Nutritionist Zohora Setara

Nutritionist Zohora Setara Balanced Nutrition for Better Living

Helping you make healthier choices through expert guidance, practical tips, and evidence-based nutrition.

অনেকেই সারাদিন খুব কম খান, কিন্তু রাতে ঘুমানোর আগে "সামান্য ক্ষুধা" মেটাতে একটি বিস্কুট মুখে দেন। আপাতদৃষ্টিতে এটি নির্দ...
26/04/2026

অনেকেই সারাদিন খুব কম খান, কিন্তু রাতে ঘুমানোর আগে "সামান্য ক্ষুধা" মেটাতে একটি বিস্কুট মুখে দেন। আপাতদৃষ্টিতে এটি নির্দোষ মনে হলেও, এরপর শরীরের ভেতর চলতে থাকে পরিবর্তনের এক বিশাল খেলা...।

১. ইনসুলিন স্পাইক ও ফ্যাট স্টোরেজ (The Insulin Factor)

​বিস্কুট সাধারণত Refined Carbohydrates (ময়দা) এবং Sugar দিয়ে তৈরি। ঘুমানোর আগে এটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকে এবং অগ্ন্যাশয় থেকে Insulin নিঃসৃত হয়।

​ইনসুলিনকে বলা হয় "Fat Storage Hormone"। রাতে যেহেতু আপনার শারীরিক পরিশ্রম শূন্য থাকে, তাই শরীর এই বাড়তি এনার্জি বা সুগার পোড়ানোর সুযোগ পায় না। ফলে ইনসুলিন সেই অতিরিক্ত সুগারকে সরাসরি ফ্যাটে রূপান্তরিত করে পেটে বা যকৃতে জমা করতে শুরু করে।

​২. ঘুমের ব্যাঘাত ও ক্লান্তি:

রাতে বিস্কুট খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে আবার দ্রুত কমে যায় (Reactive Hypoglycemia)। এতে গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে এবং শরীর স্ট্রেস অনুভব করে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্তি বোধ হয়।

৩. মেটাবলিক কনফিউশন:

আমাদের শরীরের Circadian Rhythm অনুযায়ী রাতে কাজ হলো কোষ মেরামত করা। কিন্তু কার্বোহাইড্রেট খেলে শরীর মেরামতের বদলে হজম ও ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, ফলে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়।

​❓ মাঝে মাঝে খেলে কি ক্ষতি হবে?

​অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে—১ বা ২ দিন খেলে কি এসব হবে?

➤ ​অনিয়মিত (Occasional): মাসে ১-২ দিন খেলে শরীর তার মেটাবলিক নমনীয়তা দিয়ে তা সামলে নিতে পারে। তবে ওই রাতে ঘুমের গুণগত মান কিছুটা কমতে পারে।

➤ ​প্রতিদিন (Daily Habit): যদি এটি প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়, তবেই উপরের জটিলতাগুলো স্থায়ী রূপ নেয়। ক্রমাগত ইনসুলিন স্পাইক হতে থাকলে শরীর Insulin Resistance-এর দিকে ধাবিত হয়, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও ওবেসিটির মূল কারণ।

​💡 সমাধান ও সঠিক বিকল্প

​বিস্কুট হলো Empty Calories, যা কোনো পুষ্টি দেয় না। যদি রাতে ক্ষুধা লাগে, তবে বেছে নিন:

১। ​কাঠবাদাম বা আখরোট: হেলদি ফ্যাট ও প্রোটিন যা ইনসুলিন স্পাইক করে না।

২। ​এক কাপ চিনিছাড়া গরম দুধ: এতে থাকা ট্রিপটোফ্যান ভালো ঘুমে সাহায্য করে।

৩। ​টক দই: এটি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ এবং হার্টের জন্য ভালো।

ওজন কমানো বা সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে আপনি "কতটুকু" খাচ্ছেন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি "কী" এবং "কখন" খাচ্ছেন।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
BSc (Hons), MSc (Food & Nutrition), DU





কুসুমসহ ডিম খাওয়া নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক বিভ্রান্তি কাজ করে। কাউন্সেলিং এর সময় দেখা যায় অনেকেই কুসুমে থাকা কোলেস্টেরলের ক...
21/04/2026

কুসুমসহ ডিম খাওয়া নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক বিভ্রান্তি কাজ করে। কাউন্সেলিং এর সময় দেখা যায় অনেকেই কুসুমে থাকা কোলেস্টেরলের কারণে কুসুম বাদ দিয়ে ডিম খাচ্ছেন!

একটি ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকে প্রায় ১৮৬ mg। কিন্তু, আপনি কি জানেন আমাদের শরীর নিজেই প্রতিদিন প্রায় ৫০০–১০০০ mg কোলেস্টেরল তৈরি করে?

এই পরিমাণ কোলেস্টেরল আমাদের কোষের গঠন, হরমোন উৎপাদন এবং ভিটামিন D synthesis-এর জন্য প্রয়োজনীয়। আপনি যখন খাবার থেকে কোলেস্টেরল পান, তখন শরীর নিজের উৎপাদন কমিয়ে দিয়ে একটি ভারসাম্য বা Homeostasis বজায় রাখে।

এবার নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগছে, এই ​ডিম তাহলে কখন ক্ষতিকর হয়ে ওঠে?

​ডিম নিজে ক্ষতিকর নয়, বরং এটি খাওয়ার পদ্ধতি এবং পুরো dietary pattern এখানে সমস্যার সৃষ্টি করে। উচ্চ মাত্রায় রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, অতিরিক্ত ভাত/রুটি, এবং unhealthy fats (যেমন অতিরিক্ত সয়াবিন তেল, ডালডা, মার্জারিন ইত্যাদি) দীর্ঘমেয়াদে inflammation ও metabolic imbalance তৈরি করতে পারে যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ডিমের কুসুম হার্ট অ্যাটাকের কারণ নয়। কিন্তু যদি ডিমটি খাওয়া হয় খুব কড়া করে ভেজে কিংবা সাথে রাখা হয় ডুবো তেলে ভাজা লুচি, পরোটা, পাউরুটি ইত্যাদি এবং সাথে থাকে পর্যাপ্ত কায়িক পরিশ্রমের ঘাটতি, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে তা আপনার হার্টে ব্লক তৈরি করবেই। বেচারা কুসুমকে এককভাবে দোষ দিয়ে লাভ নেই। 🤷‍♀️

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU




অনেকেই মনে করেন হার্টে রিং বা স্টেন্ট বসানো মানেই  সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে গেছে । কিন্তু এটি কেবল একটি 'মেকানিক্যাল ওপ...
20/04/2026

অনেকেই মনে করেন হার্টে রিং বা স্টেন্ট বসানো মানেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে গেছে । কিন্তু এটি কেবল একটি 'মেকানিক্যাল ওপেনিং', রোগমুক্তি নয়।

​স্টেন্ট আপনার ব্লক হওয়া ধমনীটিকে প্রসারিত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে দেয়। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় (Atherosclerosis) চর্বি জমে ব্লক তৈরি হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয় না। ​যদি আপনি আগের মতোই অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করেন, তবে:

১। ​Restenosis: স্টেন্টের ভেতরেই পুনরায় ব্লক তৈরি হতে পারে।

২। ​New Blocks: হার্টের অন্য কোনো সুস্থ ধমনীতে নতুন করে ব্লক দেখা দিতে পারে।

৩। ​Complications: পুনরায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থেকে যায়।

​তাই দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতার জন্য করণীয়:

​✅ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন (Diet Control):

➤ ​ডিপ ফ্রাই, প্রসেসড ফুড পুরোপুরি বর্জন করুন। ❌

➤ ​বেশি করে ফাইবারযুক্ত খাবার, শাকসবজি এবং ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ খাদ্যতালিকায় রাখুন। ✔️

​✅ নিয়মিত ব্যায়াম (Physical Activity):

​চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন (Brisk Walking)। এটি রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে।

​✅ ওষুধে অবহেলা নয়:

​রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ বা কোলেস্টেরলের ওষুধ নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করবেন না। ডাক্তার যতদিন বলেছেন, ঠিক ততদিনই চালিয়ে যান।

​✅ রিস্ক ফ্যাক্টর নিয়ন্ত্রণ:

* ​ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
* ​ধূমপান বর্জন করুন।

রিং হয়তো আপনার জীবন বাঁচায়, কিন্তু আপনার জীবনযাত্রাই আপনাকে আজীবন সুস্থ রাখে।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU




যখন কেউ ধূমপান করে বা দূষিত বাতাসে শ্বাস নেয়, তখন ফুসফুসের ভেতর বিষাক্ত কণা এবং কেমিক্যাল প্রবেশ করে। আমাদের ফুসফুসের কো...
11/04/2026

যখন কেউ ধূমপান করে বা দূষিত বাতাসে শ্বাস নেয়, তখন ফুসফুসের ভেতর বিষাক্ত কণা এবং কেমিক্যাল প্রবেশ করে। আমাদের ফুসফুসের কোষগুলো মনে করতে থাকে কোনো শত্রু আক্রমণ করেছে।

​এই কোষগুলো তখন বিপদ সংকেত হিসেবে কিছু রাসায়নিক পদার্থ (Cytokines) ছাড়ে। এটি অনেকটা পুলিশের কাছে জরুরি ফোন করার মতো। ​এই সংকেত পেয়ে রক্ত থেকে Neutrophils এবং Macrophages দ্রুত ফুসফুসে ছুটে আসে। তাদের মূল কাজ হলো:

১। ​বিষাক্ত কণাগুলোকে গিলে ফেলা (Phagocytosis)।

২। ​ক্ষতিকারক উপাদান ধ্বংস করার জন্য শক্তিশালী এনজাইম (যেমন: Protease) এবং ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল তৈরি করা।

​সাধারণত কোনো জীবাণু আক্রমণ করলে এই কোষগুলো যুদ্ধ শেষ করে চলে যায় এবং ফুসফুস আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। কিন্তু যখন কেউ প্রতিদিন ধূমপান করে বা দূষিত বাতাসে থাকে, তখন এই "যুদ্ধ" আর থামে না। প্রতিনিয়ত এনজাইম নিঃসরণ হতে থাকে।​ Protease এনজাইম তখন কেবল বিষাক্ত কণাকেই নয়, বরং ফুসফুসের প্রধান প্রোটিন Elastin-কেও হজম বা ধ্বংস করতে শুরু করে।

​এই ইলাস্টিন ধ্বংস হওয়ার কারণেই ফুসফুসের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে Emphysema-তে রূপ নেয়।

প্রতিটা সিগারেট শুধু ধোঁয়া নয়—আপনার ফুসফুসের ভেতরের একেকটা নীরব যুদ্ধ। তাকে বাঁচানোর দায়িত্ব এবার আপনার...।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU




সম্প্রতি এমন কয়েকজন রোগী পেয়েছি, যারা বিভিন্ন চিকিৎসার জন্য স্টেরয়েড বা রুচি বাড়ানোর ওষুধ খাওয়ার পর হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া...
10/04/2026

সম্প্রতি এমন কয়েকজন রোগী পেয়েছি, যারা বিভিন্ন চিকিৎসার জন্য স্টেরয়েড বা রুচি বাড়ানোর ওষুধ খাওয়ার পর হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া ও শরীর ফুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন, আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছেন।

স্টেরয়েড মূলত ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ কমানোর জন্য কাজ করে, কিন্তু এটি করতে গিয়ে শরীরের স্বাভাবিক বায়ো-কেমিস্ট্রিতে কিছু পরিবর্তন আনে-

১। ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য: এটি শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট এবং পানির ভারসাম্যে পরিবর্তন আনে, যার ফলে শরীর দ্রুত পানি ধরে রাখে (Fluid retention)।

২। মেটাবলিক শিফট: শরীর যেভাবে শর্করা, প্রোটিন, চর্বি এবং গ্লুকোজ ব্যবহার বা জমা করে, স্টেরয়েড সেই প্রক্রিয়াকে বদলে দেয়।

৩। চর্বি বিন্যাস: এর ফলে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে যেমন— মুখ (Moon face), ঘাড় এবং পেটে অস্বাভাবিক চর্বি জমতে শুরু করে।

৪। অতিরিক্ত ক্ষুধা: এটি মস্তিষ্কের Appetite সেন্টারকে উদ্দীপিত করে ক্যালোরি ইনটেক বাড়িয়ে দেয়।

তাহলে করণীয় কি?

ভয় না পেয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে লাইফস্টাইল পরিবর্তন করলে এই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

১. ডায়েট স্ট্র্যাটেজি:

* খাবারে আলগা লবণ পরিহার করুন। এটি শরীরের ফোলাভাব কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।
* চিনি ও রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার যুক্ত খাবার খান।
* প্রতিবেলায় খাবারের অর্ধেক অংশ শাকসবজি দিয়ে পূর্ণ করুন।

২. শারীরিক পরিশ্রম: WHO-এর গাইডলাইন অনুযায়ী সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি পরিশ্রম করুন। রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং বা হালকা ব্যায়াম অতিরিক্ত চর্বি জমতে বাধা দেয়।

৩. হাইড্রেশন: শরীরের মেটাবলিজম ঠিক রাখতে এবং ব্লটিং কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

৪. মেডিকেল মনিটরিং: নিজে নিজে ওষুধ বন্ধ করবেন না। ডাক্তারের পরামর্শে ডোজ অ্যাডজাস্ট করুন। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্লাড সুগার এবং ব্লাড প্রেশার মনিটর করুন।

ওষুধের কারণে বেড়ে যাওয়া এই ওজন কোনো স্থায়ী রোগ নয়। সঠিক পুষ্টি পরিকল্পনা এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাধ্যমে এটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU






৫০ জন যাত্রী! প্রতিটা সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটা পরিবার,কারও বাবা, কারও মা, কারও ভাই-বোন…কেউ হয়তো এখনো অপেক্ষা করছে—একটা ফ...
25/03/2026

৫০ জন যাত্রী!
প্রতিটা সংখ্যার পেছনে রয়েছে একটা পরিবার,
কারও বাবা, কারও মা, কারও ভাই-বোন…

কেউ হয়তো এখনো অপেক্ষা করছে—
একটা ফোন কলের জন্য…
একটা খবরের জন্য…
কেউ হয়তো শেষবারের মতো বলেছিল—
“বাসায় পৌঁছালে ফোন দিও”

কিন্তু সেই ফোনটা আর আসবে না...। আমরা প্রতিদিনই ব্যস্ত কাজ, পড়াশোনা, stress, টেনশন নিয়ে। কিন্তু এই ঘটনাগুলো বারবার মনে করিয়ে দেয়—
জীবনটা কতটা অনিশ্চিত!

আজ থেকে
➤ প্রিয় মানুষটাকে একটু বেশি সময় দিন
➤ রাগ-অভিমান থাকলে তা মিটিয়ে নিন
➤ বের হওয়ার আগে প্রিয়জনদের একটা সুন্দর হাসি উপহার দিন।
➤ সর্বদা মহান আল্লাহর ইবাদতের মাঝে থাকুন।

কারণ, আমরা কেউই জানি না—
কোনটা শেষ দেখা, শেষ কথা হয়ে যাবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোক।

✨🌙 Eid Mubarak! 🌙✨এই পবিত্র ঈদ আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সুখ ও সুস্বাস্থ্য।এক মাসের সংযম, ধৈর্য ও ...
20/03/2026

✨🌙 Eid Mubarak! 🌙✨

এই পবিত্র ঈদ আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সুখ ও সুস্বাস্থ্য।

এক মাসের সংযম, ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধির পর এই আনন্দঘন দিনটি হোক ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতায় ভরা।

খাবারের আনন্দ থাকুক, তবে সুস্থতাও থাকুক সাথে। নিজের ও প্রিয়জনদের যত্ন নিন, সচেতন থাকুন।

আপনাদের সবার জন্য রইলো ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা 🌸


🌙✨ ইদ এবং ইদ-পরবর্তী খাদ্যাভ্যাস: উৎসবের আনন্দ হোক স্বাস্থ্যসম্মত! 🍽️​ঈদের আনন্দ মানেই বাহারি সব খাবার। কিন্তু এক মাসের ...
18/03/2026

🌙✨ ইদ এবং ইদ-পরবর্তী খাদ্যাভ্যাস: উৎসবের আনন্দ হোক স্বাস্থ্যসম্মত! 🍽️

​ঈদের আনন্দ মানেই বাহারি সব খাবার। কিন্তু এক মাসের সিয়াম সাধনার পর আমাদের শরীরের ভেতরকার বায়োলজিক্যাল ক্লক এবং এনজাইম নিঃসরণ প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট ছন্দে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এই অবস্থায় হুট করে ঈদের দিনে অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ করলে শরীর এক ধরণের "Metabolic Shock" এর মধ্য দিয়ে যায়।

​একজন সচেতন মানুষ হিসেবে উৎসবের আমেজেও আপনার মেটাবলিজমকে সুরক্ষিত রাখা কেন জরুরি, চলুন একটু গভীরে গিয়ে বুঝে নিই-

​ কেন এই সাবধানতা?

☞ ​Insulin Spike & Fat Storage:
দীর্ঘ বিরতির পর হঠাৎ অতিরিক্ত চিনি বা রিফাইনড শর্করা খেলে অগ্ন্যাশয় থেকে প্রচুর ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। এটি কেবল আপনাকে দ্রুত ক্লান্তই করে না, বরং শরীরে চর্বি জমার প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে।

☞ ​Systemic Inflammation:
ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত ট্রান্স-ফ্যাট রক্তনালীতে প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন তৈরি করে, যা সরাসরি হৃদরোগের ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত।

☞ ​Circadian Rhythm Disruption: রমজানে ঘুমের সময় বদলে যাওয়ায় আমাদের হরমোনাল ব্যালেন্স কিছুটা ভিন্ন থাকে। ঈদের দিনে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নিয়ে ভারী খাবার খেলে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে।

☞ ​Enzymatic Overload:
আমাদের পরিপাকতন্ত্রের এনজাইমগুলো হুট করে এক গাদা প্রোটিন বা ফ্যাট হজম করতে হিমশিম খায়, ফলে শুরু হয় বদহজম, পেট ফাঁপা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।

তাই, ​উৎসবের টেবিলে নিজেকে সুস্থ রাখতে এই Golden Rules গুলো ফলো করুন:

✔ ​The 50% Rule (Fiber First):
প্লেটের অর্ধেক অংশ সবজি বা সালাদ দিয়ে পূর্ণ করুন। ফাইবার কেবল হজমই সহজ করে না, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোধ করে।

✔ ​Lean Protein Selection:
মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চর্বি বা ঝোল এড়িয়ে চলুন। লিন মিট বা প্রোটিন অংশ বেছে নিন, যা মেটাবলিজম বুস্ট করতে সাহায্য করবে।

✔ ​The Hydration Strategy:
প্রতিবার খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। সারাদিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি নিশ্চিত করুন। ডিটক্স ড্রিংক হিসেবে লেবু-পানি বা ডাবের পানি চমৎকার।

✔​Strategic Gap:
একবারে বেশি না খেয়ে ছোট ছোট মিল বা ভাগে খাওয়ার চেষ্টা করুন। দুই খাবারের মাঝে অন্তত ৩-৪ ঘণ্টার গ্যাপ দিন।

​যা এড়িয়ে চলবেন-

​১। High-Calorie Beverages:
কোল্ড ড্রিংকস বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত চা/কফি আপনার শরীরকে ডিহাইড্রেটেড করে ফেলে।

​২। Binge Eating:
টেবিলের সব খাবার একবারে চেখে দেখার প্রবণতা আপনার মেটাবলিজমকে ধীর করে দেয়।

​৩। Sedentary Habit:
খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এটি এসিডিটির প্রধান কারণ।

​💡 Expert's Advice

1. ​Active Recovery:
ভারী খাবার খাওয়ার ২০-৩০ মিনিট পর অন্তত ১৫ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। এটি গ্লুকোজ মেটাবলিজমে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

2. Sleep Quality:
উৎসবের রাতেও অন্তত ৭ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন, যা আপনার হরমোনাল রিকভারিতে সাহায্য করবে।

​ মনে রাখবেন ঈদ মানে কেবল ভোজন নয়, ঈদ মানে সংযম ও সুস্থতার ভারসাম্য। "পরিমিত আহার এবং সঠিক পুষ্টি" হোক আপনার এবারের ঈদের মূলমন্ত্র।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU


বর্তমান জীবনযাত্রায় অনেকেই অজান্তেই এক ঘোরতর  সমস্যা-"মেটাবলিক সিনড্রোম" এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এটি কোনো একক রোগ নয়; বরং...
17/03/2026

বর্তমান জীবনযাত্রায় অনেকেই অজান্তেই এক ঘোরতর সমস্যা-"মেটাবলিক সিনড্রোম" এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এটি কোনো একক রোগ নয়; বরং কয়েকটি বিপাকীয় সমস্যার সমন্বয়, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কীভাবে বুঝবেন ঝুঁকিতে আছেন?

নিচের লক্ষণগুলো থাকলে বুঝতে হবে মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি আছে—

১। পেটের চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি (abdominal obesity)
২। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া
৩। উচ্চ রক্তচাপ
৪। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকা
৫। HDL (ভালো কোলেস্টেরল) কম থাকা

এই অবস্থাগুলো দীর্ঘদিন চলতে থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ফ্যাটি লিভার, স্ট্রোক ইত্যাদির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স:
মেটাবলিক সিনড্রোমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। এই অবস্থায় শরীরের কোষ ইনসুলিনের প্রতি কম সংবেদনশীল হয়ে যায়। ফলে রক্তে গ্লুকোজ জমে থাকে এবং শরীর অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি করতে বাধ্য হয়।

সুস্থ মেটাবলিজমের জন্য খাদ্যাভ্যাস-

মেটাবলিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাদ্যাভ্যাস। এক্ষেত্রে খাদ্য তালিকায় রাখুন—

✔ ভালো মানের প্রোটিন
মাছ, ডিম, মুরগির মাংস, ডাল ও লিগিউমস। তবে মাঝে মাঝে পরিমিত পরিমাণে গরু বা খাসির মাংসও রাখা যেতে পারে।

✔ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
বাদাম, বীজ, মাছের তেল, সীমিত পরিমাণে প্রাকৃতিক ফ্যাট।

✔ পর্যাপ্ত সবজি ও ফল

✔ হোলগ্রেইনস

কমিয়ে দিন—

☞ অতিরিক্ত চিনি
☞ প্রসেসড ফুড
☞অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট

মেটাবলিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কিছু অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ—
➤ নিয়মিত সময় মেনে খাবার খাওয়া।

➤ অতিরিক্ত বারবার স্ন্যাকিং কমানো।

➤ পর্যাপ্ত ঘুম।

➤ নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম।

➤ মানসিক চাপ কমানো।

➤ রাতের খাবার ঘুমানোর ২–৩ ঘণ্টা আগে শেষ করা হজমের জন্য ভালো।

মেটাবলিক সিনড্রোম হঠাৎ করে তৈরি হয় না; এটি ধীরে ধীরে তৈরি হওয়া একটি অবস্থা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া মানেই ভবিষ্যতের রোগ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা।



আজকে কফি খেতে একটি ক্যাফেতে বসেছিলাম। হঠাৎ করে এই মহাশয়কে দেখে ‘মিউ’ বলে ডাকার লোভ সামলাতে পারিনি।একবার ডাক দিতেই সে এসে...
13/03/2026

আজকে কফি খেতে একটি ক্যাফেতে বসেছিলাম। হঠাৎ করে এই মহাশয়কে দেখে ‘মিউ’ বলে ডাকার লোভ সামলাতে পারিনি।

একবার ডাক দিতেই সে এসে আমার পায়ের সাথে গা ঘষতে লাগল। কিছুক্ষণ পর লাফ দিয়ে পাশের সিটে উঠে বসে পড়ল—যেন বহুদিনের পরিচয়!

কথা বলতে পারে না, তবুও অদ্ভুতভাবে ভালোবাসা আর ভরসা প্রকাশ করে দিল। ❤️ এই অবলা প্রাণী আর তাদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আছে বলেই হয়তো পৃথিবী এত সুন্দর! 🐾

আমাকে ওর কতটা মনে থাকবে জানি না, কিন্তু অজানা-অচেনা একজন মানুষকে আপন করে নেওয়া, গায়ে লেজ ঘষে আদর বিলানো—
আমার দিনটাকে আনন্দময় করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

কখনো কখনো একটুখানি মায়া আর সহানুভূতির শব্দ কারো পুরো দিনের ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে।



আমাদের শরীরের নীরব কর্মী—কিডনি।প্রতিদিন হাজারো বার রক্ত ছেঁকে শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে, শরীরের পানি ও খনিজের ভারস...
12/03/2026

আমাদের শরীরের নীরব কর্মী—কিডনি।
প্রতিদিন হাজারো বার রক্ত ছেঁকে শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে, শরীরের পানি ও খনিজের ভারসাম্য ঠিক রাখে। অথচ আমরা অনেক সময়ই এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির যত্ন নিতে ভুলে যাই।

কিডনি রোগে অনেক সময় শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু যখন ধরা পড়ে, তখন অনেক ক্ষেত্রে রোগটি অনেকটাই এগিয়ে যায়।

কিডনি সুস্থ রাখতে যা করবেন—
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔ লবণ কম খান
✔ রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔ নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন
✔ অপ্রয়োজনীয় ব্যথার ওষুধ (painkiller) এড়িয়ে চলুন
✔ বছরে অন্তত একবার কিডনি পরীক্ষা করুন

⚠️ যাদের কিডনি রোগের ঝুঁকি বেশি:
• ডায়াবেটিস রোগী
• উচ্চ রক্তচাপ আছে যাদের
• অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
• পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস

আপনার কিডনির যত্ন নিন, সুস্থ জীবন বেছে নিন। ❤️

আজ World Kidney Day — নিজে সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি।

Zohora Setara
Nutritionist & Dietary Consultant
B.Sc (Hons), MSc (Food & Nutrition) DU



Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Zohora Setara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist Zohora Setara:

Share