25/05/2026
আপনি কি কখনো লাইলাতুল কদর এবং আরাফার দিনের পার্থক্য নিয়ে ভেবেছেন?
লাইলাতুল কদরে — সবকিছু নেমে আসে।
কুরআন নাযিল হয়েছিল।
ফেরেশতারা নেমে আসেন।
তাকদীর অবতীর্ণ হয়।
আসমান থেকে রহমত বর্ষিত হয়।
কিন্তু আরাফার দিন সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কারণ এদিন ফেরেশতারা নেমে আসেন না… বরং মানুষ আল্লাহর দিকে ধাবিত হয়।
এটি যেন কিয়ামতের দিনের এক ঝলক —
লক্ষ লক্ষ মানুষ সাদা পোশাকে, খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে, আল্লাহর রহমতের ভিক্ষা করছে।
লাইলাতুল কদরের তারিখ আল্লাহ গোপন রেখেছেন।
তিনি চান, আপনি যেন রমাদানের শেষ দশকের ইবাদত ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাকে খুঁজে নেন।
এটি সেই ব্যক্তির জন্য পুরস্কার, যে খুঁজতে থাকে।
কিন্তু আরাফার দিনের তারিখ আল্লাহ সবার জন্য প্রকাশ করেছেন।
তিনি ভাঙা হৃদয়ের মানুষদের, ক্লান্ত মানুষদের, গুনাহে ভারাক্রান্ত মানুষদের একই সময়ে তাঁর উন্মুক্ত রহমতের দরজায় আসার দাওয়াত দিয়েছেন।
আরও একটি গভীর পার্থক্য আছে, যা অনেকেই খেয়াল করেন না।
লাইলাতুল কদর সম্পর্কিত ইসলামের সূচনার সাথে।
“ইকরা” — পড়ো।
আর আরাফার দিন সম্পর্কিত ইসলামের পূর্ণতার সাথে।
“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম…” (সূরা মায়িদাহ ৫:৩)
একটি রাত ইসলামের নূরের সূচনা করেছে।
আরেকটি দিন সেই নূরকে পূর্ণতা দিয়েছে।
একটি রাত আপনার তাকদীর বদলে দিতে পারে।
আর একটি দিন আপনার গুনাহ মাফ করে আপনাকে সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।
সবচেয়ে বড় রহমত হলো —
আল্লাহ এই উভয় মহিমান্বিত সময় এই উম্মাহকে দান করেছেন।
হে আল্লাহ, আমাদের প্রত্যেককে যেন এই দিনগুলো পাওয়ার, অনুভব করার এবং এর পূর্ণ উপকার লাভ করার তাওফীক দান করেন। আমীন।
{লেখাটি একটি ইংরেজি আর্টিকেল থেকে
অনুবাদ করা হয়েছে।}
أم عريب
١٤٤٧