17/06/2026
১২টি মূল্যবান জিনিস ও তা পাওয়ার সঠিক স্থানদ্বীন
১. ইসলাম ও ঈমানের স্বাদ: এটি রাখা হয়েছে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও ধৈর্যের মধ্যে। অথচ মানুষ তা খোঁজে উদরপূর্তি ও দুনিয়ার আরাম-আয়েশে।
২. সম্মান ও মর্যাদা: এটি রাখা হয়েছে শেষ রাতের কান্নাভেজা ইবাদত ও তাহাজ্জুদে। অথচ মানুষ তা খোঁজে ক্ষমতা, অর্থ ও রাজপ্রাসাদে।
৩. প্রকৃত সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য: এটি রাখা হয়েছে জান্নাতে। অথচ মানুষ তা চিরস্থায়ীভাবে খুঁজে বেড়ায় এই নশ্বর পৃথিবীতে।
৪. ব্যক্তিত্বের বড়ত্ব ও উচ্চ মাকাম: এটি রাখা হয়েছে বিনয়, নম্রতা ও অহংকারহীনতার মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে দম্ভ ও অহংকারে।
৫. প্রকৃত ধনী হওয়া (অন্তরের সচ্ছলতা): এটি রাখা হয়েছে অল্পে তুষ্টি বা কানায়াতের মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে লোভ-লালসা ও অফুরন্ত সম্পদ জমানোর মাঝে।
৬.দোয়া কবুল হওয়া: এটি নিহিত রয়েছে হালাল উপার্জনের মধ্যে। অথচ মানুষ তা খোঁজে হারাম উপার্জনের লিপ্ত থেকে।
৭.নিশ্চিন্ততা ও মনের শান্তি: এটি রাখা হয়েছে আল্লাহর জিকির ও স্মরণের মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে গান-বাজনা ও দুনিয়ার চিত্তবিনোদনে।
৮.জ্ঞানের আলো (ইলম): এটি রাখা হয়েছে কঠোর সাধনা ও ওস্তাদের প্রতি শ্রদ্ধার মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে কেবল কাগুজে ডিগ্রি ও অহংকারের মাঝে।
৯.শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা: এটি রাখা হয়েছে পরিমিত আহার ও অল্প ঘুমের মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে অতিরিক্ত ভোগবিলাস ও চিকিৎসকের ঔষধে।
১০.বিপদ থেকে মুক্তি: এটি রাখা হয়েছে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) ও তওবার মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে দুনিয়াবি তদবির ও মানুষের চাটুকারিতায়।
১১.চেহারার নূর বা লাবণ্য: এটি রাখা হয়েছে আমানতদারিতা ও সত্যবাদিতার মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে কৃত্রিম প্রসাধন ও রূপচর্চায়।
১২.জীবনের বরকত: এটি রাখা হয়েছে পিতা-মাতার খেদমত ও সুসম্পর্কের মাঝে। অথচ মানুষ তা খোঁজে কেবল নিজের স্বার্থপর চিন্তায়।
উক্তিটির মূল বার্তাগুলো ইসলামের মূলনীতির সাথে দারুণভাবে মিলে যায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, দুনিয়ার বাহ্যিক চাকচিক্য মানুষকে বিভ্রান্ত করে, অথচ প্রকৃত সফলতা ও শান্তি লুকিয়ে থাকে আল্লাহর আনুগত্য এবং আত্মত্যাগের মাঝে।