Abrar Raiyan Toha

Abrar Raiyan Toha ফা ইন্না মা আল উসরি ইউসরা
(6)

03/10/2026
গাছকে যত পরিচর্যা করবেন,যত্ন করবেন গাছ তেমন ভাবেই বাড়তে থাকবে,ফল, ছায়া,বাতাস দিবে।ঠিক সন্তান কেউ যতটা গুরুত্ব দিবেন,স্নে...
01/10/2026

গাছকে যত পরিচর্যা করবেন,যত্ন করবেন গাছ তেমন ভাবেই বাড়তে থাকবে,ফল, ছায়া,বাতাস দিবে।
ঠিক সন্তান কেউ যতটা গুরুত্ব দিবেন,স্নেহ -আদর,ভালবাসা,সুশিক্ষা দিবেন সেও আপনাকে
ততটাই দিবে।
(You will get as much as you give)

Raiyan Toha # #

আপনি পারবেন না বিষয়টা এমন নয়, কিন্তু সঠিক গাইডলাইন না পেলে জীবন বদলানো কঠিন হয়ে যায়।আপনি জানেন কোনটা ভালো, তবুও করতে...
30/09/2026

আপনি পারবেন না বিষয়টা এমন নয়,
কিন্তু সঠিক গাইডলাইন না পেলে জীবন বদলানো কঠিন হয়ে যায়।
আপনি জানেন কোনটা ভালো, তবুও করতে পারেন না—এর কারণ ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়। কারণ হলো, আমরা আমাদের সামনে কী রাখছি, কোন পরিবেশে আছি, কখন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি এবং কার সাথে চলছি—এই চারটি বিষয় নিয়ে আমরা সচেতন নই।

আপনার সামনে যা থাকে, আপনার মন সেদিকেই যায়। তাই অনুরোধ থাকবে, আপনার সামনে এমন জিনিস রাখুন যা আপনাকে শক্ত করে, ফোকাস বাড়ায়, শেখার পথে রাখে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস সামনে থাকলে অপ্রয়োজনীয় কাজই হবে—এটাই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক নিয়ম।

নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা না করে পরিবেশকে কন্ট্রোল করুন। যে কাজগুলো আপনাকে সময় নষ্ট করায় বা পিছিয়ে দেয়, সেগুলোকে একটু কঠিন করে দিন। আর যে কাজগুলো আপনাকে গড়ে তোলে, সেগুলোকে সহজ করে দিন। মস্তিষ্ক সহজ পথই বেছে নেয়—এই সত্যটা মেনে নিলেই জীবন সহজ হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ—ইমোশনের সময় সিদ্ধান্ত নেবেন না। যখনই কোনো ইচ্ছা আসবে, এক মিনিট থামুন। ভাবুন, এই কাজটি কি আমাকে শক্ত করবে, নাকি দুর্বল করবে। চিন্তার পর যদি ভালো মনে হয়, করুন। না হলে ছেড়ে দিন। এই এক মিনিটের বিরতিই মানুষকে ভুল থেকে বাঁচায়।

সবশেষে মনে রাখবেন, আপনি একা নন—আপনি আপনার আশেপাশের মানুষের গড়। তাই এমন মানুষের সাথে থাকুন, যারা আপনাকে সচেতন করে, শেখায়, সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

এই চারটি বিষয়—আপনার সামনে কী আছে, আপনি কোথায় আছেন, কখন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং কার সাথে চলছেন—যদি আপনি ঠিকভাবে বুঝতে ও প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে আপনার জীবন সত্যিই বদলাতে পারে।

ঠিক এই জায়গা থেকেই Champion The Master Class কাজ করে।
এই মাস্টার ক্লাস আপনার ইচ্ছাশক্তির উপর চাপ দেয় না, বরং আপনার মাইন্ডকে সঠিকভাবে ডিজাইন করতে শেখায়—যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার জন্য স্বাভাবিক হয়ে যায়।
আপনি যদি সত্যিই নিজের জীবন বদলাতে চান, শুধু অনুপ্রেরণা নয়—সঠিক গাইড দরকার।

নিজেকে বদলান জীবন বদলে যাবে....
কারো দয়া বা করুনা নিয়ে বাঁচার থেকে একা বাঁচা অনেক ভালো।

# Raiyan Toha # #

আমার নীরব যুদ্ধের একমাত্র কারন আমার সন্তান। নিজের কষ্ট গুলো চুপচাপ বয়ে নিই,কারন আমার থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই,আমি ক্লান্ত হ...
30/09/2026

আমার নীরব যুদ্ধের একমাত্র কারন আমার সন্তান।
নিজের কষ্ট গুলো চুপচাপ বয়ে নিই,

কারন আমার থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই,
আমি ক্লান্ত হতে পারি-ভেঙে পড়তে পারি,

তবুও সন্তানের জন্য আবার উঠে দাঁড়ায়,
কারন ওর পৃথিবীটা সুন্দর করার দায়িত্বটা
আমি কোনো দিন ছেড়ে দেব না।

তুমি আমার বেঁচে থাকার আশার আলো
(আবরার রাইয়ান তোহা)❤️❤️

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল। ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো। তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?এই একটা প্রশ্ন বুঝলে তুমি ...
28/09/2026

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।
ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো।
তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?
এই একটা প্রশ্ন বুঝলে
তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে।
ইবলিশ জানতো আল্লাহ এক।
সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে।
সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে।
ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে।
তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।
তাহলে তার অভাব কিসের ছিল?
তার অভাব ছিল একটা জিনিসের - সে নিজেকে চিনতে পারেনি।
আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি - "তুই সিজদা করলি না কেন?"
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন - *"মা মানা'আকা?"
তোকে কিসে বাধা দিল?*
মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে - তুই আমাকে মানতে পারলি না?
সেই বাধাটা ছিল - "আনা খাইরুম মিনহু - আমি তার চেয়ে উত্তম।"
ইবলিশ আগুনের তৈরি, আদম (আ) মাটির তৈরি - এটা ছিল তার যুক্তি।
কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল -
সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল।
"আমি অনেক ইবাদত করেছি,
আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি,
আমি ভিআইপি।
আমি কেন মাটির আদমের (আ) সামনে মাথা নত করবো?"
আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই।
আল্লাহর দরবারে যে নিজেকে ছোট মনে করে, আল্লাহ তাকে বড় করেন।
যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
আর তারপর ইবলিশ কি করলো জানো?
সে তওবা করলো না।
সে বললো না - "আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।"
সে উল্টা দোষ দিল।
প্রথমে আদমকে (আ) দোষ দিল,
তারপর আল্লাহকে বললো - "আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।"
নাউযুবিল্লাহ।
এইখানেই আদম (আ) আর ইবলিশের পার্থক্য।

আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন - "রব্বানা জলামনা আনফুসানা -
হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।"

আর ইবলিশ ভুল করে বলেছিল - "আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।"
একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।
"ইবলিশ মরেনি, ইবলিশ তোমার ভিতরেই থাকে।"*
যখন তুমি বলো -
"আমি ঠিক, ও ভুল।"
"আমি এটা করেছি ওর জন্য।"
"আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।"
"আমি ওর চেয়ে ভালো।"
তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিশ কথা বলছে।
শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো।
কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।

তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করো - আমার ভিতরে "আনা খাইরুম মিনহু" টা কোথায় লুকিয়ে আছে?
ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ।
ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিশ।

আল্লাহ পাক সবাইকে সঠিক বুজদান করুন আমিন🤲

Address

Magura
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar Raiyan Toha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share