Piu's world by Mira

Piu's world by Mira গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও টিপস পেতে সঙ্গে থাকুন♥️
(1)

15/10/2025

জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা কি যা তোমার জীবন থেকে তুমি শিখেছো?...
১। কাউকে অ*ন্ধভাবে বিশ্বাস করো না বিশেষ করে কান্নারত কোন নারীকে ।

২। কারো কাছ থেকে টাকা নেওয়া বা দেওয়া থেকে দূরে থাকুন এমনকি ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কাছে থেকে।

৩। খুব সতর্কভাবে জীবন সঙ্গী খুজে বের করূন। কথা দেওয়ার আগে নিজের সাথে কতটুকু মানিয়ে নেওয়া যাবে সেটা নিশ্চিত হোন।

৪। সম্পর্ক একেবারে খাঁটি না হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত জীবন সংগীকে পরিবারের কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া উচিত না।

৫। একা বাস করতে শিখুন। আশে পাশের মানুষ যেকোন সময় পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে বা চলে যেতে পারে।

৬। আপনার মুল্যবান সময় শুধু আপনার উপর ব্যয় করুন এমন মানুষের উপর না যারা মুল্যহীন ।

৭। বিশ্বাসঘাতক বা চিটার এর সাথে আবার নিজের জীবনকে জড়িয়ে নিবেন না কারণ তারা আবার সেইম কাজ করবে। কারণ এগুলো তার চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ্য ।

৮। আপনার গোপনীয় জিনিস ও আর্থিক অবস্থা গোপন রাখুন। অন্যরা জানলে তা অপব্যবহার করতে পারে।

৯। যারা লয়াল না এমন মানুষকে আপনি ক্ষমতা দিয়েন না বা শুদ্ধ করার চেষ্ঠা কইরেন না।

১০। কেউ যদি আপনাকে অসম্মান করে তার কাছ থেকে আপনি দূরে চলে যান এমনকি সে যদি আপনার পারিবারিক কেউ হয়।

১১। আপনার পরিকল্পনা এবং আপনার ব্যবসায় আপনার কাছে গোপন রাখুন।

১২। না বলতে শিখুন।

১৩। টাকা উপর্জনে মনোযোগী হউন।

মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

#সংগৃহীত

 #এ্যানথ্রাক্স হইতে সাবধান! 😢রংপুর থেকে গত বুধবার প্রায় ৫০ ট্রাক গরু এসেছে। অনেক সস্তায় কিনেছে কসাই'রা বলাবলি করছিল নিজে...
11/10/2025

#এ্যানথ্রাক্স হইতে সাবধান! 😢
রংপুর থেকে গত বুধবার প্রায় ৫০ ট্রাক গরু এসেছে। অনেক সস্তায় কিনেছে কসাই'রা বলাবলি করছিল নিজেরা (এবার অনেক কম্মে পাইছি) আল্লাহ চাইলে আগামী সপ্তাহে আরও কম্মে পামু), কথাটি শুনে সন্দেহ হইলো তাই গরুটি কে কয়েক বার ঘুরে ঘুরে দেখলাম। শরীরে ১৬ টি দাগ রয়েছে! এবং ছবি তুলে নিলাম! রাতের কারনে ভালো ছবি নিতে পারি নি!
আসল কথা :-মিরপুর কাজিপাড়া বাজারে অনেক গরু একসাথে নিয়ে আসছে গোটা চালান টি রংপুর থেকে আসছে!
রংপুরে যেহেতু এ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ দেখা দিয়েছে এ কারনে গরু গুলো সস্তায় বেচে দিয়েছে!
সবাই #সাবধান!
প্রয়োজনে ১ মাস গরুর গোস্ত/মাংস কেনা থেকে বিরত থাকুন! 🙏🙏

Mawoa

28/09/2025

💥মনে করুন, আপনি একটি ভালো সরকারি চাকরি পেলেন। জীবনের সাফল্যের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পেরিয়ে গেলেন। স্বাভাবিকভাবে মনে হবে, চারপাশের সবাই খুশি হবে। কিন্তু বাস্তবে ছবিটা একেবারেই আলাদা।

⚠️প্রথম ২৫% মানুষ আপনাকে দেখে হিংসায় জ্বলে পুড়বে। তাদের রাতের ঘুম উড়ে যাবে, কারণ আপনার সাফল্য তাদের আত্মতৃপ্তির পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে।

⚠️দ্বিতীয় ২৫% একেবারেই বিশ্বাস করবে না যে আপনি চাকরিটা পেয়েছেন। তাদের চোখে আপনার যোগ্যতা নেই, তাই আপনার সাফল্য মানে চোখের ভুল।

⚠️তৃতীয় ২৫% লোক রটিয়ে বেড়াবে—আপনি নিশ্চয় টাকা খাইয়ে চাকরি পেয়েছেন, অথবা কারো রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই কাজটা হয়েছে।

‼️বাকি ২৩% আবার ডাকাতের মতো আপনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে—ট্রিট চাইবে, গিফট চাইবে, সব চাইবে। কিন্তু এর ভেতরে কতটা আন্তরিকতা আছে, সেটা তারাই জানে।

🤔তাহলে কারা থাকে আপনার পাশে?

✍️মাত্র ২% মানুষ। মা-বাবা, ভাইবোন, সন্তান বা খুব কাছের কয়েকজন বন্ধু। এরা কিছু চাইবে না। শুধু চাইবে আপনার ভালো থাকা।

➰একই ছবি অসুস্থতার সময়েও দেখা যায়। অসুখে পড়লে ২৫% লোক মুখে সমবেদনা জানাবে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুশি হতে পারে—“ওর কপালে এটাই লেখা ছিল।” আবার ২৫% মনে মনে দূরে সরে যাবে, যেন আপনি ছোঁয়াচে রোগের শিকার। অন্য ২৫% ভেবে নেবে—“ওসব কিছু না, একটু ঢং। শরীর থাকলে রোগ হবেই।” বাকি ২৩% ফোন করবে, দেখতে আসবে, দুটো দীর্ঘশ্বাস ফেলবে, কিন্তু দায়িত্ব নিতে কেউ রাজি নয়।

✍️আর তখনও মাত্র ২% মানুষ সারাক্ষণ আপনার পাশে দাঁড়াবে—দিনরাত খেটে আপনাকে সুস্থ করার চেষ্টা করবে।

✂️অথচ গোটা পৃথিবীতে আমরা ৯৮% মানুষকে বেশি গুরুত্ব দিই। যারা আপনাকে নিয়ে হিংসা করে, যারা অবজ্ঞা করে, যারা মিথ্যা রটায়, যারা স্রেফ খাবারের নিমন্ত্রণে আসে—তাদের নিয়েই আমরা সারাক্ষণ ভাবতে থাকি। কে কী বলল, কে কেমন করে দেখল, কে একটু কটাক্ষ করল—এসব ভেবে ভেবেই আমরা নিজেদের ভেতরটা খেয়ে ফেলি। অথচ জীবনে যাদের আসল মূল্য, সেই ২% মানুষকে আমরা অবহেলা করি।

🚫আজব ব্যাপার হলো, জীবনের শেষে সেই ৯৮% মানুষই আপনার শ্রাদ্ধে বসে কাতলা কালিয়া, পাবদার ঝাল, চিংড়ির মালাইকারি খেতে খেতে দীর্ঘশ্বাস ফেলবে—“আহারে, মানুষটা কী ভালো ছিল।” অথচ তারা আপনার জীবনে কোনোদিন সত্যিকারের পাশে দাঁড়ায়নি। অন্যদিকে সেই ২% মানুষ, যারা আপনার সুখ-দুঃখের প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করেছে, তারা হয়তো চুপচাপ কাঁদবে।

📌আসলে আমরা মানুষজনকে মূল্যায়ন করি সংখ্যায়, গুণমানে নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কতজন লাইক দিল, কারা স্টোরি দেখল, কারা পোস্টে মন্তব্য করল—এসব নিয়েই মাথা ঘামাই। অথচ লাইক দেওয়া সেই ৫০০ জনের মধ্যে কতজন সত্যি বিপদের দিনে আপনার পাশে থাকবে? হয়তো দুজন, হয়তো তিনজন।

❎কাজেই আসল প্রশ্ন হলো—আপনি কি সেই ২% মানুষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন? নাকি সারাটা জীবন ৯৮% এর মন জয় করতে গিয়েই নষ্ট করে দিচ্ছেন?

✅কীভাবে বদলানো যায় এই মানসিকতা

১. কৃতজ্ঞতা শিখুন। প্রতিদিন একবার ভাবুন, কোন মানুষগুলো সত্যিই আপনার পাশে দাঁড়িয়েছে।

২. অন্যের বিচার নিয়ে কম ভাবুন। মানুষ আপনাকে কীভাবে দেখছে সেটা ভাবলে আপনি নিজের জীবনটাই হারাবেন।

৩. সময় বিনিয়োগ করুন সেই ২%-এর জন্য। তাঁদের সাথে বেশি কথা বলুন, ভালোবাসা দিন, সময় দিন।

৪. ৯৮% এর মন্তব্যকে ফিল্টার করুন। সব কথা শোনার নয়, সব সমালোচনায় গুরুত্ব দেওয়ার নয়।

৫. নিজেকে মনে করান—জীবন সংক্ষিপ্ত। যারা শুধু খাবার খেয়ে চলে যাবে, তাদের জন্য সময় নষ্ট করার মানে নেই।

✍️জীবনের আসল সম্পদ টাকা-পয়সা, চাকরি, সামাজিক মর্যাদা নয়। আসল সম্পদ হলো সেই অল্প কিছু মানুষ, যারা আপনার জন্য নির্ভয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। তারা আপনার অসুখে রাতে ঘুম হারাবে, আপনার সাফল্যে আনন্দে চোখ ভিজিয়ে দেবে।

⚠️বাকি ৯৮% মানুষ আসবে-যাবে। তারা খাবে, বলবে, সমালোচনা করবে, হাসাহাসি করবে। কিন্তু আপনার জীবনের গল্প শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবে সেই ২% মানুষই।

👥তাহলে কি এখনো আপনি ৯৮% এর জন্য ভেবে সময় নষ্ট করবেন? নাকি সেই অমূল্য ২% মানুষদের একটু বেশি ভালোবাসবেন?

©️

বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন...
27/09/2025

বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
ছুটিতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন কোর্স শুরু করছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
চাকরিতে পদোন্নতি হবে? — মুখ বন্ধ রাখুন।

জীবনের বড় বড় মুহূর্তে আমাদের মনে হয়, প্রিয়জন বা বন্ধুদের জানালে খুশি হবে। মনে হয়, সুখ ভাগ করলে দ্বিগুণ হয়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, সব সময় তা হয় না। বরং অতি তাড়াতাড়ি মুখ খোলাই হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে বড় ভুল।

আমাদের স্বপ্ন আসলে একেকটা বীজ। এই বীজকে মাটিতে রোপণ করার পর যত্ন চাই, সুরক্ষা চাই। কিন্তু যদি খুব তাড়াতাড়ি সবাইকে দেখাতে ব্যস্ত হই, তখন সেটি শেকড় গজানোর আগেই শুকিয়ে যায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে—যত বেশি স্বপ্ন শেয়ার করবেন, তত বেশি হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজরের চোখ আপনার দিকে পড়বে। আর এটাই অনেক সময় আপনার সাফল্যের পথে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা যাদের "বন্ধু" বলে বিশ্বাস করি, তাদের সবাই আন্তরিক নয়। কেউ কেউ চায় আপনি ভালো থাকুন, কিন্তু কখনোই তাদের চেয়ে ভালো না। তাই তারা হাসিমুখে অভিনন্দন জানালেও মনে মনে আপনার ব্যর্থতা কামনা করতে পারে। এটা তিক্ত হলেও সত্যি।

আমরা ভেবে নিই, অন্তত পরিবার তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবারের ভেতরেও সূক্ষ্ম হিংসা থাকতে পারে। ভাই, বোন, আত্মীয় কেউ কেউ চাইতে পারে যে আপনি তাদের ছাড়িয়ে না যান। এই গোপন প্রতিযোগিতা অনেক সময় আপনার আনন্দকে নিঃশব্দে বিষিয়ে দিতে পারে।

অনেকে বলে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। মানুষ যখন আপনার উন্নতি দেখে ঈর্ষায় পুড়ে যায়, তখন সেই নেতিবাচক এনার্জি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। সনাতন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম ও অন্য প্রায় সব ধর্মেই বদনজরের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ, এটা কোনো কাল্পনিক ভয় নয়।

নীরবতা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। চুপ থাকা মানে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুত হওয়া। কৃষক যেমন বীজ রোপণের পর প্রতিদিন হাটে গিয়ে ঘোষণা করে না, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষও নিজের স্বপ্ন গোপন রাখে। সময় এলে ফলাফল নিজেই কথা বলে। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না।

আপনার ভাগ্যে যা আছে, ঈশ্বরের লিখে রাখা পরিকল্পনা কেউ মুছে দিতে পারবে না। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে বেশি মুখ খোলার কারণে আপনি নিজের জন্য অযথা বাধা তৈরি করতে পারেন।তাই বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন, পরিশ্রম করুন এবং যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ রাখুন।

মনে রাখবেন, স্বপ্নকে আগেভাগে প্রকাশ করা মানে তাকে দুর্বল করে ফেলা। হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজর সত্যিই আপনার সাফল্যকে ধ্বংস করতে পারে। তাই যখনই জীবন আপনাকে কোনো বড় সুখবর দেবে—নতুন বাড়ি, গাড়ি, বিয়ে বা পদোন্নতি—তখন আনন্দে চিৎকার না করে নীরবে উপভোগ করুন। সময় এলে আপনার সাফল্যই পুরো পৃথিবীকে জানিয়ে দেবে আপনি কী করেছেন।

Collected
Mizanur Rahman Azhari sir

25/09/2025

এসি বিস্ফোরণের কারণ:
বহু মানুষ জানে না যে, এসি শুধু গরমের সময়েই আমাদের সহায়ক নয় এর ব্যবহারে কিছু সতর্কতা অবলম্বন না করলে সেটি হতে পারে বিপদের কারণ। এসি বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকে:

কনডেনসারে ময়লা জমা

এসির কনডেনসারে ময়লা জমে গেলে, কমপ্রেসরে অতিরিক্ত তাপ এবং চাপ তৈরি হতে পারে, যা বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে। তাই এসির কনডেনসার পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পাইপের ব্লকেজ

এসির ভেতরের পাইপে কোনো ব্লকেজ থাকলে গ্যাস প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়, যার ফলে এসির ভেতরের চাপ বেড়ে যায়। এর ফলস্বরূপ কমপ্রেসর বিস্ফোরিত হতে পারে।

অতিরিক্ত রেফ্রিজারেন্ট চার্জ

কমপ্রেসরের মধ্যে নির্ধারিত মাত্রার বেশি রেফ্রিজারেন্ট চার্জ করলে ভিতরের চাপ অত্যধিক বাড়ে, যা বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।

ভ্যাকুয়াম প্রক্রিয়া সঠিক না হওয়া

এসির ভ্যাকুয়াম প্রক্রিয়া যদি সঠিকভাবে না করা হয়, তাহলে ভেতরে চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা পরবর্তীতে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

সঠিক সার্কিট ব্রেকার না ব্যবহার করা

এসি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত সার্কিট ব্রেকার না ব্যবহার করা হলে, অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হয়ে বিপদের আশঙ্কা থাকে।

দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং কিছু সহজ সাবধানতা মেনে চললে দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলা সম্ভব। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হলো:

সঠিক কেব্‌ল এবং সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করুন

এসি ব্যবহারের জন্য উন্নতমানের এবং সঠিক স্পেকের পাওয়ার কেব্‌ল ব্যবহার করুন। তাছাড়া, সঠিক রেটিংয়ের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার নিশ্চিত করুন যাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয়।

কনডেনসার পরিষ্কার রাখুন

নিয়মিত এসির কনডেনসার পরিষ্কার করুন। ময়লা জমে থাকলে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায় এবং বিস্ফোরণের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

কমপ্রেসরের চাপ পরীক্ষা করুন

কমপ্রেসরের তাপমাত্রা এবং চাপ নিয়মিত পরীক্ষা করুন। যদি চাপ অনেক বেশি হয়ে যায়, তাহলে সেটি বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে।

বিশ্বস্ত টেকনিশিয়ান দ্বারা সার্ভিসিং করান

বছরে অন্তত তিনবার এসির সার্ভিসিং করান। বিশেষভাবে শীতকাল শেষে এসি পরিষ্কার করা বাধ্যতামূলক। অভিজ্ঞ এবং বিশ্বস্ত টেকনিশিয়ান দ্বারা এসির রেফ্রিজারেন্ট এবং পাইপলাইনের পরীক্ষা করান।

ভ্যাকুয়াম সঠিকভাবে করুন

এসির ভ্যাকুয়াম প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এতে গ্যাসের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত হয় এবং চাপের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

অতিরিক্ত রেফ্রিজারেন্ট চার্জ এড়িয়ে চলুন

এসির কমপ্রেসরে নির্দিষ্ট পরিমাণ রেফ্রিজারেন্ট চার্জ ব্যবহার করা উচিত। অতিরিক্ত রেফ্রিজারেন্ট চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং এটি বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ভালো ব্র্যান্ডের এসি ব্যবহার করুন

সস্তা বা মানহীন এসি এবং কমপ্রেসর ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ভালো ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করলে আপনার এসি দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক কমে যাবে।

কি বলবেন? আমরা বোধহয় কোনোদিন ভালো হবো না🥲আগামীকাল পরীক্ষা আজ ঢাকায় ডেকে ১০/১২ লাখ টাকায় রুমে আটকে রেখে পরীক্ষার প্রশ্ন স...
25/09/2025

কি বলবেন? আমরা বোধহয় কোনোদিন ভালো হবো না🥲
আগামীকাল পরীক্ষা আজ ঢাকায় ডেকে ১০/১২ লাখ টাকায় রুমে আটকে রেখে পরীক্ষার প্রশ্ন সলভ করানো হচ্ছে। সোর্স : ATN নিউজ

সরকারি চাকরির প্রশ্ন ফাঁস করে কোটি টাকা আয়, অতঃপর... | Govt Job fraud | Questions Leaking | Cheating cycle | ATN News ...

,        সচেতনতা মূলক বয়স ২৫ বছর । চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদি...
24/09/2025

, সচেতনতা মূলক

বয়স ২৫ বছর । চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদিন ঘাড় মালিশ করার সময় কট করে একটা আওয়াজ হয়, একটু সামান্য ব্যথাও করে উঠেছিল। কিন্তু ছেলেটি অতটা গ্রাহ্য করেনি। দু-এক দিন পর সে ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করতে লাগল। ক্রমে ব্যথা বাড়ছে। মা ভাবলেন, হয়তো উল্টাপাল্টাভাবে শোয়ার জন্য ঘাড়ে ব্যথা হয়েছে। মা প্রতিদিন ঘাড়ে গরম সেঁক দিতে শুরু করলেন। কিন্তু কিছুতেই ব্যথা কমছে না; বরং দিনদিন বাড়ছেই। একপর্যায়ে ব্যথা হাতের মধ্য আঙ্গুল পর্যন্ত আসতে শুরু করল। ব্যথার জন্য ঘাড় নাড়ানোও তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠল। শেষ পর্য়ন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে, চিকিৎসক পরীক্ষা করে বললেন, সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হয়েছে ।

ঘাড়ের এম আর আই (MRI) ও নার্ভ কনডাকশন স্টাডি পরীক্ষা করে সেটি প্রমাণিত হলো। মেরুদণ্ডের দু্টি হাড়ের মাঝে এক ধরনের ডিস্ক থাকে সেখান থেকে স্মায়ুগুলো বের হয়ে এসে আমাদের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। যখন কোন কারণে ওই ডিস্ক সরে যেয়ে স্মায়ুর উপর চাপ দেয় তখন ব্যথা ঘাড় থেকে হাতের দিকে আসে এটাকে সারভাইক্যাল ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রলেপস বলে ।

এক্ষেত্রে চিকিৎসা হল ঔষধের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিশ্রাম অর্থাৎ হাটাচলা বা মুভমেন্ট করা যাবে না, এমন অবস্থায় ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। এক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ২-৪ সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি থেকে দিনে ২-৩ বার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হয়। এটাতে অবস্থার উন্নতি না হলে অপারেশনও লাগতে পারে।

আলোচ্য বালকটির এই সমস্যাটি কেন হলো ? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, নরসুন্দর ঘাড়- পিঠ মালিশ করে বিভিন্ন ভঙ্গিমায়ে কোন কোন সময় মাথার ওপর চাপ দেয়, কখনো ঘাড় বাঁ দিকে ও ডান দিকে কাত করে। এসব মালিশ ঘাড়ের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে ঘাড়ের স্মায়ুতে চাপ পড়ার আশঙ্কা থাকে।

পরামর্শঃ

* সেলুনে গিয়ে কখনো ঘাড় বা মাথা মালিশ করাবেন না।
* ঘাড় কখনো খুব বেশি পেছনে বা পাশে কাত করতে দেবেন না। এতে হঠাৎ করে সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হয়ে যেতে পারে।

22/09/2025

শিক্ষামূলক কিছু টিপস,
অনেক সময় উপকার আসতে পারেঃ
১। রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝতে পারেন পিছে কেউ আছে, তাইলে শুধু ঘাড় ঘুরাবেন না। পুরো শরীর ঘুরিয়ে দেখবেন। ঘাড় ঘুরালে মটকে দেবার সম্ভাবনা আছে।
২। বিছানার ওপর সাপ দেখতে পেলে আগেই মারবেন না, আপনার ক্ষতি হতে পারে। আগে চলে যেতে বলবেন। কারন জিন সাপের রুপ ধারন করে। মারামারি করতে গিয়ে আপনি মারাও যেতেপারেন, কারন এক সাহাবি এই সাপের রুপ ওয়ালা জিনের সাথে মারামারি করতে গিয়ে মারা গিয়েছিল। আর যদি চলে না যায়, তবে বুঝবেন আসলেই ওটা সাপ, তখন মারবেন বা তাড়িয়ে দিবেন।
৩। যদি রাতে দেখেন গাছের কোন ডাল বা বাঁশ ঝুকিয়ে পরেছে তবে তার ওপর দিয়ে যাবেন না। আয়াতুল কুরসি পড়বেন। তাইলে দেখবেন আবার ঠিক হয়ে গেছে, তখন যাবেন।
৪। শুধু গভির রাতে যদি যেকেউ বাহির থেকে আপনার নাম ধরে ডাকলে সাড়া দিবেন না। ৩ বার ডাকার পর সাড়া দিবেন।
,
৫। গাছে যদি কিছু বসা দেখতে পারেন তাইলে তার দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। চুপ করে মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যাবেন।

৬। যদি একা রাতে আপনার রুমে এসে দেখেন আপনিই রুমে বসে আছেন। মানে নিজেকে নিজেই দেখতে পারেন, তাইলে ভয় পাবেন না। ওটা আপনার সাথে থাকা জিন। (কারিন জিন)। শুধু চোখ বন্ধ করে আয়াতুল কুরসি পড়বেন ও তারপর চোখ খুলবেন।

৭। রাতে কখনো চিত হয়ে ঘুমাবেন না। আর যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন, তাইলে উঠে বুকের বাম পাশে আস্তে আস্তে করে ৩ বার থুতু দিবেন। - বুখারি শরিফ।

৮। পুকুরে গোছল করলে যদি বুঝতে পারেন কেউ আপনার পা ধরে টানিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তবে প্রথমে চিৎকার দিবেন। ও সাথে সাথে দোয়া ইউনুস পড়া শুরু করবেন। কারন পুকুরে বা নদী তে জিন থাকে।

৯। যদি রাতের বেলা একা একা দেখতে পারেন কুকুর আপনার কাছে আক্রমণ করতে আসছে আর কুকুর টা কে যদি অস্বাভাবিক মনে হয়, তাইলে যথাক্রমে মাটিতে একটা সারকেল আঁকাবেন ও ওই সারকেলের ভিতর দাঁড়িয়ে আয়াতুল কুরসি পড়বেন।

১০। যদি দেখেন আপনি রাতের বেলা তে পথ ভুলিয়ে যাচ্ছেন বা একই পথে বার বার ফিরিয়ে আসছেন বা অনেক দূর যাওয়া পরও গন্তব্যে
পৌছাতে পারছেন না, তবে আজান দিবেন। তাইলে সব ঠিক হয়ে যাবে। গয়রান নামক জিন আপনাকে এই ধকায় ফেলাইছে।

১১। রাতে ঘুমের মধ্যে যদি বুঝতে পারেন আপনার বুকে কেউ ভর করে আছে। তবে চিৎকার দিবেন না। চিৎকার দিলে কোন লাভ হবে না, কারন
আপনার চিৎকার মুখ দিয়ে বের হবে না। আপনার যানা যেকোনো সুরা পাঠ করবেন।

১২। মরা মানুষের আত্মা যদি দেখতে পারেন তাইলে ভয় পাবেন না। ওটা আত্মা নয়। জিন ওই মরা মানুষের রুপ ধারন করেছে। শুধু সালাম
দিয়ে চলে যাবেন।

১৩। গভীর রাতে একা রাস্তায় হাঁটার সময় যদি দেখেন কালো কুকুর বা কালো বিড়াল আপনার বামপাশ থেকে আপনাকে ক্রস করার
চেষ্টা করছে তবে ক্রস করতে দিন। কোন সমস্যা নেই। এটা সমাজের কুসংস্কার। তবে তাকে মারবেন না।

১৪। অনেকেই বলে কবরস্থান একটা পবিত্র স্থান। কথা টি ঠিক তবে কবরস্থানে ঘুল নামক জিন থাকে। তাই পবিত্র স্থান হলেও সর্তকের
সাথে চলবেন।

১৫। আয়নার মধ্যে জিন প্রবেশ করতে পারে। তাই গভির রাতে আয়না না দেখাই ভাল। আর আয়না তে সবসময় পদ্যা দিয়ে রাখবেন। বাথরুম
আয়না না রাখাই ভাল কারন বাথরুমে খান্নাস নামক জিন থাকে, যদিও দুর্বল জিন। আর আয়নার সামনে গিয়ে এই দোয়া পাঠ করবেন
"আল্লাহুম্মা হাসানতা খালকি ওয়া আহাসিন খুলুকি"

১৬। বাসার ছাদের ওপর জিন বসবাস করে, তাই গভির রাতে একলা ছাদে যাইবেন না। গেলে কাউকে সাথে নিয়ে যাবেন।

১৭। যদি আপনি একা একা কোন মিস্টি বা পিঠা জাতিও কিছু খেতে থাকেন ও দেখলেন যে কোন বিড়াল আপনাকে ডিস্টার্ব করছে তবে তাকেও খেতে দিন। কখনোই তাড়িয়ে দিবেন না বা মারবেন না। কারন কোন সময় জিনও আকৃতি ধারন করে আসে, ও মিস্টি জাতিও জিনিস
তাদের প্রিয় খাবার।

১৮। অতিরিক্ত রাগ করবেন না। আমাদের মাঝে
মধ্যে রাগ এতোটাই বেড়ে যায় যে মুখ দিয়ে কথা
আটকে আটকে যায়। এই রাগের কারনে জিন
আপনার শরিরে প্রবেশ করতে পারে। তাই রাগ
হলে বসে পড়বেন, বা বসে থাকবে দাঁড়িয়ে
যাবেন। তাইলে জিন প্রবেশ করতে পারবে না।
১৯। মাগরীবের সময়, রাত ২/৩ টা ও
আমাবস্যার সময় জিন দের প্রভাব বেশি থাকে।
তাই এই সময় সর্তক থাকবেন। ছোট বাচ্চাদের
নিরাপদে রাখবেন ও মাগরীবের সময় বিসমিল্লা
বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিবেন।

২০। প্রতিনিয়ত যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন ও
প্রতিনিয়ত দেখেন যে ওপর থেকে নিচে পরে
যাচ্ছেন তাইলে আপনি ব্ল্যাক ম্যাজিকে
আক্রান্ত।

বাংলা ছায়াছবির কিছু কমন ডায়লগ যেগুলো ছাড়া একসময়  একটি ছবি কল্পনাও করা যেতনা।১. ছেড়ে দে শয়তান ছেড়ে দে, কে আছো বাঁচাও!...
21/09/2025

বাংলা ছায়াছবির কিছু কমন ডায়লগ যেগুলো ছাড়া একসময় একটি ছবি কল্পনাও করা যেতনা।

১. ছেড়ে দে শয়তান ছেড়ে দে, কে আছো বাঁচাও!বাঁচাও.....

২. শয়তান তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না!

৩. সাগর, ওরা তোর প্রেমিকা নদীকে তুলে নিয়ে গেছে!

৪. পৃথিবীতে এমন কোন শক্তি নেই যে তোমার থেকে আমাকে আলাদা করতে পারে!

৫. মা,মা, তোমার রাজু ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে!

৬. আজ যদি তোর বাবা বেঁচে থাকতো ..

৭. সেকি আপনার হাত দিয়ে তো রক্ত বের হচ্ছে!

৮. আজ যদি আপনি সঠিক সময়ে না আসতেন কি যে হতো।

৯. আমি ঠিক করেছি আমার বন্ধুর ছেলে ডেনির সাথেই তোর বিয়ে দেবো!

১০. তুমি বড় লোকের মেয়ে আর আমি এক কৃষকের ছেলে।আমাদের সম্পর্ক তোমার বাবা কোনো দিন মেনে নিবে না।

১১. ছোটলোকের বাচ্চা! বামন হয়ে আকাশের চাঁদ ছুঁতে চাস!

১২. চৌধুরী সাহেব আমরা গরীব হতে পারি কিন্তু ছোটলোক নয়

১৩. ওরা আমাকে মেরে ফেলুক বাবা তবু তুই দলিলে সই করবি না

১৪. মনে আছে আজ থেকে ২০ বছর আগে তুই আমার বাবাকে মেরেছিলি, ভাইকে মেরেছিলি, আমি তোকে ছাড়বোনা হারামজাদা.....

১৫. মার খোকা মার, এই শয়তানটাকে মেরে তোর বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নে।

১৬। সরি আপনাকে তুমি করে বলে ফেললাম

১৭। আকাশ, তুই কার গায়ে হাত তুলছিস? সে তোর জন্মদাতা পিতা....

১৮।বল,কত টাকা হলে তুমি আমার মেয়ের জীবন থেকে সরে যাবে?

১৯।এ কথা শুনার আগে আমার মরণ হলো না কেন....

২০। ডাক্তার... আমার মা কে বাচান ডাক্তার।যত টাকা লাগে আমি দিবো তবুও..

২১. হ্যান্ডস আপ, আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না।

19/09/2025

সিজারিয়ান মা-বোনদের জন্য সতর্কবার্তা।

আমার প্রিয় সিজারিয়ান মা-বোনেরা, ডাক্তারের কথাগুলো সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সেলাই অনেক আগের হলেও, অতিরিক্ত ভার বহন বা ক্লান্তি আপনার পুরনো সেলাই খুলে দিতে পারে বা র.ক্তপা.ত ঘটাতে পারে।

অনেকেই আগে বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দেন না। যতক্ষণ না তাদের নিজের সাথে দূর্ঘটনা ঘটে।

এক বোনের হঠাৎ অস্বস্তি লাগলে পেটে হাত রাখলেন।

তারপর নাক ছুঁতেই দেখেন আঙুলে দুর্গন্ধ!

তিনি চিন্তা করে পাচ্ছিলেন না যে, এই দূর্গন্ধ কোথা থেকে এলো। অথচ তিনি শুধু পেট ছুঁয়েছেন।

পরে দেখেন সামান্য রক্ত আর পুঁজের মতো কিছু।

দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া করা ও ব্যথার কারণ ছিল এটাই।

তিনি দ্রুত জায়গাটা পরিষ্কার করলেন, বিটাডিন লাগালেন এবং ডাক্তারের শরনাপন্ন হলেন।

আল্লাহর রহমতে তিনি তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছিলেন এবং অনেকের মতো ভয়ানক কিছু হয়নি।

তাই আপনারা যারা সিজারিয়ান মা, তাদের উচিত—

ভারী জিনিস বহন না করা।
বারবার ক্লান্ত না হওয়া।
নিজের স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া।

কারণ এতে সেলাই খুলে যেতে পারে বা রক্তপাত হতে পারে, এটা সত্যি।

আল্লাহর শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা যে, এই বোনের বড় কিছু হয়নি।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। কারণ ছোট ভুল বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
Copy

#সতর্কবার্তা #মায়েরজীবন

কাউকে সাপে কাটলে দেরি না করে অতিদ্রুত হাসপাতালে নিন, সাপে কাটা রোগীদের জন্য সরকারি সুবিধার বাইরে-খুলনা বিভাগে অবস্থিত চা...
18/09/2025

কাউকে সাপে কাটলে দেরি না করে অতিদ্রুত হাসপাতালে নিন, সাপে কাটা রোগীদের জন্য সরকারি সুবিধার বাইরে-
খুলনা বিভাগে অবস্থিত চারটি ইনসেপ্টা ফার্মার ডিপো থেকে জরুরি প্রয়োজনে এন্টিভেনম ২৪/৭ (চব্বিশ ঘন্টা সপ্তাহের সাত দিন) কিনতে পারবেন।

১. কুষ্টিয়া ডিপো- দাদাপুর সড়ক, আলফার মোড়, সদর, কুষ্টিয়া
(কাভারেজ এরিয়া- কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইহদহ জেলা ও পাংশা, কালুখালী উপজেলা)
যোগাযোগ: মো. শাহজাহান, ডিপো ম্যানেজার
017 13 364 684

2. মাগুরা ডিপো: কেশব মোড়, সদর, মাগুরা
(কাভারেজ এরিয়া: মাগুরা জেলা, (পাংশা ও কালুখালি উপজেলা ব্যতীত) রাজবাড়ি জেলা, ফরিদপুর জেলার সদর, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারি, মধুখালি, চরভদ্রাসন এবং গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলা)

যোগাযোগ: মো. রফিকুল ইসলাম, স্টোর ইনচার্জ- 017 16 649 594
জালাল উদ্দিন ফিরোজ- ডিপো ইনচার্জ - 017 14 165 709
মাহফুজুল হক পলাশ- হিসাবরক্ষণ অফিসার: 017 25 079 770

৩. যশোর ডিপো: শহীদ মশিউর রহমান সড়ক, নতুন খয়েরতলা, পালবাড়ি, যশোর (কাভারেজ এরিয়া: যশোর, নড়াইল ও সাতক্ষীরা (তালা উপজেলা বাদে) জেলা)
যোগাযোগ: মো. আকতার আলী (এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার)
017 13 380 074

৪. খুলনা ডিপো: প্লট- ৭৬ , ৭৭, রোড- ১৮, সেন্ট্রাল ব্লক, হাউজিং এস্টেট, খালিশপুর, খুলনা
(কাভারেজ এরিয়া: খুলনা ও বাগেরহাট জেলা এবং তালা উপজেলা)
যোগাযোগ: স্টোর ইনচার্জ- 019 16 109 083
ডিপো ইনচার্জ: 017 14 165 708

জনস্বার্থে
- সুকর্ণ আহমেদ
উপপরিচালক. ডিজিডিএ
বিভাগীয় কার্যালয়, খুলনা

Address

Old Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Piu's world by Mira posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share