Tasnum lifestyle

Tasnum lifestyle আমার পেজে সবাইকে স্বাগতম। সবাই পাশে থাকবেন।একসাথে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।মহান আল্লাহ সহায় হোক।🌷
(8)

12/04/2026

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তালাক কেন হয়, এটা ভাগ্য (কদর) না কর্মফল এ বিষয়ে স্পষ্ট কুরআনী ব্যাখ্যা নিম্নরূপ।

তালাক কেন হয়?
কুরআনে তালাককে হালাল বলা হয়েছে, কিন্তু এটাকে শেষ অবলম্বন হিসেবে দেখা হয়। যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরম অসামঞ্জস্য, অবাধ্যতা, নির্যাতন বা সম্পর্ক রক্ষা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখনই তালাকের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এটা কোনো সাধারণ ঘটনা নয় বরং স্বামী-স্ত্রীর নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও কর্মের ফল।

কুরআন স্পষ্টভাবে বলে যে, তালাক দেওয়ার সময়ও সমঝোতার চেষ্টা করতে হবে এবং ভালো ব্যবহার করতে হবে।

সূরা আত-তালাক (৬৫:১): “হে নবী! তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও তখন তাদেরকে তালাক দাও তাদের ‘ইদ্দাতের প্রতি লক্ষ্য রেখে... তোমরা জান না, হয়তো আল্লাহ এরপর কোনো (নতুন) উপায় করে দিবেন।”
এখানে আল্লাহ বলছেন তালাকের পরও সমঝোতার সম্ভাবনা থাকে, যাতে বুঝা যায় তালাককে তাড়াহুড়ো করে দেওয়া উচিত নয়।

আরও দেখুন সূরা আল-বাকারা (২:২২৯-২৩১) যেখানে বলা হয়েছে তালাক দু’বারের পরও স্ত্রীকে ভালোভাবে রেখে দেওয়া বা ভালোভাবে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ, এবং কোনো ক্ষতি করা যাবে না।

তালাক কি ভাগ্যে (কদরে) লিখা থাকে?

হ্যাঁ, কদরে লিখা আছে কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ জোর করে তালাক ঘটিয়েছেন।
ইসলামে কদর (ভাগ্য) বলতে বোঝায় আল্লাহ সবকিছু আগে থেকে জানেন এবং নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা (free will) আছে। আমরা যা করি, সেটা আমাদের নিজস্ব পছন্দের ফল, আর আল্লাহ সেই পছন্দের ফলাফল জানতেন এবং অনুমোদন দিয়েছেন।

কুরআনী প্রমাণ:
সূরা আত-তালাক (৬৫:৩): আল্লাহ সবকিছুর জন্য একটি পরিমাণ (কদর) স্থির করে রেখেছেন।
(তালাকের প্রসঙ্গেই এই আয়াত এসেছে যাতে বোঝা যায় তালাকও আল্লাহর নির্ধারিত পরিমাণের মধ্যে পড়ে।)
সূরা আল-কামার (৫৪:৪৯): “নিশ্চয় আমি সবকিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাণে (বি-কদর)।
এর অর্থ—তালাকসহ সব ঘটনা আল্লাহর জ্ঞান ও নির্ধারণের মধ্যে আছে।

তবে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা অস্বীকার করা হয়নি। আল্লাহ বলেন যে, আমরা যা চাই তা ততক্ষণই হয় যতক্ষণ আল্লাহ চান, কিন্তু আমাদের কর্মের জন্য আমরাই দায়ী।

এটা কি কর্মফল (karma)?
ইসলামে “কর্মফল” বলতে আমলের ফলাফল বোঝায় দুনিয়া ও আখিরাতে। হিন্দু ধর্মের “কর্ম” (পুনর্জন্মের চক্র) এর সাথে এর মিল নেই।

তালাক যদি আমাদের ভুল সিদ্ধান্ত, অবাধ্যতা, সীমালঙ্ঘন বা দায়িত্ব পালন না করার কারণে হয়, তাহলে এটা আমাদের কর্মের ফল। কিন্তু যদি ন্যায়সঙ্গত কারণে (যেমন নির্যাতন) হয়, তাহলে দোষের কিছু নেই।

কুরআন বলে:
সূরা আত-তালাক (৬৫:২-৩): “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ করে দেন এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেন।”
অর্থাৎ, সঠিক পথে চললে আল্লাহ সাহায্য করেন।
সারাংশ (কুরআনের আলোকে):
তালাক মানুষের স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও কর্মের ফল।
এটা কদরে লিখা আছে, কারণ আল্লাহ সবকিছু আগে থেকে জানেন।
কিন্তু আমরাই দায়ী কারণ আমাদের ইচ্ছা ও কর্মের ভিত্তিতে এটা ঘটে।

তাই তালাক এড়াতে চাইলে স্বামী-স্ত্রীকে কুরআনী নিয়ম মেনে চলতে হবে, ধৈর্য ধরতে হবে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে।
যদি আরও বিস্তারিত তাফসীর বা কোনো নির্দিষ্ট আয়াতের ব্যাখ্যা চান, তাহলে জানান। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দিন। আমীন।

লিখা: MD Azaharul Hoque

05/04/2026

কস্ট পেলেও কাউকে কস্ট দিতে নেই

I've been recognized as an original creator!
05/04/2026

I've been recognized as an original creator!

15/03/2026

চাইলে পর হওয়া যায়

15/03/2026

কাউকে নিজের থেকে বেশি গুরত্ত দিতে নেই //

15/03/2026

কারো সাথে কখনই বাজে আচরন করা উচিৎ নয় //

14/03/2026

ভুল মানুষের সাথে অনেকেই সংসার করে

13/03/2026

কাউকে নিয়ে সমালোচনা করা যায় না //

12/03/2026

কথাটা মেয়েরা মনে রাখবেন

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল 🌼🌼🌼
12/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল 🌼🌼🌼

11/03/2026

আমি নিজেকে ঘৃর্না করি

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল
11/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল

Address

Katabon
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasnum lifestyle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share