Akil's Kitchen

Akil's Kitchen ঘরোয়া খাবারের বিশ্বস্থ প্রতিষ্ঠান

I've just reached 300 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one...
18/12/2025

I've just reached 300 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

15/11/2025

ঝাল মিষ্টি ❤️🌿

কিছু খেতে ইচ্ছে হলে এখন আর নিজে থেকে বানানোর ঝামেলা পোহাতে হয় না 😊অর্ডার করলেই চলে আসে ঘরের দোর গোরায়।তাই দেরি না করে অর...
08/11/2025

কিছু খেতে ইচ্ছে হলে এখন আর নিজে থেকে বানানোর ঝামেলা পোহাতে হয় না 😊অর্ডার করলেই চলে আসে ঘরের দোর গোরায়।তাই দেরি না করে অর্ডার করে ফেলুন আমাদের পেইজে🌿🌿

সামনে নানান স্বাদের শীত পিঠে নিয়ে হাজির হবো।

04/11/2025

🫰

অর্ডার করতে চাইলে ইনবক্স করুন🌿
17/10/2025

অর্ডার করতে চাইলে ইনবক্স করুন🌿

🔥আমাদের প্রতিদিনের রকমারি রান্নায় প্রয়োজন হয় কিছু রেডিমেড মশলা। তাই একটু সহজ করে দিতে নিয়ে এলাম কিছু রেডিমেড মশলা রেসিপি...
21/04/2025

🔥আমাদের প্রতিদিনের রকমারি রান্নায় প্রয়োজন হয় কিছু রেডিমেড মশলা। তাই একটু সহজ করে দিতে নিয়ে এলাম কিছু রেডিমেড মশলা রেসিপি। যা বানিয়ে রাখলে অনায়াসে প্রয়োজন মত ব্যবহার করতে পারবেন ও সংসারে আপনার অনেক টা খরচ ও কমে যাবে!

👉মাংসের মশলা রেসিপি

উপকরণঃ
শুকনা মরিচ ২২টি
তেজপাতা ৪টি (মাঝারি)
দারুচিনি ১ টেবিল চামচ (ছোট টুকরা)
এলাচ ১ চা চামচ
লবঙ্গ আধা চা চামচ
কালো গোলমরিচ ১ চা চামচ
আস্ত জিরা দেড় টেবিল চামচ
আস্ত ধনিয়া ২ টেবিল চামচ
মৌরি ১ চা চামচ
জয়ত্রী ১টি (ছোট)
জায়ফল অর্ধেক
হলুদ গুঁড়া দেড় টেবিল চামচ

প্রনালিঃ
চুলায় প্যান বসিয়ে শুকনা মরিচ টেলে নিতে হবে। এরপর সব মশলা গরম প্যানে টেলে নিন। ঘ্রাণ বের হলে নামিয়ে ফেলুন। ব্লেন্ডারে অথবা পাটায় পিষে নিন সব মশলা। মশলা তৈরি হয়ে গেলে হলুদ গুড়া মিশিয়ে দিন। মসলা রেডি হয়ে গেল। মাংস রান্না করার সময় এই মসলা ভালো করে কষিয়ে নেবেন ও স্বাদ মতো লবণ দিয়ে দেবেন। মসলা শুকনো বয়ামে ভরে রেখে দিলে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে।

👉 মাছের মশলা রেসিপি

উপকরনঃ
জিরা ১ চামচ
মৌরি ১ চামচ
সরিষা ১ চামচ
শুকনো মরিচ- ২টি
পাঁচফোড়ন ১/২ চামচ
গোলমরিচ ১/২ চামচ
রাঁধুনী ১/২ চামচ

প্রনালিঃ
সব উপকরণ একসঙ্গে সামান্য ভেজে নিতে হবে। চাইলে ভাজা ছাড়াও গুঁড়া করতে পারবেন। তবে হালকা ভেজে নিলে গন্ধটা সুন্দর হবে। ভেজে নিয়ে এরপর ঠান্ডা করে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ডার না থাকলে পাটায় গুঁড়া করে নিন। মাছের মসলা কষানোর সময় এই গুঁড়া থেকে এক চা চামচ ব্যবহার করলেই স্বাদ ও গন্ধ বেড়ে যাবে। আরও কম মসলা খেতে চাইলে আধা চা চামচও দিতে পারেন। এই সাধারণ মসলা ব্যবহারেই আপনার মাছ রান্না হয়ে উঠবে অসাধারণ।

👉কাবাব মশলা রেসিপি

উপকরনঃ
শুকনা মরিচ ১০-১২টি
ধনিয়া ৬ টেবিল চামচ
জিরা ৫ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
লবঙ্গ ৬টি
বড় এলাচ ৪টি
ছোট এলাচ ৫-৬টি
তেজপাতা ৩টি
দারুচিনি ৫টি ১ ইঞ্চি লম্বা
জয়ফল ১টি
জয়ত্রী আধা চা চামচ
মেথি ১ চা চামচ
মৌরি ১ চা চামচ
সাদা গোলমরিচ ১ চা চামচ
কাবাব চিনি ১ চা চামচ
পোস্ত দানা ২ টেবিল চামচ
আস্ত সরিষা ২ টেবিল চামচ
আজোয়য়াইন/জোয়াইন ১ চা চামচ
বিট লবণ পরিমাণমতো

প্রনালিঃ
এখানে যেসব মসলা আস্ত সেগুলো আলাদা করে মিকশ্চারে খুব ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এরপর চালুনি দিয়ে চেলে নিয়ে বাকি গুঁড়া মসলার সঙ্গে মিক্স করে ঘণ্টা দুয়েক রোদে শুকাইতে হবে। রোদে শুকানোর সুযোগ না থাকলে চুলার নিচে একটি ট্রেতে ঘণ্টাখানে রাখা যেতে পারে। এই মসলা থেকে প্রতি কেজি মাংসে ১ টেবিল চামচ দিয়ে কাবাব তৈরি করে ফেলুন।

👉 বিরিয়ানি মশলা রেসিপি

উপকরনঃ
১ চা চামচ এলাচ
২ টি কালো এলাচ ছোট
১ টেবিল চামচ দারুচিনি
১ টা জয়ফল মাঝারি
১ টি জয়ত্রী বড়
১/২ চা চামচ কালো গোলমরিচ
১/২ চা চামচ লবঙ্গ
৪ টি তেজপাতা
১ টেবিল চামচ ধনিয়া
দেড় টেবিল চামচ জিরা
১ চা চামচ মৌরি বা মিষ্টি জিরা
১ চা চামচ শাহী জিরা
১ চা চামচ কাবাবচিনি
১ টা তারকা মৌরি ছোট
১৫ থেকে ২০ টা শুকনা মরিচ
১.৫ চা চামচ আদা গুঁড়ো
১ চা চামচ রসুন গুঁড়ো
১/৪ চা চামচ জাফরান বা জর্দার রং

প্রনালিঃ
গুঁড়ো মশলা গুলো বাদে সবকিছু একসাথে মিশিয়ে নিন। তারপর অর্ধেক মশলা না ভেজে কাঁচা অবস্থায় গুঁড়ো করে নিন এবং বাকি অর্ধেক শুকনো তাওয়াতে হালকা করে ভেজে গুঁড়ো করে নিন। তারপর আগে থেকে নেয়া গুঁড়ো মশলা গুলো দিয়ে একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এভাবে করলে ভাজা এবং কাঁচা দুইরকম মশলার মিক্স হবে আর ফাইনাল বিরিয়ানী মশলার সুগন্ধ অনেক চমৎকার আসবে। এটাই আমাদের হোমমেড বিরিয়ানী মশলা।
এখানে যা মশলা হবে তা দিয়ে ২ কেজি মাংসের বিরিয়ানী রান্না করা যাবে। একবারে বেশি করে বানালে এয়ারটাইট বক্সে রেখে ৬ মাস পর্যন্ত ব্যাবহার করা যাবে। তবে তিন মাসের মধ্যে যেকোনো মশলা শেষ করা ভালো। এতে করে মশলার সুগন্ধ বেশি ভালো পাওয়া যায়।

👉 তেহারি মশলা রেসিপি

তেহারি আর বিরিয়ানির মধ্যে কিন্তু একটা সুক্ষ পার্থক্য আছে। রান্নার পদ্ধতিতে পার্থক্য তো আছেই সে সাথে তেহারি বিরিয়ানির তুলনায় অনেক হালকা মশলাদার হয় এবং রংটাও অনেক লাইট থাকে বিরিয়ানির মতো কালারফুল হয় না।

উপকরনঃ
১ টেবিল এলাচ
২ ইঞ্চি মাপের ২ টুকরা দারুচিনি
একটা জয়ফল মাঝারি সাইজের
২ টা জয়ত্রী
১/২ চা চামচ সাদা গোলমরিচ

প্রনালিঃ
এই সব একসাথে না ভেজে কাঁচা অবস্থায় গুঁড়ো করে নিতে হবে। এটাই আসল তেহারি মশলা। প্রতি কেজি মাংসে ১ টেবিলচামচ করে এই মশলা ব্যবহার করতে হবে। একবারে বেশি করে বানালে এয়ারটাইট বক্সে রেখে ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

"চালতার আচার – স্বাদ ও পুষ্টির অনন্য সংযোগ! 🍏✨"শুধু স্বাদে নয়, চালতার আচার শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী! এটি মুখের ঘা সারাত...
13/04/2025

"চালতার আচার – স্বাদ ও পুষ্টির অনন্য সংযোগ! 🍏✨"

শুধু স্বাদে নয়, চালতার আচার শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী! এটি মুখের ঘা সারাতে, চামড়ার উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং হজম শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খান, সুস্থ থাকুন! 💚

📦 অর্ডার করতে:
✅ ইনবক্স করুন ✉️

🧂🥫বিরিয়ানি মশলা রেসিপি 😋🔹উপকরনঃ কাশ্মিরী লাল মরিচ- ৫টিগোটা ধনে- ৩ টেবিল চামচ তেজপাতা- ৫টিজিরা- ১ টেবিল চামচশাহি জিরা- ১ ...
10/04/2025

🧂🥫বিরিয়ানি মশলা রেসিপি 😋

🔹উপকরনঃ
কাশ্মিরী লাল মরিচ- ৫টি
গোটা ধনে- ৩ টেবিল চামচ
তেজপাতা- ৫টি
জিরা- ১ টেবিল চামচ
শাহি জিরা- ১ টেবিল চামচ
জয়ত্রী- ১ টেবিল চামচ
দারুচিনি- ২ স্টিক
লবঙ্গ- ১ চা চামচ
বড় এলাচ- ৩টি
স্টার আনিস- ২টি
গোটা গোলমরিচ- ১ টেবিল চামচ
ছোট এলাচ- ১০টি
জয়ফল গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ।

🔹প্রনালিঃ
👉 শুকনো কড়াইতে গোটা মশলাগুলো ড্রাইরোস্ট করে নিতে হবে। প্রথমে কড়াইতে তেজ পাতা ও শুকনো মরিচ কেটে কেটে ফেলে দিন। কম আঁচে রেখে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। রঙ বদলাতে শুরু করলে এই দুটো উপাদান নামিয়ে নিন। এবার ওই কড়াইতে এবার দিন দারুচিনি, জয়ত্রী ,লবঙ্গ , ছোট এলাচ, স্টার অ্যানিস, গোটা গোলমরিচ ও বড় এলাচ। এগুলোও কম আঁচে রেখে নাড়াচাড়া করুন। মশলা ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

আবার ওই কড়াইতে গোটা জিরে, গোটা ধনে, শাহি জিরে ও মৌরি দিয়ে ভেজে নিন। এই মশলাগুলো ভাজা হয়ে গেলে সব মশলা গুলোকে ঠান্ডা করে এক সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এবার এই মশলাগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। মশলা গুঁড়ো হয়ে গেলে এতে জায়ফল গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এবার একটি কাঁচের জারে বা কৌটোতে মশলাটা রেখে দিন। যে পাত্রে রাখবেন সেটা যেন শুষ্ক হয়। আর সূর্যালোকে যেন না আসে মশলাটা, সেই দিকে খেয়াল রাখুন।
ধন্যবাদ

বাসার তৈরী বিভিন্ন সুস্বাদু ও টাটকা খাবারের জন্য চলে আসুন আকিল’স কিচেনে। আমাদের সপ হচ্ছে- কোর্ট বিল্ডিং মসজিদ মার্কেট, ১...
31/12/2024

বাসার তৈরী বিভিন্ন সুস্বাদু ও টাটকা খাবারের জন্য চলে আসুন আকিল’স কিচেনে।
আমাদের সপ হচ্ছে- কোর্ট বিল্ডিং মসজিদ মার্কেট,
১০ নং দোকান, কোর্ট হিল, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম।

23/03/2024

মানুষ মুখ ফুটে সুখ বলে, নিজেকে সুখী দেখায়।
কিন্তু মানুষ মুখ ফুটে দুঃখ বলে না,
যতক্ষণ না কেউ তা ভীষণ বায়না করে জানতে চায়।

 #রমজান স্পেশাল 🎀টিপস🎀🍀ইফতার থেকে সাহরী পর্যন্ত বেশি করে পানি পান করুন।এ সময় আপনার সারাদিনের পানির ঘাটতি পূরন করতে হবে।ত...
15/03/2024

#রমজান স্পেশাল
🎀টিপস🎀
🍀ইফতার থেকে সাহরী পর্যন্ত বেশি করে পানি পান করুন।এ সময় আপনার সারাদিনের পানির ঘাটতি পূরন করতে হবে।
তাই সরবত, ডাবের পানি , লেবুর শরবত পান করুন।মনে রাখবেন পানি একমাএ মেডিসিন যা আপনার অনেক রোগ যেমন -মাথা ব্যাথা , শরীরে জ্বালা পোড়া ওঘুম কম হওয়া ,প্রস্রাবে ইনফেকশন ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাবে।
তাই নিজেকে সতেজ রাখুন।
🍀ইফতারের মেনুতে টক দই রাখতে পারেন। টক দই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। পাকস্থলীর জ্বালা পোড়া ভাব কমায়।এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🍀ইফতারে ৩/৪টি খেজুর খেয়ে পানি পান করুন। খেজুরের সুক্রোজ পানির সাথে মিশে তা প্রান শক্তি এনে দেবে।
🍀ইফতারে ভাজা ছোলার পরিবর্তে কাঁচা ছোলা গ্রহন করুন।কাঁচাছোলা রক্তের কোলেস্ঠেরল দূর করতে ও কোস্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
🍀রোজা রাখার ফলে শর্করার মাত্রা কমে গেলে যাদের মাথাব্যাথা বা মাথা ঘোরা জনিত সমস্যা দেখা দেয় তারা ৩/৪টি খেজুর দিয়ে ইফতার করুন। এটি দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা পুরন করতে সহায়তা করবে।
🍀খেজুর বা খোরমা অবশ্যই খাবেন। এতে আছে শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, ক্লোরিন ফাইবার, যা সারা দিন রোজা রাখার পর খুবই দরকারি।

🍀চিনিযুক্ত খাবার বাদ দিলে ভালো হয়। এটা খুব তাড়াতাড়ি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ওজন বাড়ায়। তাই যথাসম্ভব চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার কম খান।

🍀সবজি ও ফল খেতে হবে নিয়মমতো। তা না হলে এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য হবে নিত্যসঙ্গী।

🍀এই গরমে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি না খেলে হজমের সমস্যা হবে। ইফতারের পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত একটু পরপর পানি খেতে হবে।

🍀সুষম খাবার খেতে হবে। আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, দুধ, দই, মিনারেল, আঁশ ইত্যাদি খেতে হবে নিয়মমতো।

🍀আঁশসমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল আটা, বাদাম, বিনস, শস্য, ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে। এগুলো হজম হয় আস্তে আস্তে, তাই অনেক সময় পর ক্ষুধা লাগে। রক্তে চিনির পরিমাণ তাড়াতাড়ি বাড়ে না।

🍀কাচা ছোলা খাওয়া ভালো। তবে তেল দিয়ে ভুনা করে খাওয়া ঠিক না।

🍀চা, কফির মাত্রা কমাতে হবে। তা না হলে পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

🍀সারাদিন রোজা রাখার পর ক্যাফেইন যুক্ত কোমল পানিয় চা-কফি না খাওয়াই ভালো।কেননা এ ধরনের পানিয় শরীর থেকে লবন ও পানি বের করে দেয়।

🍀সাহরিতেও খুব বেশি খাওয়া বা সাহরি না খাওয়াও ঠিক না। সাহরি না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে।

🍀অনেকেই সেহরির সময় উঠে ভাত খেতে পারেন না বা খান না।না খেয়ে রোজা রাখার চাইতে অন্তত সহজ পাচ্য খাবার দই চিড়া খেয়ে রোজা রাখতে পারেন। এতে ডায়াবেটিস এর ও কোন সমস্যা হবে না।

🍀সেহরি খাবার পর ছোট এলাচির ২/৩পিস দানা চিবিয়ে খেয়ে নিন।তাতে আপনার মুখের ভিতর শুকিয়ে যাবে না এবং সারাদিন পিপাসা লাগবে না ইনশাআল্লাহ।

🍀বর্জন করতে হবে ভাজা-পোড়া ও গুরুপাক খাবার যেমন: ছোলা ভুনা, পেঁয়াজি, বেগুনি, চপ, হালিম, বিরিয়ানি ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।

🍀সেহরিতে দুধ ও পটাসিয়াম যুক্ত খাবার খান। কারন পটাসিয়াম শরীরের পানি ধরে রাখে।ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে।এবং দূর্বলতা কমায়।দুধ সারাদিনের পুস্টি যোগায়।এবং হজম হতে সময় লাগে বলে ক্ষুধা কম লাগে। পটাসিয়াম যুক্ত খাবার হতে পারে খেজুর শাক কলা ইত্যাদি।

🍀প্রতিবেলা মাংস না খেয়ে অন্তত একবেলা মাছ খেতে চেষ্টা করতে হবে।

🍀সহজপাচ্য খাবার, ঠান্ডা খাবার যেমন দই, চিড়া খাবেন। তাহলে সারা দিন রোজা রাখা নাজুক পাকস্থলী ঠিকমতো খাবার হজম করতে পারবে।

🍀কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ইসবগুল খেতে পারেন।

🍀বেশি দুর্বল লাগলে ডাবের পানি বা স্যালাইন খেতে পারেন ইফতারের পর।

🍀কোমল পানীয় ঘুমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, আলসার ইত্যাদির কারন হতে পারে তাই রোজাতে এগুলো বর্জন করা হিতকর।
লেখা-সংগৃহীত
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন। ধন্যবাদ।

 #জলপাই_আচার_এর_পুষ্টিগুণ:জলপাই এর আচার হচ্ছে টক জাতীয় খাবার, এতে অনেক উপকারী ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে কারন জলপাই এ...
22/02/2024

#জলপাই_আচার_এর_পুষ্টিগুণ:

জলপাই এর আচার হচ্ছে টক জাতীয় খাবার, এতে অনেক উপকারী ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে কারন জলপাই এর খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। প্রেগ্ন্যাসিতে জলপাই এর আচার খাওয়ার রুচি বৃদ্ধি করে।
তাছাড়া পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদান্ত, কোলনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ... সাধারণত আমরা জলপাইয়ের আচার করে খাই।এটি সারাবছর সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

জলপাই আচার এভেলএবল আছে।

অর্ডার এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

Address

নাছিরাবাদ, পাঁচলাইশ চট্রগ্রাম
Chittagong
4211

Telephone

+8801626750882

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akil's Kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akil's Kitchen:

Share