29/10/2025
Etai manush bujhte chay nh😺
আপনাকে আমি এখন শেখাবো চায়না ই-কমার্স ব্যবসায়ী হিসেবে কিভাবে কাষ্টমারদের উপর জুলুম করতে হয় 👇
মনে করি,
চায়না থেকে একটা উইনিং প্রোডাক্টের সোর্সিং বা কেনা দাম ১৮০ টাকা, সেটা বাংলাদেশে আনতে শিপিং, কাষ্টমস, ডেলিভারি চার্জ সহ আরো ১২০ টাকা যুক্ত হলো, তাহলে টোটাল প্রোডাক্টের প্রাইস হলো ১৮০+১২০= ৩০০ টাকা ( শিপিং চার্জ ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে, তাই নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট ছাড়া বলা কঠিন )
এখন এই প্রোডাক্ট আপনি বাংলাদেশে অনলাইনে সেল করবেন ৯৯০ টাকায়, তাহলে আপনার শুধু লাভ আর লাভ, এত লাভ হবে যে সেটা আপনার কাষ্টমার না আপনার জন্যই জুলুম হবে।
৯৯০ টাকার প্রোডাক্ট সেল করতে এড খরচ হবে ২০০-২৫০ টাকা ( এটা এভারেজ কস্ট, মার্কেটিংয়ের দক্ষতার উপর এইটা উঠা নামা করে ) তার মানে টোটাল খরচ এখন পর্যন্ত আপনার ৩০০+২৫০= ৫৫০ টাকা মাত্র।
তার পর আসে কন্টেন্ট বানানোর খরচ, অফিস থাকলে ফিক্সড খরচ, প্রোডাক্ট যে রিটার্ণ আসবে তখন একটা খরচ মিলিয়ে আরো ১৫০ টাকা, তারমানে টোটাল : ৫৫০+১৫০ = ৭০০ টাকা।
আরো যে কত খরচ আছে, সেটা যে ব্যবসা করে শুধুমাত্র সেই জানে 🙃
এখন তাহলে লাভ কতো.?? ৯৯০-৭০০= ২৯০ টাকা 🥳
এই লাভও অনেক সময় কমে যায়, তাহলে ৩০০ টাকার ওই প্রোডাক্ট ৯৯০ না ১২৯০ টাকায় বিক্রি করা উচিত 🙃 না হলে সেটা উদ্যোক্তার উপর জুলুম হয়ে যাবে। ৩ মাস ব্যবসা করার উপর উদ্যোক্তার পথে বসতে হবে।
এমনকি ইসলামিক ফিকহ অনুযায়ী, সাধারণভাবে ব্যবসায় লাভের উপরে কোনো “নির্ধারিত শতাংশ” বা পরিমাণ নেই। 
অর্থাৎ কেউ ১০ % নেয় বা ১০০ % নেয়—এটা নিজ-পরিস্থিতি, বাজার পরিস্থিতি, পণ্যের মান, খরচ-ঝামেলা সব বিবেচনায় নির্ভর করে, তবে অবশ্যই ব্যবসা হালাল হতে হবে।
তাই কারো সম্পর্কে কিছু একটা মনে হলো আর সেটা নিয়ে সাথে সাথে কমেন্ট বা পোস্ট করার আগে সঠিকটা জানুন, অন্যের ভুল দেখার আগে নিজেরটা দেখুন। হয়তো পপুলার কারো নামে কিছু পোস্ট করলে লাইক, কমেন্ট, ফলোয়ার পাবেন। কিন্তু মানুষকে ভুল পথে যেতে উৎসাহিত করবেন, যেটার দ্বায়ভার কিন্তু আপনাকেই নিতে হবে।
আমি তো হাজার হাজার উদ্যোক্তাদের চায়না ই-কমার্স ব্যবসা সম্পর্কে গাইড করছি, কিন্তু আপনি কি করছেন.??
[ যারা পোস্ট টা পড়লেন তারা কমেন্টে আপনার মতামত অবশ্যই জানাবেন ]