Aesthetic art

Aesthetic art Art is a line around your thoughts.
(1)

22/05/2026

ফেইক নেইলস পরার সঠিক নিয়ম✅

চুড়ি গুলো পেয়ে যাবেন আমাদের পেইজে💗

Dispatched diary🕊️   গন্তব্যস্থল লিথুনিয়া 🤍🕊️এই এক বাক্স ভালোবাসা চলে গিয়েছে হাজার মাইল দূরে❤️
21/05/2026

Dispatched diary🕊️ গন্তব্যস্থল লিথুনিয়া 🤍🕊️
এই এক বাক্স ভালোবাসা চলে গিয়েছে হাজার মাইল দূরে❤️

21/05/2026

Now we realized that she was damn right.

21/05/2026

💔

21/05/2026

😑

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার । রামিসার ঘ...
21/05/2026

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার ।

রামিসার ঘটনাটা পড়ার সময় আমি চিন্তা করছিলাম রামিসাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়েছিলো কে ?

ধর্ষক সোহেল রানা ? কিভাবে ? চকলেটের লোভ দেখিয়ে ? অথবা ভিন্ন কিছু হলে সেটা কি!

কিন্তু আজ জবানবন্দিতে প্রকাশ হলো ,

"সোহেল রানা না বরং তার স্ত্রী স্বপ্নাই রামিসাকে ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যায় । আদর করে বাসায় ঢুকায়ে তারপর দরজা লক করে দেয় । "

বাচ্চারা সাধারণত অল্পতেই মিশুক হয় । তাদের একটা চিপস, একটা পছন্দের খেলনা , একটা চকলেট দিয়ে বশ করে নেওয়া যায় ।

তারপর এসব যদি দেয় মেয়ে কেউ, তাহলে তো বশ করার তাবিজ আরও বেশি কাজ করে ।

গতকাল যখন ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিলাম ,

'ধর্ষকের স্ত্রী ধর্ষণ করতে সহায়তা করেছে ,
রামিসাকে হ*ত্যা করতে সহায়তা করেছে ,
এমনকি রামিসার দেহ থেকে মাথা আলাদা করতেও সে সহযোগিতা করেছে -

তখন অনেকেই আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেছে ,
একজন মেয়ে হয়ে কি আসলেই এরকম করা সম্ভব ?

আসলেই তা সম্ভব , তা-ই করা হয়েছে।

কলকাতার মেডিকেল কলেজের মৌমিতার ঘটনার কথা মনে আছে?

ধারণা করা হয়েছিলো , মৌমিতাকে যখন ধর্ষণ করা হচ্ছিলো তখন তার দুই সহকর্মী হাত চেপে ধরেছিল।

সেখানে একজন মেয়ে ছিলো । মৃত মৌমিতার পাশে এমন একটা ক্লিপ পাওয়া গিয়েছিলো যেটা মৌমিতার ছিলো না ।

মৌমিতাকে এত নিষ্ঠুরতম উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছিলো যে তার চোখের মণি থেকে পানির বদলে রক্ত বের হয়েছিলো ।

কার সামনে? একজন মেয়ের সামনে ।

রামিসাকেও যখন ধর্ষণ করেছিলো তার যোনী থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো ।

একজন মেয়ে হয়ে ধর্ষকের স্ত্রী স্বপ্নার এই ব্যথা বোঝার কথা । বাঁধা দেওয়ার কথা । স্বপ্না তা করে নি।

উল্টো এই নিষ্ঠুর নরপিশাচকে গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে ।

ইভেন কুমিল্লায় তনু হত্যার তদন্তের পর সিআইডি এখন সন্দেহ করছে , তনু হত্যায়ও একজন নারী জড়িত ছিলো ।

তিনজন পুরুষের সিমেন বাদেও তনুর জামায় আরেকজনের রক্ত পাওয়া গেছে সম্প্রতি ।

এসব ঘটনার পর একটা লাইন জেনারাইলাইজ করা হয় , ' মেয়েরাই মেয়েদের বড় শত্রু...

এটুকু কতটুকু সত্য অথবা কতটুকু মিথ্যা তা জেনারাইলজ করার ভার যার যার জীবন কেন্দ্রিক থাকুক ।

আমি আপাতত এটুকু বলতে চাই - শুধু মহিলা / নারী/ মেয়ে বলে আপনার সন্তানকে যার তার সাথে মিশতে দিবেন না ।

এখন আর শুধু পুরুষ নয় - নারীও এখন নিরাপত্তাহীনতার সিম্বল আপনার মেয়ের জন্য ।

আপনার বাচ্চাকে হরহামেশাই পাশের ফ্ল্যাটে চলে যেতে দিবেন না । ইভেন সমবয়সী ছেলে/ মেয়ে বাচ্চা থাকলেও ।

৬-১৪ বছর বয়সী মেয়েদের যারা যৌন নিপীড়ন হয় এদের বেশিরভাগকেই এই ব্যাড টাচ করা হয় খেলাধুলার ছলে , টিভিতে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখায়ে অথবা চকলেট/খেলনা দিয়ে বশ করে ।

এসব করে হরহামেশাই গ্রামে ধর্ষণ হচ্ছে । যারা দুয়েক বেলা পত্রিকার পাতা উল্টান তারা জানবেন ।

আপনার সন্তানকে কেউ আদর স্নেহ করবে ?
সমস্যা নেই । সেটা আপনার সামনেই করতে দেন ।

আপনার আড়ালে গিয়ে কারো বাসায় খেলা করা, কার্টুন দেখা এগুলা এখন রিস্ক জোন যদি সে বাসায় পুরুষ থাকে ।

এখনকার বাচ্চারাও অনেক আধুনিক । গতকাল একটা পোস্ট দেখলাম ,

' সমবয়সী এক বাচ্চা ছেলে তার মেয়ে ক্লাসমেটকে ব্যাড টাচ করে । অভিভাবককে বিচার দেওয়া হইলো।

অভিভাবক বাচ্চার সামনেই মেয়ের মা'কে উল্টো কাউন্টার দিতেছে , "বাচ্চারা অত বুঝে নাকি । এ বয়সে এসব হয় । আপনি এতো সিরিয়াস কেনো হচ্ছেন?"

ভাবতে পারেন? এই হইলো পুরুষ সন্তানদের অভিভাবকদের অবস্থা।

তাই বলি , আপনার সন্তানকে সময় দেন । রিলসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে তা'র সাথে খেলেন ।

সন্তানকে সতর্ক করেন - আপনি না থাকলে কারো কাছেই যাওয়ার দরকার নেই ।

না দোকানী মামার কাছে , না আসক্রিম মামার কাছে , না পাশের বাচ্চা ছেলে বন্ধুর কাছে ।

আপনার মনে হইতে পারে , এসব আচরণ অস্বাভাবিক ঠেকবে পরিচিত মানুষদের কাছে ।

আমি বলি ভদ্রতা তুলে রাখুন ফ্রিজে, তাজা থাকুক ।

জাস্ট এটুকু মাথায় রাখুন , আজকাল যা ঘটছে তাও কি আদৌ স্বাভাবিক কিছু ?

নাহয় এ কোন কলিযুগে আমরা বসবাস করি যেখানে মেয়েদের সহযোগিতায় মেয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে , হত্যা করা হচ্ছে!

শেষে এটুকুই বলি , Create your own safe-zone circle and live a safe life with your family.

লেখাঃ ' আলোকশূন্য নক্ষত্র'

এই মেয়েটা রামিসার বান্ধবি৷ মেয়েটার কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারবেন না 💔বাচ্চাটা কাঁদতে কাঁদতে বলছিলো, “ও কালকে আমাকে...
20/05/2026

এই মেয়েটা রামিসার বান্ধবি৷ মেয়েটার কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারবেন না 💔

বাচ্চাটা কাঁদতে কাঁদতে বলছিলো, “ও কালকে আমাকে আইসক্রিম খাওয়াইসে৷ ওর বিড়াল দেখাইসে৷ আমার সাথে বসছিলো ক্লাসে৷ আমার বান্ধবির মা%রা%র বিচার চাই...”

মেয়েটার ছোট্ট এই বয়সে সে হয়তো “বিচার” শব্দটার গভীরতা বোঝে না, কিন্তু সে বোঝে তার সবচেয়ে কাছের মানুষটা আর নেই। এই কথাগুলো কোনো বড় মানুষের লেখা বক্তৃতা না, এটা এক ছোট্ট শিশুর ভাঙা হৃদয়ের আর্তনাদ। বন্ধুত্বের বয়স ছোট হতে পারে, কিন্তু অনুভূতির গভীরতা কখনো ছোট হয় না :)

লেখা- Rahat Ahmed Tulon

#রামিসা

20/05/2026

wait wait wait🥹

# 🎨

20/05/2026

আর মাত্র কয়েকদিন পর👌

20/05/2026

😐

বড় বোনের সাথে একসাথে স্কুলে যায় রামিসা । যে সময়ে রামিসার স্কুলে যাওয়ার কথা , সে সময়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না । মেয়ে...
20/05/2026

বড় বোনের সাথে একসাথে স্কুলে যায় রামিসা ।
যে সময়ে রামিসার স্কুলে যাওয়ার কথা , সে সময়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না ।

মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে হঠাৎ পাশের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটা জুতো পড়ে থাকতে দেখে তার মায়ের সন্দেহ হয় ।

ফ্ল্যাটের দরজায় নক করলেন । ভেতর থেকে কোনো রেসপন্স নেই । তিনি দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করলে বরং ভেতর থেকে দরজা আরও শক্ত করে লক করে দেওয়া হয় ।

তখন রামিসার মা'র সন্দেহ হয় । তিনি চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন । দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন । ভাঙতে পারেন নি ।

পরে ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ আসে । দরজার ভাঙার পর যে দৃশ্য দেখা যায় তাতে সবারই গা শিউরে উঠে ।

পুরো রুমে রক্তের দাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে । রক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা গেলো আলাদা করে খাটের নিচে ছোপ ছোপ রক্ত জমে আছে ।

তখন খাটের নিচ থেকেই ছোট্ট শিশু রামিসার পা ধরে টেনে তার রক্তাক্ত দেহ বের করে আনা হয় ।

কিন্তু আস্ত দেহ পড়ে আছে মাথা ছাড়া!

Can you imagine how horrific this picture is?

তাজা রক্ত রামিসার যে দেহ থেকে গড়িয়ে পড়ছে ফ্লোরে - সে দেহে রামিসার মাথা ছিলো না ।

পৃথিবীর এমন কোনো শক্ত মানসিকতার মা রয়েছে যে এই দৃশ্য সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে?

রামিসার মা ও পারে নি । তিনি জ্ঞান হারালেন ।

পুলিশ খুঁজতে খুঁজতে রামিসার মাথা খুঁজে পেলেন বাথরুমে।

ধর্ষ*কের পরিকল্পনা ছিলো মাথা থেকে শরীর আলাদা করে ফেলে শরীর এক জায়গায় ফেলবে , মাথা আরেক জায়গায় ফেলবে । যাতে ধ*র্ষণের আলামত খুঁজে না পাওয়া যায়।

এই ধর্ষ*কের নাম সোহেল রানা ।
একজন রিকশা মেকানিক । মাত্র দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে উঠেছে ।

আশ্চর্যের বিষয় হইলো - যখন সে রামিসাকে ধ*র্ষণ করে তখন তার স্ত্রী সাথেই ছিলো । সে সোহেল রানাকে সাহায্য করেছে।

এমনকি ধ*র্ষণ থেকে শুরু করে শেষ অবধি রামিসার দেহ থেকে মাথা আলাদা করার সময় পর্যন্ত ।

এখানেই শেষ না।

রামিসার মা যখন বন্ধ দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিলো , ধর্ষ*কের স্ত্রী স্বপ্না তখন গ্রিল কেটে সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করছিলো ।

রামিসাকে হ*ত্যা করা হয় মূলত যৌন বিকৃত মানসিকতা থেকে।

আতঙ্কের বিষয় হইলো রামিসাকে ধর্ষ*ণ করার সময় যৌনাঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো , তখন লোক জানাজানির ভয়ে ধ*র্ষক সোহেল রানা তাকে মুখ চেপে ধরে হ*ত্যা করে।

ছোট্ট একটা শিশু , মাত্র সাত বছরের । সবেমাত্র ক্লাস টু তে পড়ে । সে জানেই না যৌনতা কি!

অথচ তাকে জীবন দিতে হইলো একজন নরপশুর যৌন লালসার কারণে ।

যে সময়ে তার মাথায় সুন্দর চুলগুলো পরিপাটি থাকার কথা - তার সে চুলগুলোতে লেগে আছে ছোপ ছোপ রক্ত।

যে চোখে তাকিয়ে সে মায়ের দিকে হাসতো - সে চোখ বিস্ফোরিত হয়ে আছে আতঙ্কে ।

শুনেছি রামিসার মা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে বসে আছেন। কোনো শব্দ নেই । তার বাবা হাউমাউ করে কাঁদছেন ।

এতোদিন সযত্নে বড় করা ফুল পড়ে আছে রক্তা*ক্ত দেহে মাথা ছাড়া , এমন দৃশ্য মা বাবার মন থেকে মুছে দেওয়ার মতো শক্তিশালী কোনো রাবার পৃথিবীতে রয়েছে?

কিন্তু এইসব দৃশ্য আমাদের অপরিচিত নয় । বাংলাদেশের মানচিত্রে এমন বহু লাশ জমে আছে।

ধর্ষণের পর শিশুদের, মেয়েদের রক্তা*ক্ত লাশ পড়ে থাকে ধানক্ষেতে, ভেসে থাকে পুকুরে, পড়ে থাকে বাসে অথবা ফ্ল্যাটে ।

প্রতিবার ধর্ষ*ণের পর আওয়াজ উঠে , দ্রুত বিচার চাই । কিন্তু দ্রুত বিচার হয় না । আমরা ক্লান্ত হই ।

যাকে ধ*র্ষণ করা হয় - সে মারা যায় । খুব দ্রুত তাকে হ*ত্যা করা হয় । কিন্তু দেশের বিচার ব্যবস্থা ধর্ষকের আয়ু বাড়িয়ে দেয় ।

আছিয়াকে ধর্ষণের পর আছিয়া কতদিন বেঁচেছিলো ? তনুকে ধর্ষনের পর কতক্ষণ তনু বেঁচে ছিলো ?

কিন্তু তাদের ধর্ষকরা আজও জীবিত ।

উইলিয়াম গ্লাডস্টোনের একটা কথা আছে ।

"Justice delayed means justice denied. "

এবং কথা আমাদের জন্য পুরোপুরিভাবেই সত্যি ।

আসেন বাংলাদেশের ধর্ষণের বিচার নিয়ে মারাত্মক একটা হিসেব দেখাই ।

২০২২ সালে পড়েছিলাম প্রথম আলোতে , রেফারেন্স নেই কিন্তু পরিসংখ্যানটা এপ্রোক্সিমেটলি মনে আছে আমার !

২০০৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যত ধর্ষণ হয়েছে তার সাজা হয়েছে মাত্র ৩% ধর্ষকের ।

২০০০ সাল থেকে ২০২২ সালের হিসেবটা আরও করুণ । ১৭ হাজার মামলার বিপরীতে সাজা হয়েছে মাত্র ২০০ জন আসামীর । শতকরা হার ১%!

কারণ ধর্ষণের শিকারের পরিবার দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অর্থাভাবে মামলা টানতে পারে না।

আবার বেশিরভাগ সময়ই ধর্ষকের পরিবার থেকেই ভিকটিমের পরিবারকে হ*ত্যা, সহিংস*তার হুমকি দেওয়া হয়।

এভাবেই চলছে।

এই দেশের বিচার ব্যবস্থার সিস্টেমের দরুণ ধর্ষকরা থানায় গিয়ে পুলিশের সাথে মশকরা করে। ধর্ষণ করে বের হয়ে এসে আবার ধর্ষণের হুমকি দেয়।

আমার কখনো কখনো মনে হয় একটা দুইটা মন্ত্রীর মেয়ে ধর্ষণ হইতো - তাহলে এটলিস্ট আমরা দেখতাম, ধর্ষণের বিচার ঠিক কতদিন আদালতে ঝুইলা থাকে...

সবশেষে আমরা জানি রামিসার ধর্ষ*কও বহুদিন বেঁচে থাকবে । আদালতে ঘুরবে, বাঁচবে , ফিরবে, খাবে , ঘুমাবে এমনকি জামিন হয়ে গেলোও আমি আশ্চর্য হবো না....

আইয়ামে জাহেলিয়াতের কাহিনী ধর্ম পড়ে জেনেছি ।
আর আইয়ামে জাহেলিয়াতের বাস্তবরূপ আসলে বাংলাদেশে দেখেছি।

একটা সময় লিখেছিলাম , মায়ের গর্ভ আর কবর ছাড়া মেয়েদের আর কোথাও নিরাপত্তা নেই ।

তারপর জানলাম গর্ভবর্তী মহিলাও ধর্ষি*ত হয় এদেশে। মৃত মেয়েকে দিয়েও যৌন লালসা মেটায় হাসপাতালের ডোম ।

একটা সময় রাগ করে মুখে বলতাম , এখন শুধু গভীর থেকেই মনে হয় , বারবার মনে হয় —

এদেশের মানচিত্রে 'মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটাই পাপ...'

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aesthetic art posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share