Pure Bangla 24

Call Website

Pure Bangla 24 The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Pure Bangla 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.

দিনে ই-রিকশা চালিয়ে সংসারের দায়িত্ব, তার মাঝেই উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম বিভাগ! অসমের রীমার স্বপ্ন এখন B.Com পড়াসংসারের দায...
10/21/2026

দিনে ই-রিকশা চালিয়ে সংসারের দায়িত্ব, তার মাঝেই উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম বিভাগ! অসমের রীমার স্বপ্ন এখন B.Com পড়া

সংসারের দায়িত্ব সামলাতে দিনে ই-রিকশা চালান, আবার সেই ব্যস্ততার মাঝেই চালিয়ে যান পড়াশোনা। কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেও উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে নজর কেড়েছেন অসমের বিশ্বনাথ জেলার রীমা তেরাংপি।

পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আয় বাড়াতে যাত্রী পরিবহনের কাজ করেন রীমা। প্রতিদিনের কাজ, পড়াশোনা আর পারিবারিক দায়িত্ব—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই এগিয়ে চলেছেন তিনি। তাঁর এই জীবনযাত্রা সহজ নয়, তবুও নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছেড়ে দেননি।

বিশ্বনাথ কমার্স সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্রী রীমা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩০৭ নম্বর পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁর এই ফলাফল নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে। ফল প্রকাশের দিনেও নিজের কাজ থেকে বিরতি নেননি রীমা। সাফল্যের খবর পাওয়ার পরও পরিবারের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। কারণ তাঁর জীবনে পড়াশোনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই পরিবারের পাশে থাকাও সমান জরুরি।

তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না রীমা। তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য বি.কম (B.Com) নিয়ে পড়াশোনা করা এবং নিজের ভবিষ্যৎ আরও শক্ত ভিতের ওপর গড়ে তোলা।

রীমার এই পথচলা মনে করিয়ে দেয়, জীবনের পরিস্থিতি সব সময় অনুকূলে থাকে না। অনেক সময় নিজের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্বও বহন করতে হয়। তবুও চেষ্টা চালিয়ে গেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি হতে পারে।

রীমার গল্পের শিক্ষা একটাই—কঠিন পরিস্থিতি তোমার পথকে কঠিন করে তুলতে পারে, কিন্তু স্বপ্ন দেখার অধিকার কেড়ে নিতে পারে না।

তথ্যসূত্র: রীমা তেরাংপির ফলাফল ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে প্রকাশিত সংবাদপ্রতিবেদনের নির্দিষ্ট নাম বা লিংক দেওয়া হয়নি। প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের সূত্র যাচাই করে নেওয়া উচিত।

**রাস্তায় ফেলে দেওয়া বই সংগ্রহ করে স্ত্রীর হাতে তুলে দিতেন স্বামী, সেই বই পড়েই গৃহকর্মী থেকে পুলিশ ক্যাপ্টেন আন্দ্রেয...
10/21/2026

**রাস্তায় ফেলে দেওয়া বই সংগ্রহ করে স্ত্রীর হাতে তুলে দিতেন স্বামী, সেই বই পড়েই গৃহকর্মী থেকে পুলিশ ক্যাপ্টেন আন্দ্রেয়া!**

সংসারের খরচ চালাতে একসময় গৃহকর্মীর কাজ করতেন ব্রাজিলের আন্দ্রেয়া গিমারায়েস তাভারেস। দিনের বেলা অন্যের বাড়িতে কাজ, আর রাতে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য পড়াশোনা—এভাবেই চলত তাঁর জীবন। নতুন বই কেনার সামর্থ্য ছিল না। কিন্তু তাঁর স্বপ্নকে থামতে দেননি স্বামী হোসে ফ্রান্সিসকো বারোস।

স্ত্রীর পড়াশোনার আগ্রহ বুঝতে পেরে হোসে রাস্তায় ফেলে দেওয়া বই সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। সেই বইগুলোই হয়ে উঠেছিল আন্দ্রেয়ার পড়াশোনার অন্যতম ভরসা। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও স্বামীর এই সহযোগিতা তাঁকে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

ব্রাজিলের গোইয়ানিয়া শহরের বাসিন্দা আন্দ্রেয়া ENEM পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন সেই সংগ্রহ করা বই পড়েই। পরীক্ষায় ভালো ফল করার পর আইন বিষয়ে পূর্ণ বৃত্তি পান তিনি। এরপর আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করে গোয়াস রাজ্যের সামরিক পুলিশে যোগ দেন। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পথ পেরিয়ে বর্তমানে তিনি একজন পুলিশ ক্যাপ্টেন।

যে নারী একসময় সংসার চালানোর জন্য গৃহকর্মীর কাজ করতেন, তাঁর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তির পাশাপাশি স্বামীর নিঃস্বার্থ সহযোগিতা।

২০২৬ সালে তাঁদের ২৫ বছরের সম্পর্ক উদযাপনের ফটোশুটও মানুষের নজর কেড়েছে। ছবিতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন পুলিশ ক্যাপ্টেন আন্দ্রেয়া এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী হোসে। তাঁদের পেশা আলাদা, কিন্তু দীর্ঘ পথচলায় একে অপরের প্রতি সমর্থন ও বিশ্বাসের গল্পটি বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

এই গল্পের সৌন্দর্য শুধু আন্দ্রেয়ার সাফল্যে নয়, বরং স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সহযোগিতায়ও। হোসে হয়তো দামি বই কিনে দিতে পারেননি, কিন্তু স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যা সম্ভব, সেটুকু করেছেন। আর আন্দ্রেয়া সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের জীবনের পথ বদলেছেন।

**কখনও কখনও জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ অর্থ বা দামি উপহার নয়—সেই মানুষটি, যিনি কঠিন সময়েও তোমার স্বপ্নের ওপর বিশ্বাস রাখেন।**

**তথ্যসূত্র:**
- G1 Brasil — আন্দ্রেয়া ও হোসের ২৫ বছরের সম্পর্ক এবং বই সংগ্রহের গল্প
- Jornal de Brasília — আন্দ্রেয়ার পড়াশোনা ও পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে ওঠার কাহিনি

বিশ্ব কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বার সোনা, ফিলিস্তিনের মরিয়মের দুর্দান্ত সাফল্যবিশ্ব কারাতের মঞ্চে আবারও নিজের...
10/21/2026

বিশ্ব কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বার সোনা, ফিলিস্তিনের মরিয়মের দুর্দান্ত সাফল্য

বিশ্ব কারাতের মঞ্চে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন ফিলিস্তিনের তরুণী মরিয়ম বশারাত। পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দ্বিতীয়বার স্বর্ণপদক জিতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন গৌরব যোগ করেছেন তিনি।

জুনিয়র নারী অনূর্ধ্ব-৬৬ কেজি কুমিতে বিভাগে ফাইনালে স্পেনের নোয়া লোপেজ গনজালেজের মুখোমুখি হন মরিয়ম। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ে ৩-১ পয়েন্টে জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখেন ফিলিস্তিনের এই কারাতেকা।

তবে মরিয়মের সাফল্য শুধু পরপর দু’বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জুনিয়র নারী অনূর্ধ্ব-৬৬ কেজি বিভাগে বিশ্ব কারাতে ফেডারেশনের র‍্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছেন তিনি বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে, কঠোর অনুশীলন, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় একজন ক্রীড়াবিদকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে তাঁর অর্জন ফিলিস্তিনের তরুণ প্রজন্মের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারে।

বিশ্বমঞ্চে টানা দ্বিতীয়বার সোনা জিতে মরিয়ম বশারাত আবারও নিজের প্রতিভার পরিচয় দিলেন। তাঁর এই সাফল্য ফিলিস্তিনের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর।

তথ্যসূত্র: World Karate Federation (WKF)। প্রকাশের আগে প্রতিযোগিতার বছর, ফলাফল ও র‍্যাঙ্কিংয়ের তথ্য সংস্থাটির সরকারি নথি থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

অনেকেই এক-দুবার ব্যর্থ হয়ে থেমে যান… কিন্তু কেউ কেউ ব্যর্থতাকেই সাফল্যের সিঁড়ি বানিয়ে ফেলেন।ভাবুন তো, একবার নয়… দুইব...
10/21/2026

অনেকেই এক-দুবার ব্যর্থ হয়ে থেমে যান… কিন্তু কেউ কেউ ব্যর্থতাকেই সাফল্যের সিঁড়ি বানিয়ে ফেলেন।
ভাবুন তো, একবার নয়… দুইবার নয়… আটবার কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে কেমন লাগে?
অনেকেই হয়তো তখন স্বপ্নটাকেই বিদায় জানিয়ে দিতেন।
কিন্তু ময়ঙ্কা চৌরাসিয়া থামেননি।
বিভিন্ন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যর্থতার পর তিনি আবার নতুন করে প্রস্তুতি নিয়েছেন। ফল আশানুরূপ না হলেও নিজের ওপর বিশ্বাস হারাননি।
এই পথ শুধু একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার লড়াই ছিল না।
এর সঙ্গে ছিল সমাজের নানা মন্তব্য, পরিচিত মানুষের প্রশ্ন, আর বিয়ে নিয়ে পারিবারিক ও সামাজিক চাপও।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়ঙ্কা নিজের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
অনেকে তাঁকে বলেছিলেন—
"এবার ছেড়ে দাও..."
"এতবার চেষ্টা করে কী হবে?"
কিন্তু তিনি অন্যদের কথার চেয়ে নিজের স্বপ্নকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
অবশেষে, নবম প্রচেষ্টায় তিনি সফল হন এবং DSP (Deputy Superintendent of Police) পদে নির্বাচিত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
তাঁর গল্প শুধু একটি চাকরি পাওয়ার গল্প নয়।
এটি প্রতিটি ব্যর্থতার পর আবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার শক্তি এবং ধৈর্যের এক অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ।
জীবন অনেক সময় প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় চেষ্টায় উত্তর দেয় না। কখনও কখনও সাফল্য আসে তখনই, যখন সবাই মনে করে আর চেষ্টা করার কোনো মানে নেই।
তাই আজ যদি তোমার পথটা কঠিন মনে হয়, মনে রেখো—হয়তো তোমার পরের চেষ্টাটিই তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যের দরজা খুলে দিতে পারে। ✨
📝 নোট: এই লেখাটি বিভিন্ন প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে কিছু তথ্যের সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।

**২৩ বছর আগের প্রতিশ্রুতি রক্ষা, শহিদ সেনার মেয়ের বিয়েতে হাজির ২৪ সহযোদ্ধা**একটি প্রতিশ্রুতি, দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষা, ...
10/21/2026

**২৩ বছর আগের প্রতিশ্রুতি রক্ষা, শহিদ সেনার মেয়ের বিয়েতে হাজির ২৪ সহযোদ্ধা**

একটি প্রতিশ্রুতি, দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষা, আর এক বিয়ের দিনে তার আবেগঘন পরিণতি। রাজস্থানের নাগৌরের এই ঘটনা সহযোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক সম্পর্কের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উঠে এসেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাগৌরের বাসিন্দা ভাগীরথ কড়বাসরা ১৯৯৫ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৩ গ্রেনেডিয়ার্স ব্যাটালিয়নে যোগ দেন। ২০০২ সালের ৮ জুন অসমে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানে তিনি দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ তাঁকে মরণোত্তর শৌর্য চক্র প্রদান করা হয়।

সেই সময় তাঁর মেয়ে সুস্মিতা ছিলেন খুবই ছোট। বাবাকে হারানোর শূন্যতা নিয়েই বড় হয়ে ওঠেন তিনি। তবে ভাগীরথের সহযোদ্ধারা তাঁর পরিবারকে একা ছেড়ে দেননি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁরা পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর সুস্মিতার বিয়ের দিন সেই প্রতিশ্রুতিরই আবেগঘন প্রতিফলন দেখা যায়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ১৩ গ্রেনেডিয়ার্স ব্যাটালিয়নের ২৪ জন জওয়ান নাগৌরে সুস্মিতার বিয়েতে উপস্থিত হন। বাবার অনুপস্থিতিতে তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং বিয়ের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। কয়েকটি প্রতিবেদনে কন্যাদানের আচারেও তাঁদের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সুস্মিতার মা সন্তোষ দেবী সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁর স্বামী আজ আর তাঁদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর সহযোদ্ধারা এখনও পরিবারের সদস্যের মতোই পাশে রয়েছেন।

এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, সেনাবাহিনীর সহযোদ্ধাদের সম্পর্ক শুধু একসঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সেই সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিশ্বাস, মমতা এবং বিপদের দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকারও।

কখনও কখনও একটি প্রতিশ্রুতি বছরের পর বছর পেরিয়েও অটুট থাকে। আর সেই প্রতিশ্রুতি যখন পরিবারের জীবনের বিশেষ মুহূর্তে বাস্তব রূপ পায়, তখন তা হয়ে ওঠে ভালোবাসা ও সম্মানের এক স্মরণীয় উদাহরণ।

**তথ্যসূত্র:** ভাগীরথ কড়বাসরার শৌর্য চক্র-সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও *Gallantry Awards* পোর্টাল প্রাসঙ্গিক। বিয়ের অনুষ্ঠানে ২৪ সহযোদ্ধার উপস্থিতি ও পরিবারের বক্তব্যের নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এই লেখার সঙ্গে সরবরাহ করা হয়নি; তাই ওই বিবরণগুলোর প্রকাশনা-সূত্র স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

**প্রথমে প্রেম, তারপর বিয়ে—এরপর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে চর্চায় তিনজন!**সামাজিক মাধ্যমে পরিচয়, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম...
10/21/2026

**প্রথমে প্রেম, তারপর বিয়ে—এরপর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে চর্চায় তিনজন!**

সামাজিক মাধ্যমে পরিচয়, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, তারপর বিয়ে করে নতুন সংসার। কিন্তু সেই সম্পর্কের গল্পে পরে যুক্ত হয় আরও এক তরুণী। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি এলাকাকে ঘিরে প্রকাশিত একটি ঘটনা সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিমলা ও কল্যাণের পরিচয় হয়েছিল সামাজিক মাধ্যমে। পরিচয় থেকে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাঁরা বিয়ে করেন। তবে বিয়ের কিছুদিন পর কল্যাণের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন বিমলা।

প্রতিবেদনগুলোর দাবি, পরে বিমলা জানতে পারেন, কল্যাণের সঙ্গে নিত্যশ্রী নামে আরেক তরুণীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনায় আসে নতুন মোড়।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নিত্যশ্রী একসময় কল্যাণের বাড়িতে গিয়ে তাঁর বৈবাহিক অবস্থার কথা জানতে পারেন। এরপর তিনি বিমলার সঙ্গে কথা বলেন এবং কল্যাণকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

এরপরই ঘটনাটি আরও বেশি আলোচনায় আসে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি এলাকার একটি মন্দিরে বিমলার উপস্থিতিতে কল্যাণ ও নিত্যশ্রীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে তাঁদের একসঙ্গে তোলা কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

কয়েকটি প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে তিনজন একই বাড়িতে বসবাস করছেন। তবে তাঁদের বর্তমান সম্পর্কের অবস্থা এবং ঘটনার সব বিবরণ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করার মতো নির্ভরযোগ্য তথ্য সীমিত।

ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ বিষয়টিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ সম্পর্কের বিশ্বাস, পারস্পরিক সম্মতি এবং দাম্পত্যের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি বা অসম্পূর্ণ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঘটনার সব দিক নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

**তথ্যসূত্র:** অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি এলাকার ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

**মাত্র ১ ঘণ্টায় ২,৫১,৪৪৬টি চারা রোপণ! পরিবেশ রক্ষায় বারাণসীর নজরকাড়া উদ্যোগ**মাত্র ৬০ মিনিটে ২ লক্ষ ৫১ হাজারেরও বেশি...
10/21/2026

**মাত্র ১ ঘণ্টায় ২,৫১,৪৪৬টি চারা রোপণ! পরিবেশ রক্ষায় বারাণসীর নজরকাড়া উদ্যোগ**

মাত্র ৬০ মিনিটে ২ লক্ষ ৫১ হাজারেরও বেশি চারা রোপণ! বিপুল সংখ্যক মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারতের বারাণসীতে আয়োজিত এক বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিবেশ সংরক্ষণে তৈরি করেছে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গঙ্গার তীরবর্তী সুজাবাদ-ডোমরি এলাকায় এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে মাত্র এক ঘণ্টায় ২,৫১,৪৪৬টি চারা রোপণের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার কথা জানানো হয়। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০১৮ সালে চীনে তৈরি হওয়া আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি করা হয়।

এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল ওই এলাকায় প্রায় ৩৫০ বিঘা জমিজুড়ে একটি অর্থনৈতিক বন বা ‘ইকোনমিক ফরেস্ট’ গড়ে তোলা। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি অংশ নেন বিপুল সংখ্যক মানুষ।

শিক্ষার্থী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মী এবং সাধারণ নাগরিক—সবাই মিলে এই উদ্যোগে অংশ নেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক চারা রোপণের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুরো কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও নথিবদ্ধ করতে ড্রোন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল রোপণ করা চারার সংখ্যা এবং কর্মসূচির বিভিন্ন তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা।

তবে শুধু রেকর্ড গড়াই পরিবেশ সংরক্ষণের শেষ কথা নয়। রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা, পর্যাপ্ত জল সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদে সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে সময়ের সঙ্গে গাছগুলোর বেড়ে ওঠার ওপরও।

বারাণসীর এই উদ্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পরিবেশ রক্ষার মতো বড় লক্ষ্য পূরণে প্রশাসন, সংগঠন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

**এক ঘণ্টায় লক্ষাধিক চারা রোপণের এই উদ্যোগ শুধু সংখ্যার গল্প নয়, বরং প্রকৃতিকে রক্ষা করার জন্য একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্বও তুলে ধরে।**

তথ্যসূত্র: Guinness World Records; বারাণসীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন।

**ননদ-বৌদি একসঙ্গে UPSC-র প্রস্তুতি, একজনের র‍্যাঙ্ক ৩, অন্যজনের ৩৭! সাফল্যের অনন্য গল্প**স্বপ্ন যখন এক, আর সেই স্বপ্ন প...
10/21/2026

**ননদ-বৌদি একসঙ্গে UPSC-র প্রস্তুতি, একজনের র‍্যাঙ্ক ৩, অন্যজনের ৩৭! সাফল্যের অনন্য গল্প**

স্বপ্ন যখন এক, আর সেই স্বপ্ন পূরণের পথে পাশে থাকেন পরিবারেরই একজন, তখন কঠিন লড়াইয়েও নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পাওয়া যায়। উত্তরপ্রদেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় শ্রেয়া শর্মা ও আকৃতি শুক্লার সাফল্যের গল্প যেন সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়।

UPPSC PCS 2024 পরীক্ষার ফলাফল ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ননদ-বৌদির এই জুটি একসঙ্গে প্রস্তুতি নিয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন। শ্রেয়া শর্মা ৩৭তম স্থান অর্জন করে Commercial Tax Officer পদে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, আকৃতি শুক্লা তৃতীয় স্থান অর্জন করে Deputy Superintendent of Police (DSP) পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

তবে তাঁদের এই সাফল্য একদিনে আসেনি। দীর্ঘ প্রস্তুতি, নিয়মিত পড়াশোনা এবং একাধিক বাধা পেরিয়ে তাঁরা নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছেছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুজনের কাছেই এই সাফল্য ছিল তৃতীয় প্রচেষ্টার ফল।

বিয়ের পর একই পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁদের সম্পর্ক শুধু পারিবারিক বন্ধনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, পড়াশোনার ক্ষেত্রেও তাঁরা হয়ে উঠেছিলেন একে অপরের সঙ্গী। একসঙ্গে পড়াশোনা করা, নোট বিনিময়, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং কঠিন সময়ে পরস্পরকে উৎসাহ দেওয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন তাঁরা।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কখনও আত্মবিশ্বাস কমে যায়, কখনও দীর্ঘ অপেক্ষা হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে পাশে একজন সহযোদ্ধা থাকা অনেক বড় শক্তি হতে পারে। শ্রেয়া ও আকৃতির যাত্রাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পরিবারের সমর্থনের বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে।

আজ তাঁদের সাফল্য শুধু দুটি ভালো র‍্যাঙ্ক অর্জনের গল্প নয়। এটি এমন এক সম্পর্কের গল্প, যেখানে প্রতিযোগিতার বদলে প্রাধান্য পেয়েছে সহযোগিতা, আর ব্যক্তিগত স্বপ্নের পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে একে অপরের এগিয়ে যাওয়া।

**একই পরিবারের দুই সদস্য, একই লক্ষ্য, একসঙ্গে প্রস্তুতি—শেষ পর্যন্ত দুজনেরই সাফল্য।**

শ্রেয়া শর্মা ও আকৃতি শুক্লার এই যাত্রা মনে করিয়ে দেয়, কঠিন লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিজের পরিশ্রমের পাশাপাশি মানসিক সমর্থনও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। জীবনের পথে একজন সঠিক সঙ্গী অনেক সময় কঠিন দিনগুলো পার করার সাহস জোগান।

**তথ্যসূত্র:** UPPSC-এর PCS 2024 ফলাফলসংক্রান্ত তথ্য; শ্রেয়া শর্মা ও আকৃতি শুক্লাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন।

**বিচ্ছেদের পরেও একে অপরের প্রতি সম্মান, জিৎ ও স্বস্তিকার পুরনো সম্পর্কের গল্প আজও চর্চায়**টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ...
10/21/2026

**বিচ্ছেদের পরেও একে অপরের প্রতি সম্মান, জিৎ ও স্বস্তিকার পুরনো সম্পর্কের গল্প আজও চর্চায়**

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ ও স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় একসময় বাংলা ছবির পর্দায় দর্শকদের মন জয় করেছিলেন। একসঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করতে গিয়ে তাঁদের সম্পর্ক ঘিরেও তৈরি হয়েছিল নানা আলোচনা। অভিনয়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে বিভিন্ন বিনোদনমূলক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৪ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে এই জুটিকে একাধিক ছবিতে একসঙ্গে দেখা যায়। সেই সময় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও ছিল যথেষ্ট। পরবর্তী সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইতি ঘটে। তবে বিচ্ছেদের পর একে অপরকে নিয়ে প্রকাশ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করার ঘটনা তাঁদের সম্পর্কের আলোচনায় বিশেষভাবে সামনে আসেনি।

এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা তাঁদের সম্পর্কের সময়কাল এবং পরিবারের সঙ্গে জিতের ঘনিষ্ঠতার কথা বলেছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এমনকি স্বস্তিকার মেয়ের সঙ্গেও জিতের ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে জানা যায়।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সেই পরিবর্তন পরিবারের মধ্যেও প্রভাব ফেলেছিল। স্বস্তিকার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর মেয়েও বিচ্ছেদ নিয়ে নানা প্রশ্ন করেছিল এবং মজার ছলে মাকে দোষারোপ করত। ব্যক্তিগত জীবনের এই অভিজ্ঞতা তাঁদের সম্পর্কের আরেকটি দিক তুলে ধরে।

তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটেছিল, তা নিয়ে দু’জনের তরফে বিস্তারিত প্রকাশ্য বক্তব্যের নির্ভরযোগ্য তথ্য সীমিত। তাই তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে অনুমান করার চেয়ে ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি সম্মান দেখানোই শ্রেয়।

পরবর্তী সময়ে জিৎ নিজের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেন। অন্যদিকে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও অভিনয় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নিজের মতো করে এগিয়ে গিয়েছেন।

**সম্পর্কের শুরু যেমন সুন্দর হতে পারে, তেমনই কখনও কখনও তার সমাপ্তিও জীবনের স্বাভাবিক অংশ।** সব সম্পর্ক চিরস্থায়ী হয় না। কিন্তু সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরেও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা বিতর্কের কেন্দ্রে না আনা—এই মানসিকতা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্কবিষয়ক সাক্ষাৎকার এবং জিৎ ও স্বস্তিকাকে নিয়ে প্রকাশিত বাংলা বিনোদনমাধ্যমের প্রতিবেদন।

**১৯ বছর বয়সেই নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ, একাই বদলে দিতে শুরু করলেন চারপাশের ছবি!**একসময় নদীর একটি অংশ ঢেকে গিয়েছিল কচুরি...
10/21/2026

**১৯ বছর বয়সেই নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ, একাই বদলে দিতে শুরু করলেন চারপাশের ছবি!**

একসময় নদীর একটি অংশ ঢেকে গিয়েছিল কচুরিপানা, শেওলা, প্লাস্টিক ও জমে থাকা আবর্জনায়। অনেকের কাছেই সেই নদী পরিষ্কার করা ছিল অসম্ভবের মতো। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের বিয়াওয়ারের ১৯ বছর বয়সী তরুণ বিট্টু তবাহি দেখিয়ে দিয়েছেন, পরিবর্তনের সূচনা করতে সব সময় বড় দল বা বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয় না।

প্রচলিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ শুরু করেন বিট্টু। প্রথমদিকে কয়েকজন বন্ধু তাঁর সঙ্গে যোগ দিলেও পরে অনেকে সরে যান। কিন্তু অন্যরা পাশে না থাকলেও নিজের লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

প্রতিদিন নদীতে নেমে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, কচুরিপানা, শেওলা ও অন্যান্য আবর্জনা সরানোর কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। ধীরে ধীরে নদীর ওই অংশে পরিবর্তন চোখে পড়তে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আগে ও পরের ছবিগুলোও তাঁর প্রচেষ্টাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে।

এই উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, নদী থেকে তোলা আবর্জনা নদীর তীরেই এক জায়গায় জমা করে রাখা। এর মাধ্যমে নদীতে ফেলে দেওয়া বর্জ্যের পরিমাণ মানুষের সামনে তুলে ধরার একটি প্রচেষ্টা দেখা যায়।

বিট্টুর এই কাজ কেবল নদী পরিষ্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের গুরুত্বও তুলে ধরে। কারণ, নদী পরিষ্কার করার পাশাপাশি সেখানে যাতে আবার প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি।

একজন তরুণ নিজের উদ্যোগে যখন পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারেন, তখন সেই প্রচেষ্টা অন্যদেরও নিজেদের দায়িত্ব নিয়ে ভাবতে উৎসাহিত করতে পারে। তবে নদীকে দীর্ঘমেয়াদে পরিষ্কার রাখতে স্থানীয় বাসিন্দা, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগও প্রয়োজন।

**বিট্টুর এই উদ্যোগের শিক্ষা একটাই—পরিবর্তনের অপেক্ষায় বসে না থেকে, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রথম পদক্ষেপটি নেওয়া জরুরি।**

আমাদের আশপাশের নদী, খাল, পুকুর কিংবা পার্ক পরিষ্কার রাখার দায়িত্বও সবার। যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক না ফেলা, নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলা এবং অন্যদের সচেতন করার মতো ছোট ছোট কাজও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

**তথ্যসূত্র:** বিট্টু তবাহির নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ছবি ও প্রতিবেদন।

Address

Baridhara
Fort Morgan, CO
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Bangla 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share