর আগ্রহ আরও বেড়ে গেল।
ভার্সিটি থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। ক্লান্তি থাকলেও মনে হচ্ছিল—যত দেরিই হোক, মেহেদির দায়িত্বটা তো শেষ করতেই হবে। তাই আর দেরি না করে তাড়াহুড়া করে প্রোগ্রামে গেলাম। নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজটা শেষ করলাম।
আলহামদুলিল্লাহ, দিন শেষে সব দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে সুস্থভাবে বাসায় ফিরতে পেরেছি।
সারাদিনের টেনশন, চাপ আর ব্যস্ততার পরও এই তৃপ্তিটাই সবচেয়ে বড়—নিজের দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করতে পেরেছি। 💫💝