GaurNitai Kitchen

GaurNitai Kitchen Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from GaurNitai Kitchen, Kitchen/Cooking, Barishal, Bangladesh., Barisal.

হেন নিতাই বিনে ভাই,              রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই,                  দৃঢ় করি ধরো নিতাইর পায়। জয় নিতাই 🙌 আগামী ১০ ফে...
08/02/2025

হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই,
দৃঢ় করি ধরো নিতাইর পায়।
জয় নিতাই 🙌 আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং রোজ সোমবার, নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী অর্থাৎ নিত্যানন্দ প্রভুর ৫৫১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি। দুপুর পর্যন্ত উপবাস। সকলে নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপা লাভ করুন। হরিবোল 🙌
#নিত্যানন্দত্রয়োদশী #ইসকন #বৈষ্ণবীয়তিথি #তিথি

06/02/2025

🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏
একাদশী সংবাদ🌹
আগামী ০৮-০২-২০২৫ ইং তারিখ রোজ শনিবার পবিত্র ভৈমী একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল
(বাংলাদেশ) ০৬:৩৫-১০:২০
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৬:১৩-০৯:৫৮
তাই আসুন আমরা সবাই ভগবান প্রদত্ত একাদশী ব্রত পালন করি এবং মানব জীবন সার্থক করি।
🙏কৃপাকরে অাপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন ।।

🙏❤️❤️একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য❤️❤️🙏
মাঘী শুক্লপক্ষীয়া `জয়া' একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে শ্রীকৃষ্ণ-যুধিষ্ঠির সংবাদ রূপে বর্ণিত হয়েছে।
শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে `ভৈমী' একাদশী নামে অভিহিত করা হয়েছে। কল্পান্তরে বিভিন্ন পুরাণে বিভিন্ন রকম নাম দেখা যায়। পদ্মপুরাণ অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নামই `পান্ডবা নির্জলা' বা `ভীমসেনী'(ভৈমী) একাদশী।
যুধিষ্ঠির বললেন, হে কৃষ্ণ, আপনি কৃপা করে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর সবিশেষ বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন,হে মহারাজ, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী `জয়া' নামে প্রসিদ্ধ।এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনী, সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তিপ্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয়না।এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়।
একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করছিলেন।সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন।তারা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন।একদিন ৫০ কোটি অপ্সরা নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন।নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগণ গান করতে লাগলেন।পুষ্পদত্ত, চিত্রসেন প্রভৃতি প্রধান প্রধান গন্ধর্বরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।চিত্রসেনের পত্নীর নাম মালিনী। পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল।পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুষ্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল।
ইন্দ্রের প্রীতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই সেই সভায় যোগদান করেছিল।কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল।সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রইল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল।তাদের এইরকম তাল মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে,দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন তিনি ক্রোধবশে তাদের অভিশাপ দিলেন, রে মূঢ়! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙ্ঘন করেছ।তোমাদের ধিক। এখনই তোমরা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজের দুষ্কর্মের ফল ভোগ কর।
ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত হয়ে হিমালয় পর্বতে বিচরণ করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখভোগ করতে লাগল।হিমালয়ের প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিস্মৃত হল।এইভাবে অতিকষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল।
একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল, সামান্য মাত্র পাপ করিনি, অথচ নরক যন্ত্রনার মত পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে অামরা আর কোনো পাপ করবনা।এভাবে চিন্তা করে তারা মৃতপ্রায় সেই পর্বতে বাস করতে লাগল। তাদের পূর্ব কোন পুন্যবশতঃ সেইসময় মাঘী শুক্লপক্ষীয়া `জয়া' একাদশী তিথি উপস্থিত হল।তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল।শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল।
পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদশী তিথি উপস্থিত হল।একাদশীর দিন অনাহার ও রাত্রিজাগরণে তাদের ভক্তির অনুষ্ঠান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় তাদের পিশাচত্ব দূর হল।তারা তাদের পূর্বরূপ ফিরে পেল এবং স্বর্গে ফিরে গেল। ইন্দ্র তাদের দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন।তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কোন পুন্যফলে তোমাদের পিশাচত্ব দূর হল?আমার অভিশাপ থেকে কে তোমাদের মুক্ত করল?
মাল্যবান বললেন, হে প্রভু, ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশীর পুন্যপ্রভাবে আমাদের পিশাচত্ব দূর হয়েছে।তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন, হে মাল্যবান, তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান কর।একাদশী ব্রতে যারা আসক্ত এবং যারা কৃষ্ণ ভক্তি পরায়ণ তাঁরা আমাদেরও পুজ্য বলে জানবে।এই দেবলোকে তুমি পুষ্পবন্তীর সাথে সুখে বাস কর।
হে মহারাজ, এই ব্রত ব্রহ্মহত্যা জনিত পাপ কেও বিনাশ করে।এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুন্যফল এই ব্রত প্রভাবে আপনা হতেই পালন হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠে বাস হয়। এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

11/11/2024
🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏 একাদশী সংবাদ🌹আগামী ১৪-১০-২০২৪ ইং তারিখ রোজ সোমবার পবিত্র পাশাঙ্কুশা একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল(ব...
12/10/2024

🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏
একাদশী সংবাদ🌹
আগামী ১৪-১০-২০২৪ ইং তারিখ রোজ সোমবার পবিত্র পাশাঙ্কুশা একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল
(বাংলাদেশ) ০৫:৫৬-০৯:৪৮
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৫:৩৪-০৯:২৬
তাই আসুন আমরা সবাই ভগবান প্রদত্ত একাদশী ব্রত পালন করি এবং মানব জীবন সার্থক করি।
🙏কৃপাকরে অাপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন ।।

🙏❤️❤️একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য❤️❤️🙏
আশ্বিন শুক্লপক্ষীয়া পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে। যুধিষ্ঠির বললেন---হে মধুসূদন! আশ্বিন শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি?
তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন---হে রাজেন্দ্র! আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী পাশাঙ্কুশা নামে প্রসিদ্ধা। কেউ কেউ একে পাপাঙ্কুশাও বলে থাকেন। এই একাদশীতে অভিষ্ট ফল লাভের জন্য মুক্তিদাতা পদ্মনাভের পূজা করবে। শ্রী হরির নাম সংকীর্তনের দ্বারা পৃথিবীর সব তীর্থের ফল লাভ হয়। বদ্ধ জীব মোহবশত বহু পাপকর্ম করেও ভগবান শ্রী হরির শরণাপন্ন হয়ে প্রণাম নিবেদনে নরক যাতনা থেকে রক্ষা পায়। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শোনার ফলে নিদারুণ যমদন্ড থেকে মুক্তি লাভ হয়। শ্রী হরি বাসর ব্রতের মতো ত্রিভুবনে পবিত্রকারী আর কোন বস্তু নেই। হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ ও শত শত রাজসূয় যজ্ঞ এই ব্রতের শতভাগের একাংশের সমান হয় না। এই ব্রত পালনে স্বর্গ বাস হয়। মুক্তি, দীর্ঘায়ু, আরোগ্য, সুপত্নী, বন্ধু প্রভৃতি অনায়াসে লাভ করা যায়।
হে রাজন! গয়া, কাশী এমনকি কুরুক্ষেত্রও শ্রী হরি বাসর অপেক্ষা পুণ্য স্থান নয়। হে ভূপাল! একাদশী উপবাস ব্রত করে রাত্রি জাগরণ করলে অনায়াসে বিষ্ণুলোকে গতি হয়। এই পাশাঙ্কুশা ব্রতের ফলে মানুষ সর্বপাপ মুক্ত হয়ে গোলোকে গমন করতে সমর্থ হয়।
এই পবিত্র দিনে যিনি স্বর্ণ, তিল, গাভী, অন্ন, বস্ত্র, জল, ছত্র, পাদুকা দান করেন, তাকে আর যমালয়ে যেতে হয় না। যারা এই সকল পুণ্য কার্য করে না, তাদের জীবন কামারশালার হাপরের মতো বিফল। নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালনে উচ্চ কুলে নিরোগ ও দীর্ঘায়ু শরীর লাভ হয়। অত্যন্ত পাপাচারীও যদি এই পুণ্য ব্রতের অনুষ্ঠান করে, তবে সেও রৌরব নামক মহা যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠ সুখ লাভ করে। কৃষ্ণ ভক্তি লাভই শ্রী একাদশী ব্রতের মুখ্য ফল। তবে আনুষঙ্গিক রূপে স্বর্গ, ঐশ্বর্যাদি অনিত্য ফল লাভ হয়ে থাকে।
Follow our page/YouTube/Instagram/Twitter: GaurNitaiTV

Address

Barishal, Bangladesh.
Barisal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GaurNitai Kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share