Plant care - গাছের যত্ন

Plant care - গাছের যত্ন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Plant care - গাছের যত্ন, Dhaka.

অনেকেই গ্রাউন্ড অর্কিডে অনেক ফুল চান কিন্তু তার জন্য দরকার সঠিক মিডিয়া।অনেকেই গ্রাউন্ড অর্কিড এর এই মিডিয়া ও যত্ন সম্পর্...
12/03/2021

অনেকেই গ্রাউন্ড অর্কিডে অনেক ফুল চান কিন্তু তার জন্য দরকার সঠিক মিডিয়া।
অনেকেই গ্রাউন্ড অর্কিড এর এই মিডিয়া ও যত্ন সম্পর্কে জানেন না।

গাছ লাগানোর নিয়ম ও যত্ন:

মিডিয়া:-কোকোপিটঃকমপোস্টঃমোটা বালু (১ঃ১ঃ১)
ছোট করে কাটা নারিকেলের ছোবরা কয়েক টুকরো, কয়লা কয়েকটি ছোট টুকরো, ইটের খোয়া কয়েকটি ছোট টুকরো
হাড়ের গুড়া দুই মুষ্টি ফাঙ্গিসাইড পাউডার।

যত্ন:-দিনে একবার পানি।বেশী বৃষ্টিতে শেডে রাখা ভালো।

28/07/2020

একটু বসো চলে যেও না 😜

টবে করবী ফুলের চাষ 🌸✔করবী ফুলের পরিচিতি:ফুলের নামঃ  করবী,ইংরাজি নাম: Oleander, Adelfa, adre, Espirradeira, Laurel rosa, ...
08/07/2020

টবে করবী ফুলের চাষ 🌸

✔করবী ফুলের পরিচিতি:

ফুলের নামঃ করবী,
ইংরাজি নাম: Oleander, Adelfa, adre, Espirradeira, Laurel rosa, Laurier rose, Olean etc.
বৈজ্ঞানিক নামঃ Nerium Indicum
পরিবারঃ Apocynaceae
জগৎঃPlantae
বর্গ:Gentianales
গোত্রঃ Wrightieae
করবী ফুলের গুরুত্ব: সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে করবী ফুলের গুরুত্ব অনেক। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই ফুল ব্যবহৃত হয়।

✔করবী ফুলের বিভিন্ন নাম:

করবী ফুলের বিভিন্ন নাম বর্তমান। যেমন শ্বেত করবী, রক্ত করবী, কলকে ইত্যাদী।

✔কখন পাওয়া যায়ঃ

গ্রীষ্ম,বর্ষা ও বসন্তে করবী ফুলের মরসুম। তবে আজকাল অন্য সময়েও এই ফুল ফুটতে দেখা যায়। গোলাপী রঙের ফুলগুলি যখন গাছে হয়ে থাকে থোকা থোকা অবস্থায়।

✔বিভিন্ন রংয়ের করবীঃ

বিভিন্ন রংয়ের করবী ফুল দেখা যায়। যেমন-সাদা,গোলাপী,হলুদ,ফিকে লাল ইত্যাদি।

✔কোথায় পাওয়া যায়ঃ

করবী ফুলের আদি বাসস্থান দক্ষিন আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আবার কারো মতে করবী ফুলের আদি নিবাস ভারত উপমহাদেশ। বর্তমানে এটি থাইল্যান্ড,চীন, বাংলাদেশ, ভারত,মালয়েশিয়া সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিস্তির্ণ এলাকা, ইউরোপ ও আমেরিকার বেশ কিছু এলাকা জুড়ে দেখতে পাওয়া যায়।

✔ করবীর বৈশিষ্ট্য:

এটি একটি চিরহরিৎ জাতীয় গুল্ম।
এর পাতা সরু ও লম্বাটে।
করবীর ফুল বাইরের দিকে ফোটে। প্রান্তিক ও ঘন।
কামিনীর ফুল সুগন্ধীযুক্ত।
এর ফুলে মধু থাকে।
এর ফল ডিম্বাকার ও বিষাক্ত।
এর পাতা সরু ও লম্বাটে।
গাছটির সর্বঙ্গ তীব্র বিষযুক্ত।
শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে ফুল ধরে।
ফল শাঁসযুক্ত হয়।
ফল কাঁচা সবুজ, পাকলে ধূসর রঙের হয়।
সাধারণত ফুল সতেজ থাকে ৪-৫ দিন পর্যন্ত।
ব্যবহারঃ করবী ফুল টবে,বাড়ির উঠান,বাগান,বারান্দায় ইদ্যাদি জায়গায় সাজালে সেখানকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

✔টবে করবী ফুলের চাষের জন্য যা করা দরকার তা হলঃ–

বংশবিস্তার পদ্ধতি:করবী ফুল দুই প্রকার পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করা সম্ভব।

বীজ থেকে বংশবিস্তার করা সম্ভব।
গুটি কলম পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করা যায়।
জলবায়ু

করবী গাছের চাষের জন্য খুব বেশী নয় এমন আর্দ্র মাটি প্রয়োজন। তবে মাটি যাতে বেশী ভিজে কাদা কাদা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর কোনো কারণে মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকলে সেই কয়দিন জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। হাল্কা ছায়া করবীর জন্য উপযোগী। মাটি শুকনো হলে ভাল।

টব..করবী ফুল চাষের জন্য বড় উচ্চতার টব হলে ভাল হয়।

সার মাটি.. ভাল বৃদ্ধির জন্য ভারী দোঁয়াশ মাটি হলে ভাল হয়। আপনি যদি টবে করবী ফুল গাছ চাষ করতে চান তাহলে প্রথমেই যেটি করবেন, পরিমান মতো দো-আঁশ বা বেলে মাটি, এর সাথে পরিমান মতো ব্যালিমিন, কম্পোস্ট, একমুঠো হাঁড়ের গুঁড়ো, দু’মুঠো ছাই মিশিয়ে নিন। এতে টবের মাটি ভাল থাকবে। এর সঙ্গে কিছুটা পরিমান পাতা পচা সার, গোবর, খৈল মিশিয়ে মাটি তৈরি করলে ভাল হয়।

সার.. গোবর সার, চাপান সার এই গাছের জন্য ভাল। নিমের গুড়ো খোল, কাঠের ভষ্ম, গুঁড়ো হাড়, ও গোবর সার মিশিয়ে তৈরী করুণ চাপান সার। বর্ষাকালে সার দিতে হবে।

✔করবীর ঔষধি গুনঃ

করবীর মুলের ছাল অকালে চুল পাকা কমাতে সাহায্য করে।
এটি বাত-প্রশমক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
করবীর মূল নারিকেল তেলের সাথে মাখলে খোস-পাঁচড়া কমে।
শ্বেতী, ক্ষত, অর্শ রোগে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
করবীর মুলের ছাল ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।
এর মূল ও গাছের ছাল চক্ষুপীড়া, জ্বর প্রতিরোধে কর্যকর।
চর্মরোগ নিবারক এটি ব্যবহৃত হয়।

✔পরিচর্যা

এই গাছে সাধারণত প্রায় সারা বছর ফুল ফোটে। তবে বেশি ফোটে বসন্ত ও গ্রীষ্ম ঋতুতে। সার হিসেবে চাপান সার বা গোবরসার দিতে হবে। করবী গাছে জল দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে গোড়ায় জল না জমে। মাসে দুবার মাটি খুঁচিয়ে দিতে হবে। করবী ফুল গাছে রোগ বা পোকার আক্রমণ খুব কম ও বেশি পরিচর্যাও করা লাগে না।

✔ডাল ও শিকর ছাঁটাই

একটি সতেজ গাছ তৈরির প্রক্রিয়াটি হল গাছটি বড় হলে ডালের অনেকটা ছেটে দিতে হবে। শীতের শেষে ডাল ছাঁটাই করতে হয়। ছাঁটাই এর পরে চাউবান্টিয়া পেন্ট ব্যবহার করুন। আর শিকরের ক্ষেত্রে এক বছর অন্তর ছাঁটতে হয়। এর জন্য টব থেকে মাটি সমেত গাছ বের করে শিকড় ছেঁটে কাটা জায়গায় বোর্দোপেস্ট লাগিয়ে আবার মাটি সমেত গাছ টবে ঢুকিয়ে দিতে হবে।

23/06/2020

চিন্তা করা যায় কতগুলো সাকুলেন্ট হতে পারে!! 😱😱😱

10/06/2020

Corona awareness

08/06/2020

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন 😊

এডেনিয়ামের মাটি তৈরি............এডেনিয়ামের মাটি তৈরি নিয়ে অনেক বার লিখেছি তবু অনেকেই বারবার জিজ্ঞেস করে। তাই আবার এর মাট...
07/06/2020

এডেনিয়ামের মাটি তৈরি
............

এডেনিয়ামের মাটি তৈরি নিয়ে অনেক বার লিখেছি তবু অনেকেই বারবার জিজ্ঞেস করে। তাই আবার এর মাটি তৈরি পদ্ধতি দিলাম।

অনেকেরই ধারণা এডেনিয়াম গাছে খুব যত্ন লাগে, পদ্ধতি মেনে মাটি তৈরি করতে হবে, পানি খুব কম দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু ব্যাপার একদম তা নয়। এই গাছ চাষ করা সবচেয়ে সহজ। আর যত্ন একেবারেই লাগে না। মাটি শুকনো মনে হলেই পানি দিবেন। এবার বলি এর মাটি তৈরি নিয়ে ---

বেশির ভাগ যাকেই জিজ্ঞেস করবেন সেই আপনাকে বলবে বালি, মাটি, কম্পোস্ট, হাড়গুঁড়ো, ইটের গুঁড়ো, ডিমের খোসা, কাঠ কয়লা, ধানের তুষ ইত্যাদির কথা বলবে।

আপনারা মাটি তৈরি করবেন ৪০% মোটা বালি, ৩০% মাটি এবং ৩০% গোবর সার বা ভারমি কম্পোস্ট দিয়ে। তার সঙ্গে মাটির সঙ্গে টব প্রতি একমুঠো হাড়গুঁড়ো ও একমুঠো কাঠ কয়লা দিতে পারলে ভালো।

তবে অনেকে অনেক রকম বলে, আমি কিন্তু অত সব ব্যবহার করি না। আমি আমার গাছের জন্য মাটি তৈরি করি ৪০% বালি, ৩০% মাটি ও ৩০% গোবর সার দিয়ে। আর কিছুই আমি মাটির সঙ্গে মিশাই না। আমার ফুল নিশ্চয় তাতে খুব খারাপ হয় না।

আসল কথা হল পানি না জমতে পারে এরকম যে কোন মাটিতেই এডেনিয়াম চাষ করা যায়। শুধু বেশি ফুল পেতে হলে মাসে অন্তত একবার সার প্রয়োগ করতে হবে। তাই অযথা বেশি উলটো পালটা মাটি ব্যবহার না করে সহজ ভাবে এডেনিয়াম চাষ করুন সফল হবেন।

 #টবেই_করুন_ক্যাপসিকামের_চাষঃ 🌱বাড়ির ছাদে বা বারান্দার টবে মিষ্টি মরিচের চাষ করে নিজের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। #জাতঃআমাদের...
04/06/2020

#টবেই_করুন_ক্যাপসিকামের_চাষঃ 🌱

বাড়ির ছাদে বা বারান্দার টবে মিষ্টি মরিচের চাষ করে নিজের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

#জাতঃ
আমাদের দেশে ইয়োলো ওয়ান্ডার্স, ক্যালিফোর্নিয়া ওয়ান্ডার্স ইত্যাদি জাতের মরিচ চাষ করতে দেখা যায়।

#মাটি_ও_জলবায়ুঃ
বেলে দোআঁশ বা দোআঁশ মাটি মিষ্টি মরিচ চাষের জন্য ভালো। মিষ্টি মরিচ গাছের সহ্যশক্তি কম থাকায় মাটি ঝুরঝুর করে ব্যবহার করা উচিত। মিষ্টি মরিচের গাছ গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত সব মৌসুমে চাষ করা যায়।

#বীজ_বপণের_উপযুক্ত_সময়ঃ (যারা বীজ হতে চারা করবেন)
অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত। বীজ থেকে প্রথমে চারা তৈরি করে নিতে হয়। এ জন্য বীজগুলোকে ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে আগে থেকে তৈরি করে লাগাতে হয়।
নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা অনেক কমে যায় বলে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে রাখলে ভেতরের তাপমাত্রা বেশি থাকে।

#বেড_তৈরিঃ (যারা বীজ হতে চারা করবেন):
বীজ বপণের ৭-১০ দিন পর চারার ৩-৪ পাতা হলে মাঝারি আকারের পলিথিন ব্যাগে চারা স্থানান্তর করতে হবে।

#চারা_রোপণ_ও_সার_প্রয়োগঃ
টবে গাছ লাগানো ক্ষেত্রে উপযুক্ত মাটি ও ৩০-৪০দিন বয়সের চারা প্রয়োজন। যে কোনো সাইজের টবে এই গাছ রোপণ করা যায়। তবে একটি টবে একটি গাছ রোপণ করাই উত্তম। মাটি বাছাই করা হলে তার সঙ্গে ১/৩ অংশ গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম এবং জিংক অক্সাইড ভালো করে মেশানোর পর টবে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ইউরিয়া ও এমওপি দু’ভাগে ২০ ও ৩০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে। সূর্যের তাপে চারা রোপণ করলে চারার ক্ষতি হয়। তাই বিকালে চারা রোপণ করাই ভালো।

#পরিচর্যাঃ
গাছের গোড়ায় আগাছা জন্মাতে দেয়া যাবে না। আগাছা দেখলেই নিড়ানি দিয়ে ফেলে দিতে হবে। মিষ্টি মরিচ গাছের সহ্যশক্তি কম থাকায় খরা বা জলাবদ্ধতা কোনোটাই সহ্য করতে পারে না। তাই প্রয়োজন মতো পানি দিতে হবে এবং জলাবদ্ধতা রোধে সুষ্ঠু নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ হেলে পড়া রোধে খুঁটির ব্যবস্থা করতে হবে।

#বালাই_ব্যবস্থাপনাঃ
মিষ্টি মরিচ গাছে সাধারণত কিছু পোকামাকড়, ছত্রাক ও ভাইরাসজনিত রোগের আক্রমণ হয়ে থাকে। পোকার মধ্যে জাবপোকা, এফিড, থ্রিপস, লালমাকড় ও মাইট আক্রমণ করে। ছত্রাকজনিত সাধারণত এনথ্রাকনোজ, উইল্কল্ট রোগে আক্রান্ত হয়। ভাইরাসজনিত রোগে পাতায় হলদে দাগ পড়ে এবং পাতা কুঁকড়ে আসে। এ রোগে গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে ফেলা বা পুড়িয়ে ফেলা ছাড়া উপায় নেই। ভাইরাসজনিত রোগের জন্য তেমন কোনো কীটনাশক পাওয়া যায় না। এছাড়া পোকা বা ছত্রাকজনিত রোগের আক্রমণ হলে কৃষিকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

#সেচঃ
ক্যাপসিকাম খরা ও জলাবদ্ধতা কোনটাই সহ্য করতে পারে না, তাই প্রয়োজন অনুসারে সেচ দিতে হবে। কোনো গাছে ফল ধরা শুরু হলে খুঁটি দিতে হবে, যাতে গাছ ফলের ভারে হেলে না পড়ে। সব সময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।

#ফসলঃ
মিষ্টি মরিচ পরিপক্ক সবুজ অবস্থায় লালচে হওয়ার আগেই উঠানো যায়। সাধারণত সপ্তাহে একবার গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে ফল সংগ্রহের সময় প্রতিটি ফলে সামান্য পরিমাণে বোটা রেখে দিতে হবে।

03/06/2020
 #গোলাপ_নিয়ে_কিছু_🌹সবাই আমরা গোলাপকে ভালোবাসি।সবাই চাই গোলাপ গাছে অনেক ফুল আসুক।আর তার জন্য প্রয়োজন অধিক যত্নের।অধিক ফুল...
03/06/2020

#গোলাপ_নিয়ে_কিছু_🌹
সবাই আমরা গোলাপকে ভালোবাসি।
সবাই চাই গোলাপ গাছে অনেক ফুল আসুক।
আর তার জন্য প্রয়োজন অধিক যত্নের।
অধিক ফুলের জন্য নিম্ন লিখিত ধাপ গুলো অনুসরণ করুন কিছুটা সুফল পাবেন ইনশাআল্লাহ।

√মাটি তৈরিঃ

গাছ লাগাতে আগে মাটি তৈরি করে নিতে হয়।
২০% গোবরের ছাই।(অনেক অঞ্চলে গোবর জ্বালানি হিসেবে ব্যাবহার হয় সেই ছাই)।
২০% ব্যবহার করা অবশিষ্ট চাপাতা।
১০% মোটা বালি।
১০% ধানের কুড়ো।(অনেক অঞ্চলে ধানের গুড়া বলে)
১০% গরুর গোবর।
২০% মাটি।
১০% টি,এস,পি ১০০ গ্রাম এম,ও,পি ৫০গ্রাম,
দস্তা,বোরন,ম্যাগনেসিয়াম যথাক্রমে ১০ গ্রাম করে।
ফুরাডান ১০০ গ্রাম।
সব গুলো এক সাথে মিশিয়ে একটি বস্তাই বা পাত্রে ২০ দিন থেকে ১ মাস ভালো করে চেপে রেখে দিন।

√টব তৈরীঃ

অবশ্যই টবের নিচে পানি নিষ্কাশনের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে। টবটি একটু বড় হবে এবং নিচের অংশে কিছু ইটের খোয়া এবং বালি দিয়ে ৪" পুরু করে দিন। তারপরে সেই মিশ্রিত মাটি টবে দিয়ে পুরাতন ডালের ঝাউওয়ালা গাছ নির্বাচন করে লাগিয়ে দিন।

√গাছের জন্য পরিবেশঃ

৫/৬ ঘন্টা রোদ পায় এমন স্থানে রাখুন।
পানি দিবেন অল্প করে কিন্তু নিয়মিত।
যে কোন গাছের জন্যই অনেক কম এবং অনেক বেশি পানি ক্ষতিকর। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হন।

√গাছের জন্য খাবারঃ

গাছ রোপনের প্রথম ২ মাস পানি ছাড়া অন্য কিছু না দিলেও চলবে।
পরবর্তিতে আপনি খৈল পচা দিবেন।
নিয়ম ১০০ গ্রাম খৈল +১০ গ্রাম ইউরিয়া সার নিম্নে ১০ দিন ১ লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০ দিন পরে ঐ ১ লিটার পানির সাথে আরো ৬ লিটার পানি মিশ্রন করে গোলাপ সহ সব গাছে মাসে একবার ব্যাবহার করুন।
গাছের জন্য আরো একটি ভালো খাবার নিজে তৈরি করতে পারেন
১লিটার পানিতে
১ টি কলার খোসা (ছোট করে কেটে নিবেন)।
১ চা চামচ চাপাতা।
১ চামচ কফি।
১টি ডিমের খোসা (পাউডার করে)
নিয়ে পানিটি ফুটিয়ে নিয়ে চুলা বন্ধ তার সাথে টক দই ১/২ চা চামচ দিয়ে মিশিয়ে রেখে দিন।
সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলে প্রয়োজনে পরের দিন ছাকনি দিয়ে তার সাথে আরো ৩ লিটার পানি মিশ্রন করে গাছে দিন।
১মাসে একবার।

√গাছের ডাল কাটিংঃ

অক্টোবর মাসে গাছের প্রতি শাখা উপর থেকে ৪/৬" বাদ দিয়ে কেটে দিন। আপনি চাইলে বেশি কাটতে পারেন তবে অবশ্যই মূল ডাল থেকে ২/৩"রেখে শাখা কাটবেন। ফুল শুকিয়ে গেলে সাথে সাথে কেটে দিবেন এবং মরা ডালগুলো কেটে দিবেন।
আপনার গাছের বয়স যত বাড়বে ফুল আসবে ততো বেশি তাই হতাশ হবেন না।
বছরে একবার বর্ষাকালে গোড়ায় সুষম সার দিবেন।

√স্প্রেঃ

গাছে যখন ফুল থাকবেনা তখন ইমিডাক্লোরপিড ৩ লিটার পানিতে ১ মিলি করে স্প্রে করে দিবেন কমপক্ষে বছরে দুই বার।
আপনি পি জি আর ২ মিলি এবং হাফ চা চামচ বোরন দিয়ে বছরে কমপক্ষে ৩/৪ বার সকল ধরনের গাছে স্প্রে করে দিবেন (বোরন মাটিতে দেয়া যায় স্প্রেও করা যায় কিন্তু অন্য বোরন মাটিতে দিতে পারবেন কিন্তু স্প্রে করে দিতে পারবেন না)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plant care - গাছের যত্ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share