01/03/2026
প্রতিবেশী কি আপনার ওপর সন্তুষ্ট?
"আপনি কি জানেন, জিবরাঈল (আ.) নবীজি (সা.)-কে প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে এত বেশি তাকিদ দিয়েছিলেন যে, নবীজি মনে করেছিলেন হয়তো প্রতিবেশীকে সম্পত্তির অংশীদার বানিয়ে দেওয়া হবে! কিন্তু আজ আমরা কি আমাদের পাশের বাসার মানুষের খবর রাখি?"
মূল আলোচনা :
ঈমানের শর্ত: নবীজি (সা.) বলেছেন, "সে ব্যক্তি মুমিন নয়, যে পেট পুরে খায় অথচ তার প্রতিবেশী পাশে ক্ষুধার্ত থাকে।" (বায়হাকি)। অর্থাৎ, প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া আমাদের ঈমানের অংশ।
কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা: রাসূল (সা.) আরও বলেছেন, "আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, যার অনিষ্ট বা কষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।"
ছোট ছোট কিছু আমল: * বাসায় ভালো কিছু রান্না করলে সামান্য হলেও প্রতিবেশীকে দেওয়া।
রাস্তায় দেখা হলে আগে সালাম দেওয়া এবং মুচকি হেসে কথা বলা।
তাদের বিপদে সবার আগে এগিয়ে যাওয়া, হোক সে মুসলিম বা অমুসলিম।
প্রতিবেশীর হক: ইসলামে পাশের ৪০ ঘর পর্যন্ত প্রতিবেশীর আওতায় পড়ে। তাই শুধু দেয়াল ঘেঁষা প্রতিবেশী নয়, আসেপাশের সবার প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।
"হয়তো আপনার সামান্য একটু হাসি বা এক বাটি খাবার আপনার প্রতিবেশীর মন জয় করতে পারে এবং এটিই হতে পারে আপনার জান্নাতে যাওয়ার উসিলা।