Khan's BakeShake

Khan's BakeShake You Can Get Your Own Desired Cake With Reasonable Price In 's_BakeShake (শুধু সিলেট সিটিতে)

You Can Get Your Own Desirable & Delicious Cake With Reasonable Price In Khan’s BakeShake ( সিলেট সিটির ভেতর হোম ডেলিভারি দেয়া হয়)
২৪ ঘন্টা আগে ৫০% টাকা দিয়ে আপনার অর্ডার কনফার্ম করতে হবে।
BKash = 01717190813.( পার্সোনাল )
’s_BakeShake
's_BakeShake

11/10/2025
22/09/2025

IELTS দিতে ভয় লাগে?
হাবিজাবি করে একাডেমিক রেজাল্টের ১২ টা বাজিয়েছেন?
বাজেট যা আছে তাতে ঝাল মুড়ি হবে কিন্তু বিমান ভাড়া হবে না?
Don’t worry.
We have plan B
হাজার হাজার ঘন্টা ফেসবুক চালিয়ে নষ্ট না করে হাঁটা দিন।
আজকে শুরু করলে ৮৫ দিন পর লন্ডনে।
সাঁতার না জানলেও হবে।
২০৬০ ঘন্টা হাঁটা রাস্তা।
শুয়ে-বসে সময় নষ্ট না করে নেমে পড়ুন ✌️©

নুসরাত :আরশ ভাই আমি মাহির সাথে ঘুরতে যাই আরশ : যা তোরে কি বাইধা রাখছি  😒 #ফান_পোস্ট
15/09/2025

নুসরাত :আরশ ভাই আমি মাহির সাথে ঘুরতে যাই
আরশ : যা তোরে কি বাইধা রাখছি 😒
#ফান_পোস্ট

রাতে ৭ ঘন্টার কম ঘুমালে অল্প বয়সেই বৃদ্ধ দেখায়!বার বার অসম্পূর্ণ চার্জ করলে মোবাইলের ব্যাটারি হেলথ যেমন দ্রুত কমতে থাকে,...
13/08/2025

রাতে ৭ ঘন্টার কম ঘুমালে অল্প বয়সেই বৃদ্ধ দেখায়!
বার বার অসম্পূর্ণ চার্জ করলে মোবাইলের ব্যাটারি হেলথ যেমন দ্রুত কমতে থাকে, ঠিক তেমনি অসম্পূর্ণ ঘুমের ফলে দেহে বয়সের ছাপ পড়তে থাকে দ্রুত।

গবেষণাটি চীনে হয়েছে। প্রায় ৩,৩০০ জন ব্যক্তি নমুনা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন এই গবেষণায়।

দুটো বিষয় এখানে কাজ করে। সারাদিনে নানা কাজে আমাদের পেশি ও ত্বকের ক্ষয় হয়। ঘুমে থাকা অবস্থায় এই ক্ষতগুলো সেরে ওঠার সুযোগ পায়। পর্যাপ্ত না ঘুমালে পেশির ক্ষতগুলো থেকে যায়। এ কারণেই যারা শারীরিক পরিশ্রম করেন, তাদের প্রচুর ঘুমের প্রয়োজন হয়।

লম্বা সময় জেগে থাকলে বা ঘুমের মধ্যে বার বার জেগে উঠলে দেহে প্রচুর স্ট্রেস হরমোন নির্গত হয়। স্ট্রেস হরমোন দেহের কোলাজেনের শত্রু। কোলাজেন হলো ত্বকের নমনীয়তা ও তারুণ্য ধরে রাখার জন্য দরকারি প্রোটিন। ঠিকমতো ঘুম না হলে তাই দেহ দ্রুত বুড়িয়ে যেতে শুরু করে।

26/07/2025

কুশিয়ারা কনভেনশন হল সিলেট:
২৬ জুলাইয়ের IELTS পরীক্ষার করুণ অভিজ্ঞতা (IDP Bangladesh)

আজকে যে সকল শিক্ষার্থী কুশিয়ারা কনভেনশন হলে পরিক্ষা দিয়েছে শুধু তারাই জানে তাদের বছরের পর বছর লালিত স্বপ্ন আইডিপি কিভাবে ১ দিনেই নি:শেষ করে দিয়েছে।

আজ ছিলো পেপার বেইজ এক্সাম Ukvi শেষ পরিক্ষা! যা অনুষ্ঠিত হয় IDP Bangladesh-এ।

রিপোর্টিং টাইম ছিল সকাল ১১টা, আর পরীক্ষার নির্ধারিত শুরু হওয়ার সময় ছিল দুপুর ১ টা। কিন্তু বাস্তবে পরীক্ষা শুরু হয় বিকেল ৪টায়। প্রায় ৫ ঘণ্টা পরিক্ষার্থীদের বসিয়ে রাখা হয় কোনো তথ্য বা সঠিক ব্যাখ্যা না দিয়েই।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো,পরীক্ষা শুরু করা হয় Writing সেকশন দিয়ে, যেখানে সাধারণত Listening দিয়েই শুরু হয়। Listening সেকশন নেয়া হয় একেবারে শেষে, প্রায় ২ ঘণ্টা পর। এর মধ্যে হেডফোনে বারবার সমস্যা হচ্ছিল, আবার কখনো তা ঠিক করতেও দেরি হচ্ছিল,শিক্ষার্থী একসময় ভেবাচেকা খেয়ে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দেয় যা পরীক্ষার মানসিক প্রস্তুতিকে ভয়ানকভাবে নষ্ট করেছে।

সারা দিনে কোনো খাবার, হালকা নাস্তা দেয়া হয়নি। যারা সকাল থেকে না খেয়ে বসে ছিল, তাদের জন্য এটা ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয়, কোনো স্টাফই ঠিকভাবে ব্যাখ্যা দেয়নি কী সমস্যা হচ্ছে বা আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।

যেখানে বিকাল ৪টায় পরিক্ষা শেষ হওয়ার কথা সেখানে পরিক্ষা শেষ হয় রাত ৮.৩০ এ।

মূলত সমস্যার সূত্রপাত হয় হেডফোন নিয়ে।
পরীক্ষার শুরুতে দেখা যায়, IDP সেন্টারের নিজস্ব হেডফোনে সমস্যা আছে—অডিও ঠিকমতো শোনা যাচ্ছিল না। এতে পরীক্ষার Listening অংশ নেয়া সম্ভব হয়নি। ভয়ানক বিষয় হলো, এত বড় একটি আন্তর্জাতিক পরীক্ষাকেন্দ্রে পূর্ব বা বিকল্প কোনো প্রস্তুতি ছিল না।

পরবর্তীতে তারা অন্য সেন্টার থেকে হেডফোন এনে পরীক্ষা নেয়। এত বড় প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা আয়োজন করাটা খুবই দুঃখজনক এবং চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। তাছাড়া কিভাবে এতো দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখে কোনো খাদ্য, বিশ্রামের সুযোগ বা সঠিক ব্যাখ্যা ছাড়া।

শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয়, তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরাও চরম দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে সময় কাটিয়েছেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ৮.৩০ পর্যন্ত গার্ডিয়ানরা বাইরে অপেক্ষা করেছেন, অথচ IDP কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত কেউ এসে কোনো ব্যাখ্যা বা আপডেট দেননি।

অনেকে ছেলেমেয়ের খোঁজে উদ্বিগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কেউ কেউ দীর্ঘ সময় না খেয়ে অবস্থান করে

আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না—তার সঙ্গে কী ঘটেছিল!”১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাস।আমেরিকার কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের এক তরুণ গুহা–অনুসন...
20/07/2025

আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না—তার সঙ্গে কী ঘটেছিল!”

১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাস।

আমেরিকার কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের এক তরুণ গুহা–অনুসন্ধানকারী ফ্লয়েড কলিন্স নিজের বাড়ির পাশে একটি রহস্যময় গুহা আবিষ্কার করেন।

স্বপ্ন ছিল নতুন গুহা আবিষ্কার করে পর্যটনের জন্য উন্মুক্ত করবেন, যা একদিকে রোমাঞ্চ, অন্যদিকে জীবিকা।

তিনি সেই গুহার নাম দেন "স্যান্ড ক্যাভ"।

ফ্লয়েড বিশ্বাস করেছিলেন, সরু প্রবেশপথের পর ভেতরে আছে বিশাল এক জগৎ।

একাই গুহায় প্রবেশ করেন—সাপ, আঁধার, পিচ্ছিল পাথর উপেক্ষা করে নামতে থাকেন প্রায় ৬০ ফুট গভীরে।

কিন্তু হঠাৎই ঘটে দুর্ঘটনা।

একটি ভারী পাথর গড়িয়ে পড়ে গিয়ে তার পায়ের গেড়ালিতে আটকে যায়।

চেষ্টা করেও আর নড়তে পারেন না, উঠতে পারেন না।

পরদিন যখন তিনি আর ফিরে আসেন না, তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজ শুরু করে।

খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা অঞ্চলে।

লোকজন, পুলিশ, সংবাদমাধ্যম, এমনকি সেনাবাহিনীও যুক্ত হয় উদ্ধার অভিযানে।

কিন্তু গুহাটি এতটাই সরু (মাত্র ১৪ ইঞ্চি প্রশস্ত) যে, সেখানে পৌঁছানো ছিল প্রায় অসম্ভব।

তবু দড়ির সাহায্যে খাবার, আলো, পানি পৌঁছে দেওয়া হয়।

ফ্লয়েড প্রথম কয়েকদিন বেঁচে ছিলেন—আশাবাদী ছিলেন, লড়াই করছিলেন।

অবশেষে আবার ধস নামে গুহার ভেতরে।

আর কেউ তার কাছে পৌঁছাতে পারেনি।

⏳ ১৭ দিন পর, তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

সেই অন্ধকারেই চিরতরে ঘুমিয়ে পড়েন ফ্লয়েড কলিন্স।

এই ঘটনাটি সে সময়ের গোটা আমেরিকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছিল তার গল্প, তার লড়াই, তার বাঁচার আকুতি।

⚰️ ফ্লয়েড কলিন্স – এক সাহসী গুহা–অনুসন্ধানকারীর শেষ যাত্রা,

যিনি অন্ধকারের মাঝেও আশা হারাননি, ১৭ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছিলেন!

একা পথ চলা বিপজ্জনক হতে পারে

তিনি একা গুহায় গিয়েছিলেন। এই ভুলটাই তার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ ডেকে আনে।

জীবনে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়ার সময় পাশে একজন সহচর থাকা দরকার।

সানসিল্ক শ্যাম্পুর যখন বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয়। সানসিল্ক শ্যাম্পু এখন বাংলাদেশে।  বিজ্ঞাপন - ২৬ শে নভেম্বর , ১৯৮২ সাল ...
20/07/2025

সানসিল্ক শ্যাম্পুর যখন বাংলাদেশে যাত্রা শুরু হয়। সানসিল্ক শ্যাম্পু এখন বাংলাদেশে। বিজ্ঞাপন - ২৬ শে নভেম্বর , ১৯৮২ সাল ।

এই ছবি পুরো জার্মানিতে ছড়িয়ে পড়ে। বিখ্যাত জার্মান ম্যাগাজিন "ডের স্পিগেল" এটি তদন্ত করে এবং ছবিতে থাকা তরুণ ভারতীয় ব...
17/07/2025

এই ছবি পুরো জার্মানিতে ছড়িয়ে পড়ে। বিখ্যাত জার্মান ম্যাগাজিন "ডের স্পিগেল" এটি তদন্ত করে এবং ছবিতে থাকা তরুণ ভারতীয় ব্যক্তির বাসস্থান অনুসন্ধান করে। দেখা গেল যে তিনি মিউনিখে অবৈধভাবে বসবাস করছেন। সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: "স্যার, আপনি কি জানেন যে আপনার পাশে বসে থাকা স্বর্ণকেশী হলেন মাইসি উইলিয়ামস, বিখ্যাত সিরিজ "গেম অফ থ্রোনস" এর একজন নায়িকা, যার বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্ত রয়েছে যারা কেবল তার সাথে সেলফি তোলার স্বপ্ন দেখেন, এবং আপনি তার প্রতি কোনও নড়াচড়া বা আগ্রহ দেখাননি?" তিনি উত্তর দিলেন: "ম্যাডাম, আমি কেবল টিকিট ইন্সপেক্টরকে কীভাবে ফাঁকি দেব তা নিয়েই আগ্রহী ছিলাম, কারণ আমি "অবৈধভাবে" ট্রেনে চড়তে অভ্যস্ত কারণ আমার কোনও বৈধ আবাসিক পারমিট বা পকেটে এক ইউরোও নেই।" সাক্ষাৎকারের পরে, ম্যাগাজিন তাকে 800 ইউরো মাসিক বেতনের পোস্টম্যান হিসেবে নিয়োগ করেছিল, তাই এখন তার কোনও সমস্যা ছাড়াই একটি কাজের চুক্তি এবং একটি বৈধ আবাসিক পারমিট রয়েছে।

কেউ জানে না কোথায় বা কখন তার জীবিকা আসবে, তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দুর্দশাকে আপনার উপর আছড়ে পড়তে দেবেন না; আপনার সুযোগ শীঘ্রই বা পরে আসবে। সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন।

Address

Sylhet

Telephone

+8801717190813

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan's BakeShake posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khan's BakeShake:

Share