Muslim Institute of Theology-BIISI

  • Home
  • Muslim Institute of Theology-BIISI

Muslim Institute of Theology-BIISI Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muslim Institute of Theology-BIISI, .

৭ম আসমানের নাম জেনে রাখুন।
29/04/2026

৭ম আসমানের নাম জেনে রাখুন।

যে দোয়া পড়লে আপনি যা যাবেন তাই পাবেন.....!!!
27/04/2026

যে দোয়া পড়লে আপনি যা যাবেন তাই পাবেন.....!!!

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক ২৪ ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ ...
22/04/2026

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক ২৪ ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বের হতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়।
দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকামাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।

কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়।

ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে।

নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়।
মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়।

১৭ দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে।

৬০ দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না।

৯০ দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়।

এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়।

আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।

অতএব আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা বলুন -
মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লোভলালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধনদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী জীবন যাপন যায় কোথায়?

সব কিছুই তো মাটিতে মিশে যায়।
মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে ?
মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।
৫ ফুট, ৬ ফুট, ৭ ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, নিশানা,চিহ্ন মুছে যায়।
এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।

অতএব মানুষের আসল জীবন, যাতে আমৃত্যু পর্যন্ত সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক সঠিক পথে চলা উত্তম কাজ কর্ম করা সবার ঈমানী দায়িত্ব।
প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তা ভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করা উচিত। আল্লাহ সুবহান আল্লাহু তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

🌸🌸বিষয় টি প্রচার করা সবার ঈমানী দায়িত্ব।
Copy post

20/04/2026

Tola al badru alaina..

20/04/2026

১ টুকরা ভালোবাসা

19/04/2026

পাঁচ শ্রেণির মানুষের কবরে সওয়াল-জবাব হবে না।

15/04/2026

# # Islamic short video... # #

মোহাম্মদ (স.) গরীব ছিলেন নাকিছু হাদিস দেখে অনেকেই ভাবে উনি গরিব ছিলো- তাই নিজেরাও গরিব থাকাকে গর্বের নজরে দেখেকিন্তু উনি...
14/04/2026

মোহাম্মদ (স.) গরীব ছিলেন না
কিছু হাদিস দেখে অনেকেই ভাবে উনি গরিব ছিলো
- তাই নিজেরাও গরিব থাকাকে গর্বের নজরে দেখে

কিন্তু উনি গরিব ছিল না, স্বচ্ছল ছিল
Successful Businessman ছিলেন
কিন্তু উনি দান করে দিতে পছন্দ করতেন

এমন incident আছে যেখানে পুরো উপত্যকা ভর্তি ভেড়া একজনকে দিয়ে দিয়েছে।
এই level এর দানশীল ছিল উনি

এখন problem হইল
- আমার কাছে চলার মতো টাকা নাই
- অসুস্থ হলে হাত পাততে হবে
- এই অবস্থায় গরিব থাকাকে glorify করার কিছু নাই

Islam বলছে উপরের হাত নিচের হাত থেকে better
- মানে দেওয়া, চাওয়ার থেকে better
- দান করা সম্মানের

কিন্তু আপনি Earn না করলে দান করবেন কেমনে?

এই mindset এর কারণে আমরা মুসলিমরা Grow করতে পারছি না
- আমাদের funding নাই
- Strong leader নাই
- Initiative নিতে গেলেও অন্যদের কাছে depend করতে হয়
- তখন বিদেশিরা অনুদান দেয় ঠিকই, কিন্তু সাথে LG HD TV 🌈 এর Syllabus ও নিয়ে আসে

Islamic history দেখলে বুঝবেন
- অনেক সাহাবী তখনকার দিনের Millionaire Billionaire Level এর ছিল
- তারা এক এক দিনে এমন Amount দান করছে (যা এখন Majority মুসলিম Leader এর সারাজীবনের Net Worth এর থেকেও বেশি)
- তাদের Islam প্রচারে impact অনেক
- তাদের মধ্যেই অনেকে দুনিয়ায় থাকা অবস্থায়ই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছে

Main factor এখানে টাকা না, টাকা খারাপ কিছু না।
টাকা ইনকাম করার পর - আপনি সেটা কিভাবে utilize করতেছেন সেটার ওপর নির্ভর করে আপনি আপনাকে দেওয়া Ability এর ঠিক ভাবে Utilization করতেছেন নাকি।

টাকা থাকলে কি লেভেল Impact রাখা যায় সেটা দেখতে পারবেন উদ্ভাসের Shohag ভাই আর Assunnah এর Ahmadullah হুজুর উনাদের উদ্যোগ গুলো দেখলে।

Allah আপনাকে যে ability দিয়েছেন, সেটা একটা আমানত, যা অন্য অনেক জনকে উনি দেয় নাই, এখন আপনি সেটা Highest Potential এ Utilize না করলে আল্লাহ আপনাকে জিজ্ঞেস করবে না যে আমার দেওয়া নিয়ামত গুলো কিভাবে কাজে লাগাইছো?

কারও যদি ২ লাখ income করার Capability থাকে
আর সে যদি ইচ্ছা করেই চেষ্টা না করে
গরিব থাকাকে justify করে
তাহলে সে নিজের তো ক্ষতি করতেছেনই, সাথে আরও কত কত মানুষের লাইফে Impact ফেলতে পারত, সেটাও করতেছে না।

Simple থাকা আর গরিব থাকা এক জিনিস না
Simplicity হইল একটা choice (যখন আপনার কাছে টাকা আছে, কিন্তু সেটা আপনার মধ্যে কোন প্রভাব বিস্তার করে না। )
গরীব থাকা হইল একটা limitation (যখন আপনার কাছে টাকা নাই, কিছু দরকার হলেই আরেকজনের ওপর Depend করা লাগে।)

এই Differenceটা না বুঝলে, সে নিজেকেই নিজেকে ভুলভাল বুঝাইয়া বোকা বানাচ্ছে।

(সংগৃহীত)
Follow Muslim Institute of Theology-BIISI

13/04/2026

সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন আরশের নিচে ছায়া দিবে।মিজানুর রহমান আজহারি ওয়াজ। Mizanur Rahman azhari....

01/04/2026

শিয়ারা কেন হোসাইন রাদিয়াল্লাহ এর মৃত্যুতে এত বিলাপ করে কিন্তু হাসান রাদিয়াল্লাহু অথবা আলী রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুতে এত বিলাপ করে না কেন?

হোসাইন (রা.) এবং পারস্য সাম্রাজ্য: শিয়াদের রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ

১. শিয়াদের অপরাধবোধ ও হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুতে বিলাপ
হোসাইন (রা.) এর মৃত্যু এবং কেরবালার ঘটনা, শিয়াদের মধ্যে শুধু একটি ধর্মীয় শোকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি, বরং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক এক গভীর সংকটের জন্ম দেয়। যুদ্ধের সময়ে কেরবালায় কিছু শিয়া সৈন্যও উপস্থিত ছিল, যারা পরবর্তীতে নিজেদের অপরাধবোধের কারণে হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। ঐতিহাসিকভাবে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করা যায় যে, কেরবালার যুদ্ধে শিয়াদের মধ্যেই কিছু বিভ্রান্তি ছিল। কেউ কেউ রাজনৈতিক কারণে হোসাইন (রা.) এর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, এবং যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু যখন কেরবালায় তাঁকে হত্যা করা হয়, তখন তারা উপলব্ধি করেন যে, তাদের দ্বারা এক ভয়ানক ভুল হয়েছে। এটি তাদের জন্য শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় বিপর্যয় ছিল না, বরং এক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক হারানোর অনুভূতি তৈরি করেছিল। তাদের কাছে হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুর মাধ্যমে শুধু একটি নেতৃত্বের মৃত্যু নয়, বরং একটি সম্ভাবনারও মৃত্যু হয়েছিল—একটি নতুন রাজনৈতিক ক্ষমতার বা সাম্রাজ্যের জন্মের স্বপ্নের বিলুপ্তি।
রেফারেন্স:
জাহির আল-আল-লাহ (Al-Lah), The Tragedy of Karbala, প্রকাশিত ২০০৫।
ইবন আবি শায়বা, The History of the Islamic Revolution, ২য় খণ্ড।
২. পারস্য সাম্রাজ্যের সম্ভাবনা: শিয়াদের কল্পনা
হোসাইন (রা.) এর পারস্য সম্রাজ্যের রাজার মেয়ের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি ছিল শিয়াদের মধ্যে একটি অন্যতম রাজনৈতিক স্বপ্ন। সেই সময়ে পারস্য (বর্তমান ইরান) ছিল মুসলিম সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এবং পারস্যের ঐতিহ্য ও শক্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য শিয়ারা হোসাইন (রা.) এর নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে ছিল। হোসাইন (রা.) এর বিয়ের মাধ্যমে তারা একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের সম্ভাবনা দেখেছিল, যা পারস্যের পুনর্গঠন এবং মুসলিম বিশ্বের শক্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠান ঘটাতে সক্ষম হতে পারে।
পারস্যের শাসক পরিবারের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, শিয়াদের মধ্যে কেবল ধর্মীয় একতাও সৃষ্টি করছিল না, বরং একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক আশার জন্ম দিচ্ছিল। কেরবালার যুদ্ধে হোসাইন (রা.) এর শহীদ হওয়ার পর, শিয়াদের এই রাজনৈতিক স্বপ্ন ভেঙে যায় এবং তারা বুঝতে পারে যে, তাদের কল্পিত পারস্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। এটি শুধু তাদের জন্য একটি শোকের মুহূর্ত ছিল না, বরং একটি বড় রাজনৈতিক পরাজয়ও ছিল।
রেফারেন্স:
হামিদ রیزভি, The Rise and Fall of the Sassanian Empire, ১৯৮৭।
হুসেইন ইবনে আলী (রা.) এবং পারস্য সম্পর্ক নিয়ে Shia Political Thought - মাহমুদ আমিনী, ২০০৮।
৩. শোক এবং বিলাপের পার্থক্য: রাজনৈতিক প্রতিফলন
যেহেতু হোসাইন (রা.) ছিলেন ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং তাঁর মৃত্যু ছিল রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় পর্যায়ে এক বড় ধরনের সংকট, তাই শিয়াদের মধ্যে বিলাপের কারণ ছিল অনেক বেশি গভীর। আলী (রা.) এবং হাসান (রা.) এর মৃত্যুর পর, তাদের জন্য একই ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল না, যা হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুতে তৈরি হয়েছিল। আলী (রা.) এর সময় ইসলামের মধ্যে প্রথম বড় রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে হাসান (রা.) এর মাধ্যমে কিছুটা শান্ত হলেও, হোসাইন (রা.) এর মৃত্যু পুরো শিয়া সম্প্রদায়ের জন্য এক বড় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সৃষ্টি করেছিল।
হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুর পর শিয়ারা শুধু ধর্মীয় শোকই প্রকাশ করেনি, বরং তাদের রাজনৈতিক আশা ও স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার কারণে তাদের শোকের মাত্রা আরও গভীর হয়েছিল। হোসাইন (রা.) এর সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সম্ভাবনা, তথা পারস্য সাম্রাজ্যের পুনর্গঠন বা শক্তিশালী করা, যুক্ত ছিল। তাঁর শহীদ হওয়ায় সেই সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়, যা শিয়াদের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এক বড় হতাশা ছিল।
রেফারেন্স:
শিহাব আল-দীন, Karbala and its Political Implications in Shia Islam, ১৯৯৪।
আয়াতুল্লাহ মুকতাদা আল-সাদর, The Political Legacy of Ali ibn Abi Talib, ২০১১।
৪. যুদ্ধে শহীদ হওয়া: স্বাভাবিকতা এবং সাংস্কৃতিক পার্থক্য
এটি সত্য যে, হোসাইন (রা.) এর মৃত্যু একটি যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ হওয়ার ঘটনা ছিল, তবে কেরবালার যুদ্ধে তার মৃত্যু অনেকটাই অসম ছিল। কেরবালা ছিল এক বিশেষ পরিস্থিতি, যেখানে একটি ছোট্ট দল বড় শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছিল, এবং হোসাইন (রা.) একদমই আত্মরক্ষার সুযোগ পাননি। যদিও যুদ্ধে শহীদ হওয়া মুসলিম ইতিহাসের একটি সাধারণ ঘটনা, কিন্তু কেরবালায় হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুতে যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং সাংস্কৃতিক প্রতিকূলতা ছিল, তা অন্য যুদ্ধে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের মৃত্যুর তুলনায় আলাদা। এই মৃত্যু শিয়াদের কাছে একটি গা dark ় আধ্যাত্মিক সংকট হিসেবে দেখা গিয়েছিল, এবং তাদের জন্য এটি ছিল একটি সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিপর্যয়।
রেফারেন্স:
ফাহিম আল-ইসলাম, The Battle of Karbala: An Analysis, ১৯৯৯।
সংক্ষেপে:
আপনার প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে, হোসাইন (রা.) এর মৃত্যু এবং কেরবালার ঘটনাকে শিয়ারা শুধু ধর্মীয় শোকের সঙ্গে নয়, বরং রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক প্রতিকূলতা হিসেবে দেখে। শিয়ারা মনে করেছিল যে, হোসাইন (রা.) পারস্য সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে তাদের রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য নেতৃত্ব দিবেন। কিন্তু তাঁর শহীদ হওয়ার পর, সেই সম্ভাবনা ভেঙে যায় এবং এটি তাদের জন্য একটি গভীর হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

হাসান রাদিয়াল্লাহু অথবা আলী রাদিয়াল্লাহু মৃত্যুতে এত বিলাপ করে না কেন?
হাসান (রা.) এবং আলী (রা.) এর মৃত্যুর তুলনায় হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশের পেছনে কিছু মূল পার্থক্য রয়েছে। আলী (রা.) এবং হাসান (রা.) এর মৃত্যু রাজনৈতিক কারণে হলেও, তাদের মৃত্যুর সময় শিয়াদের কাছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। আলী (রা.) এর মৃত্যু খলিফা হিসেবে তার শাসন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের পর হয়েছিল, যেখানে তিনি শিরক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন। যদিও তাঁর মৃত্যু ছিল শোকের, কিন্তু তা শিয়াদের জন্য মোটেও অপ্রত্যাশিত ছিল না। হাসান (রা.) এর মৃত্যু ঘটেছিল বিষক্রিয়ার মাধ্যমে, যা কিছুটা আড়ালে ছিল এবং যুদ্ধের মতো দৃশ্যমান নয়। হাসান (রা.) এর শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, ইয়াজিদের সঙ্গে সন্ধি করার পরও, তাঁর মৃত্যু শিয়াদের জন্য একটি শোক হলেও তা আধ্যাত্মিক বিপর্যয়ের মতো ছিল না।
তবে, হোসাইন (রা.) এর মৃত্যু ছিল এক নাটকীয় রাজনৈতিক সংকটের পরিণতি, যা শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং শিয়াদের সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক ইতিহাসের জন্যও ছিল এক গভীর বিপর্যয়। কেরবালায় অসম যুদ্ধে শহীদ হওয়ার পর শিয়ারা শুধু এক মহান নেতা হারায়নি, বরং পারস্য সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নও ভেঙে যায়, যা তাদের দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল। হোসাইন (রা.) এর শহীদ হওয়া একটি আধ্যাত্মিক বিপর্যয় হিসেবে শিয়াদের মনে গভীর শোক সৃষ্টি করেছিল। তাই, হাসান (রা.) এবং আলী (রা.) এর মৃত্যুর তুলনায় হোসাইন (রা.) এর মৃত্যুর পর শোকের প্রকাশ অনেক বেশি ছিল।
রেফারেন্স:
হামিদ রিজভি, The Rise and Fall of the Sassanian Empire, ১৯৮৭।
শিহাব আল-দীন, Karbala and its Political Implications in Shia Islam, ১৯৯৪।
ফাহিম আল-ইসলাম, The Battle of Karbala: An Analysis, ১৯৯৯।
আয়াতুল্লাহ মুকতাদা আল-সাদর, The Political Legacy of Ali ibn Abi Talib, ২০১১।

Forhad Islam
University of Rajshahi - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

02/03/2026

তারাবির নামাজ না পড়লে কি গুনাহ হবে? রোজা হবে কি? তারাবির নামাজের ফজিলত....!

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Institute of Theology-BIISI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Interior Service?

Share