17/06/2025
চলুন একটু স্মৃতিচারণ করি।
বেকারির মতো কেক যে বাসায়ও বানানো যায়,সেটা কলেজে থাকাকালীন জানতে পারি।একদিন বিকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি টেবিলে একপিস কেক রাখা।খেয়ে তো আমি মুগ্ধ।মামণির কাছে জিজ্ঞাসা করে জানা গেলো এটা
পৌষির আম্মু আন্টি বানিয়েছেন।আন্টির কাছে গিয়ে শুনি তিনি ওভেন ছাড়াই শুধুমাত্র চায়ের কাপে মেপে প্রেশারকুকার এ এরকম কেক বানিয়ে ফেলেছেন!আন্টির থেকে রেসিপি নিয়ে আমিও হ্যান্ড বিটার কিনে এনে শুরু করলাম ব্যাটার মিক্সিং।
একদম প্রথমেই চারটা ডিমের কেকের ব্যাটার মিক্স করে,সম্ভবত পাঁচ কিংবা ছয় ইঞ্চি সাইজের ছোট একটা টিফিন বাটিতে ঢেলে বসিয়ে দিলাম প্রেশারকুকার এ।।ত্রিশ মিনিট পর পোড়া গন্ধ পেয়ে দৌড়ে গিয়ে ঢাকনা খুলে দেখি ব্যাটার উপচে পড়ে কেক পুড়ে গিয়েছে!আমার সাধের কেক!!!
বাটিতে যতটা ছিলো সেটা তখনো ভেতরে কাঁচা।মামণি বললেন,যাও আন্টির কাছে গিয়ে বলো এরকম সমস্যা হয়েছে,করণীয় কি শুনে এসো।আন্টি শুনে অবাক হয়ে বললেন শুরু একটা বা দুইটা ডিম দিয়ে করতে হয়।সাথে থেকে আবার ব্যাটার করে কুকার ক্লিন করে কেক বানিয়ে ছেড়েছিলাম।অবশ্য আন্টির মতো হয়েছিলো না,তবে আস্তে আস্তে উন্নতি করেছি অনেকটাই।
বেকিং এর হাতেখড়ি টা আন্টিই দিয়েছিলেন।সেদিনের করা ভুলই ছিলো আমার প্রথম শিক্ষা।আজও যখন কেক বানাই,সেই পুড়ে যাওয়া কেকের কথা মনে পড়ে যায়।যে মানুষটা শুরুতে পাশে ছিলেন-আমার সেই প্রিয় আন্টি,যার কাছ থেকে শুরু হয়েছিলো আমার বেকিং এর গল্প।
এখনও শিখছি।প্রতিবার বেকিং এর সাথে সাথে নিজেকেও গড়ছি। Irha's Flavours & Feels -আমার ছোট্ট রান্নাঘরের মিষ্টি অনুভূতির গল্প❤️