Gramer Mati - গ্রামের মাটি

Gramer Mati - গ্রামের মাটি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gramer Mati - গ্রামের মাটি, Home & Garden Store, Rangpur.

আসসালামুয়ালাইকুম। 'গ্রামের মাটি' পেজে আপনাকে স্বাগতম! আমি খাইরুল ইসলাম। মাটির সাথে যুক্ত আপনার যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । সার কীটনাশক পিজিআর অনুখাদ্য ।

22/05/2026

🌿 ফসলের জাদুকরী বন্ধু: হিউমিক এসিড 🌾

আপনার বাগানের গাছ বা মাঠের ফসল কি আশানুরূপ বাড়ছে না? মাটি কি শক্ত হয়ে যাচ্ছে? তবে আপনার ফসলের জন্য সেরা সমাধান হতে পারে হিউমিক এসিড। এটি কোনো সাধারণ সার নয়, বরং মাটির প্রাণশক্তি ফিরিয়ে আনার এক অনন্য কন্ডিশনার।

✨ কেন ব্যবহার করবেন হিউমিক এসিড?

মাটির গঠন উন্নত করে: শক্ত মাটি নরম ও ঝুরঝুরে করে, ফলে শিকড় অনেক গভীর পর্যন্ত যেতে পারে।

পুষ্টি গ্রহণ বাড়ায়: মাটিতে থাকা সার (যেমন: ইউরিয়া, ডিএপি) গাছ যাতে দ্রুত গ্রহণ করতে পারে, তাতে সাহায্য করে।

শিকড়ের বিস্তার: এটি গাছের শিকড় দ্রুত গজাতে এবং শিকড়ের সংখ্যা বাড়াতে জাদুর মতো কাজ করে।

খরা সহনশীলতা: মাটির পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে অল্প সেচেও গাছ সতেজ থাকে।

গাছের রোগ প্রতিরোধ: গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ফসলকে রাখে সুস্থ ও সবুজ।

🚜 ব্যবহার বিধি ও মাত্রা:
হিউমিক এসিড সাধারণত দানা বা তরল আকারে পাওয়া যায়।

১. মাটি তৈরিতে: বিঘাপ্রতি ১-২ কেজি দানাদার হিউমিক এসিড অন্যান্য সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যায়।

২. স্প্রে হিসেবে: প্রতি লিটার পানিতে ১-২ গ্রাম (বা মিলি) মিশিয়ে গাছের পাতায় স্প্রে করা যায়।

💡 মনে রাখবেন: এটি জৈব উৎস থেকে তৈরি, তাই পরিবেশ ও মাটির জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। ফলন বাড়াতে এবং মাটির স্বাস্থ্য বাঁচাতে আজই আপনার সারের তালিকায় হিউমিক এসিড যোগ করুন।

Gramer Mati - গ্রামের মাটি

আলিকা ২৪.৭ জেড-সি কীটনাশক  এটা মরিচের পাতা কোঁকড়ানো ফল ছিদ্রকারী এবং সবুজ লেদা পোকা দমনের সেরা কীটনাশক।প্রয়োগ বিধি প্র...
15/05/2026

আলিকা ২৪.৭ জেড-সি কীটনাশক এটা মরিচের পাতা কোঁকড়ানো ফল ছিদ্রকারী এবং সবুজ লেদা পোকা দমনের সেরা কীটনাশক।
প্রয়োগ বিধি
প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি করে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে ৭/১০ দিন পর পর।

পোস্ট: একৃষি-Akrishi

07/05/2026

আমেরিকান এনপিকেএস ২৫০ গ্রাম

এনপিকেএস (NPKS) হলো এক ধরনের মিশ্র সার যাতে গাছের অত্যাবশ্যকীয় চারটি প্রধান পুষ্টি উপাদান—নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশ (K) এবং সালফার (S)—একটি সুষম অনুপাতে থাকে, যা উদ্ভিদের সার্বিক বৃদ্ধি ও উন্নত ফলনের জন্য প্রয়োজনীয়; এটি দ্রুত দ্রবণীয় ও স্প্রেযোগ্য হওয়ায় গাছের পাতায় সহজে শোষিত হয় এবং ধান, সবজি, ফলসহ বিভিন্ন ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।

NPKS সারের মূল বৈশিষ্ট্য:
উপাদান: নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশ (K) এবং সালফার (S)।
প্রকার: এটি একটি জটিল বা মিশ্র সার, যা একাধিক পুষ্টি উপাদানের উৎস।
ব্যবহার: সাধারণত স্প্রে করে ব্যবহার করা হয়, যা দ্রুত গাছের পাতায় শোষিত হয়।

সুবিধা:
সুষম বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।
ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
মাটির গুণাগুণ নষ্ট না করে ফলন বৃদ্ধি করে।
পুষ্টি উপাদানগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে সরবরাহ করে।

উদাহরণ:
একটি সাধারণ NPKS সারের অনুপাত হতে পারে 8-20-14-5 (N-P-K-S), যা যথাক্রমে ৮% নাইট্রোজেন, ২০% ফসফরাস, ১৪% পটাশ এবং ৫% সালফার নির্দেশ করে।

সংক্ষেপে, NPKS হলো গাছের পুষ্টির জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর সমাধান যা একাধিক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান একসঙ্গে সরবরাহ করে।

 #এসিডামিপ্রিড_গ্রুপের_কীটনাশক_পরিচিতিঃ_এসিডামিপ্রিড ১৯৯০ সাল থেকে পৃথিবীব্যাপী ফসলের শোষক পোকা দমনে বেস কার্যকর ভাবে ব্...
02/05/2026

#এসিডামিপ্রিড_গ্রুপের_কীটনাশক_পরিচিতিঃ_

এসিডামিপ্রিড ১৯৯০ সাল থেকে পৃথিবীব্যাপী ফসলের শোষক পোকা দমনে বেস কার্যকর ভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

#এসিডামিপ্রিড_যেভাবে_কাজ_করেঃ_

এসিডামিপ্রিড (অন্তর্বাহী) গাছের যে অংশেই প্রয়োগ করা হোক না কেন সমস্ত গাছে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি স্পর্শক ( সংস্পর্শের মাধ্যমে পোকার শরীরে প্রবেশ করে), পাকস্হলী (বিষ আক্রান্ত গাছের অংশ খেলে পোকা মারা যায়), ট্রান্সলেমিনার (পাতার উপরে স্প্রে করলে নিচে চলে যায়)।

পোকা এসিডামিপ্রিড দ্বারা আক্রান্ত হলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে সিগনাল শরীরের অন্যান্য অঙ্গে পৌঁছাতে ব্যার্থ হয়, ফলে পোকার শরীর অবশ হয়ে যায়, খাবার গ্রহণ না করার ফলে পোকা মারা যায়।

#যে_সমস্ত_পোকা_দমনে_কার্যকর_
১. জাব পোকা
২.জ্যাসিড
৩.সাদামাছি
৪.ত্রিপস
৫.ফড়িং
৬. আমের হপার পোকা।
৭. বাদামি গাছ ফড়িং
৮.উইপোকা

#ব্যবহারবিধিঃ-
আলু,বেগুন, শিম, মরিচ, টমেটো ,সরিষা, আম, পাট,তুলা ফসলে চোষক পোকার আক্রমণ হলে ০.৫ গ্রাম/ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করবেন।

#এসিডামিপ্রিড_গ্রুপের_কীটনাশক_বাজারে_যে_নামে_পাওয়া_যায়ঃ_

১. তুন্দ্রা- অটো ক্রপ কেয়ার
২. জাফ- ইনতেফা
৩. প্লাটিনাম- এসি আই ক্রপ কেয়ার
৪. সালভো-এমিন্যন্স ক্যামিক্যালস
৫. নাইজ- পেট্রোকেম বাংলাদেশ
৬. মানিক-মিমপেক্স এগ্রো
৭. বিসমার্ক- লারসেন ক্যামিক্যালস

#কৃষিতে ঠিকে থাকতে হলে রোগ ও পোকা সম্পর্কে আপনাকে জানতেই হবে। তাই আপনাদের জন্য আমার ধারাবাহিক আয়োজন রোগ ও পোকার বিভিন্ন গ্রুপের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা।

#ভালো লাগলে লাইক ,কমেন্ট ,শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

✍️মোঃ আক্তার হোসেন
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
কোম্পানীগঞ্জ ,সিলেট।

শিরোনাম: চলমান বৃষ্টিতে আপনার বাগান ও ফসলের সুরক্ষা: কিছু জরুরি টিপস 🌧️🌱​টানা বৃষ্টির এই সময়টা গাছের জন্য যেমন আশীর্বাদ,...
30/04/2026

শিরোনাম: চলমান বৃষ্টিতে আপনার বাগান ও ফসলের সুরক্ষা: কিছু জরুরি টিপস 🌧️🌱

​টানা বৃষ্টির এই সময়টা গাছের জন্য যেমন আশীর্বাদ, সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে তা আবার ক্ষতির কারণও হতে পারে। আপনার ছাদ বাগান বা ফসলের মাঠকে নিরাপদ রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো দ্রুত গ্রহণ করুন:

​১. অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করুন 🚿
​গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা মানেই হলো শিকড় পচে যাওয়ার ঝুঁকি।
​ছাদ বাগানে: টবের ড্রেনেজ হোল বা ছিদ্রগুলো পরিষ্কার আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। ট্রে থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন যেন পানি দ্রুত বের হয়ে যায়।
​মাঠের ফসলে: নালা তৈরি করে দ্রুত পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

​২. ছত্রাকনাশক প্রয়োগ (Fungicide) 🛡️
​বৃষ্টির সময় আর্দ্রতা বেড়ে যায়, ফলে গাছে ছত্রাকের আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি।
​বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর পর কোনো ভালো ছত্রাকনাশক (যেমন: কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের অটোস্টিন বা ম্যানসার) স্প্রে করুন।
​বিকেলের দিকে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে স্প্রে করা সবচেয়ে ভালো।

​৩. সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা 🚫
​টানা বৃষ্টির মধ্যে দানাদার বা তরল সার দেবেন না, কারণ তা পানির সাথে ধুয়ে অপচয় হবে এবং কোনো কাজ করবে না।
​কীটনাশক বা পিজিআর (PGR) ব্যবহারের অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পর যদি বৃষ্টি না হয়, তবেই তা কার্যকরী হয়। তাই আকাশ দেখে বুঝে প্রয়োগ করুন।

​৪. আগাছা দমন 🌾
​বৃষ্টির দিনে আগাছা খুব দ্রুত বাড়ে। এগুলো গাছের পুষ্টি কেড়ে নেয় এবং পোকামাকড় লুকানোর জায়গা তৈরি করে। তাই সময়মতো আগাছা পরিষ্কার করে ফেলুন।

​৫. গাছের ডাল ছাঁটাই ও ঠেস দেওয়া 🪵
​অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বাতাসে গাছ হেলে যেতে পারে। লাঠি দিয়ে গাছকে শক্ত করে বেঁধে দিন।
​বড় কোনো ফলের গাছ থাকলে মরা বা রোগাক্রান্ত ডালপালা ছেঁটে দিন যাতে রোগ দ্রুত না ছড়ায়।

​বিশেষ সতর্কতা: 💡
​বৃষ্টির পর রোদ উঠলে গাছের গোড়ার মাটি হালকা করে খুঁচিয়ে (Loosening soil) দিন, এতে শিকড় অক্সিজেন পাবে এবং দ্রুত শুকাবে।

​আপনার শখের বাগান ও ফসলের সঠিক যত্ন নিন। প্রকৃতির এই দানকে যথাযথ ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগান
Gramer Mati - গ্রামের মাটি

শিরোনাম: চলমান বৃষ্টিতে আপনার বাগান ও ফসলের সুরক্ষা: কিছু জরুরি টিপস 🌧️🌱​টানা বৃষ্টির এই সময়টা গাছের জন্য যেমন আশীর্বাদ,...
30/04/2026

শিরোনাম: চলমান বৃষ্টিতে আপনার বাগান ও ফসলের সুরক্ষা: কিছু জরুরি টিপস 🌧️🌱

​টানা বৃষ্টির এই সময়টা গাছের জন্য যেমন আশীর্বাদ, সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে তা আবার ক্ষতির কারণও হতে পারে। আপনার ছাদ বাগান বা ফসলের মাঠকে নিরাপদ রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো দ্রুত গ্রহণ করুন:

​১. অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করুন 🚿
​গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা মানেই হলো শিকড় পচে যাওয়ার ঝুঁকি।
​ছাদ বাগানে: টবের ড্রেনেজ হোল বা ছিদ্রগুলো পরিষ্কার আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। ট্রে থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন যেন পানি দ্রুত বের হয়ে যায়।
​মাঠের ফসলে: নালা তৈরি করে দ্রুত পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

​২. ছত্রাকনাশক প্রয়োগ (Fungicide) 🛡️
​বৃষ্টির সময় আর্দ্রতা বেড়ে যায়, ফলে গাছে ছত্রাকের আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি।
​বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর পর কোনো ভালো ছত্রাকনাশক (যেমন: কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের অটোস্টিন বা ম্যানসার) স্প্রে করুন।
​বিকেলের দিকে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে স্প্রে করা সবচেয়ে ভালো।

​৩. সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা 🚫
​টানা বৃষ্টির মধ্যে দানাদার বা তরল সার দেবেন না, কারণ তা পানির সাথে ধুয়ে অপচয় হবে এবং কোনো কাজ করবে না।
​কীটনাশক বা পিজিআর (PGR) ব্যবহারের অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পর যদি বৃষ্টি না হয়, তবেই তা কার্যকরী হয়। তাই আকাশ দেখে বুঝে প্রয়োগ করুন।

​৪. আগাছা দমন 🌾
​বৃষ্টির দিনে আগাছা খুব দ্রুত বাড়ে। এগুলো গাছের পুষ্টি কেড়ে নেয় এবং পোকামাকড় লুকানোর জায়গা তৈরি করে। তাই সময়মতো আগাছা পরিষ্কার করে ফেলুন।

​৫. গাছের ডাল ছাঁটাই ও ঠেস দেওয়া 🪵
​অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বাতাসে গাছ হেলে যেতে পারে। লাঠি দিয়ে গাছকে শক্ত করে বেঁধে দিন।
​বড় কোনো ফলের গাছ থাকলে মরা বা রোগাক্রান্ত ডালপালা ছেঁটে দিন যাতে রোগ দ্রুত না ছড়ায়।

​বিশেষ সতর্কতা: 💡
​বৃষ্টির পর রোদ উঠলে গাছের গোড়ার মাটি হালকা করে খুঁচিয়ে (Loosening soil) দিন, এতে শিকড় অক্সিজেন পাবে এবং দ্রুত শুকাবে।

​আপনার শখের বাগান ও ফসলের সঠিক যত্ন নিন। প্রকৃতির এই দানকে যথাযথ ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগান

28/04/2026

আজকের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহরের অবস্থা 💔

তীব্র বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়া সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা!!আজকে রাতের বাকি সময়ে ও আগামীকাল সকাল ১০ টার মধ্যে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌল...
27/04/2026

তীব্র বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়া সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা!!

আজকে রাতের বাকি সময়ে ও আগামীকাল সকাল ১০ টার মধ্যে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও এর আশেপাশের কিছুকিছু জেলায় কয়েকদফা তীব্র বজ্রপাত সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতেপারে। এসময় কিছুকিছু স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিও হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে রংপুর বিভাগের কিছুকিছু জেলা সহ দেশের আরো কিছু জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবৃষ্টি হতেপারে।

ধন্যবাদ
Bangladesh weather observation team Ltd

26/04/2026

ধেয়ে আসছে দেশের দিকে শক্তিশালী প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয় "ঝুমুল"!!

নোট:

এটি একটি শক্তিশালী প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়, মানে এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের সকল এলাকায় কমবেশি বজ্রবৃষ্টি হতেপারে এবং নির্দিষ্ট কিছু স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষনও হতেপারে। এবং এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের প্রায় ৭০-৯০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।

এটি চলতি বছরের ৫ম বৃষ্টি বলয়।

সর্বাধিক সক্রিয়: সিলেট বিভাগ

বেশ সক্রিয়: ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর অংশের বেশ কিছু এলাকা।

মাঝারি সক্রিয়: বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক এলাকা।

কম সক্রিয়: রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকা।

নামঃ বৃষ্টি বলয় ঝুমুল

টাইপ: শক্তিশালী প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়।

কাভারেজ: দেশের প্রায় ৭০-৯০ শতাংশ এলাকা।

ধরন: প্রাক মৌসূমী বৃষ্টি বলয়

সময়কাল: ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উল্লেখিত স্থানগুলোতে। তবে ২৫ এপ্রিলও দেশের উত্তরাঞ্চল সহ অন্যত্র কিছুকিছু স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা বজ্রবৃষ্টি হতেপারে কালবৈশাখী সহ।

সর্বোচ্চ সক্রিয়: ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে এবং ৪ ও ৬ মে ২০২৬

শিলাবৃষ্টি: আছে, বিক্ষিপ্তভাবে

কালবৈশাখী: আছে বেশিরভাগ এলাকায়

বজ্রপাত: মাঝারি থেকে তীব্র

বাজার থেকে পাকা আম কেনার সময় সাবধান থাকবেন সবাই ❗এখনো গাছ পাকা আম নামি নাই বাজারে যে আম পাকা বলে বিক্রি করছে সবগুলো কেম...
25/04/2026

বাজার থেকে পাকা আম কেনার সময় সাবধান থাকবেন সবাই ❗
এখনো গাছ পাকা আম নামি নাই বাজারে যে আম পাকা বলে বিক্রি করছে সবগুলো কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো

এপসম_সল্ট বা ইপসম সল্ট (ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়ে...
21/04/2026

এপসম_সল্ট বা ইপসম সল্ট
(ম্যাগনেসিয়াম সালফেট)

এপসম সল্ট হচ্ছে একটি রাসায়নিক যৌগ যেখানে ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও অক্সিজেন রয়েছে। ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট গাছের জন্য বেশ উপকারী একটি জিনিস। এর ব্যবহার জানা থাকলে গাছের অনেক সমস্যার সহজেই সমাধান করা যায়।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যার মাধ্যমে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হয়েছে। আসুন জেনে নিই লক্ষণ গুলো:
* পুরোনো গাছ ঝিমিয়ে পড়লে
* টবে বসানো নতুন চারা ঝিমিয়ে পড়লে
* গাছের পাতার রং ফ্যাকাশে বা হলুদ হয়ে গেলে
* গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে
* গাছের বৃদ্ধি কমে গেলে
* গাছ দুর্বল হয়ে গেলে
* গাছের ফুল, ফল কম হলে বা ছোট হলে
এইসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাব হয়েছে।

ব্যবহার: ৩ ভাবে এপসম সল্ট গাছে ব্যবহার করা যায়।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহার
২. পানিতে মিশিয়ে টবের মাটিতে ব্যবহার
৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহার।

১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহারের নিয়ম

এক লিটার পানিতে ১ চা চামচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে পাতায় ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
* মাসে ১ বার। গাছের যতই সমস্যা থাকুক না কেন ১ বারের বেশি স্প্রে করা যাবে না।
* ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় এই স্প্রে করতে হবে।
কখনোই রোদ্রের মাঝে স্প্রে করা যাবে না।

এপসম সল্ট স্প্রে করার ৩ দিন আগে ও ৩ দিন পরে অন্য কোনো সার বা কীটনাশক বা অন্য কোনো কিছু গাছে স্প্রে করা যাবে না।

২. টবের মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম

এক লিটার পানিতে ২ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিতে হবে।

* অথবা সরাসরি টবের মাটিতেও দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে টবের ওপরের মাটি আগে নিড়ানি (টবের ওপরের মাটি খুঁচিয়ে নেয়া) দিয়ে নিতে হবে। তারপর ১০ ইঞ্চি / ১২ ইঞ্চি টবের জন্য ১ চামচ এবং এর ছোট টবে হাফ চা চামুচ এপসম সল্ট দিতে হবে। এরপর মাটির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে।
* মাসে ১ বার ব্যবহার করতে হবে।

৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহারের নিয়ম

রিপটিং শক অর্থাৎ টবে নতুন কোনো চারা বসালে বা পুরোনো কোনো গাছ বড় টবে রিপটিং করার সময় অনেক সময় গাছ ঝিমিয়ে পরে। এটা রিপটিং শকের কারণে হয়ে থাকে।

ব্যবহারের নিয়ম : প্রতি টবের মাটির সাথে ১/২ চামচ এপসম সল্ট ব্যবহার করতে হবে।

* সব ধরনের গাছে যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্ট,আউটডোর প্ল্যান্ট, ফুল গাছ , ফল গাছ , সবজি গাছে দেয়া যাবে।

সতর্কতা:

যে সবজি গুলো সরাসরি বা রান্না করে খাওয়া হয় যেমন বিভিন্ন ধরণের শাক, শশা, ধনিয়া পাতা ইত্যাদি তে এপসম সল্ট স্প্রে না করে মাটিতে দেয়া ভালো।

উপকারিতা :

* গাছের সালোক সংশ্লেষণে ইপসম সল্ট বেশ ভালো কাজ করে।

* এটির প্রয়োগে ফলের মিষ্টতা বাড়ে। সেইসঙ্গে ফল, ফুল ঝরে পড়াও কমায়।

* অনেক সময় টবের মাটি থেকে গাছ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস নিতে পারে না। ইপসম সল্ট এ ক্ষেত্রে ভালো মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

* টবে আগাছা হতে দেয় না।

* কিছু পোকার আক্রমণের হাত থেকে গাছকে রক্ষা করে, এটি গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

*গাছের পাতার রং সুন্দর এবং উজ্জ্বল (চকচকে) হয়।

*গাছকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

* ফুলের রং গাড়ো এবং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

* ফুল ও ফলের আকার বড় হতে সাহায্য করে।

* শিম জাতীয় গাছের পচন রোধ করে ইপসম সল্ট।

Address

Rangpur
5441

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gramer Mati - গ্রামের মাটি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share