04/01/2021
২০১৬ সালে অধিগ্রহণকৃত ছয়টি পাটকল ও সাতটি বস্ত্রকল আধুনিকায়ন করে চালু এবং রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের পাটকলশ্রমিকদের ও অধিগ্রহণকৃত পাটকল ও সুতাকলশ্রমিকদের পাওনা একসঙ্গে পরিশোধের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল আহসান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী পাটজাত পণ্যের বিপুল চাহিদার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারত পাট ও পাটপণ্য উৎপাদনকারী প্রধানতম দুটি দেশ। ভারতের নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে রপ্তানি করার মতো সামর্থ্য নেই। এই সম্ভাবনাকে তাই কাজে লাগাতে বাংলাদেশকে দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল। অথচ পাটশিল্প নিয়ে পূর্বাপর ভাবনাচিন্তা, গবেষণা, সার্ভে না করে এ সময় সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দিল। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সংগঠনের নেতারা বলেন, প্রয়োজন হলো পাটশিল্পের উৎপাদন বাড়াতে ও রপ্তানির পণ্য তৈরি করতে আগ্রাসী নীতি গ্রহণ। এই কাজে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ হলো দেশের চাহিদা পূরণ ও রপ্তানির সুযোগ হাতছাড়া করা। এটি হাতছাড়া হলে তা হবে দেশের পাট ও পাটশিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কর্মহীন করা। দেশের শিল্প, অর্থনীতি ও জাতির জন্য আত্মঘাতী।