Payra Construction

Payra Construction Our Services:

- Real Estate Development
- Architectural Design
- Interior Design
- Construction Management
- Project Management Consultancy
- Renovation A.S.M.

Chairman:
Engr. Rakibul Hassan
Civil & Environmental Engineering MIEB, MBA
01719014457

Managing Director:
Md. Nahid Ahamed Nayan
01737169989


Engineer:

1. Arch. Shahadat Saroar Shamsi
Architect

2. Engr. Rakibul Hassan
Civil & Environmental Engineering MIEB, MBA

3. Syed Rafiul Hussain
Architect

4. Nur Alam
Civil & Environmental Engineering

5. Mahmudul Hasnat
Architect

6. Mohaiminul Islam Ratin
Junior Architect

7. Asif Sarwar
Asst. Project Engineer

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ক্ষেত্রীপাড়ার বকুলতলা মোড়ে মনোরম পরিবেশে ফ্ল্যাট বিক্রয় হবে।Call Us:01737-169989 01...
25/02/2026

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ক্ষেত্রীপাড়ার বকুলতলা মোড়ে মনোরম পরিবেশে ফ্ল্যাট বিক্রয় হবে।

Call Us:
01737-169989
01719-014457

Project Name: Rani Palace
Type: G+9 Residential Building

Flat Size:
Unit A: 1400 sft
Unit B: 1430 sft
Unit C: 1350 sft
Unit D: 1350 sft

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে মনোরম পরিবেশে ফ্ল্যাট বিক্রয় হবে।Call Us:01737-169989 01719-014457Project Name: Rani Palace...
25/02/2026

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে মনোরম পরিবেশে ফ্ল্যাট বিক্রয় হবে।

Call Us:
01737-169989
01719-014457

Project Name: Rani Palace
Type: G+9 Residential Building
Location: Bokultola, Khetripara, Dinajpur

Flat Size:
Unit A: 1400 sft
Unit B: 1430 sft
Unit C: 1350 sft
Unit D: 1350 sft

"Flat for Sell"Call Us: 01737-169989, 01719-014457Flat Size:Unit A: 1400 sftUnit B: 1430 sftUnit C: 1350 sftUnit D: 1350...
05/02/2026

"Flat for Sell"
Call Us: 01737-169989, 01719-014457

Flat Size:
Unit A: 1400 sft
Unit B: 1430 sft
Unit C: 1350 sft
Unit D: 1350 sft

ভবনের সঠিক কাঠামো নির্মাণে ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সারা জীবনের জমাকৃত অর্থ দিয়ে বাড়ি করি। সামা...
08/09/2024

ভবনের সঠিক কাঠামো নির্মাণে ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সারা জীবনের জমাকৃত অর্থ দিয়ে বাড়ি করি। সামান্য অসচেতনার কারণে নিজের জীবনকে বিপদের মুখে ঠেলে দেই।
যে কোন ভবন নির্মাণে প্রফেশনাল পরামর্শদাতার সহায়তা নেই।

টোটাল স্টেশনের সাহায্যে ডিজিটাল টপোগ্রাফিক্যাল সার্ভের মাধ্যমে জমি পরিমাপ ও এরিয়া নির্ণয় করা হয়।যোগাযোগঃপায়রা কনস্ট্রাকশ...
20/03/2024

টোটাল স্টেশনের সাহায্যে ডিজিটাল টপোগ্রাফিক্যাল সার্ভের মাধ্যমে জমি পরিমাপ ও এরিয়া নির্ণয় করা হয়।

যোগাযোগঃ
পায়রা কনস্ট্রাকশন
আজিজ মোটরস টাওয়ার, কালিতলা, দিনাজপুর।
০১৭৩৭-১৬৯৯৮৯, ০১৭৯৭-১১২৭৩৩
www.payraconstruction.com

13/02/2024

ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্নের বাড়ি তৈরির কথা বলতে পারছি না,
তবে আপনার জেগে জেগে দেখা স্বপ্নের বাড়ি তৈরিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
www.payraconstruction.com

www.payraconstruction.comনির্মাণ কাজে ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশন কেন জরুরী?১। বৈষয়িক জ্ঞান : কন্ট্রাক্টর কিংবা মিস্ত্রি শুধ...
24/07/2023

www.payraconstruction.com
নির্মাণ কাজে ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশন কেন জরুরী?
১। বৈষয়িক জ্ঞান : কন্ট্রাক্টর কিংবা মিস্ত্রি শুধুমাত্র তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানই ব্যবহার করে, কিন্তু পর্যাপ্ত একাডেমিক জ্ঞান এর অভাবে অনেক সূক্ষ্ম ভুল তাদের চোখ এড়িয়ে যায়। ফলে নির্মাণ কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশনের মাধ্যমে এই ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
২। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ : নির্মাণের ধরণ অনুযায়ী নির্মাণ কাজেও ভিন্নতা দেখা যায়। একজন ইঞ্জিনিয়ার ভবনের কাঠামোর ধরণ অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন।
৩। কাজের সময়সূচী প্রণয়ন : ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশনে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি কাজ সমন্বয় করে একটি সময়সূচী প্রস্তুত করা হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়। ‘Time is Money’, তাই প্রোজেক্ট শেষ হতে যত সময় লাগবে, মালিকের ব্যয়ও তত বাড়তে থাকবে।
৪। যথাযথ কর্ম ব্যবস্থাপনা : যেহেতু একজন ইঞ্জিনিয়ারের নির্মাণ কাজের সময়সূচী ও কাজের ব্যাপারে সম্যক ধারণা থাকে, তাই তার তদারকিতে প্রতিটি কাজই যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়।
৫। শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি : যদিও আমরা সকলেই আশা করি, শ্রমিকরা নিজ উদ্যমে তাদের কাজ সুচারুরূপে সম্পাদন করবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশনের ফলে শ্রমিকরা কাজের সঠিক দিকনির্দেশনা পায়। ফলে তাদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৬। নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস : একজন ইঞ্জিনিয়ার প্রতিটি কাজের পূর্বেই নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করেন। ফলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে না।
৭। নির্মাণ ব্যয় সঙ্কোচন : যেহেতু একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি কাজ সম্পাদিত হয়, তাই অযাচিত ব্যয়ের আশঙ্কা থাকে না। এছাড়া নিয়মিত তদারকি করা হয় বলে নির্মাণ সামগ্রীর অপচয় হয় না।
৮। চেকলিস্ট অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন : প্রতিটি অংশের নির্মাণ কাজগুলোর গুনগত মান ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট চেকলিস্ট রয়েছে। একজন ইঞ্জিনিয়ার যদি সেই নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী কাজ করেন, তাহলে কাজের গুনগত মান ও ধারাবাহিকতা পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকে না।
৯। কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ : সাধারণত ক্লায়েন্ট নিয়মিত প্রতিটি কাজের আপডেট জানতে চান। ইঞ্জিনিয়ার প্রতি সপ্তাহে/মাসে কাজের একটি রিপোর্ট দিবেন, এতে প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। ফলে কাজের অগ্রগতির ব্যাপারে ক্লায়েন্ট দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবেন।
‘পায়রা কনস্ট্রাকশন’ ইঞ্জিনিয়ারিং সুপারভিশনের মাধ্যমে আপনাদেরকে দিচ্ছে সুনিপুণ কাঠামো ও নির্ভরযোগ্য নির্মাণ ব্যবস্থাপনা।

নিজে বাড়ি করার চেয়ে ফ্ল্যাট কেনার সুবিধাগুলো জেনে নেই-১) মফস্বল শহরে ৩-৪ শতক জায়গা কিনতে গেলেই লাগবে ৬০-৭০ লাখ টাকা। আর ...
12/07/2023

নিজে বাড়ি করার চেয়ে ফ্ল্যাট কেনার সুবিধাগুলো জেনে নেই-

১) মফস্বল শহরে ৩-৪ শতক জায়গা কিনতে গেলেই লাগবে ৬০-৭০ লাখ টাকা। আর এর উপরে ৫ তলার ফাউন্ডেশন দিয়ে ২ তলা বিল্ডিং করতেই লেগে যাবে ৮০-৯০ লাখ টাকা প্রায়। তার মানে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা লেগে যাবে দোতলা বাড়ি করতেই। আর ২৫-৩০ বছর পরে পুরনো মডেলের কারণে তার ছেলেও এর উপরে বাড়াতে চাইবে না। তাহলে জায়গা কিনে বাড়ি করলে খরচ পড়বে ১.৫ কোটি টাকা, অথচ সম মানের ফ্ল্যাট কিনলে পড়বে ৫০ লাখ প্রায়।

২) তার মানে বাড়ি করার টাকায় ৩ টা ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব। বাকি দুইটা ফ্ল্যাটের ভাড়া পাবেন অন্তত ১৫ হাজার টাকা প্রায়।

৩) নিজে বাড়ি করলে ১ তলা বা ২ তলা করবেন। কিন্তু ফ্ল্যাট কিনলে পছন্দ সই ৪/৫/৬ তলায় পাবেন যেখানে আলো, বাতাস বেশি পাবেন।

৪) ১/২ তলায় সিকিউরিটির ভয় থাকে, উপরে তুলনামূলকভাবে রিস্ক কম।

৫) নিজে বাড়ি করলে লিফট, জেনারেটরের সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা কম, কিন্তু ফ্ল্যাট বিল্ডিংয়ে সবই পাবেন।

৬) কোন কাজে শহরের বাইরে গেলে ভয় থাকে চুরির। কিন্তু ফ্ল্যাট সিস্টেমে আলাদা সিকিউরিটি সিস্টেম থাকে, ভয় থাকে না বললেই চলে।

৭) কখনো মেইন্টেনেন্সের কোন কাজ করতে হলে ফ্ল্যাট সিস্টেমে ১৫-২০ টা ফ্ল্যাট থাকলে মোট খরচের ১৫-২০ ভাগের একভাগ বহন করলেই চলে। যেমন ৫/৬ বছর পরে সম্পূর্ণ বিল্ডিং পেইন্ট করলে নিজের ভাগে অনেক কম পড়ে। এতে চাপ থাকে না, কাজও সময় মত হয়।

৮) যারা ফ্ল্যাট কেনার সামর্থ্য রাখেন তারা অবশ্যই সমাজের একটা এলিট স্ট্যান্ডার্ড মেইন্টেইন করেন। তাই স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভাল মানসিকতার একটা প্রতিবেশি গ্রুপ পাওয়া যায়, এতে পরিবার বা সন্তানদের মেলামেশার ব্যাপারে চিন্তা কম থাকে।

www.payraconstruction.comবাড়ি বানানোর সময় চারপাশে জমি ছাড়লে,“এর সুবিধা বাড়ির মালিকই পাবেন"বহুতল বসতবাড়ি বানাতে হলে বাংলা...
21/02/2023

www.payraconstruction.com

বাড়ি বানানোর সময় চারপাশে জমি ছাড়লে,
“এর সুবিধা বাড়ির মালিকই পাবেন"

বহুতল বসতবাড়ি বানাতে হলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি’র নিয়মকানুন মেনেই বাড়ির নকশা করতে হবে। অন্যথায় জীবন ও পরিবেশ দুটোই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

বাড়ি বানানোর সময় বিএনবিসি অনুযায়ী ‘ম্যাক্সিমাম গ্রাউন্ড কভারেজ’ বা এমজিসি’র একটি চার্ট অনুসরণ করতে হয়। এতে জমির আকার অনুযায়ী কী পরিমাণ জায়গা ছেড়ে কয়তলা ও কত বড় ভবন নির্মান করা যাবে, সেটা উল্লেখ করা আছে।

যেমনঃ — যদি জমির পরিমাণ দুই কাঠার মধ্যে হয় তবে জমির মালিক শতকরা ৬৭.৫ ভাগ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। তাকে প্রায় এক তৃতীয়াংশ জমি ছেড়ে বাড়ি বানাতে হবে।

তবে, তিনি ‘ফ্লোর এরিয়া রেশিও’ বা ‘ফার’ পাবেন ৩.১৫। মানে, ২ কাঠা জমি x ৩.১৫ ফার = ৬.৩০ কাঠার জমির সমপরিমাণ জায়গা ভবনে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

জমির আয়তন যত বেশি ‘ফার’ও তত বেশি হয়।

তবে বাড়ি বানানোর সময় চারপাশে জমি ছাড়লে, “এর সুবিধা বাড়ির মালিকই পাবেন। “নিয়ম মেনে বাড়ি বানালে ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের সুযোগ পায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বাসায় থাকে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ।

এছাড়া, “বিল্ডিং কোড নীতিমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিন দিন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে। এজন্য বাড়ি বানানোর সময় জমির চারপাশ থেকে কিছুটা অংশ বাদ দিয়ে বহুতল বাড়ি বানাতে হয়। ফলে বর্ষার সময় বৃষ্টির পানির মাধ্যমে গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ হয়।

“এছাড়া সবাই যদি চারপাশে জায়গা খালি না রেখে বাড়ি বানায় তাহলে ভবিষ্যতে মাটির ভেতরকার পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাবে। বলা যেতে পারে একটা ফাঁপা জায়গার উপর ঢাকা শহর দাঁড়িয়ে থাকবে।
এটা যে কত ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় একটু ভাবলেই বোঝা যাবে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শহরগুলোর তালিকায় রয়েছে।”

একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, জমির আকার যত বড় হয় তত বেশি (ফার) পাওয়া যায়। ‘মেক্সিমাম গ্রাউন্ড কভারেজ’ও তখন কমতে শুরু করে।

ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে একটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়ি বানানোর আগে সরকার অনুমোদিত স্থপতির মাধ্যমে তৈরি করা নকশার অনুমতি নিতে হবে।

নির্মাণ কাজ শেষে সেই স্থপতি এই মর্মে সম্মতি জ্ঞাপন করবেন যে, তার দিক-নির্দেশনামতো বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। বিল্ডিং কোড অনুযায়ী কোনো বিষয়ে নিয়মকানুন অনুসরণ না করার জন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তিনি দায়ী থাকবেন।

লেখা--
ড. জেবুন নাসরিন আহমদ
অধ্যাপিকা,স্থাপত্য বিভাগ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

শুরুটা অনেকেই বোঝে না, অনেকে বুঝতে চায় না। অনেকে ছোট করে দেখে, অনেকে ছোট ভেবে বড় হয়।কিন্তু কিছু একটা ভালো হলে, ভালো কিছু...
20/02/2023

শুরুটা অনেকেই বোঝে না, অনেকে বুঝতে চায় না। অনেকে ছোট করে দেখে, অনেকে ছোট ভেবে বড় হয়।
কিন্তু কিছু একটা ভালো হলে, ভালো কিছু করলে বাহবার কমতি থাকেনা।

(সংগৃহীত)

Address

Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Payra Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Payra Construction:

Share