04/12/2025
সবকিছু মানুষকে জানানো লাগে না। চোখ দেখতে না পেলে আঘাত করতে পারে না।
তাহাজ্জুদ পড়ো কাউকে বলো না। ওয়ার্কআউট করো কাউকে বলো না। হালাল ও পবিত্র খাবার খাও কাউকে বলো না। ফজরের জন্য জাগো কাউকে বলো না। কুরআন পড়ো কাউকে বলো না। হালাল ব্যবসা শুরু করো কাউকে বলো না। নতুন স্কিল শিখো কাউকে বলো না। গোপনে দান করো কাউকে বলো না।
কেন? কারণ, বেশি বললেই মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণ হয়। ডোপামিন কথাবার্তা—শোনাতে মনে হয় অগ্রগতি হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তা গতিকে ধ্বংস করে। আমাদের দ্বীন তো আগে থেকেই শিখিয়েছে সব কিছু প্রকাশ করা উচিত নয়। নিজের নিঃস্বার্থতা (ইখলাস) আর বরকত রক্ষা করো। গোপনীয়তা শক্তি। এটি বদনজর থেকে রক্ষা করে শক্তি সংরক্ষণ করে এবং ইখলাস (নিয়তের পবিত্রতা) বজায় রাখে
- চুপচাপ কাজ করো।
- নীরবে ইবাদত করো।
- গোপনে উন্নতি করো।
ফলাফল আপনিই কথা বলবে। তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে অন্যদের উৎসাহ দিতে ভালো — বিশেষ করে তুমি যদি কারো অনুপ্রেরণা হও। নিয়ত ঠিক থাকলে সেটাও সাওয়াবের কাজ।বাতবুও, সব কিছু সবার সামনে আনা ঠিক নয়। আল্লাহর সাথে তোমার কোনো গোপন আমল আছে কি? কিছু কাজ রাখো, শুধুই আল্লাহর জন্য। কারণ, যখন সব কিছু প্রকাশ্যে আসে, ইখলাস হারিয়ে যায়। আর বদনজর সত্যিকারের অস্তিত্ব রাখে।
নিজেকে রক্ষা করো সকাল ও সন্ধ্যার যিকিরে। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস — ৩ বার করে। আয়াতুল কুরসি। সূরা বাকারা’র শেষ ২ আয়াত (ঘুমানোর আগে)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইখলাস, গোপন ইবাদত, ও নিরাপত্তার সাথে চলার তাওফিক দিন। 🤲
# cltd