01/09/2026
🌷 দোয়া কবুলের গল্প 🌷
আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ!
কীভাবে বলি! আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কী করলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আমি তৃপ্তি বোধ করব, বুঝে উঠতে পারছি না। আমার আল্লাহ এতটাই মহান! আমার আল্লাহ এতটাই মহান!
আমার অনেক টাকা ঋণ ছিল এবং অনেক সমস্যায় জর্জরিত ছিলাম। আমি যেদিন থেকে দুরুদে ইব্রাহিম ও ইস্তেগফার পড়া শুরু করেছি, সেদিন থেকেই আল্লাহ আমার দোয়া কবুলের উপসর্গগুলো দেখাতে শুরু করেন। মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আমার সমস্ত ঋণ পরিশোধ হয়ে যায়, আমার সব সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। এখন আমি পরিষ্কার, দুশ্চিন্তাহীন জীবনে পদার্পণ করেছি।
কী বলব! মনে হচ্ছে, সারাক্ষণ সিজদায় পড়ে থাকি, শুধু আমার আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার জন্য!
তাই বলব, যারা বিভিন্ন সমস্যায় আছেন—বিশেষ করে ঋণের মধ্যে রয়েছেন বা যেকোনো সমস্যায় আছেন—তারা দুরুদে ইব্রাহিম, ইস্তেগফার ও তাহাজ্জুদকে আঁকড়ে ধরুন।
পৃথিবীর কোনো দিকের দিকে তাকাবেন না, শুধু দুরুদে ইব্রাহিম ও ইস্তেগফার পড়ে যান। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তাহাজ্জুদ, দরুদে ইব্রাহিম ও ইস্তেগফার নিয়মিত পড়তে থাকুন।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমার মৃত্যু পর্যন্ত দুরুদে ইব্রাহিম ও ইস্তেগফার পড়া কখনোই বাদ দেব না।
আমি দোয়া করি, যারা বিভিন্ন সমস্যায় আছেন, আল্লাহ যেন তাদের সকলের দোয়া কবুল করে নেন।
আমার সমস্ত ঋণ পরিশোধ হয়ে গেছে, এমনকি মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আমি একটি ফ্ল্যাট কিনতে পেরেছি! আল্লাহ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন।
আমার আমল:
আমি প্রতিদিন নিয়ত করেছিলাম ৫০০০ বার ইস্তেগফার পড়ার এবং ১০০০ বার দুরুদে ইব্রাহিম পড়ার। তবে আমি দুরুদে ইব্রাহিম সর্বোচ্চ ৩০০ বার এবং ছোট দুরুদ প্রতিদিন ১০০০ বার পড়তাম। ইস্তেগফার ৫০০০-এর বেশি পড়তাম, নিয়ত ছিল ৫০০০।
সপ্তাহের প্রতিটি দিন আমি তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা করেছি।
©
ইসলাম - The Sign of Peace