16/04/2023
বিশ্বের কয়েকটি সুপারফুডের মধ্যে ডিম একটি , যা পুষ্টিতে ভরপুর। ডিমের উপকারিতা নিম্নরূপ :
১।ডিমের মধ্যে আছে ভিটামিন এ যা দৃষ্টি শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
২। ডিমের করোটিনয়েড ,ল্যুটেন এবং জিয়েক্র্নথিন চোখের ছানি কমাতে সাহায্য করে।
৩। ডিমের ভিটামিন বি১২- আমরা যা খাচ্ছি তা খাদ্যকে শক্তিতে রম্নপামত্মরিত করতে সাহায্য করে।
৪। ডিম দেহের পুষ্টিগুন বাড়াতে ও দীর্ঘায়ুতে সাহায্য করে।
৫। ডিম রক্তে কোলেষ্টরল জমতে বাধা দেয়।
৬। ডিম ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৭। ডিম কিডনি ও মসিত্মস্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখে ।
৮। ডিম রক্তে লোহিত কণিকা তৈরি করে।
৯। ডিমের ভিটামিন ই বন্ধারোধে,তারম্নন্য ধরে রাখা এবং স্কিন ক্যানসার প্রতিরোধে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১০। গবেষণায় দেখা গেছে ওমেগা-৩ রক্তের পস্নাজমায় ট্রাইগিস্নসারিডের পরিমান কমায়, যার ফলে হৃদরোগের ঝুকি কমায়।
১১।ডিমের ওমেগা-৩ চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি,মাংসের ক্ষয়পূরণ রোধ ও ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধেও কাজ করে।
১২। ডিমে ২০০ ধরনের এন্টিবডি রয়েছে, যা মানব দেহে সালমোনেলা আক্রমণ রোধ করে।
👇তাহলে চলুন জেনে নিই ডিম কীভাবে খেলে পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়।
তেলবিহীন পোচ: প্রথমে ডিমটা সাবধানে ভেঙে নিন একটি বাটিতে। এমনভাবে ভাঙতে হবে যেন কুসুম আস্ত থাকে, ছড়িয়ে না পড়ে। এর ওপর স্বাদ অনুযায়ী গোলমরিচ ও লবণ ছিটিয়ে দিন।
এবার একটি পাত্রে ভিনেগার দিয়ে অল্প পানি ফুটিয়ে তার মধ্যে সাবধানে ছেড়ে দিন এই ভাঙা ডিম। পোচ তৈরি হয়ে গেলে ঝাঁজর দিয়ে পানি ঝরিয়ে তুলে নিন। এমন পোচে তেল লাগে না বলে ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ অটুট থাকে।
ফুল বয়েল: ফুল বয়েলড ডিম শুধু খাওয়াসহ সালাদ বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে খাওয়া যায়। লবণ পানিতে ১০ মিনিটি সিদ্ধ করলেই হবে। ফুল বয়েল ডিম সহজে হজম হয়।
হাফ বয়েল: ডিমের বাইরের সাদা অংশ ভালো মতো লবণ পানিতে ৫ মিনিটি সিদ্ধ করতে হবে। আর কুসুম আধা সিদ্ধ থাকবে।
👉ডিম ভর্তা ভিডিওঃ https://www.facebook.com/reel/959450941753316?mibextid=9drbnH&s=yWDuG2&fs=e