Ayman's Artisans

Ayman's Artisans "Welcome to my corner of the internet! This blog is where I share my journey and the things that inspire me
(22)

I’m a digital creator who loves exploring and sharing ideas on [topics you cover, e.g., lifestyle, travel, creativity, tech].

13/05/2026

কক্সবাজার সী বীচ ইন ধর্মশুর চেয়ারম্যান বাড়ি রোড
(🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣)

🚨 শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে 'হাম': এখনই সতর্ক হোন! 🚨​বর্তমানে শিশুদের মধ্যে হাম বা Measles এর প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা য...
02/04/2026

🚨 শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে 'হাম': এখনই সতর্ক হোন! 🚨
​বর্তমানে শিশুদের মধ্যে হাম বা Measles এর প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ, যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। শিশুদের সুরক্ষায় আমাদের সচেতন হওয়া জরুরি।
​📌 হামের প্রধান লক্ষণসমূহ:
​নাক দিয়ে পানি পড়া।
​তীব্র জ্বর, শরীর ম্যাজম্যাজ করা ও কাশি।
​সারা শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।
​🩺 করণীয়:
​১. লক্ষ্মণ দেখা মাত্রই শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন।
২. প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।
৩. দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৪. হাম প্রতিরোধে শিশুকে অবশ্যই সময়মতো প্রতিষেধক টিকা (Vaccine) দিন।
​"সতর্কতাই পারে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে। কোনো লক্ষ্মণ দেখা দিলে অবহেলা করবেন না।"
​সৌজন্যে ও পরামর্শে:
👨‍⚕️ ডাঃ আশিকুর রহমান
ওয়াজিহা মেডিকেল সেন্টার
​📍 ঠিকানা: সানপ্লাজা (ধর্মশুর রোড), রোহিতপুর বাজার, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০।
📞 যোগাযোগ: 01842648616, 01837-362269
​ #কেরানীগঞ্জ #হাম_সচেতনতা

My happiness
29/03/2026

My happiness

29/03/2026

He is doing social work

এই যুবকের নাম মহব্বত। ঢাকার বিভিন্ন গলিতে ঢুকে সে । শিল পাটা ধার করে। হাসুয়া বটি ধার দেয়। ডাকা হলো। এসেই বলল, আপনাদের গ্...
05/03/2026

এই যুবকের নাম মহব্বত। ঢাকার বিভিন্ন গলিতে ঢুকে সে । শিল পাটা ধার করে। হাসুয়া বটি ধার দেয়। ডাকা হলো। এসেই বলল, আপনাদের গ্যাসের চুলা আছে?
কেন কেন?
বলল, আমি গ্যাসের চুলাও ঠিক করতে পারি।
বলো কী! এত কিছু পারো?
বলল, সব কাজই শিখে রাখছি। কখন কোনটা লাগে। মহব্বত ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছে। পড়েছে হেফজোতেও । বয়স ২৪। মা বাবা বিয়ে দিয়েছে ১৮ বছর যখন বয়স, মামাতো বোনকে। তা তুমি কি সুখি? বলল, আল্লাহপাকের দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া। সুখি আমরা। মহব্বতের কথায়ও খুব মহব্বত। সামনে আসা যাওয়া ছোট বাচ্চাদের সে আদর করছে। বাসায় হাসুয়া বটি, পাটা ধার দেয়ার পর বলল, আপনাদের বাসায় আর কোনো কাজ থাকলে আমাকে দিতে পারেন স্যার। আমি করে দিয়ে যাই।
তুমি আর কী কী পারো। বলল, স্যার রাজমিস্ত্রির কাজও জানি। গ্রামে যেয়ে জমি চাষও করি।
তা এতো কিছু কেন শিখেছ?
বলল, করোনার সময় মানুষের কত রকম কষ্ট হইছে। অনেকের কাজ চলে গেছে। তখন আমি আরো ছোট। সেই সময় থেকেই চিন্তা করেছি আমাকে বিকল্প কিছু জানতে হবে। যেন কাজে লাগাইতে পারি।
গ্রামের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জে। ঢাকায় থাকে কিছুদিন। এসব কাজ করে। নিয়মিত গ্রামে গিয়ে জমিতে কাজ করে। ধান বা অন্য ফসল চাষ করে।
কী সুন্দর করে বলল, স্যার আমাদের সাজানো গোছানো সংসার। বাবা মারা গেছে। মা বেঁচে আচ্ছে।
আমার আরো দুই ভাই আছে। আমরা তিন ভাই মা ভাবিরা সবাই একসাথেই থাকি। আমরা কেউ আলাদা না। মিলে মিশে সব পরিবার একসাথে থাকার কী যে শান্তি স্যার। মাঝে মধ্যে টুকটাক অশান্তি হইতেই পারে তাইনা। তাই বইলে আলাদা হবো কেন। একসাথে থাকলে মনে শান্তিশক্তি দুইটাই থাকে ।
ফিরে এলাম কাজের প্রসঙ্গে। তা তুমি কেন শিখলে এতোগুলো কাজ!
সে এবার বললা, এই যে স্যার আসছিলাম বটি ঠিক করতে। কিন্তু আপনাদের চুলাও ঠিক করলাম। এতে করে দেখেন আমি দুইটা কাজ করে ফেললাম। আমার ইনকাম কিন্তু ডাবল হইলো। হইছে না !
এইজন্য এক কাজ ধরে বসে থাকতে হয় না। জীবনের দুর্ঘটনা কখন আসে কে বলতে পারে। তাই যতটুকু সম্ভব পাশাপাশি আরো কিছু শিখতে হয়। যেন বেকার বসে থাকতে না হয়। অন্যের কাছে ছোট হইতে না হয়। আর কোনো কাজকেই অবহেলা করতে নাই।
কী সুন্দর কথা যুবকটার। বললাম, আপনার পরিবারের কী অবস্থা। বলল, আমার এক ছেলে হইছে। খুব আনন্দের সংসার।
ছেলেটাকে অন্যান্য ফ্লোরেরও কিছু কাজ এনে দিলাম। এক ঘন্টায় তার প্রায় হাজার খানেক উপয়ার্জন হয়ে গেল। সে এতটাই বিনয়ী যে বলেই ফেলল, স্যার আমার জন্য কষ্ট করলেন। কাজ জোগার করে দিলেন। খুব ভালো হইছে।

শুধু কি তাই ? বিল দেয়ার পর কিছু টাকা আবার ফেরত দিলেন। বললেন, এইটা আর লাগবেনা রাখেন আপনারা। শুরুতে যুবকটাকে কত টাকা দিতে হবে জিজ্ঞাসা করায় উত্তরে বলেছিল, যা ইনসাফ হয় দিয়েন আপনারা। জোরজবরদস্তি নাই।

যুবকদের উদ্দেশ্য কিছু বলবেন মহব্বত সাহেব?
বললেন, আপনারা কেউ বেকার থাইকেন না। ভাগ্য আপনারই বদলানোর চেষ্টা করতে হয়। কোনো কাজ ছোট না। অল্প টাকা আসুক বা কখনো না আসুক। কাজ জেনে রাখবেন। দেখবেন কাজ জানলে ভাতের অভাব নাই। সবসময় মনমতো কাজ পাবেন তাতো নাও হতে পারে। তাই সামনে , আশে পাশে যা আছে সেখানে হাত দেন। কিছু করার চেষ্টা করেন আপনারা। শিখে রাখেন।
কী অসাধারণ উপদেশ দিল যুবকটা,। এর চেয়ে বড় মোটিভেশন আর কে দেবে আপনাকে?

আলহামদুলিল্লাহ ❤️এখন আমাদের এলাকার মানুষের সেবায় নিয়মিত রোগী দেখবেন ১ লা মার্চ,২০২৬ থেকে।ডা. মোঃ আশিকুর রহমান (আশিক)এমবি...
26/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️
এখন আমাদের এলাকার মানুষের সেবায় নিয়মিত রোগী দেখবেন ১ লা মার্চ,২০২৬ থেকে।
ডা. মোঃ আশিকুর রহমান (আশিক)
এমবিবিএস (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ)
🩺 জেনারেল ফিজিশিয়ান
মা ও শিশু, ডায়াবেটিস, এলার্জি, চর্ম ও মেডিসিন রোগের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
📍 চেম্বার: ওয়াজিহা মেডিকেল সেন্টার, সান প্লাজা (ধর্মশর রোড), রোহিতপুর, কেরানীগঞ্জ।
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01842-648616 / 01978-897824
সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
শেয়ার করে অন্যদের জানিয়ে দিন। 🤍

শুভ সন্ধ্যা বাংলাদেশ
13/02/2026

শুভ সন্ধ্যা বাংলাদেশ

17/01/2026

আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন?
এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা।
সায়রা তার স্বামী আব্বাসকে বলেছিলেন, ও তোমার চে ভালো শরীয়া জানে, ভালো কুরআনও জানে।

ইয়েস। দিস ইজ দ্য মেসেজ।
বহুদিন পর এক সেকেন্ড ব্রেক না নিয়ে একটা হিন্দি মুভি দেখে শেষ করেছি।

চমৎকার কিছু মেসেজ এই সিনেমা থেকে পেয়েছি।
যেমন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্কুলের নাম পরিবার।

আব্বাস খান এত শিক্ষিত হয়েও যে শিক্ষা পান নাই, সাজিয়া কম শিক্ষিত হয়েও সেই সাহস আর শিক্ষা পেয়েছিলেন বাবার কাছে থেকে।

আব্বাসের সমস্ত শয়তানির সাপোর্টার ছিল তার মা।
সাজিয়ার সমস্ত সাহসের উৎস ছিল তার বাবা।

ভালো একটা পরিবার আমাদের জীবনে এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দুই, জাস্ট পরিবার পাশে থাকলে সন্তানদের আর কাউকে লাগে না। বাবার একটা কথা, সাজিয়া, তুমি ঠিক, এইটুক পেয়েই সে দুনিয়া জয় করে আসছে।

তিন, ঠিক ভুল নির্ধারণের সবচেয়ে বড় প্যারামিটারের নাম, নিজের সন্তান। আব্বাস শেষ পর্যন্ত স্বীকার করে নাই যে সে অন্যায় করসে, বাট সাজিয়া যখন বলসে তার মেয়ের সাথে যদি এমন হয়, সে মাইনা নিতে পারবে কি না?

ঐ মুহুর্তে আব্বাসের মাথা নিচু হয়ে গেছিল।
যদি কখনও কোন মেয়ের সাথে ঠিক করছেন নাকি ভুল করছেন বুঝতে না পারেন, জাস্ট চোখ বন্ধ করে কল্পনা করবেন, সেইম কাজটা কেউ আপনার মেয়ের সাথে করতেসে।

কাজটা করা ঠিক নাকি ভুল, বুইঝা যাবেন।
সাজিয়ার ফিউচার প্ল্যান ছিল, সে মেয়ে বাচ্চাদের কুরআন পড়াতো।
আব্বাস ধর্মের নামে তার সাথে এতবড় অন্যায় করলো, তাকে হুজুররা একঘরে করলো বাট সে ধর্মের সাথে বিদ্রোহ না করে, স্টাডি করলো আরও বেশি।

বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করলো। সে সবাইকে বলত কুরআনের সেই প্রথম শব্দ, ইকরা। পড়ো।

যত যাই করেন, পড়া থামানো যাবেই না।
মানুষের জন্য সে ধর্মকে ত্যাগ করে নাই।

খোদার সাথে তার বোঝাপড়া সে ঠিক রাখছিল, যতই মানুষ তাকে কাফের বলুক।

ভালোবাসা সাজিয়া পায় নাই। ভালোবাসা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কপালেই জোটে না, এটাই নির্মম সত্য।

কে আপনাকে ভালোবাসবে কে বাসবে না, এটা আপনার হাতে নাই। একজনের জন্য জীবন দিয়ে দিলেন, সে আপনাকে ভালোবাসলো না। কী করবেন?
বাট, সম্মান জিনিসটা আদায় করে নিতে হয়।

সাজিয়া বানু যেটা আদায় করে নিয়েছিলেন।
ভালোবাসা ছাড়াও মানুষ বাঁচতে পারে, বাট সম্মান ছাড়া পারে না। ভালোবাসা পান বা না পান, সম্মানের সাথে কম্প্রোমাইজ করা যাবে না একটু।

শেষ করি মুভির শুরুটা দিয়ে।
মুভির শুরুতেই সাজিয়া ক্লিয়ার করে বলেন, আমি কিন্তু আব্বাসকে অনেক ভালোবাসতাম।

এন্ড এই ভালোবাসাই আব্বাসকে কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল।
সাজিয়া যদি আব্বাসকে ভালো না বাসতেন, এই ফাইটটা তিনি করতে পারতেন বলে আমার মনে হয় না।

প্লাস যতক্ষন সাজিয়ার বিশ্বাস ছিল, আব্বাস তাকে ভালোবাসে, সে লিটারালি সবকিছুই সহ্য করে গেছে। অবহেলা, অসম্মান, অন্যায়।

কিন্তু যেই মুহূর্তে সে জানতে পারসে, আব্বাস তাকে ভালোবাসে নাই। সে লোহার মত শক্ত হয়ে গেছে।

ভালোবাসা আর বিশ্বাস হারানো মানুষেরা ভয়ংকর হয়।
এদের শেষ সম্বল থাকে সম্মান।

এন্ড এরা এই সম্মান রক্ষার জন্য এককালের ভালোবাসা এমনকি পুরো পৃথিবীই তছনছ করে ফেলতে পারে।
আর এই মুভির শেষ লার্নিং হলো, নিজের মেয়ে বা বোনের সংসার কেমন হবে, স্বামী কেমন হবে,সেটা আমাদের হাতে না থাকলেও, ভালো একজন বাবা কিংবা ভাই হওয়া না হওয়া কিন্তু আমাদের হাতেই থাকে!

Address

Dharmasur, Ruhitpur, Keraniganj
Dhaka
1310

Telephone

+8801882154249

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayman's Artisans posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ayman's Artisans:

Share