Kanij's Artzone

Kanij's Artzone We do work with mehendi design, hand made craft and acrylic painting.

MashaAllah... Friday’s henna done on a beautiful princess♥️
14/08/2026

MashaAllah...
Friday’s henna done on a beautiful princess♥️

Arabic with Lotus 🍁♥️
09/08/2026

Arabic with Lotus 🍁♥️

Weather demand mood ⛈️
18/07/2026

Weather demand mood ⛈️

Going on...
17/07/2026

Going on...

Practice on paper 🍁
07/07/2026

Practice on paper 🍁

রমজানে ৪ কাজ বেশি বেশি করাঃ১.বেশি বেশি কালিমা তাইয়্যেবা পড়া ২.বেশি বেশি ইস্তেগফার করা৩.জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া৪.আ...
27/03/2024

রমজানে ৪ কাজ বেশি বেশি করাঃ

১.বেশি বেশি কালিমা তাইয়্যেবা পড়া
২.বেশি বেশি ইস্তেগফার করা
৩.জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া
৪.আল্লাহর কাছে জান্নাত চাওয়া

Barakallah...♥️
Henna practice 💕

MashaAllah, Barakallah ♥️♥️Which one looks better?  :)
26/03/2024

MashaAllah, Barakallah ♥️♥️

Which one looks better? :)

14/03/2024

রামাদানের জন্য ২৪ ঘণ্টার একটি নমুনা রুটিন পেশ করছি। আশা করি, এই রুটিন ফলো করা আমাদের জন্য সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।
▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬▬
রাত ৩টা ৩০ মিনিটে ঘুম থেকে ওঠবো।
৩:৩০—৩:৪৫ অজু-ইস্তিঞ্জা (ওয়াশরুমের কাজ) সম্পন্ন করে নামাজের প্রস্তুতি গ্রহণ করবো।
৩:৪৫—৪:১০ প্রথমে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজ পড়বো, এরপর তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতে থাকবো ২ রাকাত করে।
৪:১০—৪:২০ তাহাজ্জুদ শেষে ১০ মিনিট সময় আন্তরিকভাবে ইস্তিগফার ও দু‘আ করবো। শেষ রাতের ইস্তিগফার ও দু‘আ আল্লাহ খুব পছন্দ করেন।
৪:২০—৪:৪০ সাহরি খাবো। বিভিন্ন এলাকাভেদে সময় এদিক-সেদিক হবে। প্রথম কয়েক দিন এখানে কিছু এক্সট্রা সময় বাকি থাকবে। আস্তে আস্তে কমে আসবে সময়। সম্ভব হলে তাহাজ্জুদ ও দু‘আর মধ্যে সময় আরেকটু বাড়িয়ে সাহরিতে কমিয়ে দেবো। তবে, কোনোটিতেই তাড়াহুড়ো করবো না। সাহরিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
৪:৪০—৫:১০ এই সময়ের মধ্যে মিসওয়াক/দাঁত ব্রাশ করবো, এরপর অজু-ইস্তিঞ্জা সেরে নেবো এবং ফজরের নামাজ আদায় করবো।
ফজরের পরপর না ঘুমিয়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত সজাগ থাকতে পারলে খুব ভালো হবে। এই সময়ে সাধ্যানুযায়ী যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত করা যায়, এরপর চাশতের/দোহার নামাজ পড়ে ঘুমানো যায়।
যদি এটি সম্ভব হয়, তবে ৫:১০—৬:৩০ এই সময়ের মধ্যে সকালের মাসনুন যিকর, তিলাওয়াত ও চাশতের নামাজ আদায় করবো।
ফজরের পর নামাজের স্থান থেকে না ওঠে সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানে বসে থেকে যিকির বা তিলাওয়াত করে, এরপর দুই রাকাত চাশতের নামাজ পড়লে (এটিকে ‘ইশরাকের নামাজ’ও বলা হয়) একটি পূর্ণ কবুল হজ ও উমরার সওয়াব দেওয়া হয়। [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৫৮৬; হাদিসটি হাসান]
সূর্যোদয় শুরুর ১০/১৫ মিনিট পরই দোহার/চাশতের নামাজ পড়া যায়। তবে, উত্তম হলো ২৩ মিনিট পরে পড়া। সূর্যোদয়ের সময়টা প্রতিদিন ১ মিনিট করে পরিবর্তিত হবে। সুতরাং এটা খেয়াল রাখবো।
এরপর ৬:৩০—৯:০০ পর্যন্ত ঘুমাবো।
[আর যারা ফজরের পরই ঘুমিয়ে যেতে চাই, তারা সকালের মাসনুন যিকিরগুলো করে ৫:৩০-এর মধ্যে ঘুমিয়ে যেতে পারি এবং ৮:৩০-এ জাগতে পারি। এরপর অন্তত ৪ রাকাত দোহার/চাশতের নামাজ পড়বো। সর্বনিম্ন ২ রাকাত পড়ারও বৈধতা আছে।]
এরপর, আমাদের যাদের অফিস থাকবে, তারা কাজে চলে যাবো। কাজের ফাঁকে ফাঁকে দরুদ, যিকির ও ইস্তিগফার পড়তে থাকবো। দাঁড়িয়ে, হেঁটে-হেঁটে বা বসা অবস্থায়—যেভাবেই হোক।
যাদের অফিস নেই, অন্য কোনো ব্যস্ততাও নেই, তাদের জন্য নিচের সময়বণ্টন—
সকাল ৯:০০—১১:০০ কুরআন তিলাওয়াত [ইস্তিঞ্জা (ওয়াশরুমের কাজ) সেরে অজু করে প্রস্তুতি নিতে নিতেই চলে যাবে ২০/৩০ মিনিট। বাকি সময়টুকু তিলাওয়াত। যাদের একটানা তিলাওয়াত করতে ক্লান্তি আসে, তারা কোনো দ্বীনি বইও পড়তে পারি। এছাড়া নফল নামাজ কিংবা যিকিরও করতে পারি]
১১:০০—১২:৪০ বাসার টুকিটাকি কাজ, বাজারে যাওয়া, বাচ্চাকে সময় দেওয়া, নিজের কোনো অ্যাকাডেমিক কাজ, পড়ালেখা বা অধ্যয়ন থাকলে এই সময়ে সম্পন্ন করে ফেলবো।
১২:৪০—১:০০ গোসল করবো। (আমরা যারা ৯-টায় ঘুম থেকে জেগেই গোসল করতে চাই, তারা সেভাবেই সময় সেট করে নেবো)
১:০০—২:০০ জোহরের নামাজ আদায় করবো এবং মাসনুন দু‘আ ও যিকিরগুলো পড়বো। বাকি সময় নফল নামাজ আদায় করবো। চাইলে তিলাওয়াতও করতে পারি।
২:০০—৩:৪৫ অর্থসহ কুরআন পড়বো, তাফসির, হাদিস অথবা দ্বীনি কোনো কিতাবাদি অধ্যয়ন করবো। যারা এখনো সহিহভাবে কুরআন পড়তে পারি না, তারা শিখে ফেলবো। ছোট কয়েকটি সুরা এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু দু‘আ-যিকর মুখস্থ করে নেবো। ক্লান্তি আসলে, মোবাইলে তিলাওয়াত অথবা দ্বীনি কোনো আলোচনা শুনা যেতে পারে।
(কর্মজীবী ব্যক্তিগণ আশা করি সাড়ে ৩টার মধ্যে বাসায় এসে ফ্রি হয়ে যেতে পারবেন।)
৩:৪৫—৪:৩০ এই সময়ে একটু ক্লান্তি আসে। তাই, একটু বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে। তবে, যাদের সামর্থ্য হবে, সময়টা কাজে লাগাবো। এসময় কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ করতে পারি অথবা যেকোনো নেক আমল করতে পারি।
৪:৩০—৫:০০ অজু-ইস্তিঞ্জা সম্পন্ন করবো, আসরের নামাজ আদায় করবো এবং মাসনুন দু‘আ ও যিকরগুলো পড়বো।
৫:১৫—ইফতার পর্যন্ত
এই সময়টিতে ইফতার তৈরি করবো অথবা ইফতার তৈরিতে সাহায্য করবো এবং ইফতারের আগ মুহূর্তে দু‘আ করবো।
ইফতারের আয়োজন সহজ হলে, আসরের পর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ৩০ মিনিট কুরআন-হাদিসের তালিম হতে পারে। দ্বীনি আলোচনা কিংবা কুরআন তিলাওয়াতও করা যেতে পারে। এরপর ইফতারের প্রস্তুতি এবং সর্বশেষ ইফতারের পূর্বে ৫/১০ মিনিট দু‘আ করবো।)
[সকালের যিকিরগুলো ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়া থেকে নিয়ে ফজরের পরেও করতে পারি (তবে, সূর্যোদয়ের আগেই শেষ করবো)। আর বিকাল বা সন্ধ্যার যিকিরগুলো আসরের পর অথবা মাগরিবের পর পড়তে পারি। দুটোর পক্ষেই বিশুদ্ধ দলিল এবং আলিমগণের মতামত আছে]
মাগরিবের পর থেকে রাত ৭:৪৫ পর্যন্ত বিশ্রাম নিতে পারি। এসময় আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবের খোঁজ নেওয়া যেতে পারে বা অনলাইনে কিছু সময় কাটানো যেতে পারে। এরপর ইস্তিঞ্জা ও অজু সেরে নামাজের জন্য প্রস্তুত হবো।
(কর্মজীবীগণ বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে কুরআন শেখা, তিলাওয়াত করা এবং কুরআন অধ্যয়নের জন্য সময় বের করে নেবেন)
রাত ৮:০০—১০:০০ ইশা ও তারাবির নামাজ আদায় করবো (নামাজে যত বেশি সময় দেওয়া যায়, তত ভালো। আমরা অ্যাভারেজ একটি হিসাব ধরেছি, যা খুব বেশি নয় আবার খুব কমও নয়। এখানে কম-বেশি হতে পারে।)
১০:০০—১১:০০ এই সময়ের মধ্যে তিন ধরনের কাজ করা যেতে পারে। সেগুলো হলো: (১) প্রয়োজনবোধ করলে হালকা খাবার খাওয়া; (২) মেন্টাল রিফ্রেশমেন্টের জন্য পরিচিতজনদের সাথে আলাপ-আলোচনা করা অথবা অনলাইনে একটু উঁকি দেওয়া; (৩) ঘুমানোর পূর্বের যিকির, দু‘আ ও সুরাগুলো পাঠ করা।
অতঃপর রাত ১১:০০—৩:৩০ পর্যন্ত ঘুম। (রাতে সাড়ে ৪ ঘণ্টা এবং দিনে আরও ৩ ঘণ্টা ঘুম। ইনশাআল্লাহ, এই সময় যথেষ্ট হবে।)
শেষকথা: এটি একটি নমুনা রুটিন মাত্র। ঘড়ি ধরে রুটিন অনুসরণ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তাছাড়া সবার রুটিন সেইম হবে, এমন আশা করাও উচিত নয়। সবাই নিজেদের মতো করে এই রুটিন কাস্টমাইজ (এদিক-সেদিক) করে নেবো। এটি মাথায় রাখবো যে, সাহরির শেষ সময় প্রতিদিন ১ মিনিট করে কমে আসবে বা এগিয়ে আসবে আবার ইফতারের সময় বাড়তে থাকবে। তাই, রুটিনের কাজগুলো পরিবর্তিত সময়ের সাথে সমন্বয় করে নিতে হবে।
রামাদানের ইবাদত করবো স্বাচ্ছন্দ্যে, আগ্রহভরে, ভালোবাসার সাথে। নিজের উপর প্রেশার নিয়ে ইবাদত-বন্দেগিকে কঠিন বানাবো না। তাহলে ইবাদতে প্রাণ থাকবে না। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। সাহায্যকারী ও তাওফিকদাতা একমাত্র তিনিই।
[গৃহিণী নারীদের রুটিন কাল, ইনশাআল্লাহ]
#আলোকিত_রামাদান (পর্ব: ১২)
আগের পর্বগুলোর লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো।

Address

Barishal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kanij's Artzone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share