Mabia Art Heaven

Mabia Art Heaven Exploring the beauty of Islamic art through calligraphy, geometry, and timeless design.

31/05/2026

"যখন তোমার মনে আসে যে 'যদি আমি এটা না করতাম, তাহলে এটা হতো না', তখন বলো: قَدَرُ اللَّهِ وَمَا شَاءَ فَعَلَ (আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই হয়েছে)। কারণ ‘যদি’ শয়*তানের কাজের দরজা খুলে দেয়।" — সহীহ মুসলিম: ২৬৬৪




29/05/2026

ঈদ মোবারক✨
কি অবস্থা সবার?
ঈদুল আজহা কিন্তু ৩ দিন পর্যন্ত থাকে, তাই জিজ্ঞেস করতে এসো না আজকে কেন ঈদ মোবারক জানাচ্ছি। 🙃

23/05/2026

আল্লাহ তায়া’লা মানুষের প্রতি কতটা দয়ালু মানুষের অনুভূতিকে অগ্রাহ্য করেননি বরং সময়ে সময়ে বিভিন্ন আয়াতের মাধ্যমে আমাদের মনকে শান্ত রেখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ!

“নিশ্চয়ই আল্লাহ অন্তরসমূহে যা আছে তা ভালোভাবে জানেন।”
— সূরা লুকমান: ২৩

“তুমি যদি কঠোর হৃদয়ের হতে, তবে তারা তোমার কাছ থেকে দূরে সরে যেত।”
— সূরা আলে ইমরান: ১৫৯

“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।”
— সূরা আশ-শারহ: ৬

যখন মন ভেঙে যায় বিষন্ন লাগে হতাশ লাগে, চারদিক অন্ধকার হয়ে যায়, তখন এই আয়াত গুলো অন্ধকারের মোমবাতির আলোর মতো নতুন করে আশা জোগায়!!!!🤍🤍🤍

20/05/2026

تَوَكَّلْتُ عَلَى ٱللَّهِ
(অর্থ: আমি আল্লাহর উপর ভরসা করেছি।)
যা আমার জন্য কল্যাণকর, আল্লাহ অবশ্যই সেটাই নির্ধারণ করবেন!❤️‍🩹
ইনশাআল্লাহ!

16/05/2026

আপনার আপনি জীবনে পিছিয়ে নেই।
আল্লাহ জন্য যেখানে থাকার পরিকল্পনা
করেছেন, আপনি ঠিক সেখানেই আছেন।

উঁন উপর ভরসা রাখুন, যিনি আপনার
অস্তিত্ব জানানোর আগে আপনার কাহিনী
লিখে গেছেন।





©

15/05/2026

⚠️ ATTENTION, PARENTS!
May be This is something you really need to hear.
একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে; আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ"
" একটি শিশুর ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ নির্ভর করে প্রথমত পারিবারিক শিক্ষার উপর দ্বিতীয়ত তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার উপর!
* ছোট থেকে একটি শিশু তার পারিবারিক আচার আচরণ অনুসরণ করে বড় হয়ে উঠতে থাকে সেক্ষেত্রে তার সামনে নীতিবাচক আচরণ প্রদর্শন করা বিশেষ ভূমিকা রাখে। ছোট থেকে শিশুর অনুভূতির প্রাধান্য দেওয়া তার মেধা বিকাশের সহায়তা করে!
" সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কি জানেন? আপনার সন্তান কি চায় তার প্রাধান্য দেওয়া! তার মানে এই না তার অন্যায় আবদার পূরণ করার কথা বলা হচ্ছে আপনাকে! তার চেয়েও বেশি গুরত্ব পূর্ণ তাকে সময় দেওয়া! তার সাথে সুন্দর মুহূর্ত কাটানো , যখন তার কাছে পৃথিবীর সব কিছু কঠিন মনে হবে তখন যেন তার মাথায় আসে বাবা মার ছায়া সব সময় আমার পাশে আছে! এই কঠিন মুহুর্ত জয় করে উঠতে পারবো! *আপনার সন্তান যা চাচ্ছে আপনি তাকে সব দিয়ে দিচ্ছেন দামী খেলনা, যা খেতে চাচ্ছে সেটাই এনে দিচ্ছেন, তাকে অভাব বুঝতে দিচ্ছেন না সেটার মাধ্যমে কখনো আদর্শ বাবা , মা অন্তত হওয়া যায় না! সন্তান দের প্রতি সবসময় তীক্ষ্ণ নজর রাখুন । তার আসে পাশের পরিবেশ এবং পরিস্থিতি সুন্দর রাখুন এবং তাকে এমন কোনো পরিস্থিতির শিকার করবেন না যেটার জন্য একটা অসুস্থ মস্তিষ্কের মানুষে রূপান্তরিত হয়! তার আসে পাশের পরিবেশ থেকে এমন কিছু শিক্ষা অর্জন যাতে না করে যেটার জন্য তার আগামী দিন এবং আপনাদের জীবনের ঝুঁকি থাকতে পারে! সন্তান কে স্কুল, মাদ্রাসা তে পড়ালে দায়িত্ব শেষ সেটা ভেবে বসে থাকলেও হয় না !ছোট থেকে তার বেড়ে উঠার মত এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যার মাধ্যমে নীতিবাচক চিন্তা ধারা, বড়দের সম্মান করতে হবে এমন চিন্তা ধারা নিয়ে সে বেড়ে উঠে! সন্তান বড় হয়ে উঠার পর বাবা মার দায়িত্ব তে সীমাবদ্ধ হয়ে যায় কিন্তু আদৌও কি সেটা করা উচিৎ?
"Your child may be strong outside, but they still need your time and warmth every day."
অর্থ: “আপনার সন্তান বাইরে থেকে শক্ত/দৃঢ় মনে হতে পারে, কিন্তু প্রতিদিনই সে আপনার সময় আর স্নেহের উষ্ণতা চায়।”
* অর্থ , শিক্ষা, মানবিক ভাবে গড়ে তোলার আগে তার মানসিক শান্তির কারণ হয়ে উঠতে পারা তার জীবনের সাফল্য বয়ে আনার প্রথম পদক্ষেপ।
তার হাত শক্ত ভাবে ধরে তাকে বুঝানো জীবনের কঠিন সময় তুমি একা নও! পারফেক্ট বাবা মা সন্তান কখনো চায় না তার মানুসিক শান্তির জায়গা যাতে বাবা হয় সন্তান সেটাই চায়!

🖋️রাবেয়া আক্তার



14/05/2026

কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নিন। রাগের প্রকাশ যত বিলম্বে হবে, রাগ তত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এবং এর পরিণতিও হবে তত সুন্দর।

- শায়েখ আহমাদুল্লাহ

এক আলিমের ঘটনা থেকে এখনকার সকল পুরুষের জন্য কিছু কথা। নোট: বিশেষ করে ব্যবসায়ী, মার্কেটার, ফ্রিল্যান্সার  আপনারদের কাছে ...
11/05/2026

এক আলিমের ঘটনা থেকে এখনকার সকল পুরুষের জন্য কিছু কথা।

নোট: বিশেষ করে ব্যবসায়ী, মার্কেটার, ফ্রিল্যান্সার
আপনারদের কাছে হারাম ইনকামের সংজ্ঞা হয়ে দাঁড়িয়েছে "মদ, গাঁজা, প*র্নোগ্রাফি, ১৮+ ওয়েবসাইট, বানানো ও তাতে কাজ না করা। অথচ যেভাবে নারীদেরকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করেন, ক্লায়েন্ট কমুনিকেশন, মিমস, প্রোডাক্টের সাথে নারী মডেল ব্যবহার করেন আর বলেন "আমি হালাল ইনকাম করি।" আবার ঘরে কেন অশান্তি বলে অভিযোগ করেন। কেন কোন কিছুতেই বারাকাহ পান না। কেন এক স্ত্রীতেই তার প্রশান্তি নেই। কেন অবিবাহিতরা প*র্নোগ্রাফি আর মা*স্টারবেশনে আসক্ত। সব কথার কিছু উত্তর পাবেন এই লেখাতে।

এবার আসল লেখায় আসি

একদিন তিনি শুক্রবারের জুম'আর আগে খুতবা তৈরি করছিলেন। সামনে কিতাবপত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন, নোট করছেন। শাইখের ছেলে সেসময় বাবার পাশে খেলাধুলা করছিল। বারবার বাবাকে ডিস্টার্ব করছিল, শাইখও ছেলের দুষ্টুমিতে কাজে মন দিতে পারছিলেন না। এদিকে জুম'আর সময়ও আর বেশি নেই। তাই তিনি একটা ম্যাগাজিন খুলে সেখানে একটা পৃথিবীর মানচিত্রের ছবি দেখলেন। তিনি ম্যাগাজিন থেকে মানচিত্রটি কেটে নিলেন। সেটাকে এলোমেলোভাবে কয়েক টুকরা করে ছেলের হাতে দিয়ে বললেন, যাও এই মানচিত্রের টুকরাগুলো জোড়া লাগিয়ে আনো, দেখি পারো কি না!

শাইখকে অবাক করে দিয়ে তার ছেলে কয়েক মিনিট পরই মানচিত্রের টুকরাগুলো জায়গামতো বসিয়ে নিয়ে এলো। শাইখ তো অবাক। ছেলের প্রতিভায় রীতিমত মুগ্ধ। তিনি মনে করেছিলেন এই কাজ করতে তার অনেক সময় লেগে যাবে, এই ফাঁকে তিনি নিজের কাজ শেষ করে ফেলবেন। কিন্তু ছেলে তো পুরো ফাটিয়ে দিল। তিনি খুবই কৌতূহল নিয়ে ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এটা কীভাবে করলে? ছেলে জবাব দিল,

আসলে মানচিত্রের পেছনে একটা মানুষের ছবি ছিল। আমি মানচিত্র জোড়া লাগাইনি, মানুষটাকে জোড়া লাগিয়েছি। হাত, পা, মাথা জায়গামতো বসিয়ে দিয়েছি, এতে করে অপর পাশের পৃথিবীর মানচিত্রটাও অটোম্যাটিক জায়গামতো জোড়া লেগে গেছে।

শাইখ মনে মনে ভাবলেন, তিনি আজকের জুম'আর খুতবার টপিক পেয়ে গেছেন।

"When the men come together, the world also comes together."

সুতরাং এই ভাঙ্গা পৃথিবীটাকে জোড়া লাগানোর জন্য উম্মাহর 'পৌরুষ' ফিরিয়ে আনা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

আজকাল অনেকে নারীদের বিপথে যাওয়া নিয়ে কথা তোলেন। দেখুন ভাই মেয়েরা কীভাবে বিপথে যাচ্ছে, পর্দা ছেড়ে দিচ্ছে, ফাহেশা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। কিন্তু এটা একদিনে হয়নি। যেসব নারীরা বিপথে যাচ্ছে, তাদের আগে তাদের পুরুষর বিপথে গেছে। বিপথে যাওয়া নারীরা হায়া হারানোর আগে, এসব নারীদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা পুরুষেরা তাদের হায়া, গীরাহ, পৌরুষ হারিয়েছে।

যে ভাইগুলো বলছে নারীরা বিপথে চলে যাচ্ছে, সেই একই ভাইয়েরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড দিচ্ছে। সেই ছবি তার হোয়াটসএপের প্রফাইল পিকচার দিচ্ছে। তাই যাদের কাছেই তার ফোন নম্বর আছে, তাদের কাছে এখন তার স্ত্রীর ছবিও আছে। প্রতিদিন তার স্ত্রীর ছবি অন্যর দেখছে।

এক ভাই একদিন আমার কাছে এলেন তার স্ত্রীকে নিয়ে। হাসতে হাসতে নিজের স্ত্রীকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। আমি বিব্রত হয়ে কোনোমতে সালাম দিলাম। কিন্তু সেই মহিলা হাসতে হাসতে আমার দিকে হ্যান্ডসেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিল। আর পাশে তার স্বামী নির্লজ্জের মতো তখনো হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমি কাকে দোষ দেব, পৌরুষহীন এই ভাইকে, নাকি তার স্ত্রীকে?

রাসুল (সা.) বলেছেন, "এমন তিনজন ব্যক্তি আছে, যাদের দিকে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল কিয়ামতের দিন তাকাবেন না। তারা হচ্ছে

(১) যে পিতামাতার অবাধ্য,

(২) যে নারী বেশভূষায় পুরুষদের অনুকরণ করে

(৩) দাইয়ুস ব্যক্তি।” (নাসাঈ: ২৫৬২)

এখানে দাইয়ুস হলো সেই পুরুষ, যে তার অধীনস্ত নারীদের (মা, বোন, স্ত্রী) ব্যভিচার, ফাহেশা কাজে বাধা দেয় না। তারা পর্দা করছে না, এটা তার গায়ে লাগে না। তার স্ত্রী পরপুরুষের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে, এতে তার গা জ্বলে না। সে এমন ব্যক্তি, যে তার পৌরুষ হারিয়েছে।

এই উম্মাহর একজন রিজাল-উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। তখনও পর্দার আয়াত নাযিল হয়নি। তিনি আল্লাহর রাসূল (সা.) এর কাছে গিয়ে বলছেন, ইয়া
রাসূলাল্লাহ! আপনার কাছে ভালোমন্দ সব ধরনের লোকেরা আসে। আপনি যদি আপনার স্ত্রীদের পর্দা করার আদেশ দিতেন। বাইরের কেউ উম্মুল মুমিনীদের দেখবে, উমর ইবনুল খাত্তাবের কাছে এটা পছন্দ হচ্ছিল না।

ওয়াল্লাহি, স্বয়ং আল্লাহ এরপর পর্দার বিধান নাযিল করে আসমান থেকে কুরআন পাঠালেন (সূরাহ আযযাব এর ৫৩ নং আয়াত)। নবি নয়, উম্মাহর একজন সত্যিকারের রিজাল, একটা মতামত দিয়েছেন, যার সমর্থনে স্বয়ং আল্লাহ কুরআন নাযিল করেছেন। এমনই ছিল উম্মাহর পুরুষেরা। তারাই ছিল Real man!

এই উমর ইবনুল খাত্তাব এর মৃত্যুর পর, রাসূল (সা.) এবং আবু বকর (রা.) এর পাশে তাকে দাফন করা হয়। উমরের মৃত্যুর আগে আইশা (রা.) যখন নবিজির কবরের কাছে যেতেন, পর্দা করতেন না, কারণ নবিজি (সা.) এবং পিতা আবু বকর (রা.) দুইজনই তাঁর মাহরাম ছিলেন।

কিন্তু উমর (রা.) কে যখন সেখানে দাফন করা হয়, এরপর থেকে আইশা (রা.) পর্দা করে কবরের কাছে যেতেন। উমর ইবনুল খাত্তাবের প্রতি মানুষের সমীহ এই পর্যায়ের ছিল যে, তাঁর মৃত্যুর পর কবরের কাছে গেলেও একজন সতী নারী পর্দা করে যেত। এরাই ছিল উম্মাহর পুরুষ। এরাই উম্মাহর নারীদের আগলে রেখেছিল।

উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামা (রা.) বলেন, আমি একবার রাসূল (সা.) এর নিকট ছিলাম। উন্মুল মুমিনীন মায়মুনা (রা.) ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় আবদুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকতুম উপস্থিত হলেন। এটি ছিল পর্দা বিধানের পরের ঘটনা। তখন রাসূল (সা.) বললেন, তোমরা তার সামনে থেকে সরে যাও। আমরা বললাম, তিনি তো অন্ধ, আমাদেরকে দেখছেন না! তখন রাসূল (সা.) বললেন, সে অন্ধ ঠিক আছে, কিন্তু তোমরাও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না?(১)

আরেকবার তো একজন আলিম আমাকে (Mohammad Hoblos) বলছেন, ভাই! আপনার দাওয়া ভিডিওতে নারীদের আনেন না কেন? আপনার উচিত নারীদেরকেও নিয়ে আসা! আমি বিস্মিত, হতবাক হয়ে চেয়ে আছি, এ কী বলছেন আপনি! আচ্ছা, আপনি মেনে নেবেন আপনার স্ত্রী আমার সাথে বসে খোশগল্প করছে, হাসাহাসি করছে, আর সেটা ভিডিও হচ্ছে, সারা দুনিয়ার মানুষ দেখছে?

আমাদের নারীরা 'হায়া' হারানোর আগে উম্মাহর পুরুষরা তাদের হায়া হারিয়েছে। হায়া, এটা কোনো সহজ বিষয় নয়। সমস্ত ইংরেজি ভাষায় এমন কোনো শব্দ নেই, যেটা এই 'হায়া' শব্দটার যথার্থ অর্থ প্রকাশ করতে পারে! ওলামারা বলেন, যার অন্তরে হায়া নেই, তার মরে যাওয়াই শ্রেয়।

নবিজি (সা.) একদিন আইশা (রা.) এর সাথে ছিলেন। বিশ্রাম করছিলেন, তাই একটু রিল্যাক্স ভঙ্গিতে বসা ছিলেন। এতে তাঁর পায়ের কিছু অংশ দেখা যাচ্ছিল। এমন সময় দরজায় কেউ একজন কড়া নাড়ল। আইশা (রা.) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা আবু বকর (রা.) এসেছেন। রাসূল (সা.) যেভাবে ছিলেন, সেভাবেই থাকলেন, বললেন আবু বকরকে ভেতরে আসতে দাও। আবু বকর ভেতরে এলেন। কিছুক্ষণ পর আবার কেউ দরজায় করা নাড়ল। আইশা (রা.) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এসেছেন। এবারও রাসূল (সা.) যেভাবে ছিলেন সেভাবেই বসে থাকলেন, উমর (রা.) কে ভেতরে আসতে বললেন।

এর কিছু সময় পর আবার কেউ দরকায় কড়া নাড়ল। আইশা (রা.) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উসমান ইবনু আফফান এসেছেন। রাসূল (সা.) নড়েচড়ে বসলেন, কাপড় ঠিক করলেন, পরিপাটি হয়ে নিলেন, অতঃপর বললেন, এবার উসমানকে আসতে বল।

রাসূল (সা.) এর এই আচরণ দেখে আইশা (রা.) এর একটু কৌতূহল হলো। তাই তাঁরা তিনজন চলে যাওয়ার পর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবু বকর এলো, উমর এলো, আপনি যেভাবে ছিলেন সেভাবেই বসে থাকলেন, কিন্তু যখন উসমান এলো আপনি এভাবে পরিপাটি হয়ে, গায়ে কাপড় দিয়ে বসলেন কেন? জবাবে রাসূল (সা.) বললেন, আইশা! আমি কি এমন ব্যক্তিকে লজ্জা করব না, যাকে দেখে স্বয়ং ফেরেশতারা পর্যন্ত লজ্জা পায়!

এরাই হলো উম্মাহর সেই পুরুষ, যাদের অন্তরে হায়া ছিল, গীরাহ ছিল, পৌরুষ ছিল। তাই তাঁরা তাদের অধীনস্ত নারীদের আগলে রাখতে পেরেছেন। উম্মাহকে জুড়ে রাখতে পেরেছেন। আর আজ উম্মাহ তার পুরুষদের হারিয়েছে, সেই সাথে নারীরাও বিপথে চলেছে। এই উম্মাহকে আবার তার আগের অবস্থায় জুড়ে দিতে হলে, আগে এই উম্মাহর পুরুষদের সত্যিকারের 'পুরুষ' হয়ে উঠতে হবে।

--------------------------------------------------------
[১] সুনানে আবু দাউদ ৪/৩৬১, হাদিস: ৪১১২; তিরমিযি ৫/১০২, হাদীস: ২৭৭৯; মুসনাদে আহমাদ ৬/২৯৬; শরহুল মুসলিম, নববি ১০/১৭; ফাতহুল বারী ১/২৪৮

- "এপিটাফ" বই থেকে।

©

09/05/2026

ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ এটা নিয়ে যদি কেউ কথা বলে তাহলে তার ইমান চলে যাবে, আল্লাহ যা হালাল করেছেন আপনি হারাম করতে পারবেন না। কিন্তু আল্লাহ যেভাবে বলেছেন আপনাকে তার উপর অবস্থান থাকতে হবে। আপনি এটাকে তামাশা বানাতে পারবেন না, ফাজলামো বানাতে পারবেন না।

04/05/2026

মেয়েদের সেফটিই তো বড় ইস্যু হওয়া উচিৎ ছিলো, সেটা যেখানেই হোক। একই সাথে দ্বীনি ইলেম শিক্ষায় যেন নিশ্চিত হয়, সেই প্রচেষ্টাই তো কাম্য ছিলো!


Address

Bangladesh
Dhaka
1236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mabia Art Heaven posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share