Afsana's own world

Afsana's own world assalamu alaikum❤️. it's me afsana. welcome to my daily blog. reels. pictures.

short moments.😊😊 If you like my page then follow me.🌼



Success is how high you bounce back✨️♥️

তারিয়ানা : Tariyaana আমার সবচেয়ে প্রিয় একটা পেজ হাতের কাজের।  আমি অনলাইন থেকে শপিং করি সেই ২০২০ থেকে কিন্ত হাতের কাজের...
28/01/2026

তারিয়ানা : Tariyaana
আমার সবচেয়ে প্রিয় একটা পেজ হাতের কাজের। আমি অনলাইন থেকে শপিং করি সেই ২০২০ থেকে কিন্ত হাতের কাজের ভালো পেজ পেতাম না। আর পেলেও কিনতাম না কারণ ঠকে যাওয়ার চান্স থাকতো তাই কখনোই নেওয়া হয়নি। কিন্ত তারিয়ানা। । বেস্ট। আমি আপুদের ভিডিও লাইভ দেখি যখন আপুদের পেজে ফলোয়ার ২২ হাজার। জামা তখনও কেনা হয়নি। কারণ যখন কিছু পছন্দ হয় টাকা থাকে না আবার টাকা থাকলে কিছু পছন্দ হয় না। আপুরা যখন অফার দেয় তখন আমি কিনেই ফেলি এন্ড মাশাআল্লাহ। ৩ টা ড্রেস এত সুন্দর বলার মতো না। কালো টা এখনও বানানো হয়নি। ওটা আমার প্রিয় মানুষের জন্য রেখে দেওয়া। কলা পাতা কালার ড্রেস টা যেদিন পড়েছিলাম মাশাআল্লাহ সবাই প্রশংসা করেছে। যে জিজ্ঞাসা করেছে তাদেরি আমি তারিয়ানা সাজেস্ট করেছি। এটাতে আমার লাভ নেই কিন্ত এটা আমার প্রিয় পেজ এর জন্য সবাইকে সাজেস্ট করে থাকি।

ড্রেস কুয়ালিটি: সম্পর্কে মনে হয় না কিছুই বলতে হবে। বেস্ট। কাপড় ভালো . ডিজাইন গুলোও খুব সুন্দর। সার্ভিস টাও বেস্ট।

আপু এমন সুন্দর সুন্দর ড্রেস আরো আনবেন । আমি হয় তো ভালো করে আমার অনুভূতি বোঝাতে পারিনি কিন্ত আমি এতটুকুই বলবো আমি এই পেজ টা আমার ভীষণ প্রিয়। ভীষণ মানে ভীষণ। আপু পোস্ট টা দেখে থাকলে অবশ্যই একটা কমেন্ট করবেন।।।

#তারিয়ানা

সবার কি অবস্থা
29/11/2025

সবার কি অবস্থা

Like my page
10/11/2025

Like my page

একটা মানুষ ঠিক কত টা কিপটা হইলে সাবান এমন কইরে কাটে 🥱

24/10/2025
যখন এটা সবার কাছে বাস্তবা তখন এটা আমার কাছে স্বপ্ন 💔
26/07/2025

যখন এটা সবার কাছে বাস্তবা তখন এটা আমার কাছে স্বপ্ন 💔

আজ ২ দিন হয়ে গেলো তারা আর নাই দুনিয়াতে।  আকাশ সমান ভয়, আতঙ্ক, বেঁচে থাকার শেষ ইচ্ছে নিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছে।  ...
22/07/2025

আজ ২ দিন হয়ে গেলো তারা আর নাই দুনিয়াতে। আকাশ সমান ভয়, আতঙ্ক, বেঁচে থাকার শেষ ইচ্ছে নিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছে। তার বাবা মা আর তাদের ছুঁয়ে দেখতে পারবে না। আদর নামের চাদরে মুড়িয়ে রাখতে পারবে না।

সবচেয়ে আফসোস তো তাদের জন্য। এই সরকারের মান, দায়িত্ব হারানোর ভয়ে যারা নিজের সন্তান কে কবর দেওয়ার মতো কিছুই পায়নি। তারা কি দিয়ে নিজেকে শান্তনা দেবে ?? তাদের সন্তানের কবর তো নাই। থাকলে মাসে একটা দিন তো যেতো। নিজের জন্য শান্তোনার বানি তো থাকতো এখানে তাদের কলিজার টুকরা আছে।

১১ বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান! শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার সবচেয়...
22/07/2025

১১ বছর ধরে কেবল একটি সন্তানের জন্য পৃথিবীর কোথায় যাননি হাসান! শুধু একটি সন্তানের জন্য স্ত্রী রাবেয়াকে নিয়ে দুনিয়ার সবচেয়ে উন্নত হাসপাতালগুলোতে দৌড়েছেন। শত চেষ্টার পর অবশেষে টেস্টটিউবের মাধ্যমে রাবেয়ার গর্ভে আসে সন্তান। সেই আনন্দে আত্মহারা হাসান।

সন্তানের সুস্থ ডেলিভারির জন্যে স্ত্রীকে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পৃথিবীর সব খ্যাতিমান ডাক্তারদের তত্বাবধানে রাখেন রাবেয়াকে। শুধুমাত্র একটি সন্তানের জন্য কতো চেষ্টা তাদের! কতো রকমের চেষ্টা!

হঠাৎ একদিন রাবেয়ার গর্ভের শিশুর হার্টবিট বেড়ে যায় এবং জরুরি সিজারের প্রয়োজন হয়। রাত ১১টার দিকে আকষ্মিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় রাবেয়ার, প্রায় অজ্ঞান হয়ে যান। ডাক্তাররা সিজারের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন, কারণ শিশুর হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।

হাসান কাতারে কর্মরত, টেলিফোনে জানতে পারেন অবস্থার গুরুতরতা—সে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন, রাবেয়ার জীবনের নিরাপত্তায় গভীর উদ্বেগ কাজ করে। এমন সময় হাসান শুনছেন, অজ্ঞানপ্রায় গর্ভবতী রাবেয়া চিৎকার করে বলছেন, “প্লিজ, বাঁচাও আমার বাচ্চাটিকে…”।

অবশেষে ১১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটে তাদের। হাসান-রাবেয়া দেখতে পান এক নবজাত কন্যার মুখ। নাম রাখেন— রোজাবেল।

কিন্তু ভাগ্যের লিখন ক'জনই বা পাল্টাতে পারে? পৃথিবীর সকল হাসপাতাল জয় করে জন্ম নেওয়া রোজাবেল হার মানল মাইলস্টোন কলেজের কাছে। তখন সে মেহরিন ম্যামের ক্লাস করছিল মনোযোগ দিয়ে। হঠাৎ বিকট শব্দে থমকে গেলো পৃথিবী। বিমান এসে আছড়ে পড়লো স্কুলের উপর।

না, রোজাবেল নেই। হাসান-রাবেয়ার একমাত্র সন্তান পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন হাসান—কোলের ভিতর রোজাবেলের পোড়া দেহ।

'জন্মজয়' অবলম্বনে...

বিদ্র: এই গল্পে আংশিক সত্য আছে।

#রেদ্ওয়ান_আহমদ

ভয়াবহ একুশে জুলাই ২০২৫সময়--১:১২ মিনিটআমার ছেলে মাসনুন রহমান সিনানউত্তরা মাইলস্টোন কলেজের দিয়াবাড়ি শাখার চতুর্থ শ্রেণী...
22/07/2025

ভয়াবহ একুশে জুলাই ২০২৫
সময়--১:১২ মিনিট

আমার ছেলে মাসনুন রহমান সিনান
উত্তরা মাইলস্টোন কলেজের দিয়াবাড়ি শাখার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র।
প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী ছুটি হয় দুপুর ১ টায়।।
আজকে আমার পরীক্ষার ডিউটি ছিল চার নং ভবনের 804 নম্বর রুমে। বেলা একটায় পরীক্ষা ডিউটি শেষ করে ছেলের ভবনের সামনে যাব হঠাৎ মনে হল রেস্ট নেই ও নিজেই চলে আসবে আমার টিচার্স রুমেপ্রতিদিনের মতো।
আমি টিচার্স রুমে রেস্ট নিচ্ছি তখন দুপুর ১ টা ১১ মিনিটে আমার ছেলের ফর্ম মাস্টার বাবুল স্যার আমাকে ফোন দিয়ে বললেন -ম্যাডাম আজকের সিনানের ছুটি হবে ১ টা 40 মিনিটে ।আমি বললাম ক্লাস শেষ হলে৭ নং ভবনের দোতালায় পাঠিয়ে দিবেন টিচার্স রুমে। আমি ওকে স্যার বলেই ফোনটা কেটে দিলাম। সাথে সাথে বোম ব্রাস্ট হওয়ার মত একটা সাউন্ড হইল --আমি মাঠের পাশে টিচার্স রুম থেকে দেখতে পেলাম আমার ছেলের ভবনের সামনে আগুন।
আমার টিচার্স রুমে আমার সামনে আমার একজন সিনিয়র সহকর্মী জনাব এজাজ মাসুদ স্যার বসা ছিলেন। আমি এক চিৎকারে বললাম স্যার আমার ছেলের ভবনে তো আগুন লাগছে।
উনার ছেলে ওই ভবনেই পড়ে কোন কারণে সে আজকে আসে নাই।
আমি চিৎকার করে দৌড়াচ্ছি স্যার আমাকে বলছেন দোয়া করেন আল্লাহকে ডাকেন। ৪০ সেকেন্ডের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই।
দৌড়াতে দৌড়াতে আমার হাজব্যান্ড কে ফোন দিয়ে বলেছি আমার ছেলের ভবনে আগুন লাগছে।
যেখানে আগুন লাগছে সেখানে গিয়ে দেখি তিনটা গলিত লাশ। শুধু আইডি কার্ড টা পড়ে আছে।
একটা বাচ্চার গায়ে কাপড় নাই পুরো শরীর ঝলসে গেছে।
সামনে গিয়ে দেখি যে ভবনে আমার ছেলে ক্লাস করে যেই রুমে আমার ছেলে ক্লাস করে সেই রুমের চারদিকে ধোঁয়া।
ছেলের ক্লাসরুমে আগুন আমি বাইরে থেকে কি বুঝবো তাই ক্লাসে ঢুকতে চাইলাম। সেনাবাহিনীর দুইজন আর আমার কলেজের বিএনসিসি ছাত্ররা আমাকে ঢুকতে দিলো না ---
আমি বারবার ঢুকতে চাইলাম জোর করে ঢুকতে চাইলাম আমাকে বাধা দিল দুজন আমাকে জোর করে এক পাশে নিয়ে গেল। আমি ডানপাশে ঘুরেই দেখি আমার ছেলের ফোন মাস্টার বাবুল স্যার।
জিজ্ঞেস করলাম স্যার আপনি এখানে আমার ছেলে কই???
শুধু হাতটা ধরে বলল ওরা উপরে দুই তালায়।
বিশ্বাস করলাম না তারপর আমার একজন ছাত্র এসে বলল ম্যাডাম কিছু হয় নাই এই পাশে আসেন। ক্যান্টিনের পাশে উপরে ৭ থেকে আটজন মেয়ে বাচ্চাকে দেখা যাচ্ছিল। আমি আল্লাহর কাছে কি দোয়া পড়ছিলাম আমার কিছুই মনে নাই।
আমার বিভাগের আমার একজন সহকর্মী মুকুল স্যার এর ভাগ্নিও ঐ ভবনে আটকা পড়ছেন। সে পাশ থেকে ওপার দৌড়াচ্ছেন আর চিৎকার করতেছেন।
আমাকে দুইজন সেনাবাহিনী বসায় দিয়ে ধরে রাখলেন একপাশ থেকে। যেন আমি সামনে না যাই।
তারপর দোতলার সামনে গাছ ছিল আম গাছ কেটে ফেলা হলো।
গ্রিলের তালা ভাঙ্গা হলো একপাশ ভেঙে ফেলা হলো।
আমি শুধু দেখতে পাচ্ছি কিছু ছাত্রী গ্রিলের নিচ দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসছে।
৮ থেকে ১০ জন ছাত্রী এবং একজন ম্যাডাম বের হওয়ার পর হঠাৎ আমার ছেলের চেহারা ভেসে উঠলো।
ওই মুহূর্তটা একজন মায়ের জন্য কি মুহূর্ত সেটা বলে বোঝানো যাবে না লিখেও শেষ করা যাবে না।
মুকুল স্যার যদি পারতো তাকে দোতলা থেকেই টেনে বের করত।আমার ছেলেকে দেখার সাথে সাথে সে দৌড়ে গিয়ে জড়ায় ধরছে বাবা রে তুই তাড়াতাড়ি আয়।
আমার মানিককে আমার সন্তানকে আমি জড়াইয়া ধরলাম।

যারা আমার ছেলের ক্লাসে আটকে ছিল তারা কেউ বেঁচে ফিরে নাই। সবাই পুরে কয়লা হয়ে গেছে।

একজন মা বলতেছিল বাবারে তুই আজকে আমার হাতের শেষ খাওয়াটা খাইয়া গেলি বাবা --আমি তো তোরে শেষ দেখা দেখতে পারলাম না।

মূলত বিমান ক্রাশ হয়ে ক্লাসরুমের ভিতরে ঢুকে গেছে।
বিমান ক্রাশ হওয়ার সাথে সাথেই ১৫ মিনিটের মধ্যেই যা ধ্বংস হওয়ার যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে।
যাতে শরীর পুড়ে গেছে তাদেরকে বাঁচানো খুবই অসম্ভব খুব খারাপভাবে শরীর পুড়ে গেছে।
এত কাছ থেকে কখনো দেখিনি। এত ভয়ঙ্কর!!

আমি রাত আটটা দশ মিনিটে সেই দুর্ঘটনাস্থলে আবার যাই।আমার ফরমের দুইটা মেয়ে অসুস্থ তাদেরকে দেখার জন্য।
সেই ভবনের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম।
রাত ৮ টা ১৫ মিনিটের সময় বিজিবির একজন সদস্য নাম মাসুদ , তিনি ফোনে কাউকে বলছিলেন আরও একটি লাশ পাওয়া গেছে কিন্তু কয়েকটি পুড়ে যাওয়া খন্ড বিখন্ড অংশ।
হে রাব্বুল আলামিন, রাহমানুর রাহিম তুমি উত্তম পরিকল্পনাকারী --শিশুদের এমন মৃত্যু তুমি দিয়েছো বাবা মা তাদের গলে যাওয়া লাশের শেষ চিহ্নটুকু দেখতে পাবেনা।

তাসলিমা আকতার
প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
মাইলস্টোন কলেজ
২১/০৭/২০২৫, সোমবার

লাশ চুরির দেশ!!!কথাটা কেমন না? জ্বি হ্যা, ছোট ভাই বলতেসিলো ৩০০+ স্টুডেন্ট ট্রাজেডির স্বীকার কিন্তু আর্মি থাপ্পর দিয়ে বলল...
22/07/2025

লাশ চুরির দেশ!!!
কথাটা কেমন না? জ্বি হ্যা, ছোট ভাই বলতেসিলো ৩০০+ স্টুডেন্ট ট্রাজেডির স্বীকার কিন্তু আর্মি থাপ্পর দিয়ে বললো তুই জানোস? তুই রিপোর্ট করতেসস কেনো? এটা কোনো কথা?
১৯!?
আপনাদের মনে হয় ১৯ জন নিহত? আমি কিছু বলবো না আর এই বিষয়ে,
হসপিতালগুলোতে ছুটোছুটি করতেসি কি ফাও? কেমনে মানি এইসব ফেক নিউজ? ছোট পোলাপানগুলোর ক্যারিয়ার শেষ। কারো হাত নাই কারো পা নাই এটা মনে হচ্ছে আরেক জুলাই,
আমি ছবি তুলতে কখনোই পছন্দ করি না এসবের কেমন জানি লাগে তাই দৃশ্যগুলো দিতে পারলাম না এদের কি আর্তনাদ, একটা মেয়ে বলতেসে ভাইয়া টেনশন করিও না এগুলো ব্যাপার না তার মা বাবাও আসে নাই এখনো, টাইমলাইনে কিছু কথা গুছিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম কিন্তু মিথ্যাছড়ানো রাগে আর ক্ষোভে কি বলবো বুঝতেসি না, শুধু এটাই মনে হচ্ছে এ দেশে আমি এবং আমার পরিবার নিরাপদ না, সকলকে বলতে চাই জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। জীবন ছোট আল্লাহকে স্মরণ করুন। মৃত্যুর জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকুন।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ❤️

Collected (brother)

আজ থেকে হোমাওয়ার্ক করার  জন্য আর কেউ বকবে না তোদের 😭💔
22/07/2025

আজ থেকে হোমাওয়ার্ক করার জন্য আর কেউ বকবে না তোদের 😭💔

Address

Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afsana's own world posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Afsana's own world:

Share