26/04/2026
কিছু পরামর্শ দেই মানার চেষ্টা করবেন। মন-দিল ভালো থাকবে, শান্তি শান্তি ফিল হবে ইনশাআল্লাহ।
১। সব নামাজ আউয়াল ওয়াক্তে পড়ে ফেলবেন। মনকে প্রফুল্ল আর ঝরঝরে রাখার অসাধারণ নুসখা এটা। যারা রেগুলার নামাজ পড়েন ওয়াক্ত হয়ে গেলেই তাদের ব্রেনে নামাজের সিগন্যাল চলে আসে। তখন অন্য যেকোনো কাজ করতে গেলেই দেখবেন তাড়াহুড়ো লাগবে বা পেরেশানি কাজ করবে।
২। প্রতিদিন কিছু না কিছু কারো উপকারে আসার চেষ্টা করবেন। সাধ্যমতো দান করুন, মায়ের কাপড়টা ধুয়ে দিন।রিক্সাওয়ালাকে ভাড়ার চাইতে কিছু বাড়িয়ে দিন, চলাচলের রাস্তা থেকে ময়লা সরিয়ে দিন। এই ছোট কাজগুলো মনের মধ্যে অন্যরকম শান্তি এনে দেয়।
৩। উপকার করবেন কোনো রকম এক্সপেকটেশন ছাড়া। ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ দেন, বান্দা না। এই কথাটা মাথায় রাখলে কারো জন্য অনেক করেও বৃথা মনে হবেনা। তার অবহেলা গুলো আর কষ্ট দিবেনা, ইনশাআল্লাহ।
৪। নিজেকে কারো সাথে তুলনা করবেন না। কারো সম্পদ আছে সুস্থতা নেই, কারো সুস্থতা আছে সম্পদ নাই। কারো আবার সবই আছে কিন্তু আমল নাই। সবার জার্নি আলাদা।
৫। অযথা বেশি সময় ফোনে স্ক্রলিং করা বাদ দিন। এতে শরীর অলস লাগে, কাজ জমে যায়। এরপর একসাথে সব কাজ শেষ করতে গেলে চাপ মনে হয় তখন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
৬। সারাদিন একটু একটু করে কাজ না করে দিনের একাংশে সব কাজ শেষ করে বাকি সময় পরিপাটি থাকুন। রং জ্বলা, আধাতেনা কাপড় বাদ দিয়ে ভালো কাপড় পরুন, সুগন্ধি মাখুন। মন একদম ফুরফুরা লাগবে। পরিবারের সদস্যদের কাছে আলাদা আপনার একটা মান থাকবে।
৭। সবশেষে সবচেয়ে দামী একটা টিপস দিয়ে যাই...
সবকিছুকে সহজভাবে নিবেন। সে আমার সাথে কিভাবে এটা করতে পারলো? বা জীবনটা হঠাৎ এত এলোমেলো হয়ে গেলো কেন? এরকম কোনো ব্যাপারেই বেশি আশা রাখবেন না।
বরং এটা মেনে নিবেন যে, মানুষ মাত্রই ভুল করে তাই যেকেউ যেকোনো কিছু বলতে পারে। দুনিয়া তো জান্নাত না তাই যখন তখন যেকোনো পরীক্ষা আসতেই পারে। তাহলে হঠাৎ করে ধাক্কা লাগবেনা। সহজেই মানসিকভাবে সামলে উঠে আগে বাড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।