শব্দে ছোঁয়া

শব্দে ছোঁয়া "হৃদয়ের অনুভব যখন শব্দে রঙ মেলে—তখনই জন্ম নেয় ‘শব্দে ছোঁয়া’।"

03/07/2025

এযুগের মায়েরা বাচ্চাদের ঘরের কাজ করানো নিয়ে বেশ সচেতন। ছোট থেকে বাচ্চাদের কাজ শেখানো উচিত। সব ধরণের পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।
বাচ্চাদের বয়স অনুযায়ী ঘরের কাজের ট্রেনিং দেওয়া উচিত তবে ছেলে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আমরা মায়েরা এইখানে এসে একটা মারাত্মক ভুল করে ফেলি।
ঘরের সব কাজ করানোর চেষ্টা করি, আমিও এর ব্যতিক্রম নই।

এখন ভাবতে পারি, ঘরের কাজ করাবো এখানে ভুলের কি আছে?
এটার উত্তর আমি দিবো না, উত্তর হবে এক শাইখার নসীহা কেন্দ্রীক - "ঘরের কাজ ছেলেকে দিয়ে করিওনা এতে তার মধ্যে মেয়েলি স্বভাব রপ্ত হতে থাকবে।"

এই নসীহা শোনার পর আমি বিষয়টা নিয়ে অনেক ভাবি। তাহলে কি ছেলেকে ঘরের কাজ শেখাবোনা?
কখনো ঘরের মহিলারা অসুস্থ হলে অনেক পুরুষ সহযোগীতার মানসিকতা রাখেনা উল্টো বিরক্ত হয়, তাহলে নিজের সন্তানও এমন হলে? অন্যের মেয়ের অভিশাপের কারণ হবেনাতো?

আমি আমার ছেলেকে দিয়ে অবজার্ভ করার চেষ্টা করি। কন্টিনিউসলি যতদিন ওকে শাক বাছা থেকে ঘরের অন্যান্য কাজ করিয়েছি আমিও ফিল করেছি তার ইন্টারেস্ট ঘরের কাজের প্রতি বাড়ছিলো। আবার না করালেও দেখি সে মেয়েদের কাজকে অসম্মান করতো। ঘরের কাজ তেমন কষ্ট না, পুরুষরা একা কষ্ট করে বাণীতে বিশ্বাস করতো।

পরবর্তীতে আমি শাইখার নসীহা এবং ছেলেদের ঘরোয়া ট্রেনিং বিষয়ে অনেক ভেবে ব্যালেন্স করেছি। আমার বড় ছেলের এখন ৭ বছর রানিং, আমার ব্যালেন্স করা চিন্তা আমি দীর্ঘদিনএপ্লাই করে দুটো জিনিসের বেশ সুরহা করতে পেরেছি। সবার বাচ্চা এক না, তাই মায়েদের বুঝেশুনে এগোতে হবে। আমি কেবল আমার বাচ্চার বিষয়ে যেই বিষয় ব্যালেন্স করেছি সেটা শেয়ার করছি -

প্রথমত ঘরোয়া কাজ শেখানো আর করানোর পার্থক্য বুঝতে হবে। আমি ছেলেকে সব শেখাবো তবে রেগুলার সব করাবোনা। আমি শেখাবো তাকে বোঝাতে ঘরের কাজেও কষ্ট রয়েছে। কতটা সময় আর শ্রম নিয়ে মেয়েরা ঘরকে শান্তির নীড় করে এটা বোঝাবো। সে মোটামুটি শিখে গেলে সব কাজ আমি তাকে রেগুলার করাবোনা। যতক্ষণ আমি কাজ করতে সক্ষম কথায় কথায় ছেলেকে অর্ডার করবোনা। যখন আমি সময় পাচ্ছিনা অথবা অসুস্থ তখন করাবো।
যেমন, আমার ছেলে একটু ছোট বয়স থেকে ঘর ঝাড়ু দিতো আমিও করাতাম। এখন যেহেতু একটু বড় মোটামুটি ঝাড়ু দিতে শিখে গেছে এখন সে নিজে থেকে ঘর ঝাড়ু দিতে চাইলে আমি নিষেধ করি। বলি, এটা তোমার কাজ না আমি করছি। আমার সাহায্য লাগলে জানাবো।

তারমানে এটাও না ছেলেকে প্রতিদিন কোনো কাজই করাবোনা। সাংসারিক কাজগুলো আমার হলেও প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত কিছু কাজ থাকে সেগুলো অবশ্যই ছেলে হোক মেয়ে হোক যার যার কাজ নিজের করা উচিত।

ছেলের সব কাজ আমি করলে ভবিষ্যতে ছেলে বউর গালি আমার খাওয়া লাগবে।
স্ত্রী স্বামীর খিদমত করা মানে এটা নয়, স্বামী বাইরে থেকে এসে জুতা কোথাও ছুড়ে মারবে, ফ্রেশ না হয়ে বিছানায় লুটিয়ে পড়বে, একটা কাপড় নিতে গিয়ে পাঁচটা এলোমেলো করে ফ্লোরে ছিটিয়ে রাখবে। খাবার খেয়ে ময়লা যেখানে সেখানে ফেলে রাখবে। ওয়াশরুম/বেসিন ইউজ করলে ম্যাসি করে রাখবে।

এজন্য ব্যাসিক কাজগুলো আমি ছেলেকে দিয়ে রেগুলার করাই। যদিও মাঝে মাঝে করেনা তবুও তাগিদ দিতে থাকি। এই বয়সে তাকে আমি যেগুলো করানোর চেষ্টা করি -

১। স্কুল থেকে এসে জুতাসহ ঘরে ঢোকা যাবেনা। জুতা হাতে নিয়ে বাইরে ঝেড়ে যথাস্থানে রাখা। স্কুলের ব্যাগ জায়গামত রাখবে, ড্রেস চেঞ্জ করবে, ফ্রেশ হবে তারপর রেস্ট নিতে পারবে।

২। তার বুক শেলফ তাকেই গোছাতে হবে এটা আমি করবোনা। ডিপ ক্লিনও সে করে।
দুএকবার দেখিয়ে দেই কোনটা কোথায় রাখলে ঠিক হবে এতোটুকি।

৩। খাবার খাওয়ার পর প্যাকেট যেখানে সেখানে ফেলা যাবেনা অবশ্যই ডাস্টবিনে রাখতে হবে এই রুলস ছোট ছেলের জন্যও।

৪। কাপড় শুকানোর পর তার কাপড় আমি রাখিনা। আমাদেরটা রাখি, তার টা তাকে রাখতে দেই। এবার ভাজ পারুক না পারুক নিজের কাপড় নিজের ড্রয়ারে রাখে।

৫। পানির বোতল ফিল্টার টু ফ্রিজ করার দায়িত্ব তার। মাঝে মাঝে কাপড় আনাই, গাছে পানি দেওয়াই। কজ আমি যখন তখন বেলকনিতে যেতে পারবোনা নিকাব করা লাগে। কর্লিং বাজলে জিজ্ঞেস করে গেইট খোলার দায়িত্বও তার, ভয়েজ না চিনলে তখন আমি যাই।

৬। নিজেদের খেলনা সবসময় নিজেদেরই গোছাতে হবে। সুতরাং এলোমেলো করো সমস্যা নেই। খেলে ভাইকে সাথে নিয়ে গোছাবে।

মোটামুটি এগুলো তাকে রেগুলার করাই। এর বাইরের সাংসারিক কাজ বয়সভেদে শিখাচ্ছি তবে করতে আসলে করতে দেইনা।
আমি তাকে বোঝাই, তুমি পুরুষ তোমার জগত বাহিরে। শুধু ঘরোয়া কাজের চিন্তা তোমার পুরুষ সত্ত্বাকে ঢেকে দিবে। আমি চাইনা তুমি ঘরের কাজ সামলাবে আর তোমার উপর যাদের জিম্মাদারি রয়েছে তারা বাইরের কথা চিন্তা করবে। তোমার গাইরত হবে, তোমার জীবদ্দশায় কোনো মাহরাম জীবিকার দিকে হাঁটবেনা। তুমি সিংহের মতো বিচরণ করো, বিড়াল নিয়ে খেলার সময় তোমার নেই। ময়দানে বীরেরা খেলে তরোয়ারি নিয়ে, বাঁচতে হলে সেভাবেই বাঁচো।

আমি চাই গৃহিনীদের অক্ষমতা আসলে তুমি ঘরে সাহায্য করার মানসিকতা রাখবে। মেয়েদের কাজকে ছোট করে দেখবেনা। এতোটুক সহানুভূতি দেখিয়ে ব্যস তোমার জগতে তুমি পাড়ি দেও। তুমি বাইরে লড়ো, তোমাকে কেউ আঘাত দিলে মাইর খেয়ে এসোনা। ভুল করলে ক্ষমা করো, রিপিট করলে তুমিও মারো। তোমাকে কেউ ফাঁসালে মেয়েদের মতো ভেঙ্গে পড়োনা, রুখে দাঁড়াও। সাহসীকতার সাথে সৎ পথে নিজেকে প্রমাণ করো। তোমার মাহরামদের কেউ অসম্মানের দৃষ্টি দিলে তার চোখ উপ্রে ফেলো। তুমি কাঁদবেনা, কান্না তোমার সিফাত না। তুমি আবেগ দিয়ে বিচার করবেনা, তুমি বিবেক দিয়ে বিচার করবে, বিচক্ষণ হবে।

এই সবগুলো বিষয় একদিনে বলিনা, আস্তে আস্তে বপনের চেষ্টা করছি। আমি বলছিনা আমি সফল, আমি বারবার বলছি চেষ্টা করছি। মা হিসাবে আমার অনেক দূর্বলতা রয়েছে, আমি আদর্শ মা নই। আমি জানি নবীর সন্তানও পথ ভ্রষ্ট হয়েছে, সবই আল্লাহর হিকমাহ। সুতরাং আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে, সন্তানের জন্য বাবা মাকে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো থেকে আমি ভীষণভাবে পানাহ চাই।

03/07/2025

রাস্তায় কিংবা বাড়ির পাশের লাবণ্যময়ী, পরিপাটি মেয়ে দেখলে যদি আরেকবার তাকাতে মন চায়, নিজের বউকে অসুন্দর মনে হয় তাহলে একটু ভেবে দেখবেন,আপনিই হয়তো আপনার বউকে সেভাবে রাখতে পারেননি।পুরনো জীর্ণ কাপড়ের চাইতে নতুন কাপড়ে যতটা সুন্দর লাগে, অলংকার নারীর সৌন্দর্য আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।আর যত্নের অভাবে চেহারার লাবণ্যতা ফিকে হয়ে যায়।স্কিন কেয়ার,হেয়ার কেয়ার প্রডাক্ট কিনতেও নির্দিষ্ট একটা এমাউন্ট লাগে।এসব ছাড়া তো ঝকঝকে ত্বক,ঝলমলে চুল সম্ভব না।

আপনি যখন বিয়ে করেছেন তখন নিশ্চয়ই আপনার বউ এরকম ছিল না। সংসার, সন্তান সামলাতে গিয়েই হয়তো নিজের যত্ন নেয়ার সময় পায় না।আপনার সামর্থ্যের কথা চিন্তা করেই হয়তো মাসে মাসে নতুন পোশাক আবদার করে না।ময়েশ্চারাইজার,সানস্ক্রিন, শ্যাম্পু শেষ হয়ে গেলেও সাথে সাথে বলে না।

রান্নায় মশলা ঠিকঠাক মত না হলে,সব মশলা ব্যবহার না করলে যেমন দেখতেও সুন্দর লাগে না,তেমন খেতেও স্বাদ হয়না।তাহলে যত্নের অভাব,ভালো পোশাকের অভাবেও তো একটা মেয়েকে মলিন লাগা স্বাভাবিক।

পরনারীর যে পরিপাটি,সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে বউকে অসুন্দর ভাবছেন,যত্নের অভাবে আপনার বউয়ের মত তাকেও মলিন লাগবে।একটা নারীর সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য নির্ভর করে তার স্বামী তাকে কিভাবে রেখেছে সেটার ওপর।

অন্য নারীর দিকে নজর না দিয়ে, বউয়ের যত্ন করেন,সামর্থ্যের মধ্যে ভালো পোশাক কিনে দেন,খাবারের খেয়াল রাখেন।দেখবেন আপনার বউও সৌন্দর্যের দিক দিয়ে কারো থেকে কোনো অংশে কম নয়।মনে রাখবেন,বউয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সোওয়াব আর পরনারীর দিকে তাকালে গুনাহ।

02/07/2025

বৃদ্ধ মা বাবার উচিত না বেঁচে থাকতেই সব সম্পত্তি ছেলেকে বা সন্তানদের কে দিয়ে দেয়া। এমন ভাবে ব্যাবস্থা করে যাবেন যাতে মৃত্যুর পর নিতে পারে কোনো বন্টন জটিলতা না হয়।

বৃদ্ধ মা, কবর কে ভয় করবেন, কোন এক সন্তান কে সব দিয়ে আপনার কবর নষ্ট করবেন না। এক সন্তান সব নিয়ে মা কে পথে বসিয়ে দেয়। অন্য সন্তান রা মুখ ফিরিয়ে রাখে। খুব কম কলিজা বড় সন্তান আছে মা কে সম্পত্তির ভাগ ছাড়াও selfishness বাদ দিয়ে দেখে যেতে থাকে। মা, মরে যাবেন তাও দিয়েন না।

Do not trust anyone blindly when you have money
Do not trust no one blindly when you have no money

Truth has power of its own it is always comes out

সত্য হচ্ছে ফোঁড়ার শেষ অংশটার মত শুধু এক্টা সুই ফুটাতে যা সময় লাগে, ফোঁড়া পাকতে যা সময় লাগে এরপর গলগল করে যা বের হয় তা বেশ দূর্গন্ধ কিন্তু সব বেরিয়ে যাবার পর ব্যাথা কমে যায়। পরিবারে এরকম অনেক ফোঁড়া থাকে ফাটার অপেক্ষায়।

karma has no deadline eventually what goes around comes around
তুমি যদি খারাপ কর খারাপ টাই আসবে ফিরে আসবেই

তুমি যদি ভালো কর ভালোটাই আসবে। ফিরে আসবেই

যারা সম্পত্তি থেকে বা মা বাবার সুবিচার পান নি দেখুন তো আল্লাহ আপনাকে অন্যদিকে ভালোবাসায় ডুবিয়ে রেখেছে কিনা?

যারা সময়ের তোড়ে মানুষকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন দেখুন তো সবদিকে হাহাকার কিনা?

02/07/2025

ছোটবেলায় দেখতাম, আম্মু আমাদের ছয় ভাইবোনের এটো খাবার খেয়ে নিতেন,শুধু যেন খাবারের অপচয় না হয়। অথচ ঘরে খাবারের কখনোই অভাব ছিল না। কিন্তু আম্মু ছিলেন অপচয়ের ঘোর বিরোধী।
তিনি বিশ্বাস করতেন, “এক টুকরো ভাতও না ফেলে দিলে আল্লাহ খুশি হন।”

এটো খাবার খাওয়ার পর আর অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছা থাকে না..

আমরা যখন বড় হতে থাকলাম, বুঝতে শিখলাম স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা.... তখন প্রায়ই আম্মুকে বুঝাতাম, “এই এটো খাবার খেয়ো না, ফ্রেশ করে সাজিয়ে খাও। তুমি তো চাইলে সবার আগে খেতে পারো!” কিন্তু দীর্ঘদিনের অভ্যাস থেকে আম্মু আর বের হতে পারলেন না।

তারপর একসময় শরীর বলল না। অপুষ্টি থেকে একের পর এক রোগ বাসা বাঁধল।
যে খাবার অপচয় বাঁচাতে তিনি টাকাপয়সা বাঁচাতেন, সেই টাকার দ্বিগুণ খরচ হচ্ছে এখন তাঁর চিকিৎসায়।
সাথে আছে শারীরিক কষ্ট আর নীরব ভোগান্তি।

আজ আমি নিজেও তিন সন্তানের মা।
কিন্তু আমি আম্মুর মতো সব উজাড় করে দেওয়া ‘আত্মত্যাগী মা’ নই।
আমি বিশ্বাস করি, সবার আগে আমি যদি ভালো না থাকি, তাহলে আমার কেউই ভালো থাকবে না।
তাই আমি নিজের যত্ন নিই, ভালো খাবার, ভালো জামাকাপড়, মানসিক প্রশান্তি.....সন্তানদের যেমন দিই, নিজেকেও তেমন দিই।

আমি আমার আম্মুর মতো নিজের সবকিছু বিসর্জন দিতে চাই না।
কারণ আমি বুঝেছি, একজন মা যদি নিজেকে হারিয়ে ফেলেন, তাহলে এক সময় তার কিছুই আর দেবার মতো থাকে না।
আমি চাই আমার সন্তানরা আমাকে শুধু ত্যাগী মা নয়, একজন সুখী, সুস্থ ও সচেতন মানুষ হিসেবেও দেখুক।

আমার থিওরী খুব সহজ:
নিজেকে ভালোবাসাই হলো অন্যদের ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

কালেক্টেড

02/07/2025

যা বলতে পারিনি মুখ ফুটে,অন্তরে রয়ে গেছে,দুআতে উচ্চারণ করতে পারিনি তবু হৃদয় চেয়েছে,চোখে পানি এসেছে-তার সবটুকুই তিনি জানেন… সমস্ত কথা আসমানে পাঠানো হয়ে যায়। সেই কথামালা কবুল হবার অপেক্ষাই হয়ত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম অপেক্ষা।
এবং অপেক্ষার চেয়ে ভয়ংকর সুন্দর জিনিস এ দুনিয়ায় হয়ত আর নেই!
আমরা কতকিছুর জন্যই না অপেক্ষা করি! একটি দুআ কবুলের-একটি সুন্দর সময়ের-প্রিয় কোনো মানুষের..

28/06/2025

পরিবারের বিশ্রী পলিটিক্সের স্বীকার হচ্ছেন?
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেসি মাইন্ড গেইম খেলা করেন বাবা মায়েরা।অথচ এই সমাজ সর্বদা সন্তান কে অপরাধী বানায়। বাবা মায়ের বয়স হয়েছে মানে উনারা যেটা বলবেন বা করবেন সেটাই ১০০% সত্য।তারাও ভুল করেন বা করতে পারেন এটা মানতে চাইনা।সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট , ভার্বাল এ‍্যাবইউজমেন্ট বাজে ব‍্যবহার , ইমোশনালি হ‍্যারেজ হচ্ছেন , মাইন্ড গেইম এসব কিছুর মধ‍্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিবাদ করলেই আপনি খারাপ।
বাবা মা খুব ভাল করে জানেন কোন সন্তানের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া যায় আর কাকে তোষামোদ করে চলতে হয়।মানুষ ৬০ বছর বয়সে বুঝতে পারে জীবনে সত্যিকারে সম্পর্ক কোনটা ছিল।সৌভাগ্যক্রমে অনেকেই যৌবন পেরুতেই সেই সম্পর্ক বুঝতে পারে।হাজারো সন্তান জীবনের সবটুকু সঞ্চয় বাবা মায়ের হাতে দিয়ে সার্টিফিকেট পায় কিছুই করোনা আবার অনেক সন্তান কিছু না করেও সেরা সন্তানের সার্টিফিকেট অর্জন করে।অনেক সময় এক সন্তান কে সামনে রেখে মানুষের কাছে গল্প বলবে আমার অমোক সন্তান এটা করে ওটা করে। এই সেই বহু সুনাম।আর যে সামনে দাঁড়িয়ে থাকে তাকেও একটু ছোট করতে দ্বিধা করেনা। মানে তাকে অন্যের থেকে একটু হলেও ছোট করে রাখতে হবে।আর সেই মানুষটা নিরবে এগুলো সয্য করতে করতে একদিন দূরত্বের সীমান্ত পেরুতে থাকে।
যাদের সাথে এইগুলো হয় শুধু তারাই এটার ভুক্তভোগী।প্রতিবাদ করলেই তুমি খারাপ।
আল্লাহাতালার পরেই পৃথিবীতে মা বাবার সার্পোট নিয়ে সন্তান পথচলে।বাবা মা যখন শত্রু হয় তখন পথচলা সহজ হলেও হৃদয় টা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। আর ক্ষত-বিক্ষত হৃদয় নিয়ে পুরোপুরি শ্রদ্ধা আসেনা।দুনিয়ার সবার কাছে নির্বিশেষে যে ভালো সে পজেটিভ পারসন নয় , সে হিপোক্রেট।
আমার জীবন থেকে শিখেছি পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পর্ক স্বামী স্ত্রী। বাকি সব মিথ্যা।যে একজন সঠিক মানুষ পাইনা তার কপাল পোড়া।যে সঠিক জীবন সঙ্গী পেয়েছে তার বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে আর কারোর প্রোয়জন হয়না🥰

25/06/2025

ইদানিং এ আই দিয়ে হুবহু মানুষের চরিত্র তৈরি করিয়ে, তাদেরকে দিয়ে বলানো হচ্ছে, আমাকে অমুক ভাই তৈরি করেছে, আমাকে তমুক ভাই সৃষ্টি করেছে। আপনারা কি বুঝতে পারছেন, ভাইকে ক্রিয়েটর বানিয়ে, শির্ক কে নরমালাইজ করা হচ্ছে?

24/06/2025

আমি যখন তাকে ভালোবাসতে শুরু করি, একে একে আমি তার সেই কানে পরিণত হই, যে কান দিয়ে সে শোনে। সেই চোখে পরিণত হই, যে চোখ দিয়ে সে দেখে। সেই হাতে পরিণত হই, যা দিয়ে সে স্পর্শ করে। সেই পায়ে পরিণত হই, যে পা দিয়ে সে হাঁটে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, আমি সেটা তাকে দিয়ে দিই। আমার কাছে যদি সে আশ্রয় চায়, আমি তাকে আশ্রয় দিই |

এই হলো আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা, যে ভালোবাসার সাথে কোনো ভালোবাসার তুলনা হয় না। আল্লাহর ভালোবাসার সাথে থাকে অঢেল দান, যে দানের কোনো পরিমাপ করা যায় না। মানুষ যখন আল্লাহ তাআলাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারে, তখন আল্লাহ তাআলা তাকে ভালোবাসার চাদর দিয়ে জড়িয়ে রাখেন।

(উল্লিখিত অংশটি ‘গল্প নয়, একমুঠো আলো ’ বই থেকে নেওয়া।)

24/06/2025

মায়েরা রিকশা, অটো, সিএনজিতে ওঠা নামার সময় সতর্ক থাকবেন প্লিজ! এক আপুর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা:

"আমি আর আমার ৬ বছরের মেয়ে অটো রিকশায় করে যাচ্ছিলাম, গন্তব্যে পৌঁছে ভাড়া দিয়ে আমি আগে নামলাম, নামলাম বলতে এক পা তখনো রিকশায়, এক হাতে আমার বাচ্চাকে ধরে আছি -ও তখনো নামেনি।

ঠিক সেই মুহূর্তেই অটো রিকশাচালক আচমকা রিকশা টান দেয়! আমি চিৎকার করি, "থামেন! থামেন! আমার বাচ্চা নামেনি!" কিন্তু সে থামেনি… পেছন ঘুরে ২ সেকেন্ড দেখে আবার টান দেয়।

আমার মেয়ে কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি
ও তখন কিছু না বুঝেই লাফ দিয়ে দেয় ,ও হয়তো ওই মুহূর্তে বুঝতেছিলো লাফ দিলে ঠিক আমার মা আমাকে ধরে ফেলবে ,
আমি ওকে ধরে ফেলি ঠিকি

তবে আমি তখন ওরে শক্ত করে জড়ায় ধরে কাপতেছিলাম । আমার মেয়েও আমাকে শক্ত করে খামচি দিয়ে চোখ বন্ধ করে সর্বশক্তি দিয়ে ধরে রাখছে । এমন ভাবে ধরে ও যখন খুব বেশি ভয় পায় ।

আল্লাহ রহমতে বড় কিছু হয়নি , হাতে টান খেয়েছে আর অল্পই ব্যাথা পেয়েছে । কিন্তু এই কয়েক সেকেন্ডের ভিতরে যা ঘটেছে, আমি এবং আমার মেয়ে দুজনেই ট্রমাটাইজড হয়ে গিয়েছিলাম। দুইজনেই কান্না করছি।

আগে জানতাম রাস্তায় বিপদে পরলে হয়তো আশেপাশের মানুষ এগিয়ে আসে হেল্প করার জন্য , কিন্তু আমার ভুল ভেংগে গেছে...
এই শহরে আসলে বিপদে পড়লে সাহায্যের বদলে শুধু তাকিয়ে থাকার লোকই বেশি।

চারপাশে এতো মানুষজন অথচ কেউ রিকশাওয়ালাকে থামানোর চেষ্টা করেনি।
আমি চিল্লায়া বলতেছিলাম, “কেউ ধরেন ওরে! কেউ ধরেন"

জানো য়ারের বাচ্চাটা ১ টা সেকেন্ড এর জন্যও দাড়ায় নাই। ঘাড় ঘুরায়া যখন দেখছে আমার বাচ্চাটা রিক্সায় এখনো ওর তো থামা উচিত ছিলো । উল্টা আরো জোড়ে টান দিছে ।

মানুষ চারপাশে ভিড় করলো।
কেউ এসে বলতেছে ,"আপনার মেয়ের তো অনেক বুদ্ধি! ও কেমন বুদ্ধি করে লাফ দিয়ে দিছে " তারা আমার মেয়ে কতটা সাহসী, কেমন বুদ্ধি এসব শোনাচ্ছে। কেউ কেউ সান্ত্বনা দিতেছে যে বড় কিছু হয় নাই থাক ভয় পাইয়েন না ব্লা ব্লা ব্লা ।
অবশ্য এসব বলেও লাভ নাই রাস্তায় কেউ কাউকে হেল্প করবে না স্বাভাবিক ।

আমার সাথে যেটা হয়েছে সেটাতো হয়েই গেছে , এখন আমি এসব লিখছি কারণ বিষয়টা আমার সঙ্গে ঘটেছে, আর কারো সাথে যে ঘটবেনা এমন নয় । সবাই সচেতন থাকবেন বিশেষ করে মেয়ারা এবং যারা বাচ্চাদের নিয়ে রিক্সায় যাতায়াত করবেন । কার মনে কি খারাপ উদ্দেশ্যে থাকে বলা যায়না ।

বিশ্বাস করবেন নাকি জানিনা আমার কয়েক মুহূর্তের জন্য পুরা দুনিয়া অন্ধকার হয়ে গেছিলো । ভাবলেও ভয় লাগে । আল্লাহ না করুক অনেক কিছুই হইতে পারতো । লিখতে লিখতে কয়েকবার আমি আমার মেয়েকে জড়ায়া ধরলাম। মনে হচ্ছিলো কেউ বুঝি আমার থেকে আমার প্রাণটা ধরে টান মারছে।"
কালেক্টেড

22/06/2025

আমার জীবনে সব থেকে বেশি যেইটা matter করে সেইটা হলো "form of priority", এই জিনিসে আমি এক সুতা পরিমান ছাড় দেই না। আমার vibe match করা কঠিন কিছু না, যেই পরিমান energy কিংবা effort আমি একজন মানুষকে দিবো আমি ঠিক সেই রকম energy কিংবা effort বিনিময়ে আশা করি। এর ব্যাতিক্রম হলে, আমি সেখানে থাকবো না.!🫶🏻
'প্রায়োরিটি' জিনিস টা 'ভিক্ষা' করে চেয়ে নেওয়ার মতো জিনিস না! 'তুমি আমাকে প্রায়োরিটি দাও না কেনো?' টাইপের অভিযোগ করে লাভ নাই! অভিযোগ করে কেউ কোনোদিন প্রায়োরিটি পায় নাই!

প্রায়োরিটি জিনিস টা মন থেকে আসে! আপনাকে যে প্রায়োরিটি দিবে, সে আপনাকে মাথায় তুলে রাখবে! আপনি দেখবেন সে গোটা দুনিয়া আপনার পায়ের কাছে এনে হাজির করে রাখছে!

Remember - "Efforts and priority matters
more than expensive gifts and fake promises" 💗

Address

Chattogram
Chittagong
4100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শব্দে ছোঁয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share