21/07/2025
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনা! যদি বাংলাদেশে কোনো হোমিওপ্যাথি হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক থাকতো, তাহলে আমরা হোমিওপ্যাথরা কী চিকিৎসা দিতাম.......
✅ প্রথম ধাপেঃ আগুনে পুড়ে যাওয়া স্থানে তুলা দিয়ে কিছু সময় পরপর ক্যান্থারিস মাদার লাগিয়ে দিতাম।সাথে ক্যান্থারিস ৩০ শক্তি দুইড্রাম শিশিতে ৩ ফোঁটা দিয়ে ১৫ মিনিট পরপর সেবন করিয়ে দিতাম।এতে, পুড়ে যাওয়া অংশের জ্বালাপোড়া দ্রুত নিয়াময় এবং উপশম হয়ে যেতো।
✅ দ্বিতীয় ধাপেঃ ফোস্কা পড়তে শুরু করলে বা পড়ে গেলে বায়োকেমিক কেলি. মিউর ৩x, ৪ টা ট্যাবলেট আধাকাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার সেবন করিয়ে দিতাম এবং এটা গুঁড়া করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিতাম।
✅ তৃতীয় ধাপেঃ সবসময় রোগী/রোগিণীর শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে থাকতাম।এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে ঔষধ, শক্তি এবং মাত্রা পরিবর্তন করতে থাকতাম।প্রয়োজনে এমবিবিএস চিকিৎসক এবং অভিজ্ঞ সিনিয়রদের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলমান রাখতাম।
ইনশাআল্লাহ, আমরা স্বপ্ন দেখি! কোনো একদিন এদেশেও হোমিওপ্যাথি হাসপাতাল, ক্লিনিক হবে।মানুষ সুচিকিৎসা পাবে।
পরিশেষে, সবার জন্য দোয়া এবং ভালোবাসা থাকবে সবসময়।
ধন্যবাদ 💘💘💘
২১/০৭/২৫-ইসায়ি