Anamika's Kanvas

Anamika's Kanvas Welcome to my creative world.

18/09/2023

ভাল্লাগসে কথাগুলো 🤍
কয়লা যেমন শতবার ধুইলেও লাভ হয় না তেমনি বাঙালিরাও কখনোই বদলাবে না 😏

বাঙালি মুসলমানদের ধর্মীয় মূল্যবোধ খুবই অদ্ভুত! কন্যা সন্তান হলেই আহাজারি শুরু করে, "বংশের বাতি কে জ্বালাবে? শেষ বয়সে লাঠি কে হবে?" ইত্যাদি ইত্যাদি! কোনো দম্পতির সবগুলো সন্তান কন্যা হলে তো কথাই নেই!একটাই কথা, "ছেলে না থাকলে শেষ বয়সে কে দেখবে?"
আবার মেয়েটা চাকরি করলেও সমস্যা। তখন হঠাৎ করে ইসলামের কথা মনে পড়বে। অথচ বাবা মায়ের শেষ বয়সে দায়িত্ব নিতে পারবে না বলে মেয়েটাকে মানসিকভাবে যন্ত্রণা দেওয়ার সময় তাদের ইসলামের কথা মনে থাকে না। তারা ভুলে যায়, কোনো মানুষ আরেকজন মানুষের ভরসা হতে পারে না, একমাত্র আল্লাহ‌ই মানুষের শেষ ভরসা। বাঙালি মায়েরা বিশেষ করে পুত্র সন্তানের প্রতি অনেক বায়াসড হয়। গর্ভধারনের পর কারো মুখেই কখনো আসে না সুস্থ সন্তান হোক প্রথমেই দোয়া করে যেন পুত্র সন্তান হয়।

আমাদের জীবনটার কথা একটু চিন্তা করেন- খুব ছোট বেলায় আমরা ভাবি কবে বড় হবো। তারপর একটু একটু করে আমরা বড় হই। নিজকে একটু একটু...
14/09/2023

আমাদের জীবনটার কথা একটু চিন্তা করেন- খুব ছোট বেলায় আমরা ভাবি কবে বড় হবো। তারপর একটু একটু করে আমরা বড় হই। নিজকে একটু একটু করে বড় হতে দেখার মাঝে অদ্ভুত রকম একটা আনন্দও হয়।

তারপর বড় হওয়ার সাথে সাথে সেই উপলব্ধিটা বদলে যায়। শৈশবের সেই আনন্দময় চোখে দেখা সুন্দর পৃথিবী আর চারপাশটা কেমন যেন অন্যরকম হয়ে যায়!

আর মেয়ে হলে বড় হওয়ার সাথে সাথে সবসময় একটা ভাবনা জেঁকে বসে কখন যে বিদায়ের মুহূর্ত চলে আসে! একসময় এই চেনা ঘর, পরিচিত মানুষজন, বন্ধু- বান্ধব, আজন্ম বেড়ে উঠা শৈশবের হাজারো স্মৃতি এই সবকিছু ছেড়ে পাড়ি জমাতে হবে নতুন একটা পরিবেশে। নতুন মুখ, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজন এসব ভাবতে ভাবতে মেয়েটা আবিষ্কার করে যেন হুট করেই বড় হয়ে গেলাম। এই তো সেদিনও ঝুঁটি বেঁধে স্কুলে গিয়েছি; বান্ধুবীদের সাথে ইচ্ছে মতো ঘুরে বেড়িয়েছি। এসব ভেবে অনেক গুলো রাত কেটে যায় নির্ঘুম। কখনো কখনো বোকার মতে কেঁদেও ফেলে। এই তো মেয়েদের জীবন।

আমার আপনার জীবনের নিত্যদিনকার ভাবনা এগুলো। বড় হওয়াটা যেমন আনন্দের তেমনি বড় হওয়ার ফাঁকে চুরি হয়ে যাওয়া শৈশবটা বড্ড বেশিই কষ্ট দেয়। বদলে যায় জীবনের রঙ। চেনা পৃথিবী অচেনা হয়। আমার আপনার গল্প বদলায়। শুধু একটা অভিমানী অধ্যায় থেকে যায় জীবনভর। অন্য কারও কাছে না কেবলমাত্র নিজের কাছে, নিজের জীবনের কাছে। আহা!

03/09/2023

উনবিংশ শতাব্দীর হলেও আমরাও পড়ি এই জেনারেশনের ভেতরে🙂🙂🙂

এই জেনারেশনের ছেলে-মেয়েদের সোশ্যাল মিডিয়াগুলো দেখলে মনে হয় এরা আনন্দে আছে; কেউ ট্যুর দিচ্ছে, কেউ সুন্দর গান গাইছে, আবার কেউ মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্ট বাজাচ্ছে! সবাই এতো ক্রিয়েটিভ, দেখতেই ভালো লাগে।

কিন্তু এদের কারো সাথে ৫ মিনিট মন খুলে কথা বললে দেখবেন - এরা আসলে ভালো নাই। এরা সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছে; এরা 'আনন্দ' পাওয়ার জন্য করা প্রতিটা মুহুর্তই কোন-না-কোন কিছু থেকে পালিয়ে বেড়ানোর জন্য করছে!

কেউ মন খুলে কিছু বলতে চায় না! প্রত্যেকেই নিজের ভেতরে একটা পাথর নিয়ে বসে আছে। সময়ের সাথে সাথে পাথরটা বড় হচ্ছে। কেউ সে ভার বয়ে নিয়ে যেতে থাকে, আর কেউ না পেরে হাল ছেড়ে দেয়!

28/08/2023

কাজকে সম্মান করুন 🙂

কোনো মেয়ে যদি অনলাইনে business করে সেটা শাক-সবজি হোক বা কোনো beauty product হোক বা জামাকাপড় ও বেচে তাকে নিয়ে হাসবেন না। অন্তত ফেসবুকে বসে তারা ইনবক্সে লুতুপুতু করছে না। কোনো খারাপ কাজ করছে না। বরং তারা সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট হবার চেষ্টা করছে। হোক সেইটা খুবই ছোট্ট কিছু নিয়ে। ছোট হোক কিংবা বড় নিজের টাকায় চলার তৃপ্তি আলাদা সে হোক অল্প। সে যদি ঘর সংসার, বাচ্চা সব সামলে অবসরে স্টার জলসা/ জি বাংলা না দেখে "জানো অমুকে কি করেছে" টাইপ গসিপ না করে ফেসবুকে বসে নিজের ব্যবসা নিয়ে থাকাটা অনেক ভালো হোক সেটা আলু, পটল বেচে তার সেই ইচ্ছেটাকে ও সম্মান করুন 🤨

বিশ্বাস করুন রাতভর facebook, whatsapp এ চ্যাট করে ভোর রাতে ঘুমোতে যাওয়া মেয়েটার চাইতে, রাতভর জামা কাপড়, জিনিস রং তুলিতে স্বপ্ন একে সারাদিন তা ডেলিভারি দেয়া, কিভাবে কি করলে ভালো হবে তা নিয়ে ব্যস্ত থাকা মেয়েটা অনেক বেশি আধুনিক😊❤️

27/08/2023

খুবই প্রচলিত মিথ যা কখনো বাস্তব হতে দেখি নাই-

★ 'যখন বয়স হবে তখন বুঝবি ঘোরাঘুরি না করে পড়তে বসে কি উপকার হয়েছে' -

একটা বড়সড় ভুল কথা।

যে সময় চলে যায়, সে সময়ের অনুভুতি আর কখনও ফিরে আসে না। যে ইভেন্ট, যে ছুটি, যে ট্যুর মিস গেছে সেটা একেবারেই গেছে। প্রত্যেকটা বয়সে যেমন বরাদ্দকৃত পড়াশোনা থাকে তেমনি সামান্য ঘোরাঘুরি বা চিলের স্কোপও বরাদ্দ রাখতে হয়। সব কিছু পড়াশোনার জন্য বাদ দিলে একসময় পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয় - 'আরেহ! কি করলাম। কোনো মেমোরিই তৈরি করতে পারলাম না।'
কোনো মেমোরি তৈরি করতে না পারা বা কারও মেমোরিতে থাকতে না পারার আফসোসের চেয়ে বড় আফসোস আর নাই।

আমিও এভাবে বলতাম।জানতামই না এটা শিরক! জানার আছে এখনো কত বাকি!| প্রশ্নঃ বাকিটা আল্লাহর হাতে বলা যাবে কি? আমাদের মধ্যে অনে...
30/07/2023

আমিও এভাবে বলতাম।জানতামই না এটা শিরক! জানার আছে এখনো কত বাকি!

| প্রশ্নঃ বাকিটা আল্লাহর হাতে বলা যাবে কি? আমাদের মধ্যে অনেকেই কোনো একটা বিষয়ে অনিশ্চিত হলে, আমরা বলে থাকি বাকিটা আল্লাহর হাতে। এখন এই কথার মধ্যে কি শিরক মিশ্রিত আছে?

উত্তরঃজ্বি, এ কথাটি বলা যাবে না। বাকিটা আল্লাহর হাতে না, সবটাই আল্লাহর হাতে। আপনার হাতে কোনো কিছুই নাই। অনেক সময় মানুষ বলে বাকিটা আল্লাহর হাতে। এটা জায়েজ নেই।
এটা শিরক মিশ্রিত কথা। কোনোটাই আপনার হাতে নেই। অনেকে এভাবে বলে থাকে যে, আমি এটা করলাম বাকিটা আল্লাহ করবেন। বাকিটা নয়, আপনি যেটা করেছেন এটাও আল্লাহর রহমতে করেছেন।
বলতে হবে সবসময় আমি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করেছি, তাওয়াক্কুলতু আলাল্লাহ্। যতটুকু আল্লাহ তৌফিক দিয়েছেন ততটুকু করেছি বাকিটুকুর জন্য আল্লাহর উপর নির্ভর করছি।
সুতরাং বাকিটা আল্লাহর হাতে এটা বলা যাবে না। এটা শিরক মিশ্রিত কথা।

✅শাইখ ডক্টর আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ

28/07/2023

SSC তে যারা ভালো রেজাল্ট করেছো
Congratulation
আর যারা খারাপ রেজাল্ট করেছো
হতাশ হয়ো না।
তুমি এখন হতাশ হয়েছো,সে আরো ৬ বছর পর হতাশ হবে।
হতাশ হতেই হবে।
দেখবে একসময় তুমি আর সেই Golden পাওয়া বন্ধু এক সাথেই চাকরি খুঁজছো।
May be বিভিন্ন স্কিলের জোরে তুমিই আগে জব পেয়ে যাবে।
So chill ✌️

26/07/2023

"আমার তিন ডব্লিউর অর্থাৎ তিন কন্যার গল্প বলি।

১. প্রথম ডব্লিউ

নোভা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছে। আমেরিকা থেকে পিএইচডি করে বর্তমানে দেশে ফিরেছে। পিএইচডি ডিগ্রির সঙ্গে সে হিজাবও নিয়ে এসেছে। মাশআল্লাহ, কেয়া বাত হায়।

আমি যখন নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছি, তখনকার কথা। ইউনিভার্সিটি আমাকে বাগান করার জন্য দুই কাঠা জমি দিয়েছে। আমি মহা উৎসাহে শাইখ সিরাজ হয়ে গেলাম। খুন্তি, খুরপি, কোদাল কিনে এক হুলুস্থুল কাণ্ড। মহা উৎসাহে জমি কোপাই, পানি দিই। বীজ বুনি। আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী কন্যা নোভা।

বিকেল পাঁচটায় ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে দেখি, বাড়ির সামনে খুরপি ও কোদাল নিয়ে নোভা বসে আছে। প্রথমে জমিতে যেতে হবে, তারপর বাসায় ঢোকা। যেদিন ফসলে জমি ভরে গেল, সেদিনের দৃশ্য—মেয়ে গাছ থেকে ছিঁড়ে টকটকে লাল টমেটো প্লাস্টিকের বালতিতে ভরছে এবং বলছে, বাবা, আই মেইড ইট! (মেয়ে তখনো বাংলা বলা শেখেনি)।

মেয়ের আনন্দ দেখে চোখ মুছলাম।

২. দ্বিতীয় ডব্লিউ

নাম শীলা। শুরুতে ছিল শীলা আহমেদ। স্বামী এসে স্ত্রীর নামের শেষে ঘাপটি মেরে বসে থাকা বাবাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে ফেলে দেয়। এখন শীলার নামের অবস্থা কী জানি না। এই মেয়েটিও বড় বোনের মতো মেধাবী। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে অনার্স ও এমএতে ইকোনমিকসে প্রথম শ্রেণী পেয়েছে।

এখন তার গল্প। তখন শীলার বয়স ১২ কিংবা ১৩। সবাইকে নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়েছি। হোটেলে ওঠার সামর্থ্য নেই। বন্ধু ফজলুল আলমের বাসায় উঠেছি (ফজলুল আলম হচ্ছে আগুনের পরশমণির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমের ছোট ভাই।)

আমি ক্যাম্পিং পছন্দ করি, ফজলু জানে। সে বনে ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করল। আমরা জঙ্গলে এক রাত কাটাতে গেলাম। প্রচণ্ড শীত পড়েছে। তাঁবুর ভেতর জড়সড় হয়ে শুয়ে আছি। একসময় ঘুমিয়ে পড়লাম। গভীর রাতে ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দে ঘুম ভাঙল। দেখি, শীলা বসে আছে। ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আমি বললাম, মা, কী হয়েছে?
আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।
আমি বুঝলাম, এই মেয়ে কঠিন ক্লস্ট্রোফোবিয়া। আসলেই সে নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে না। আমি বললাম, গরম কাপড় পরো। তাঁবুর বাইরে বসে থাকব।
সে বলল, একা একা থাকতে পারব না। ভয় লাগে। কিছুক্ষণ একা থাকতে গিয়েছিলাম।
আমি বললাম, আমি সারা রাত তোমার পাশে থাকব।
তাই করলাম। মেয়ে একপর্যায়ে আমার কাঁধে মাথা রেখে নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাল।

সকাল হলো। মেয়ের ঘুম ভাঙল। সে বলল, বাবা, তুমি একজন ভালো মানুষ।
আমি বললাম, মা! পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, একজনও খারাপ বাবা নেই।
এখন মনে হয় শীলা বুঝে গেছে—পৃথিবীতে খারাপ বাবাও আছে। যেমন, তার বাবা।

৩. তৃতীয় ডব্লিউ

তৃতীয় কন্যার নাম বিপাশা। অন্য সব ভাইবোনের মতোই মেধাবী (বাবার জিন কি পেয়েছে? হা হা হা। আমাকে পছন্দ না হলেও আমার জিন কিন্তু মেয়েকে আজীবন বহন করতে হবে।)

এই মেয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ইকোনমিকসে অনার্স এবং এমএতে প্রথম শ্রেণী পেয়ে আমেরিকায় কী যেন পড়ছে। আমি জানি না।

আমার ধারণা, এই মেয়েটি অসম্ভব রূপবতী বলেই খানিকটা বোকা। তার বালিকা বয়সে আমি যখন বাইরে কোথাও যেতাম, সে আমার সঙ্গে একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের শিশি দিয়ে দিত। এই শিশিতে নাকি তার গায়ের গন্ধ সে ঘষে ঘষে ঢুকিয়েছে। তার গায়ের গন্ধ ছাড়া আমি ঘুমুতে পারি না বলেই এই ব্যবস্থা।

যেদিন আমি আমেরিকা রওনা হব, সেদিনই সে আমেরিকা থেকে তিন মাসের জন্য দেশে এসেছে। আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। একবার ভাবলাম, বলি—মা, অনেক দিনের জন্য বাইরে যাচ্ছি। ফিরব কি না, তা-ও জানি না। এক শিশি গায়ের গন্ধ দিয়ে দাও। বলা হলো না।

আমার তিন কন্যাই দূরদ্বীপবাসিনী। ওরা এখন আমাকে চেনে না, হয়তো আমিও তাদের চিনি না। কী আর করা?"

-
হুমায়ূন আহমেদ

26/07/2023

আমাদের জেনারেশনের সিংহভাগ অংশই মোবাইলের আলোর মধ্যে জীবনের স্বপ্নগুলো সাজিয়ে, রাঙিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছি! আমাদের চোখজোড়া পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করছে মোবাইলের ছয় ইঞ্চি ডিসপ্লেতে! আমরা আকাশ দেখছি যন্ত্রের ভিতরে, সবুজ মাঠ দেখছি যন্ত্রের ভিতরে কিংবা সমুদ্রের ঢেউ দেখছি যন্ত্রের ভিতরে!

এখর আর আমাদের হৃদয়ের ভিতরে, চোখের গভীরে কোনো মুহুর্ত জমা হয়না । এখন আমরা স্মৃতি জমায় যন্ত্রের ভিতরে!
আমরা পাহাড়ের চূড়ায় উঠে চোখ খুলে মন ভরে আকাশ দেখি না। আমাদের চোখ থাকে ক্যামেরায়, প্রতিটা মুহুর্তকে আমরা যন্ত্রের ভিতরে বন্দী করতে ব্যস্ত থাকি ।

আমরা সমুদ্রের কাছে গিয়ে সমুদ্রের গর্জনকে উপভোগ করার চেয়ে ঢেউগুলোকে ক্যামেরায় বন্দী করে নিয়ে আসাতে বেশি শান্তি পাই। সূর্যাস্তের সাথে নিজেকে ফ্রেমে আটকে রাখার আয়োজনে সূর্য ডুবে যায় কিন্তু আমাদের সেভাবে আর সূর্যাস্ত উপভোগ করা হয় না যেভাবে হওয়ার কথা ছিলো।

আমরা ফুলের ঘ্রাণ পাইনা কিন্তু আমাদের মোবাইলের গ্যালারিতে অসংখ্য ফুলের ছবি। আমরা মোবাইলেই ফুটবল খেলি, গোলের উপর গোল, ছয় কিংবা চার- সবটাই আমরা মোবাইলেই পেয়ে যাচ্ছি। আমরা মাটির গন্ধ চিনিনা।
আমাদের আড্ডা মারতে টং দোকানে যেতে হয় না, আমরা মোবাইলেই শ'খানেক বন্ধুর সাথে দিব্যি আড্ডা মারি। কাউকে জড়িয়ে ধরতে হয়না, হাসতে হাসতে কেউ গায়ে হাত দেয় না, কেউ চায়ের কাপ কিংবা বিস্কুট ছিনিয়ে নেয় না ।

কি মজার জীবন তাই না। এক অপশনের উপর হাজার অপশন। কাউকে জীবন থেকে উপড়ে ফেলে দিলে শত'অপশন হাজির।

আসলে জীবন যত সহজ হচ্ছে আমরা জীবনের আসল অনুভূতিগুলো তত হারাচ্ছি।

প্রয়োজন না হলে পরিবারের কারো সাথে কথা বলিনা ।
ফ্যামিলি টাইম বলতে আমাদের কিছুই নেই।
জীবনটা যেন আর জীবন নেই, যেন সবটাই রোবটিক ,যান্ত্রিক!
ছেলেবেলার ঠাকুরমার ঝুলির গল্পও এখন আমরা যন্ত্রের মাঝেই পেয়ে যায়। এখন কাউকে আর চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে, হাল্কা হাতে পিঠে স্পর্শ করে গল্প শোনাতে হয় না।

এই যান্ত্রিক জীবনের প্রতি মোহ একদিন কেটে যাবে আমাদের। তখন আমরা জানবো কত কি দেখা হয়নি আমাদের। বাড়ির উঠোনে কৃষ্ণচূড়া গাছটা আর নেই, জানালা দিয়ে আর আকাশ দেখা যায় না, চারপাশটা আর আগের মতো সবুজ নেই, নদী তীরে বসার জায়গা নেই।
অথচ সবটাই জানা থাকবে তবুও মনে হবে কত কি যেন এতদিন খেয়াল করা হয়নি, উপভোগ করা হয়নি, অনুভব করা হয়নি।

পৃথিবী সুন্দর, সম্পর্ক সুন্দর! এগুলো উপভোগ করতে হয় হৃদয় দিয়ে, চোখ দিয়ে, নিজস্বতা দিয়ে! যান্ত্রিকতা দিয়ে নয়!
পৃথিবী সুন্দর, সম্পর্ক সুন্দর যান্ত্রিকতার বাইরে!

চলেন, আমরা সবাই আধুনিক হই যান্ত্রিক নয়!

#পৃথিবী_সুন্দর_সম্পর্ক_সুন্দর_যান্ত্রিকতার_বাইরে 💜💜💜

24/06/2023

এখন কথা হচ্ছে, পৃথিবীতে যদি কেউ গান না গায়, কবিতা না লেখে , ছবি না আঁকে, ভাস্কর্য না বানায় , মানবজাতির কী এসে যাবে? সত্যিই তো, কবিতা লিখে সংসার চলে না, ছবি আঁকিয়েদের অনেককেই না খেয়ে থাকতে হয়, ভাস্কর্যেরই বা কী এমন গুণ? সবাই যদি ব্যাংকার হত, অথবা কাজ করতো সফটওয়্যার ফার্মে, তাহলে নিশ্চয়ই পৃথিবীটা আরো উৎপাদনশীল হত? আরো সাচ্ছন্দ্যময় হত?
মোটেও না ! আমার তো মনে হয় শিল্প-সাহিত্য-গান না থাকলে মানব সভ্যতা ধ্বংসের মুখে এগিয়ে যেত। কি, বিশ্বাস হয় না?

সভ্যতা গড়ে ওঠে কিসে? শুধুমাত্র ইট-পাথর-কনক্রিটের ইমারত দিয়ে? ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডিভাইস দিয়ে? হ্যাঁ, এগুলি সভ্যতার অপরিহার্য অনুষঙ্গ। কিন্তু সভ্যতা মানে শুধুমাত্র বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি না। শিল্প-সাহিত্য ছাড়া সভ্যতা গড়ে ওঠে না।

আমি ছবি আঁকা, গান গাওয়া, কবিতা লেখা, গল্প রচনা করা, সবকিছুকে শিল্পের একটি সমন্বিত রূপে দেখতে চাই। মানুষ একটি অনুভূতিশীল প্রাণী। যে প্রাণীর অনুভূতি এবং আবেগ যত প্রখর, সে তত উন্নত। পশু-পাখিরা শুধুমাত্র আদিম প্রবৃত্তি দ্বারা পরিচালিত। তাদের বেঁচে থাকতে হলে খাদ্য এবং বাসস্থান, এই দুই হলেই চলে। কিন্তু মানুষের চাহিদা বেশি। তার মনের খোরাক লাগে। তার বিনোদন লাগে। তার অভিমান হয়, মন খারাপ হয়, সে অনেক কিছু কল্পনা করে, যেগুলি প্রকাশের মাধ্যম হলো শিল্পকলা এবং সাহিত্য।

আদিম মানুষও কিন্তু গুহাচিত্র এঁকেছে। কেন এঁকেছে? শুধুমাত্র সেই থেকে বোধের উন্মেষ শুরু। সেই থেকে আমাদের মানুষ হওয়া শুরু।

কবিতা ভাত যোগাবে না, কবিতা কর্মসংস্থান যোগাবে না, জিডিপি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে না। একজন কবি মারা গেলে হয়তো পৃথিবীর কিছুই বদলাবে না। কিন্তু যদি এমন হয়, যে পৃথিবীতে কোন কবি নেই, কবিতা নেই, কবিতা পাঠ নিষিদ্ধ, এক বছরের মধ্যে আত্মহত্যার হার অনেক বেড়ে যাবে।
যারা ছবি আঁকে, কবিতা লেখে, গল্প লেখে,গান গায়, সবাই একটি সমন্বিত মহাঅস্তিত্বের অংশ বলে আমার মনে হয়। একই অনুভূতি কেউ গান গেয়ে প্রকাশ করে, কেউ কবিতা লিখে, কেউ ছবি এঁকে। অনুভূতির প্রখরতা যদি মানুষের না থাকতো, গল্প-কবিতাও যেমন দরকার হত না, অতি উন্নত প্রযুক্তি দিয়েও কিছু এসে যেত না।
আপনি আর আমি গাছে গাছে চড়ে বেড়াতাম আর কাঁচা মাংস খেয়ে ক্ষুধা মিটাতাম।
একজন কবি বা একজন শিল্পী মারা গেলে কিছু এসে যায় না হয়তো। কিন্তু পৃথিবীর সকল মানুষের প্রাণভোমরা রক্ষিত আছে শিল্পীদের হাতেই।

Eid Mubarak Everyone 🤍🤍🤍May this joyous occasion bring you blessings, happiness and prosperity. Have a wonderful celebra...
21/04/2023

Eid Mubarak Everyone 🤍🤍🤍
May this joyous occasion bring you blessings, happiness and prosperity. Have a wonderful celebration and a memorable time ahead🤍🤍🤍

06/04/2023

পোস্ট দেখতেছিলাম, ঈদের দিন কে কি কি করবেন?
বেশির ভাগ মানুষ কমেন্ট করছেন, 'কোনো প্ল্যান নাই, ঘুমাবো।"
খুবই আ'শ্চর্য এবং হতা'শ হলাম, কারণ অন্য সকল ডে নিয়ে সবার কত প্ল্যান থাকে। যেমন: বসন্ত বরণ, পহেলা বৈশাখ, ভ্যালেনটাইন ডে, চকলেট ডে, প্রপোজ ডে , একুশে ফেব্রুয়ারি ,বিজয় দিবস মেলা এই ডে সেই ডে তে সবাই কত কিছু করে।

অথচ স্বয়ং আল্লাহ তায়া’লা মনোনীত দিন,,ঈদের দিন। এটা বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্যে আনন্দের দিন বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন। আপ্যায়নের কথা বললে আতঙ্কে থাকেন অনেকে ই।
সকলে মিলে আনন্দ করার কথা বলেছেন।
এই দিনে আমাদের মন শো'কে কাতর হয়ে যায়, এই দিন হয় সবার বো'রিং দিন, ঘুমানোর দিন!🙂
খুবই আ'শ্চর্য হলাম🥲🥲🥲

©

Address

Chittagong
4203

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801833369260

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anamika's Kanvas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anamika's Kanvas:

Share