Bibi ummy fatema

Bibi ummy fatema Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bibi ummy fatema, Home decor, agrabad, chottogram, Chittagong.

তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা "পাসাং মারা", মাত্রই শেষ করলাম । বিশ্বাস অবিশ্বাস বিজ্ঞান তর্ক যুক্তি পরিবেশের ভয়ঙ্কর রূ...
10/06/2026

তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা "পাসাং মারা", মাত্রই শেষ করলাম । বিশ্বাস অবিশ্বাস বিজ্ঞান তর্ক যুক্তি পরিবেশের ভয়ঙ্কর রূপ সব মিলিয়ে আমি একদম অন্য একটা জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম ।
পাসাং মারা' হলো প্রখ্যাত বাঙালি লেখক তারাচাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায় (তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়) রচিত 'তারানাথ তান্ত্রিক' সিরিজের একটি বিখ্যাত ভৌতিক ও রোমাঞ্চকর গল্প।গল্পটি মূলত অলৌকিক এক উপদেবতার ভয়ংকর রূপ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে। 'পাসাং মারা' হলো এমন এক পাহাড় বা উপদেবতার এলাকা, যেখানে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলে অনুপ্রবেশকারীর পরিণতি হয় মর্মান্তিক। সেখানে অদ্ভুত সুর বা গান শোনা যায়, এরপর পাহাড় থেকে পাহাড়ে প্রতিধ্বনি হতে থাকে, পাহাড়গুলো দিন দিন মানুষের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে এবং একসময় অনুপ্রবেশকারীকে একেবারে পিষে বা চেপে মেরে ফেলে।
"দেবদর্শন" উপন্যাসের পরে তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি একজন পাঠক হিসেবে আমার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল "অমর জীবন" বা "মৃত্যুঞ্জয় "চরিত্রের আবির্ভাবে তা চমৎকারভাবে পূরণ হয়েছে বলে আমি মনে করি ।
গল্পটা শেষ করার পরেও আমার মনে অনেকগুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে ।।।
১. গল্পে জঙ্গলে তারানাথ কে স্মরণ করার পর সে কি আসলেই উপস্থিত হয়েছিল সেদিন বিহার উড়িষ্যার প্রান্তবিন্দুতে ভয় আর রহস্যে ঘেরা সেই জঙ্গলে ?? কেননা বাই লোকেশন একজন মানুষ একসঙ্গে দুটি স্থানে কখনোই উপস্থিত হতে পারেনা ।

২. গল্পে অমর জীবন বা মৃত্যুঞ্জয় আসলে কে?? কোন সময় ? কোন দেবদূত? বা কোন মানুষ কি তার পরিচয়?

৩. আমাদের জীবন চক্রেও কি এরকম কোন মৃত্যুঞ্জয় আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ??

৪. জঙ্গলে হাঁটতে হাঁটতে সেই পাষাং মারার সুর যখন গল্প কথক শুনতে পাচ্ছিল , এগুলো যদি আদিবাসী কুলিরা না গেয়ে থাকে তবে কারা গাইছিল সেদিন ?? পাষাং মারার অনুচররা?? তবে তারা তো অন্ধকারের কালছায়া তারা কি করে গান গাইবে ??

৫. মানুষকে আদেতেও কোন সুর একবার শুনে মুখস্থ করে ফেলতে পারে ?? তাও আবার এত কঠিন ,বিষাদগ্রস্ত, মনমরা সুর??

৬. সেদিন অমন ১০০ মনের পাথরটি কে কারাই বা ওই স্থান থেকে সরালো , আবার কারাই বা সেই একই স্থানে পাথরটিকে আনলো , দু চারজন মানুষের পক্ষে তো কখনোই এ কাজ সম্ভব না , আর ওই জন মানবহীন জঙ্গলে তখন পাঁচজন শহরের অপ টু মানুষ ছাড়া কেউ ছিল না ।

৭. সেদিন মৃত্যুঞ্জয় উপদেবতার কাছে কি এমন প্রার্থনা করেছিল যার কারণে সব এমন ঠান্ডা হয়ে গেল??

৮. আকাশ ছোঁয়া সেই বিশাল গাছটা কোথায় গেল?? একে তাহলে ডাইনিদের আসনের ঘটনা?? তাই যদি হবে তবে সে গোল গোল পাতাগুলো অসীম বাবু যখন নিজের কাছে লুকিয়ে রাখেন তা উধাও হয়ে যাবে কেন ??? অমন গোল গোল প্লেটের মতো পাতা কি আদেও কোন গাছের হয়??

৯. বুদ্ধ নারিকেল গাছের অস্তিত্ব আদেও কি পৃথিবীতে আছে?

‌‌ গল্পের একটা লাইন আমার কেন জানি খুব মাথায় গেঁথে গেছে -
‌ ‌‌" অন্ধকারে ভয় নেই
অন্ধকার যা ঢেকে রাখে তাতেই আসল ভয় "

এরকম হাজারটা প্রশ্ন আমার মাথায় রেখে শেষ হয়ে গেল "পাসাং মারা" প্রতিটা মুহূর্ত পরে কি হবে, পরে কি হবে ভাবতে ভাবতে সমগ্র গল্পটা একটানে শেষ করলাম । অমর জীবন কে নিয়ে আরও নতুন সিরিজের অপেক্ষায় আছি । তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিশাল ভক্ত আমি। পৌত্তলিক কাহিনীর আকর্ষণ তার লেখনীর মাধ্যমেই আমার মধ্যে এসেছে । বেশ কয়েকটি উপন্যাস পড়েছি, সানডে সাসপেন্স এ কম করে হলেও দশখানার বেশি উপন্যাস শুনেছি আমি তার ।
তার লেখার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অ্যাডভেঞ্চার এবং অশরীরী দুটোই একসাথে পাওয়া যায় । এবং গ্রাম বাংলার এমন নিপুন বর্ণনা তার গল্প ছাড়া আর কোথাও পাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি না । তার পিতামহ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনীতেও যেমন বাংলা , বাংলার গ্রাম, বাংলার মানুষ, একদম গভীরে গিয়ে বাংলাকে চেনা যেত , ঠিক তেমনি তারাদাস
বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখাতেও বাংলাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায় । তার বাবা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও একই ধারা বজায় রেখেছেন । তবে তার লেখা খুব একটা পড়া হয়নি ।

কলমে
বিবি উম্মে ফাতিমা

অসাধারণ কিছু বই হাতে এসেছে খুব দ্রুতই পড়া শেষ করে রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করব  ..........💗এই ধরনের বইগুলো পড়ে বুঝতে অনেকটা...
01/06/2026

অসাধারণ কিছু বই হাতে এসেছে খুব দ্রুতই পড়া শেষ করে রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করব ..........💗
এই ধরনের বইগুলো পড়ে বুঝতে অনেকটা সময় লাগে । এবং এগুলোর বিষয়বস্তু খুবই সেনসিটিভ । সুতরাং একটা একটা করে শেষ করে ভালোভাবে বুঝে তারপর রিভিউ দেওয়ার চেষ্টা করব ।🙂💗

আমি আজকে একটু অন্যরকম কিছু বলতে যাচ্ছি । বড্ড দোটনায় ছিলাম লিখব কি লিখব না। লেখাটা লিখে রেখেছিলাম গতকাল রাতে এবং আজকে স...
29/05/2026

আমি আজকে একটু অন্যরকম কিছু বলতে যাচ্ছি । বড্ড দোটনায় ছিলাম লিখব কি লিখব না। লেখাটা লিখে রেখেছিলাম গতকাল রাতে এবং আজকে সারাদিনে অনেকক্ষণ ভেবেছি লেখাটা পোস্ট করা উচিত কিনা তবে শেষমেষ লেখাটা দিয়ে দিচ্ছি ।

এই বইয়ের গল্প কেমন তা বলার আগে আমার মনে হয় গত দুদিনে আমার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু কথা বলা দরকার ।
২৪ তারিখ , রাত বেশ হয়েছে। আমি রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ফোনে হাবিজাবি রিলস দেখে ঘুমাতে যাই । এবং মাঝরাতে অদ্ভূত কিছু দৃশ্য দেখতে শুরু করি ।এবং কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারি স্বপ্ন গুলো অদ্ভুত থেকে ধীরে ধীরে ভয়ংকর হয়ে উঠছে। একপর্যায়ে প্রচন্ড ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠে পরি।আম্মাও পাশ থেকে ধরফর করে উঠে পরেন ।কী হয়েছে অনেক বার জিজ্ঞেস করলেও আমি কিছু বলতে পারতেছিলাম না ভয়ে । কোনোভাবে শান্ত হয়ে সেই রাতে ঘুমালাম।আম্মা দোয়া কালাম পরে আমাকে ঘুম পরালেন । এবং পরদিন সকালবেলা আমি অনেক মনে করার চেষ্টা করল আসলে কি দেখছিলাম স্বপ্নে সেটা কোনভাবে মনে করতে পারতেছিলাম না এবং এটা নিয়ে এত মাথা ঘামায় নেই কারণ আমি কখনোই স্বপ্ন মনে রাখতে পারি না ।
পরের রাত , ২৫ তারিখ
আজ আমি দোয়া কালাম পরে ঘুমাতে যাই । তবে আজকের স্বপ্নটা কতটা বিভৎস বর্ণনা দিচ্ছি,,, (যতটুকু মনে আছে,আগেই বলেছি স্বপ্ন মনে রাখতে পারি না)
আমি দেখলাম আমি কোনো এক অজ্ঞাত কারণে আমাদের বাসার অনেকটা সামনে একটা দোকান আছে সেখানে দাঁড়িয়ে আছি শুধু আমি নই আমাদের এখানের বেশ কয়েকজন এবং একটা জায়গা থেকে ধোয়া আসছে এবং প্রচন্ড বিশ্রী একটা গন্ধ । এবং রাস্তার পাশে কিছু কুকুরের লাশ পড়া । প্রচন্ড গন্ধে থাকতে না পেরে বাসায় যেতে চাচ্ছিলাম কিছুদূর যাওয়ার পর দেখি আমাদের বাসার কিছুটা সামনে কোথা থেকে জানি কয়েকজন লোক অনেকগুলো কুকুর নিয়ে আসছে এবং দুটো কাঠের মাঝখানে রেখে পোড়াচ্ছে মেরে ফেলছে । প্রত্যেকটা কুকুরের চোখের মনি হলুদ এবং লাল । এই স্বপ্নটা যখন দেখছিলাম এত বীভৎস এবং বাকি আমার আর কিছুই মনে নেই ।

তবে এবার ঘুম ভাঙছিল ফজরের নামাজের সময় আম্মুর ডাকে । উঠে কান্না করতে শুরু করলাম আম্মু কোনভাবে আমাকে শান্ত করল ‌। নামাজ পড়ে তারপর ঘুমাইছি। পরদিন কলেজ গেছি কলেজ থেকে আসার সময় আমার দুইটা ফ্রেন্ড ছিল আমার সাথে । আসার টাইমে আমার আর একটা ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা হইল । তো দেখতেছিলাম যে ও রাস্তায় বসে একটা বই পড়তেছে । রাস্তা বলতে সিজি এস কলোনির ওখানে বসার জন্য জায়গা আছে মোটামুটি ওইখানে বসে পড়তে ছিল । সেদিন কলেজ ১২ টায় ছুটি দিয়েছে এমনি আমাদের কলেজ দুইটাই ছুটি দেয় । তো ওর বইটা দেখে আমার খুব ইন্টারেস্ট থাকলো আমি বইটা নিলাম ।বরাবরই আমি বইপ্রেমি প্রচন্ড বই পড়ি। নাম ছিল "শিল্পী আমি আকে সে" কেমন গল্প হবে কোন ধারণা ছিল না । ওর থেকে বই টা আনছিলাম ঠিকই কিন্তু বইটা সেদিন আর পড়া হয়নি । কোচিং ছিল আসার পরে ক্লান্ত থাকায় ঘুমিয়ে গেছিলাম সেদিন রাতে এবং সৌভাগ্যবশত আল্লাহর রহমতে সেদিন কোন ভয়ংকর স্বপ্ন আমি দেখি নাই । দোয়া কালাম পড়ে ঘুমাই ছিলাম । এতক্ষণ ২৬ তারিখের কথা বলছিলাম । ২৭ তারিখ সকাল বেলা অর্থাৎ আজকে কলেজ যাই নাই শরীর খারাপ ছিল মোটামুটি তো ঘুম থেকে উঠছি প্রায় সকাল দশটা নাগাদ উঠে ফ্রেশ হইলাম আম্মা অফিসে গেল খাবারটাবার খাইলাম । ব্যাগ থেকে বইটা বের করে পড়তে বসলাম প্রথম প্রথম ভাবলাম এটা কোন থ্রিলার গল্প হবে হয়তো কোন মার্ডার কেসের। তবে গল্পটা এত বিভৎস এত বিভৎস। কল্পনার বাইরে পুরো গল্প পড়ার মত সাহস ছিল না অর্ধেক পরে অনেকটা ভয় পাইছিলাম বাসায় একা ছিলাম তাই আর পড়ি নাই। কোনভাবে টাইমপাস করলাম বিকেলে কোচিং করে বাসায় আসলাম কিন্তু বইটা পড়ার একটা অদ্ভুত নেশা জেগে উঠছিল । বাসায় আম্মু থাকে বইটা আবার পড়া শুরু করলাম । পুরোটা শেষ করছি ।
পুরো গল্পটায় আমি জানিনা লেখক আসলে কিভাবে গল্পটা লিখছে আমি এর আগে অনেক এরকম গল্প পড়েছি মূলত এটি হল একটি নাস্তিক বা শয়তান পূজা এই ধরনের একটা গল্প । আমি এর আগেও পড়ছি যেখানে আস্তিকএবং নাস্তিকের একটা বিশ্বাস অবিশ্বাসের যুদ্ধ । শুভ এবং অশুভের ফারাক আমি এই রিলেটেড গল্প গুলো অনেক পড়ছি । আগেই বলছি আমি বইপ্রেমী । আমার কালেকশনে সাইন্স ফিকশন, সার্ভাইবাল , বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, প্রেম রিলেটেড উপন্যাস অনেক গল্প আছে এবং আমি রাজনীতি নিয়েও বই পড়ছি কিন্তু আজকের বইটার সাথে আমার গত দুই দিনের বিভৎস স্বপ্নগুলোর কোথায় যেন একটা মিল পেয়েছে কারণ জানিনা কোথায় কারণ এই বইয়ের কথা ও কুকুর মারা বা এই ধরনের কোন স্বপ্ন দেখা নেই কিন্তু আমার কেন জানি বারবার মনে হচ্ছিল এটা রিলেটেড। এই বইয়ের শেষ টায় শুভর জয় হয়েছে।
এটা মূলত শয়তান পূজারী একজন মানুষের জীবন কাহিনী যে কি না ধর্ম ত্যাগ করে শয়তানের পূজায় মত্ত হন । এবং তার সমগ্র জীবনে করা বিভিন্ন ভুল এই বইয়ে লেখা আছে যেটা তিনি শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে করেছিলেন। আসলে উনার জীবনের ড্রিম ছিল চিত্রশিল্পী হওয়া কিন্তু উনি কোনভাবে হতে পারছিলেন না উনার বাবা ও চিত্রশিল্পী হওয়ার পক্ষে ছিলেন না ওই সময়টা উনি ভুল পথে যান এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে অনেকগুলো খুন প্রায় ২৯৮ টি খুন করার পর এবং প্রায় ৪৭ থেকে ৪৮টি নৃশংস ধর্ষণ ও পাপাচার করার পর উনি রিয়েলাইজ করেন । এবং তিনি পুরোটাই করেন শয়তানকে তুষ্ট করার জন্য । তাদের ভাষায় শয়তানকে স্যাটান বলতেন তারা । আরো অনেক বৃহৎ কাহিনী এখানে পুরোটা বলা সম্ভব না। তাই সংক্ষেপে জাস্ট একটু বলে রাখলাম ।

গল্পের সাথে আমার স্বপ্নে কোন মিল নেই । হয়তো পরপর শেষ দুটো রাতে খারাপ কিছু দেখে আবার এরকম একটি বই পড়ার কারণে হয়তো আমার কাছে রিলেটেড মনে হয়েছে । নয়তো এই সবই আমার নিছক কল্পনা বা ভুল ধারণা ।
তবে কিছু একটা তো হবে।

আমি মহান আল্লাহকে বিশ্বাস করি এবং আল্লাহ কালাম এর সামনে কোন অশুভশক্তি খারাপ জিন বা যাই হোক তারা কিছুই করতে পারবে না বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস । হয়তো সবই আমার নিছক কল্পনা ছিল নতুবা আমি একটি গল্প লিখছি একটু অন্য রকমের সেগুলো চিন্তায় মাথায় সারাক্ষণ ঘোরে তাই হয়তো হয়েছে সবটা । তবে অভিজ্ঞতাগুলো আমার জন্য ভয়ংকর ছিল ।

আমার জন্য দোয়া করবেন সবাই।

গল্প টা পড়তে পারেন অন্যরকম একটা গল্প । প্রতিটা মুহূর্ত আপনাকে ভয় পাওয়াবে আমার বিশ্বাস ।

ছবিগুলো আজকে কোচিং এ গিয়ে এক ফ্রেন্ডের ফোন থেকে তুলেছি । তুলেছিলাম এমনি বইটার একটা ছবি রাখার জন্য কারণ আমি বইটা আমার একটা ফ্রেন্ড থেকে নিয়েছি । ভবিষ্যতে এই লেখকের আরো কিছু বই পড়ার ইচ্ছা রয়েছে। তাই মূলত ছবিগুলো তুলেছিলাম । এ লেখাটা ছারবো কিনা শিওর ছিলাম না ।তবে ছবিগুলো তুলে ভালই হল আপলোড দিতে পারলাম।

বিবি উম্মে ফাতিমা।

বরাবরই আমি খুবই নরম মনের একজন মানুষ । আমার সামনে কেউ একজন কান্না করলেও আমি খুবই ইমোশনাল হয়ে যাই । সেখানে পথের পাঁচালী প...
24/05/2026

বরাবরই আমি খুবই নরম মনের একজন মানুষ । আমার সামনে কেউ একজন কান্না করলেও আমি খুবই ইমোশনাল হয়ে যাই । সেখানে পথের পাঁচালী পড়ার পর আমার শুধু মনে হচ্ছিল পৃথিবী সবার জন্য একরকম না কেন ?? কেন মানুষকে শুধুমাত্র মনুষ্যত্বের পরিচয় বিচার করা হয় না? ধনী- গরিব ,টাকা- পয়সা, সাদা -কালো, এগুলো কেন এত ম্যাটার করে আমাদের লাইফে?? সমাজে কাউকে কেন শুধুমাত্র গরীব হওয়াতে অবহেলা শিকার হইতে হয় ?? এই ধরনের হাজারটা প্রশ্ন আমার মাথায় ঘুরতেছিল বই পড়া কালীন । অর্থের মানদন্ডের ভিত্তিতে কেন প্রতিবারই মনুষত্ব হেরে যায় ? কেন একটা ছোট বাচ্চাকেও বৈষম্যের শিকার হতে হয় , শৈশবের আনন্দ হারাতে হয় ?

বইটা পড়ার সুযোগ হয়েছিল বছর তিনেক আগে । আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি ।এরপরে আমি আরো দুবার পড়েছি বইটা । প্রতিবারই আমি শুধু নিজেকে প্রশ্ন করেছি আর চেষ্টা করেছি মানুষের সাইকোলজি বোঝার । সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা আমি রিয়েলাইজ করেছি বইটা পড়ে, আমাদের জীবনে কেউই টেকেন ফর গ্রান্টেড না । যাদের তুলনামূলক টাকা পয়সা একটু বেশি যারা আমাদের সমাজে উচ্চবিত্ত তাদের যে ব্যবহার সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষদের প্রতি এটা আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিছে । আমি কান্না করছি বইটা পড়ার সময় এত ইমোশনাল হইছি বইটা পড়ার সময় আমি ।এবং সবার সাথে আমার ব্যবহার যথেষ্ট পরিবর্তনের চেষ্টা করেছি । আমি শুধু চিন্তা করতাম আমার ছোট কথায় ওই মানুষটা কেমন রিয়েলাইজ করে । তখন বয়সটা আরেকটু কম ছিল যখন আমি বইটা পড়ি । ইমোশন টাও তখন আরো অনেক বেশি ছিল। তবে আমি মনে করি বইটা পড়ার পর আমার ইমোশনটা ভালো জায়গায় কাজ করছে । আমি কখনোই কারো সাথে জানামতে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়ে কথা বলতাম না তবে বইটা পড়ার পর আমি আরো বেশি সতর্ক থাকতাম আমার কথা বলার ক্ষেত্রে । কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার ক্ষেত্রে । আমি জাস্ট আমার কথা বলার জায়গা টাই পরিবর্তন করে ফেলছি বইটা পড়ার পর ।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী , সমাজের কাছে একটা প্রশ্ন , একটা শিক্ষা ।

✍️Bibi ummy fatema

Address

Agrabad, Chottogram
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bibi ummy fatema posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category