22/10/2024
পাবনা ফরিদপুরের এক নাম্বার খাটি শরের ঘী,,
অফার প্রাইজ : ১৫০০ টাকা
🍯ঘি🍯
ঘি (Ghee) কি ?
ঘি একটি দুগ্ধ জাতীয় খাবার। দুধ হতে এটি প্রস্তুত করা হয়। ঘি আসলে একটি সম্পৃক্ত চর্বি, ইংরেজিতে যাকে ক্ল্যারিফায়েড বাটার ( Clarified Butter ) বলা হয়ে থাকে যার প্রায় ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশই চর্বি। বাকি ০.১ শতাংশ হল জলীয় দ্রবণ যা চর্বিতে দ্রবণীয়। সম্পৃক্ত চর্বি হওয়ায় এটি বাইরের সাধারণ তাপমাত্রাতেই সংরক্ষণ করা যায়।
কেন ঘি খাবেন ?
ঘি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান। মূলত এটি শীতকালে খাওয়া ভালো কিন্তু গরম কালেও এটি খাওয়া যায়। ঘি খাওয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা নিম্নে নিচে উল্লেখ করা হলোঃ-
যাদের স্বাস্থ্য দূর্বল তাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
ক্ষতিকর কোলেস্টরল কমায়।
ঘি এ থাকা কনজুগেটেড লিনোলেক এসিড দেহের বিভিন্ন ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
ঘি তে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি এসিড দেহে এনার্জি ও শক্তি জোগায়। বাইটারিক এসিড হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
ঘি তে থাকা বাইটারিক এসিডের দূরুন এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে।
ঘি - এ থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ঘি তে বিদ্যমান ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদের দেহের বাড়তি ওজন কমাতে কার্যকর ভুমিকা পালন করে।
প্রাচীনকাল থেকে ঘি কে একটি পজিটিভ ফুড বা খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যা খেলে মানুষের পজিটিভিটি বাড়ে।
মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
ঘি এর দারুণ সুগন্ধ রাগ কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বাড়ায় ও প্রদাহ কমায়। এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেন্টরি উপাদান ত্বককে মসৃন ও কোমল করে। রাতে শোয়ার আগে মুখে ঘি মেখে কিছুক্ষণ রেখে দিন এরপর ধুয়ে ফেলুন।
ক্যান্সার প্রতিরোধে ঘি একটি কার্যকর উপাদান। ঘি তে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা শরীরে থাকা ক্ষতিকর রেডিক্যালদের ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
ঘি এ রয়েছে লিনলয়েক এসিড, যা ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে সাহায্য করে।
কেন খাবেন গাওয়া ঘি এর বিশেষত্ব কি ?
গাওয়া ঘি হলো মূলত গরুর খাঁটি দুধ থেকে সরাসরি যে ঘি উৎপাদিত হয় তা অর্থ্যাৎ এক কথায় খাঁটি ঘি কে গাওয়া ঘি বলা হয়। উপোরন্ত উপকারিতার পাশাপাশি এই ঘি এর বিশেষ কিছু উপকারিতা নিম্নে নিচে উল্লেখ করা হলোঃ-
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত হওয়ায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
দেহের ক্ষত সারাতে গাওয়া ঘি বেশ উপকারী।
ত্বকের আদ্রতা রাখে শুষ্কতা দূর করে।
মস্তিষ্কের ধার বাড়ায় ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
শরীরের সন্ধি বা জোড়া গুলো ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় পাশাপাশি গ্লুকোমা রোগের উপকার করে।
আসল ঘি চেনার উপায়
প্রথম পদ্ধতি
একটি পাত্রে এক চামচ ঘি গরম করুন। যদি সঙ্গে সঙ্গে গলে যায় এবং গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করে, তাহলে বুঝতে হবে এটি খাঁটি। আর যদি গলতে সময় লাগে এবং হালকা হলুদ রঙ ধারণ করে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি ভেজাল।
দ্বিতীয় পদ্ধতি
একটি পাত্রে কিছু ঘি ও নারিকেল তেল মেশান। সেটি ফ্রিজে রাখুন। যদি ঘি ও তেল আলাদা হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ভেজাল।
তৃতীয় পদ্ধতি
টেস্ট টিউবে এক টেবিল চামচ ঘি গরম করুন। এর মধ্যে সামান্য চিনি ও সমপরিমাণ এইচসিআই দিন। ভালোভাবে মেশান। যদি নিচের স্তরে গোলাপি বা লাল রঙ দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে ঘি খাঁটি নয়।
চতুর্থ পদ্ধতি
ঘি হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ রাগড়ান। এরপর শুঁকে দেখুন গন্ধ আছে কিনা। যদি তা না পান, তাহলে বুঝবেন ঘি’য়ে ভেজাল আছে। কারণ খাঁটি ঘি’র গন্ধ দ্রুত বিলীন হয় না।
পঞ্চম পদ্ধতি
এক চামচ ঘি কিছুক্ষণ হাতের তালুতে রাখুন। সাধারণত শরীরের তাপমাত্রায় তা গলতে শুরু করে। যদি দেখেন হাতের তালুতে নেয়া মাত্রই ঘি গলতে শুরু করেছে, তাহলে বুঝবেন সেটা খাঁটি। কারণ ভেজাল মেশানো হলে তা সহজে গলবে না।
ষষ্ঠ পদ্ধতি
ঘি গরম করার পর ঠাণ্ডা করলে একই লেয়ার জমে। তাই একটু ঘি জারে কিছুক্ষণ গরম করে ঠাণ্ডা করুন। পরে ফ্রিজ রাখুন। যদি লেয়ার পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে ঘি খাঁটি। আর যদি দুটি লেয়ার হয়-পাত্রের নিচে সাদা জমাট বাঁধে এবং ওপরে তেল ওঠে, তাহলে বুঝতে হবে ঘি’য়ে ভেজাল আছে।
আমরা মানুষের নিকট খাঁটি ও হালাল এবং নিরাপদ খাদ্য পৌঁছিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সরাসরি কৃষি উদ্যোক্তাদের কাছে থেকে হালাল ও খাঁটি পণ্যসমূহ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সংগ্রহ করে থাকে এবং পণ্যের মান ও বিশুদ্ধতা বজায় রেখে সঠিক সময়ে আপনাদের কাছে সরবরাহ করে থাকে। তাই আমাদের পণ্য ১০০% খাঁটি ও হালাল এবং নিরাপদ যা আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।