13/05/2026
নিজে নিজে graduation শেষ করতে পারা, নিজের একটা পরিচয় তৈরি করতে পারা, নিজের শখগুলো পূরণ করতে পারার মত যোগ্যতা তৈরী করতে পারা, পরিবার আর বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারা, তাদের জন্য নিরদ্বিধায় কিছু করতে পারা
এগুলো কি success না?
নাকি নিজের যোগ্যতাগুলোকে মাটি চাপা দিয়ে নিজেকে বোঝা বানিয়ে বসে থেকে, আশেপাশের কথায় বা চাপে তাড়াহুড়া করে একজন স্বার্থপরকে বা ডিসলয়্যাল কাওকে বিয়ে করে ১-২ বছর পর regret করাটাই success?
আচ্ছা, আল্লাহ তো আমাদের জন্ম, মৃত্যু আর বিয়ে সবই আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন, তাই না?
তাহলে যখন কপালে থাকবে, তখন ঠিকই হবে। মানুষ শুধু চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু জোর করে তারাহুরার প্রয়োজন কি?
হ্যা, প্রয়োজন শুধু নিজেকে এতটাই শক্ত করে তোলা যাতে যাই হোক না কেন সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
জলদি জলদি করে নিজের স্বপ্ন, ইচ্ছা আর সবকিছু ছেড়ে দিতে হবে? কেন নিজের বাবা-মাকে কিছু করতে হলে অসহায়ের মত পার্টনারের অপেক্ষা করতে হবে? পরে আবার কথা শুনতে হবে? কেন পার্টনার বা তার বাবা-মায়ের পছন্দ না তাই নিজের যোগ্যতা,চাকুরি,ক্যারিয়ার ফেলে নিজেকে ডিপ্রেশনে রাখতে হবে? কেন অসম্মান হয়েও মানিয়ে নিতে হবে?
নারীরা সব সময় মলিন হয়, নরম হয়, যাকে ভালোবাসে তার জন্য বাবা-মায়ের আদরের মেয়েটাও রান্নাঘরের খুনতি ধরে। তবে তারা আশা ছেড়ে দেয় তখনি যখন সেই মানুষটা দ্বারা অসম্মান হয়।
এই সমাজের জলদি বিয়ে করো আর মানিয়ে নাও করতে করতে কত মেয়ে তাদের জীবনটাকে শেষ করে দেয়।
হ্যাঁ, সব শ্বশুরবাড়ি বা partner একরকম না। অনেক understanding আর ভালো মানসিকতার মানুষও আছে। (Exceptional Isn't example).
কিন্তু তাড়াহুড়া করে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যেন একটা সময় মনে না হয় — “শুধু বেঁচে আছি, ভালো থাকা আর হলো না।”
কারণ বেঁচে থাকা আর ভালো থাকা — দুইটা এক না।
তাই “এখনও বিয়ে করছো না কেন?” — এই প্রশ্নটা করে কাউকে বিরক্ত করবেন না। জিজ্ঞেস করুন তুমি ভালো আছো তো?
কারন যা হওয়ার, যখন হওয়ার — ঠিক তখনই হবে। 🤍