Cooking Gossip

Cooking Gossip Daily cooking stories

কি অবস্থা আল্লাহ ছিঃ ছিঃ২ছেলের বয়সী দেবরের সাথে কট খাইছে ভাবি।
12/12/2025

কি অবস্থা আল্লাহ ছিঃ ছিঃ২
ছেলের বয়সী দেবরের সাথে কট খাইছে ভাবি।

আলহামদুলিল্লাহ শুভ বিকেল।
30/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ শুভ বিকেল।

শুভ দুপুরের শুভ সূচনা।
30/08/2025

শুভ দুপুরের শুভ সূচনা।

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল।🌞
30/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল।🌞

শুভ সকাল।
29/08/2025

শুভ সকাল।

Good evening everyone.
27/08/2025

Good evening everyone.

মাইলস্টোনের শিক্ষিকা বললেন, আমার পিছনে চারটা বাচ্চা দোলনায় খেলছিল।হঠাৎ একটা বিমান ঠিক আমার মাথার উপর দিয়ে একটু দূরে পড়েই...
22/07/2025

মাইলস্টোনের শিক্ষিকা বললেন, আমার পিছনে চারটা বাচ্চা দোলনায় খেলছিল।
হঠাৎ একটা বিমান ঠিক আমার মাথার উপর দিয়ে একটু দূরে পড়েই ব্লা°স্ট হলো।
আমার মনে হলো আমার পিঠে আ°গুন ধরে গেছে।
আমি পিছনে তাকাতেই দেখি চারটা বাচ্চা আমার চোখের সামনে আগুনে ব্লাস্ট হয়ে গেলো।
আর একটা বাচ্চা আমার সামনে ব্লাস্ট হয়ে চার ভাগ হয়ে গেলো।🥲
আমি ভেবেছি আমি মা°রা যাব আমি কিভাবে বেঁচে আছি আমি জানি না🥲
আল্লাহ ভয়াবহতার এক নির্মম কাহিনী😪

ইদানীং পলাশের মেজ ভাবী বিস্ফোরক পোস্ট দিলেন ফেসবুকে পলাশের মা ও বৌয়ের বিরুদ্ধে।কিন্তু ওনার সারা প্রোফাইল জুড়ে স্বামী নিয়...
12/05/2025

ইদানীং পলাশের মেজ ভাবী বিস্ফোরক পোস্ট দিলেন ফেসবুকে পলাশের মা ও বৌয়ের বিরুদ্ধে।কিন্তু ওনার সারা প্রোফাইল জুড়ে স্বামী নিয়ে যে রোমান্স ও নিজের সৌখিন মুহূর্ত আপলোড করেছেন সারা নিউজফিডে।এর ১% আনন্দও পলাশের বউ করতে পারেনি।স্বামী নিয়ে দিব্যি নিজে আলাদা সংসার করেছেন।পলাশের বউ একটু গরীব ঘরের,দেখতে সুন্দরী সবার থেকে,পলাশের সফলতা,বউয়ের প্রতি ভালোবাসা দেখে পলাশের পরিবারের সবাই যে হিংসায় জ্বলতো তার পোস্টই বলে দিচ্ছে।সবকয়টা ওঠে পড়ে লেগেছিল পলাশের সংসার ভাঙ্গার জন্য।এদের সম্মিলিত ষ*ড়যন্ত্রেই আজকের এই পরিণতি।আ*গুন নিভাতে কারো ভূমিকা নেই শুধু পেরেছে দূর থেকে আগুন জ্বালাতে।দূর থেকে শ্বাশুড়িকে সাথে না রেখে একটা পিচ্চি মেয়ের ওপর লেলিয়ে দিয়ে এখন দোষরূপ করে কেমন বিবেক!যে মেয়েটা অল্পবয়সে স্বামী হারিয়েছে, অনাগত সন্তানের মা হবে মৃত স্বামীর,তার থেকে কি তোমাদের বেশি কষ্ট এখন ভাব করতেছ! নিজেরাও জানে শ্বাশুড়ির স্বভাব সে ভালোনা তাও পলাশের নতুন সংসারে মায়ের উপস্থিতি কতটা বিরূপ প্রভাব পড়বে তা তোমরা বুঝেও দূর থেকে মজা নিয়েছো।পলাশের মা খারাপ বউ খারাপ। পলাশ নিজেও খারাপ মানলাম। তো বউদি আপনারা কতটা ভালো ছিলেন। এত অশান্তি হচ্ছে দেখে ও তো শাশুড়ী রে দুই টা দিন নিজের কাছে নিয়ে রাখেন নাই। দূর থেকে অন্যের সংসারের অশান্তি উপভোগ করেছেন। এখন আসছেন সাধু সাজতে সব দায় যেনো পলাশ সাহার ই ছিলো, বাকি বউ ছেলেরা কোথায় ছিলো? আপনি তো কম খারাপ মহিলা না। নিজে তো এমন টক্সিক শ্বাশুড়ির সাথে তিন মাস ও সংসার করেন নাই। এ যন্ত্রনা আপনার স্বামীও সহ্য করে নাই। করছে পলাশ সাহা আর তার বউ। এখন তার বউকে বলতে আসছেন। নিজে কি দায়িত্ব পালন করলেন? এবার শ্বাশুড়িকে পালেন।

মুখবইতে দেখলাম অনেকে পলাশ সাহার বিধবা স্ত্রী সুস্মিতা ওরফে মুনমুনকে "মুখধোলাই" দিচ্ছে। যে যেভাবে পারছে তাকে তুলোধুনো করছ...
12/05/2025

মুখবইতে দেখলাম অনেকে পলাশ সাহার বিধবা স্ত্রী সুস্মিতা ওরফে মুনমুনকে "মুখধোলাই" দিচ্ছে। যে যেভাবে পারছে তাকে তুলোধুনো করছে। পলাশের আত্মীয় এবং কাছের জনরাই বলেছে সুস্মিতার উপর মানসিক নির্যাতন চালাতো পলাশের মা। উঠতে বসতে খোঁটা দিত। তাকে নানা রকম উপাধি দিয়েছে ফেসবুকের পাবলিকরা। কেন রে ভাই? কি কারণে আপনাদের মনে হচ্ছে সুস্মিতা এখানে খলনায়িকা !! এখানে সুস্মিতা ভিকটিম। স্বামীর দিকে তাকিয়ে সামান্য রোমান্টিক হাসলেই তার উপর দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘনিয়ে আসতো। শাশুড়ির রক্তচক্ষু দেখে ভয়ে কাঁপতো সুস্মিতা সাহা।

এরা পলাশের মায়ের গুণগান গাচ্ছে। এরা কি বুঝে এসব বলছে নাকি না বুঝে বলছে সেই প্রশ্ন থেকে যায়। সুস্মিতার বুড়ো বাপের বক্তব্য দেখার পর ভেতরটা আমার কুঁকড়ে গেল। এমন জল্লাদ শাশুড়িও হয়? ঠিক যেন হিন্দি সিনেমার কূটনী শাশুড়ি বিন্দু। বাংলা সিনেমার রিনা খান অথবা দুলারী। সুস্মিতার বাবা বলেছে পলাশের মা তার মেয়েকে মানসিক গঞ্জনার সাথে গায়েও হাত তুলতো। সুস্মিতার হতভাগ্য বাবা মায়ের মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যাবার অনুমতি ছিলনা। কারণ তারা গরীব বলে। তাদের মেয়েকে পলাশের মা সারাক্ষণ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো। সুস্মিতা ফ্রিজে হাত দিতে পারতো না। সারাক্ষণ শাশুড়ির ভয়ে জবুথবু হয়ে থাকতো। উঠতে বসতে শাশুড়ির অকথা বাক্যবাণে জর্জরিত হতে হয়েছে তাকে। পলাশ সাহা জানতেন তার মায়ের বদখাসলত। কিন্তু মুখ ফুটে কখনো মাকে বলতে পারেননি তিনি অন্যায় করছেন। আর সেটার ফায়দা তুলেছেন তার মা।

পৃথিবীর কোথায় আছে নবদম্পতি মধুচন্দ্রিমায় গেলে শাশুড়িকেও সাথে নিতে হবে??মায়ের প্রতি অন্ধভক্তি থাকার কারণে পলাশ চুপ থাকতেন। অন্ধভক্তি কি মানুষকে পলাশের মত মেরুদণ্ডহীন বানিয়ে দেয়??তিনি তার মায়ের অন্যায় রুখতে পারেননি। স্ত্রীকে তিনি নাকি প্রচন্ড ভালোবাসতেন। যখন তিনি মায়ের অন্যায় আচরণের সামনে প্রতিবন্ধী বনে যেতেন। আজ আবারও আশ্চর্য হলাম মহিলার স্বাভাবিক আচরণ দেখে। সন্তানের শোকে তার তো হুঁশজ্ঞান থাকার কথা নয়। কিন্তু তিনি ঠিকই পুত্রবধূর বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েই যাচ্ছিলেন। শুধু তাই নয় ভাতের প্লেট হাতে সাক্ষাতকার দিচ্ছিলেন। সন্তানের শোকে তার বুক এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তিনি দিব্যি ভাত খেয়ে যাচ্ছিলেন স্বাভাবিকভাবে। তার চোখে ছিলনা ছেলে হারানোর কষ্ট। চোখে জল ছিলনা। তিনি মাস্ত দিন কাটাচ্ছেন। আর যত পারছেন সুস্মিতার বদনাম করে যাচ্ছেন। সুস্মিতার বাবার চোখও দেখলাম। পলাশের জন্য তিনি বেশি শোকাহত। অসুস্থ বাবার চোখে অসহায়ত্ব। এই চোখ মিথ্যে বলেনা।

একটা সুন্দর সংসার ওদেরও হতে পারতো...আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মেয়েরই একটা নিজের সংসার গড়ে তোলার স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যায়। শ...
12/05/2025

একটা সুন্দর সংসার ওদেরও হতে পারতো...
আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মেয়েরই একটা নিজের সংসার গড়ে তোলার স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে যায়।
শুধুমাত্র শ্বাশুড়ির কারণে। স্বামীর পাশে একটা ভালোবাসার জায়গা খুঁজে নিতে গিয়ে তাকে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হয়। এমনকি অনেক সময় ছেলে-বউ হানিমুনে পর্যন্ত মা-বোন সেখানে উপস্থিত!
কিন্তু যখন ছেলের বউ একটু আলাদা হয়ে থাকতে চায়, তখন সমাজ বলে----
"বউ ভালো না। ছেলে বদলে গেছে।"

বউ যদি রাস্তায়ও থাকে, তবুও এদের 'মান-সম্মান' নষ্ট হয় না। কিন্তু যদি সেই বউ একটু আলাদা ঘর চায়, একটু স্বাধীনতা চায়....
তখনই নাকি সমাজ কাঁপে। অথচ মজার বিষয় হলো, সেই মা-ই যখন নিজের মেয়েকে তার জামাই বিয়ের পর আলাদা ফ্ল্যাটে রাখে, তখন মেয়ের জামাই খুবই ভালো, দায়িত্বশীল, সম্মানিত পুরুষ হয়ে যায়!

এই দ্বৈত মানসিকতা খুবই ভয়ানক।

আমি এমন কথাও শুনেছি—একজন ছেলে তার স্ত্রীকে বোঝাচ্ছে, “আর ক’দিনই বা মা বাঁচবে? মা মারা গেলেই তুমি শান্তিতে সংসার করতে পারবা।” ভাবুন তো, একজন মা কতটা টক্সিক হলে, একজন ছেলে নিজের সুখের জন্য মায়ের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করে! নাউজুবিল্লাহ। কথাটা কষ্টের, তবু নির্মম বাস্তব।

আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, যেসব মায়েরা জানেন....
তারা ছেলের সংসার মেনে নিতে পারবেন না, তারা ছেলেকে আগেই বলে দেওয়া উচিত, “তুমি বিয়ে কোরো না। সারাজীবন শুধু আমাকে নিয়ে থেকো, আমার জন্য ইনকাম কোরো, কারণ তোমার বউয়ের সঙ্গে আমি তোমাকে মানিয়ে নিতে পারবো না।”

তাছাড়া এমন না যে উনার শুধু একটাই ছেলে। যখন দেখছিলো তাকে নিয়ে ছেলে-বউ এর মাঝে অশান্তি চলছে, তখন নিজে থেকেই তাদের কে কিছু দিনের জন্য একটু স্পেস দিতে পারতেন। এতে সময়ের সাথে হয়তো সবকিছু একটু একটু করে স্বাভাবিক হয়ে আসতো।

একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখা যায়, শ্বাশুড়ি নামক মানুষটিও তার জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু সেই কষ্ট থেকে শিক্ষা না নিয়ে, তিনি সেটা আরেক নারীর উপর চাপিয়ে দেন। তার ছেলের বউয়ের উপর। অথচ হওয়া উচিত ছিলো ঠিক উল্টোটা....
--যে কষ্ট আমি পেয়েছি, তা যেন আমার মেয়ে বা ছেলের বউ কেউই না পায়।

কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু মা-বাবা সরল সন্তানকে ব্যবসার মতো ব্যবহার করেন। বিয়েতে, ইনকামে, সংসারে, সবকিছুতেই হিসেব মেলান। সেই ছেলেটা চুপ করে থাকে, কারো মুখের উপরে কিছু বলতে পারে না, মা কে বললে মা কষ্ট পাবে, বউ কে বললে বউ কষ্ট পাবে।আর তাদের দুজন কে মানাতে গিয়ে ব্যর্থ হলে শুধু মুখ বুজে সহ্য করে যায়।

একটা মানুষ শারীরিক ভাবে আত্মহত্যা করার অনেক আগেই মানসিক ভাবে মৃত হয়ে যায়। যা পরিবারের আপন মানুষ গুলোর নজরে আসে না কখনোই। তাই দেহের বিদায়ের পরে সকলের যতো আহাজারি।

এখন মা ঠিকই গ্রামে থাকবে,অথচ ছেলেটা বেঁচে থাকতে তার সংসারটা তাকে গুছাতে দেয়নি।সারাদিন ডিউটি শেষে বাসায় ফিরলে বউয়ের নামে ছেলের কান ভারি করেছে।শ্বাশুড়ি চাইলে কি পারতোনা মিলেমিশে থাকতে!

এই মানুষটা আমার সম্পর্কে মামা হয়। কোন দূর সম্পর্কের নয় একদমই আপন। আমার মায়ের আপন মামাতো ভাই। আজকে ওনার মৃত্যুর জন্য ও...
12/05/2025

এই মানুষটা আমার সম্পর্কে মামা হয়। কোন দূর সম্পর্কের নয় একদমই আপন। আমার মায়ের আপন মামাতো ভাই।
আজকে ওনার মৃত্যুর জন্য ওনার পরিবারের মানুষের দোষ সব থেকে বেশি।
আচ্ছা আপনারাই তো পোস্ট করেন শাশুড়ি খারাপ তার জন্য জীবন অতিষ্ট হয়ে যায়। ব্যাপারটা কিছুটা তেমনই। দুই বছর হইছে বিয়ে করছিলো। মানলাম বউ খারাপ। ভালো না। কিন্তু যখন তার মা দেখলো তারে নিয়ে এতো অশান্তি তার মা কি পারতো না অন্য দুই ছেলের কাছে পাঁচটা মাস থাকতে? বাড়িতে তাদের বিশাল বিল্ডিং। কোন অভাব নাই।তিন ছেলেই জীবনে সফল।টাকা পয়সার কমতি নেই। কিন্তু না উনি তো উনিই।সব শেষ হয়ে যাবে তবুও ছেলেকে ছাড়বে না। ছেলে সারাদিন পর অফিস থেকে ফিরলে মা ছেলে কে ছাড়ে না। মায়ের ব্যাথার গল্প, ছোট বেলার গল্প তো শেষ হয় না এদিকে তার বউয়ের সাথে ঘরে যাইতে যাইতে তার রাত্রি একটা বাজে। তার বউও তো এক্সপেক্ট করে, সে স্বামীর সাথে একটু কথা বলবে। যখনই ঘুরতে যাবে, সব জায়গায় তার মার জোর করে যাওয়া লাগবে।অন্য ছেলেদের কাছে এসব গুলো করে পাত্তা পেত না এজন্য সে সবসময় ছোট ছেলের কাছে থাকতো। অন্য ছেলে ও তার বো দের সাথে ও সম্পর্ক ভালো ছিল না। অন্য ছেলেরা মা অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে কথা বললেও, পলাশ মামা সত্যি বলতে মা বলতে অন্ধ ছিল। আরো অনেক সংসারের কথা আছে থাক না হয় এখন।
আজকে তার ভাই ইন্টারভিউ দিচ্ছে যে তারা ভাইয়ের বউ কে বোঝাইছে শাশুড়িরা এমনই হয় তাদের সাথে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে নিজের বউ কে এই কথা বলে নি কেনো?
ভালো সাজতে আসছে। আজকে তাদের কাছে এই মা রে রাখবে কিনা সন্দেহ। মহিলা এতোটাই ভয়ংকর।মা এর এইসব কিছুর শিকার হয়ে হয় ছেলেটা আত্মহত্যা করে, তা না হলে বউটা আত্মহত্যা করে, আর না হয় স্বামী স্ত্রী ডিভোর্স হয়ে যায়, আর সাফার করে তার বাচ্চাগুলা আর জিতে যায় মা রা।
বউ মরলে বউ পাওয়া যাবে, মা মরলে তোর পাওয়া যাবে না একটা ডাইলক আছে না।
বাংলাদেশের অভিনেত্রি দিঘী র একটি নাটক আছে।" শেষ চিঠি"। সেম কাহিনী, মার জন্য ছেলেটা শেষ পর্যন্ত তার বউকে নিয়ে এবং তার গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় বিষ খায়।
প্লিজ একবার দেখবেন আপনাদের কাছে অনুরোধ রইলো.
একটা শোক কাটাইয়া উঠতে পারলাম না😭। সকাল থেকে দেখতেছি সবাই বউটার দোষ দিয়ে যাচ্ছে।আরে যার স্বামী লাখ লাখ টাকা মাসে আয় করে তার কোন জিনিসটা অপূর্ণ ছিলো বলেন?
অনেক বার ভাবছি পোস্ট করবো না। মানসিক ভাবে আমরা কেউই ভালো নেই। কিন্তু মানুষের এতো এতো পোস্ট আর ভুল ধারণার জন্য বাধ্য হইলাম🙏
Copy From
@প্রিয়তা পূজা সাহা।
"মা ভক্ত ছেলের ফায়দা নিয়ে মা ছেলের সংসার জীবনটা শেষ করল।ছেলেকে আঁচলে বেঁধে রাখতে চেয়েছিল।এই মায়ের নিউজ ইন্টারভিউটা দেখে বুঝার বাকি রইলো না কতটা ঝগড়াটে।ছেলেটার মৃ*ত্যু হয়েছে আর সে এখনো আছে ঝগড়ার টপিক নিয়ে।কিন্তু যে বউকে সবাই দোষ দিচ্ছে বিধবা হলো সে, সংসার হারালো আর শ্বাশুড়ির জন্য সংসারেও শান্তি পেলো না দিনশেষে দোষ এই অভাগী বউটার ঘাড়ে চাপানো হয়েছে।আর এই মায়ের ২ ছেলে ও মেয়ে আছে ছেলের শোক সে অন্য সন্তান দ্বারা কাটিয়ে নিবে।অথচ চার দেয়ালে কি ঘটেছে তা কেবল এই মেয়েটিই সহ্য করেছে।কোন মেয়েই খারাপ বউ হতে আসেনা তাকে খারাপ করে শ্বাশুড়ি নামক মহিলাই। এজন্যই বলে মা ভক্ত পুরুষের বউ কখনো সুখী হয়না।বোকা ছেলেরা এত অন্ধভক্ত হয় যে ভুলে যায় মা তার স্ত্রীর না। আড়ালে মায়ের কূটনীতিক ষড়যন্ত্র তারা বুঝতে যায়না।শ্বাশুড়ি নামক নারীর হিংসার মুখোমুখি যারা হয়েছে তারাই বুঝবে এটা কেমন মানসিক যন্ত্রণা!একটা মেয়ে কত স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে করে স্বামী সন্তান নিয়ে সুন্দর একটা সংসার করবে আর নিমিষেই শেষ হয়ে যায় সব যখন এরকম অবস্থা হয় ৩য় পক্ষের জন্য। "

Address

Brahmanbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cooking Gossip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share