Atika's Garden&cooking

Atika's Garden&cooking Outdoor and Indoor plants and other essential products for those who love nature.
(40)

11/04/2026

#বাবাআমার #মা #পরকাল #মৃত্যু #একদিন #সত্য
দুনিয়া আর আখিরাতে থাকা সকল বাবা মায়ের জন্য দোয়া ভালো রাখুক আল্লাহ সব সময়।যেভাবে ছোট বেলায় আমাদের ভালো রেখেছেন,যত্ন করেছেন,লালন পালন করেছেন।
প্রতি দিন ২রাকাত নফল নামাজ পড়ে,দুয়া দুরুত করে তাদের জন্য গুনাহ মাফের জন্য সুপারিস করবেন।
এটা আমাদের সন্তানদের জন্য এখন দায়িত্ব আর কর্তব্য।।

কথা সত্যি।।
04/04/2026

কথা সত্যি।।

জীবনে অনেক কবর খুঁড়েছি। কিন্তু গত জুমাবার রাতের সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা আজও আমার বুক কাঁপিয়ে দেয়। ঘটনাটা কাউকে বিশ্বাস করাতে...
02/04/2026

জীবনে অনেক কবর খুঁড়েছি। কিন্তু গত জুমাবার রাতের সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা আজও আমার বুক কাঁপিয়ে দেয়। ঘটনাটা কাউকে বিশ্বাস করাতে পারব কি না জানি না।🤔
কিন্তু আমার নিজের চোখের সামনে ঘটা দৃশ্য তো আর আমি অস্বীকার করতে পারি না!

সেদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি ☔ গোরস্তানের মাটি একেবারে থিকথিকে কাদা হয়ে আছে। এশার নামাজের পর ফোন এলো 📱

ভাই একটা লাশ আসছে হাসপাতাল থেকে। বেওয়ারিশ লাশ। কেউ নেই।😭
তাড়াতাড়ি একটা কবরের ব্যবস্থা করেন।

বৃষ্টির মধ্যে এমন কাদা-মাটিতে কবর খোঁড়া যে কত বড় কষ্টের কাজ, তা শুধু একজন গোরখোদকই জানে।

আমি আর আমার সহকারী সাইফুল কোদাল নিয়ে নামলাম।
বিরক্ত লাগছিল খুব।
ভাবছিলাম, এমন দুর্যোগের রাতে কার লাশ এলো ভাই!

কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার শুরু হলো কোদাল মাটিতে পড়ার পর থেকেই।🤔

সাধারণত বৃষ্টির পর এই গোরস্তানের মাটি আঠালো হয়ে যায়, কোদাল চালানো যায় না।
কিন্তু সেদিন...
সুবহানআল্লাহ! মাটি যেন তুলোর মতো নরম হয়ে আসছিল।
সাইফুল অবাক হয়ে বলল, "উস্তাদ, ব্যাপার কী?
মাটি এত ঝুরঝুরে লাগতেছে কেন?
মনে হইতেছে কেউ আগে থাইকাই আমাদের জন্য মাটি খুঁইড়া রাখছে!"

আমি ধমক দিয়ে তাকে কাজ করতে বললাম।
কিন্তু আমার নিজের বুকেও তখন বিস্ময়।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেলাম কবর খোঁড়া শেষ হওয়ার পর।
গোরস্তানের এই কোণায় ময়লা-আবর্জনার গন্ধ থাকে সবসময়।
কিন্তু হঠাৎ করেই চারপাশটা একটা অদ্ভুত, স্নিগ্ধ সুবাসে ভরে গেল।
কোনো আতরের গন্ধ নয়, মনে হলো যেন এক সাথে হাজারটা হাসনাহেনা আর গোলাপ ফুল ফুটেছে!
বৃষ্টির সোঁদা গন্ধের সাথে সেই সুবাস মিলে এমন এক পরিবেশ তৈরি হলো🌹💐🌷🪷❤️
আমার মনে হলো আমি দুনিয়ার কোনো বাগানে নেই।

এর কিছুক্ষণ পরই অ্যাম্বুলেন্স এলো 🚑
মাত্র তিনজন মানুষ লাশের সাথে।
হাসপাতালের একজন স্টাফ, আর দুজন অপরিচিত লোক।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, মৃত ব্যক্তি কে?
উনার কোনো আত্মীয়স্বজন নেই?"

হাসপাতালের স্টাফ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "না ভাই 😭 উনি শহরের ওই বড় সিগন্যালটার পাশে বসে জুতো সেলাই করতেন।
মুচি ছিলেন। আজ বিকেলে হঠাৎ স্ট্রোক করে মা'রা গেছেন। কেউ নেই উনার 😭

আমি অবাক হয়ে লাশের দিকে তাকালাম।
সাধারণ সস্তা কাফনের কাপড়ে মোড়ানো একটা জীর্ণ শরীর।
যখন তাকে কবরে নামানো হচ্ছিল, তখনো সেই মিষ্টি সুবাসটা যেন আরও তীব্র হলো। ❤️
এত প্রশান্ত একটা চেহারা আমি জীবনে কোনো লাশের দেখিনি।
মনে হচ্ছিল, সারা জীবনের ক্লান্তি শেষে মানুষটা পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে।❤️
তার ঠোঁটের কোণে যেন একটা হালকা হাসির রেখা😘

দাফন শেষ করে আমি আর সাইফুল যখন ফিরে আসছি, তখন দেখলাম লাশের সাথে আসা ওই দুজন অপরিচিত লোক অঝোরে কাঁদছেন 😭😭
তাদের চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল তারা বেশ অবস্থাসম্পন্ন।

আমি আর কৌতূহল ধরে রাখতে পারলাম না।
এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, আপনারা কি উনার আত্মীয়?"

তাদের মধ্যে একজন চোখ মুছে বললেন, "না ভাই। আমরা উনাকে চিনতামও না সেভাবে।
কিন্তু আজ বিকেলে উনি যখন রাস্তায় পড়ে যান, আমরাই উনাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।🚑
ডাক্তার মৃত ঘোষণার পর উনার ছেঁড়া ব্যাগের 💼 ভিতর থেকে একটা পুরোনো ডায়েরি পাই 📝📘
সেটা পড়েই আমরা চমকে গেছি।"🤔

তিনি ডায়েরিটা বের করলেন। "জানেন ভাই?
এই লোকটা সারা দিন জুতো সেলাই করে যা পেতেন, তার নিজের জন্য রাখতেন মাত্র কয়েকটা টাকা।💸
বাকি সব টাকা উনি গোপনে একটা এতিমখানায় দিয়ে আসতেন।❤️
গত দশ বছর ধরে একটা পঙ্গু মেয়ের চিকিৎসার পুরো খরচ এই মুচি লোকটা দিয়ে আসছিল, অথচ মেয়েটা নিজেও জানে না টাকাটা কে দেয়!
ডায়েরিতে শুধু হিসাব লেখাঃ 'আজ এতিমখানার জন্য ২০০ টাকা💸আজ রাবেয়ার ওষুধের জন্য ১৫০ টাকা💸

লোকটার কথা শুনে আমার পুরো শরীর অবশ হয়ে এলো।
চোখের পানি আর আটকে রাখতে পারলাম না।
আমি ফিরে তাকালাম সেই নতুন কবরটার দিকে। বুঝতে পারলাম, কেন রাতের অন্ধকারে এই কর্দমাক্ত মাটি তুলোর মতো নরম হয়ে গিয়েছিল।❤️
কেন চারপাশটা জান্নাতি সুবাসে ভরে উঠেছিল।🥰

দুনিয়ার চোখে তিনি ছিলেন রাস্তার ধারের এক সাধারণ মুচি!
কেউ তাকে দাম দিত না। কিন্তু আল্লাহর চোখে তিনি ছিলেন কতটা সম্মানিত, তা বিদায় বেলায় প্রকৃতি নিজেই সাক্ষ্য দিয়ে গেল।❤️❤️

গোপন আমল আল্লাহ কতটা পছন্দ করেন, সেদিন এই ঘটনা না দেখলে হয়তো কোনোদিনও বুঝতাম না!

ঘটনাটা যদি আপনার মনে একটু হলেও ছুঁয়ে যায়, তাহলে সেয়ার করে পাশে থাকুন।
হয়তো আরেকজনের মনেও ঘটনাটা জায়গা করে নেবে।❤️🥰
©[দান কতটা ভালো তা যদি মানুষ জানতো🥹]
#মৃত্যু

কিছু ভালো লাগেনা!!🥺।এটা কবে আল্লাহ  ঠিক করে দিবে তিঁনি ছাড়া কেও জানেনা😓।যতটুকুন ঘুমাই, শান্ত। যখনই জাগি আবার মন অশান্ত  ...
29/03/2026

কিছু ভালো লাগেনা!!🥺।
এটা কবে আল্লাহ ঠিক করে দিবে তিঁনি ছাড়া কেও জানেনা😓।
যতটুকুন ঘুমাই, শান্ত।
যখনই জাগি আবার মন অশান্ত হয়ে যায়।
মায়ের সাথে কাটানো সব মুহুর্ত গুলো ভেসে উঠে চোখের সামনে।😥

"রাববীর হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানী সাগীরা "

সূরা কাহফ—৪টা গল্প, ৪টা শিক্ষাঅনেকেই প্রতি জুমায় সূরা কাহফ পড়েন।কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে—আমরা কি শুধু পড়ি, নাকি বুঝেও প...
28/03/2026

সূরা কাহফ—৪টা গল্প, ৪টা শিক্ষা

অনেকেই প্রতি জুমায় সূরা কাহফ পড়েন।

কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে—

আমরা কি শুধু পড়ি, নাকি বুঝেও পড়ি?

কারণ সূরা কাহফ শুধু তিলাওয়াতের সূরা না। এটা বোঝার সূরা। ভাবার সূরা। নিজের জীবনকে যাচাই করার সূরা।

এই সূরায় আছে ৪টা অসাধারণ গল্প। আর প্রতিটি গল্পে আছে এমন শিক্ষা, যা একজন মানুষের চিন্তা, ঈমান, ধৈর্য, এবং দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে।

আজকের পোস্টে আমরা সেই ৪টি গল্পের দিকে তাকাবো— আর দেখবো, আসলে সূরা কাহফ আমাদের কী শেখাতে চায়।

সূরা কাহফ সম্পর্কে সংক্ষেপে

সূরা কাহফ একটি মক্কী সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ১১০।

নবীজি ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহফ পড়বে, তার জন্য দুই জুমার মাঝখানে নূর জ্বলবে।

আর সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, এর শুরুর ১০ আয়াত দাজ্জালের ফিতনা থেকে হিফাজতের কারণ হবে।

অর্থাৎ, এই সূরার সাথে শুধু ফজিলতই জড়িত না, এর সাথে জড়িত ফিতনা থেকে বাঁচার শিক্ষা।

আর এ কারণেই সূরা কাহফকে শুধু পড়লেই হবে না, বোঝাও দরকার।

গল্প ১: আসহাবে কাহফ—ঈমান বাঁচানোর গল্প

সূরা কাহফের প্রথম বড় গল্প হলো গুহার যুবকদের গল্প।

একদল যুবক ছিল, যারা আল্লাহকে মানতো। কিন্তু তাদের সমাজ ছিল শিরকে ভরা। চারপাশে মূর্তিপূজা, অন্যায়, চাপ, হুমকি।

তাদের সামনে দুটো পথ ছিল— একটা হলো সমাজের সাথে মিশে গিয়ে ঈমান হারিয়ে ফেলা, অন্যটা হলো কষ্ট মেনে নিয়ে ঈমান আঁকড়ে ধরা।

তারা দ্বিতীয় পথটা বেছে নিল।

শহর ছেড়ে বের হয়ে গেল। গুহায় আশ্রয় নিল। আর আল্লাহ তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে রাখলেন বহু বছর।

যখন তারা জাগলো, তখন দুনিয়া বদলে গেছে।

এই গল্প আমাদের কী শেখায়?

এটা শেখায়— ঈমান সবার আগে।

যুবকরা আরাম বেছে নেয়নি। সমাজের প্রশংসা বেছে নেয়নি। নিরাপদ অবস্থান বেছে নেয়নি।

তারা ঈমান বেছে নিয়েছে।

আজও এই শিক্ষা খুব প্রয়োজন।

যখন চাকরি আর দ্বীনের মধ্যে টান পড়ে, যখন ব্যবসা আর হারাম-হালালের মধ্যে পার্থক্য মুছে যেতে চায়, যখন সমাজের চাপের কারণে কেউ হিজাব, দাড়ি, সত্য, নামাজ, বা দ্বীনের কোনো অংশ ছেড়ে দিতে চায়— ঠিক তখন আসহাবে কাহফের গল্প মনে করিয়ে দেয়—

দুনিয়া হারালে সব হারায় না।
ঈমান হারালে সব হারায়।

তাদের দোয়াটা খুব গভীর—

رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

অর্থাৎ— হে আমাদের রব, তোমার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দাও এবং আমাদের কাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করো।

যে মানুষ কঠিন সিদ্ধান্তের সামনে দাঁড়ায়, তার জন্য এই দোয়া আজও জীবন্ত।

গল্প ২: দুই বাগানের মালিক—অহংকারের পরিণতি

দ্বিতীয় গল্পটা দুইজন মানুষের।

একজন ছিল ধনী। তার ছিল বিশাল বাগান, ফসল, নদী, সম্পদ, সবকিছু।

আরেকজন ছিল তুলনামূলক গরিব। কিন্তু তার ছিল ঈমান, বিনয়, আর সঠিক দৃষ্টি।

ধনী ব্যক্তি নিজের সম্পদ দেখে অহংকারী হয়ে গেল। সে ভাবলো— এগুলো কখনও শেষ হবে না। আমিই বড়। আমার চেয়ে শক্তিশালী আর কে?

সে শুধু সম্পদের ওপর ভরসা করলো না, বরং আখিরাত নিয়েও সন্দেহ দেখালো।

আর গরিব সঙ্গী তাকে সতর্ক করলো— এসব আল্লাহর দান। অহংকার কোরো না। বল— মাশাআল্লাহ, লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

কিন্তু সে শোনেনি।

তারপর একদিন তার বাগান শেষ। সব ধ্বংস। সব শুকিয়ে গেল। সবকিছু ভেঙে পড়লো।

এই গল্পের শিক্ষা কী?

এটা শেখায়— অহংকার ধ্বংস ডেকে আনে।

আল্লাহ সম্পদ দিলে, সেটা পরীক্ষা। সেটা স্থায়ী মালিকানা না।

আজকের জীবনেও এই শিক্ষা খুব প্রয়োজন।

কেউ চাকরি পেলে ভাবে— এটা আমার যোগ্যতায় হয়েছে।

কেউ ব্যবসায় সফল হলে ভাবে— এটা শুধু আমার বুদ্ধির ফল।

কেউ সুন্দর বাড়ি, গাড়ি, ফলোয়ার, ক্ষমতা, নাম—এসব পেলে মনে করে, আমি অন্যদের চেয়ে বড়।

ঠিক এখানেই বিপদ।

কারণ মানুষ যখন নেয়ামতকে আল্লাহর রহমত না ভেবে নিজের কৃতিত্ব ভাবে, তখন তার ভেতরে অহংকার জন্ম নেয়।

সূরা কাহফ শেখায়— সম্পদ পেলে বলো, মাশাআল্লাহ। নিজেকে বড় ভাবো না। গরিবকে তুচ্ছ কোরো না। কারণ আল্লাহ চাইলেই চোখের পলকে সব বদলে যেতে পারে।

গল্প ৩: মূসা (আ.) ও খিজির—যা দেখছেন, সবটাই শেষ সত্য নয়

তৃতীয় গল্পটা খুব গভীর। এটা ধৈর্য, বোধ, এবং আল্লাহর অদৃশ্য পরিকল্পনার প্রতি আস্থার গল্প।

মূসা (আ.) খিজির (আ.)-এর সাথে সফরে গেলেন, আর পথে এমন কিছু ঘটনা দেখলেন, যা বাইরে থেকে অন্যায়, অযৌক্তিক, এমনকি কষ্টদায়ক মনে হয়েছিল।

একটা নৌকায় ক্ষতি করা হলো। একটা বালককে হত্যা করা হলো। একদল কৃপণ মানুষের গ্রামে গিয়ে তাদের জন্যই একটা দেয়াল মেরামত করা হলো।

মূসা (আ.) প্রতিবার প্রশ্ন করলেন। কারণ বাহ্যিকভাবে এসব কাজের অর্থ বোঝা যাচ্ছিল না।

কিন্তু শেষে খিজির (আ.) ব্যাখ্যা দিলেন— আর তখন বোঝা গেল, যা বাইরে থেকে খারাপ দেখাচ্ছিল, তার পেছনে ছিল রহমত, সুরক্ষা, এবং গভীর হিকমত।

এই গল্পের শিক্ষা কী?

এটা শেখায়— আল্লাহর পরিকল্পনা আপনার দেখা দৃশ্যের চেয়েও বড়।

আমরা জীবনে কত কিছু দেখি, যা সঙ্গে সঙ্গে বুঝি না।

কোনো চাকরি চলে যায়। কোনো সম্পর্ক ভেঙে যায়। কোনো বিয়ে হয় না। কোনো সুযোগ হাতছাড়া হয়। কোনো অসুখ আসে। কোনো দুঃখ দীর্ঘ হয়।

তখন আমরা প্রশ্ন করি— কেন?

সূরা কাহফ বলে— সব “কেন”-এর উত্তর সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায় না।

কিছু জিনিসের ব্যাখ্যা পরে মেলে। কিছু জিনিসের ব্যাখ্যা আখিরাতে মেলে। আর কিছু জিনিসের ব্যাখ্যা শুধু আল্লাহই জানেন।

এই গল্প আমাদের শেখায়— সব সময় বুঝতে না পারলেও, বিশ্বাস রাখতে হবে।

যে রব নৌকার ভেতরে রহমত লুকিয়ে রাখতে পারেন, যে রব কষ্টের পেছনে মঙ্গল রাখতে পারেন, তিনি আপনার জীবনেও বৃথা কিছু ঘটতে দেন না।

গল্প ৪: জুলকারনাইন—ক্ষমতা মানে সেবা, অহংকার না

চতুর্থ গল্পটি জুলকারনাইনের।

আল্লাহ তাকে দিয়েছিলেন ক্ষমতা, ভূখণ্ড, সামর্থ্য, জ্ঞান, শক্তি।

কিন্তু তিনি সেই ক্ষমতাকে নিজের বড়ত্ব দেখানোর জন্য ব্যবহার করেননি।

তিনি মানুষের উপকারে ব্যবহার করেছেন। অসহায়দের সাহায্য করেছেন। ইয়াজুজ-মাজুজের ফিতনা থেকে মানুষকে বাঁচাতে প্রাচীর নির্মাণ করেছেন।

সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো— এত বড় কাজ করার পরও তিনি বলেননি, “এটা আমার কৃতিত্ব।”

তিনি বলেছেন—

هَـٰذَا رَحْمَةٌ مِّن رَّبِّي

অর্থাৎ— এটা আমার রবের রহমত।

এই গল্পের শিক্ষা কী?

এটা শেখায়— ক্ষমতা মানে সেবা।

আজ আল্লাহ কাউকে টাকা দেন, কাউকে পদ দেন, কাউকে জ্ঞান দেন, কাউকে প্রভাব দেন, কাউকে নেতৃত্ব দেন।

প্রশ্ন হলো— এসব দিয়ে সে কী করছে?

শুধু নিজের অবস্থান মজবুত করছে? নাকি মানুষের উপকার করছে?

জুলকারনাইন শেখান— যে শক্তি পেয়েছ, তা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াও। আর কৃতিত্ব নিজের নামে নিও না। বলো— এটা আল্লাহর রহমত।

সূরা কাহফ আসলে আমাদের কী শেখায়?

এই ৪টি গল্প আলাদা আলাদা হলেও, এগুলো এক সুতোয় বাঁধা।

আসহাবে কাহফ শেখায়— ঈমান বাঁচাও।

দুই বাগানের গল্প শেখায়— অহংকার থেকে বাঁচো।

মূসা ও খিজিরের গল্প শেখায়— আল্লাহর হিকমতের উপর ভরসা রাখো।

জুলকারনাইনের গল্প শেখায়— ক্ষমতা পেলে মানুষকে উপকার করো।

খেয়াল করলে দেখবেন, এই ৪টি শিক্ষাই আজকের পৃথিবীতে খুব দরকার।

কারণ আজ মানুষ ঈমান হারাচ্ছে, অহংকারে ডুবে যাচ্ছে, আল্লাহর ফয়সালায় অধৈর্য হয়ে যাচ্ছে, আর ক্ষমতাকে সেবার বদলে প্রভাবের উপায় বানিয়ে ফেলছে।

পরেরবার সূরা কাহফ পড়লে কী করবেন?

শুধু তিলাওয়াত করবেন না। থামবেন। ভাববেন। নিজেকে প্রশ্ন করবেন।

আমি কি আসহাবে কাহফের মতো ঈমানকে গুরুত্ব দিচ্ছি? আমি কি দুই বাগানের মালিকের মতো অহংকারী হয়ে যাচ্ছি? আমি কি মূসা (আ.)-এর মতো ব্যাখ্যা না বুঝেই অস্থির হয়ে যাচ্ছি? আমি কি জুলকারনাইনের মতো ক্ষমতা দিয়ে উপকার করছি?

যখন সূরা কাহফ এভাবে পড়বেন, তখন সেটা শুধু সওয়াবের সূরা থাকবে না, বরং জীবন বদলে দেওয়ার সূরা হয়ে যাবে।

হৃদয়ে রাখার মতো কথা

আমরা অনেক সময় কুরআন পড়ি, কিন্তু কুরআনকে নিজেদের ভেতরে নামাই না।

সূরা কাহফ আমাদের থামিয়ে দেয়। নিজেকে দেখতে বাধ্য করে। মনে করিয়ে দেয়—

ঈমানকে বাঁচাতে হবে। নেয়ামতে বিনয়ী হতে হবে। অদৃশ্য ফয়সালায় ধৈর্য ধরতে হবে। আর যা পেয়েছি, তা দিয়ে আল্লাহর বান্দাদের উপকার করতে হবে।

তাই সূরা কাহফকে শুধু জুমার তিলাওয়াত বানাবেন না। এটাকে বানান— আপনার চিন্তার সূরা, আপনার সংশোধনের সূরা, আপনার বাঁচার সূরা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সূরা কাহফ বুঝে পড়ার, এর শিক্ষাগুলো জীবনে ধারণ করার, এবং এর নূর দিয়ে জীবন আলোকিত করার তাওফিক দিন। আমিন।

সূরা কাহফের কোন গল্পটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়?
কমেন্টে জানান।

রেফারেন্স:
— সূরা কাহফ: ১–১১০
— সহীহ মুসলিম: ৮০৯
— সুনানে বাইহাকি আল-কুবরা: ৫৯০৬
©©©

প্রাচীনকালে এক ব্যক্তি আরব দেশে মাংসের ব্যবসা করত। অনেক বছর পরিশ্রম করার পর সে পয়সা জমিয়ে নিজ দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা ক...
27/03/2026

প্রাচীনকালে এক ব্যক্তি আরব দেশে মাংসের ব্যবসা করত। অনেক বছর পরিশ্রম করার পর সে পয়সা জমিয়ে নিজ দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো।

কয়েকদিন যাত্রা করার পরে সে একটা মরুভূমি পার করে যাচ্ছিল। তখন হঠাৎ তার নজর পড়ল এক ভিখারির উপর। ভিখারি গাছের নিচে বসে জোরে জোরে কাঁদছিল আর বলছিল, এই পৃথিবী আমার সব কিছু ছিনিয়ে নিয়েছে।

লোকটি ভিখারি কাছে গেল এবং তারই এই হাল কেন জিজ্ঞেস করল। ভিখারি বললো,
আমিও এক বড় ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার কাছে অনেক দৌলত আর সম্পত্তি ছিল। কিন্তু আমার ভাগ্য খারাপ। তাই একটা দুর্ঘটনায় সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আমার চোখ দুটো অন্ধ হয়ে গিয়েছে।
এখন আমার শুধু একটাই ইচ্ছে,
নিজের না হোক অন্যের কামাই করা পয়সা যদি একবারের জন্য ছুঁয়ে দেখতে পারতাম,
তাহলে হয়তো মনের শান্তি মিলত।

ব্যবসায়ী ভাবল,
এ তো অন্ধ ভিকারী। কোথায় আর যাবে?
পয়সার থলি দিয়ে যদি তার মনের এতোটুকু ইচ্ছা পূরণ করা যায়, তাহলে ক্ষতি কি?
এই ভেবে সে তার পয়সা ভর্তির থলেটি ভিখারীর হাতে দিয়ে বলল,
নাও। তোমার ইচ্ছা পূরণ কর।
ভিখারি খুশি হয়ে থলেটি নিল এবং ধন্যবাদ জানালো।

কিছুক্ষণ পর লোকটি বলল,
এখন আমার থলি আমাকে ফিরিয়ে দাও। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।
ভিখারি অবাক হয়ে বলল,
কিসের থলি?
আমি তো কোনো থলি নেইনি।
ব্যবসায়ি ঘাবড়ে গিয়ে বলল,
মজা করোনা। আমার থলি আমাকে ফেরত দাও। ভিখারি বলল,
আমি সারা জীবন ভিক্ষা করে পয়সা জমিয়েছি। তুমি কোথা থেকে এসে আমার কষ্টের জমানো সব পয়সা কেড়ে নিতে চাও?

এই কথা শুনে ব্যবসায়ীর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। দুজনের মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া শুরু হলো।
মারামারি লেগেই যাবে, এমন সময় সেখানে এক দরবেশ এলেন।
দরবেশ দুজনের কথা শুনলেন এবং বললেন,
আমি এই সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছি। পাশে একটা গ্রাম আছে। তোমরা সেই গ্রাম থেকে আগুন জ্বালানোর জন্য লাকড়ি আর একটা পাত্র নিয়ে এসো।
দুজনেই দরবেশের কথা মত কাজ করল।

যখন পাত্র আনা হল, দরবেশ তার ভেতরে পানি দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিলেন এবং সে গরম পানিতে পয়সার থলিটি রাখলেন।
দরবেশ কিছুক্ষণ সেই পানি দেখতে লাগলেন। তারপর সে পানি থেকে থলিটি বের করে ব্যবসায়ীর হাতে দিলেন।

এটা দেখে ভিখারি ভীষণ রেগে গেল আর বলল,
এই থলি আমার। আপনি ওটা তাকে দিচ্ছেন কেন? দরবেশ বললেন,
তুমি মিথ্যা বলছো। এই থলি মাংস ব্যবসায়ীর।
দেখো, গরম পানিতে মাংসের কিছু চর্বি ভেসে আছে। কাজের সময় ব্যবসায়ীর হাতে মাংসের চর্বি লেগে থাকতো এবং সেই চর্বি লাগা হাত দিয়ে যখন পয়সা ধরতো তখন সেই পয়সাতেও কিছু চর্বি লেগে যেত।
এটা তার পক্ষেই সাক্ষী দিচ্ছে।

আর তুমি এই জন্য ভিখারি রয়ে গেছে কারণ,

যেই ব্যক্তি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় না করে আর ঈমান না রাখে তার কাছে যা কিছুই থাকুক না কেন আল্লাহ তা ছিনিয়ে নেন।

যে কোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।

ধৈর্য ধারণ কর।

এবং অন্যের হক কখনো নষ্ট করো না।।।
©
#অন্যরহক

বাবা মারা গেলেও মানুষ ওত এতিম হয়না।কিন্তু, মা মারা গেলে পুরো পৃথিবী ই শুন্য😓।আর কেও কল দিবে না আমায়🥺।আর কথা হবে না।দেখা ...
15/03/2026

বাবা মারা গেলেও মানুষ ওত এতিম হয়না।
কিন্তু,
মা মারা গেলে পুরো পৃথিবী ই শুন্য😓।
আর কেও কল দিবে না আমায়🥺।
আর কথা হবে না।
দেখা হবে না।
মা বলে ডাকতেও পারবোনা।
বাবা মারা যাওয়ার পর আবার ২য় বার আজরাইল এসে মা কেও নিয়ে গেলো🥺
৬দিন ধরে মা চিরন্তন জায়গায় চলে গেছে।।

❤️"রাববীর হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানী সাগীরা ❤️
#মা

পাপ থেকে একমাত্র তারাই বাঁচতে পারবে যারা মুখে নয়, অন্তর থেকে আল্লাহ তা আলার শাস্তি কে ভয় করবে।🥹
09/03/2026

পাপ থেকে একমাত্র তারাই বাঁচতে পারবে
যারা মুখে নয়, অন্তর থেকে
আল্লাহ তা আলার শাস্তি কে ভয় করবে।🥹

[ছবির জায়গাটি ঢাকার কোথায় কে কে বলতে পারবেন?]
07/03/2026

[ছবির জায়গাটি ঢাকার কোথায় কে কে বলতে পারবেন?]

সুন্দর মাস রমজান মাস সুন্দর কাল বসন্তকাল আলহামদুলিল্লাহ দুটো আমরা একসাথে উদযাপন করছি 😇😇[ছবিতে Atika's Garden&cooking থেক...
03/03/2026

সুন্দর মাস রমজান মাস
সুন্দর কাল বসন্তকাল
আলহামদুলিল্লাহ দুটো আমরা একসাথে উদযাপন করছি 😇😇
[ছবিতে Atika's Garden&cooking থেকে]

২৩ বছর আগে ঠিক  ১৬তম রোজায় আমি আমার বট গাছের ছায়াকে চিরদিনের জন্য হারিয়েছিলাম😥।অত বুঝ ছিলনা।কেও ইফতার করতে পেয়েছে, কেও ন...
02/03/2026

২৩ বছর আগে ঠিক ১৬তম রোজায় আমি আমার বট গাছের ছায়াকে চিরদিনের জন্য হারিয়েছিলাম😥।
অত বুঝ ছিলনা।
কেও ইফতার করতে পেয়েছে, কেও না।ঠিক ঐ সময়টাতেই আজরাইল ১মবারের মত আমাদের ঘরে এসে আমাদের বটগাছের ছায়াটাকে নিয়ে চলে গিয়েছিল।😔
মাজখানে চলে গেলো ২৩ টা বছর।।

২৩ সংখ্যায় ছোট কিন্তু আমাদের জীবনে কাইকে কাইকে প্রতিটা সময় কিন্তু কম ছিল না।

"রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ইয়ানী সাগিরা"

দাঁতের ফাঁকে যখন ময়লা জমে, সে ময়লা পঁচে  দাঁতে ক্যাবটিসের সৃষ্টি হয়। ওই ক্যাবটিস এর কারনে ভালো দাতো নষ্ট হয়ে যায়। ঠ...
01/03/2026

দাঁতের ফাঁকে যখন ময়লা জমে, সে ময়লা পঁচে দাঁতে ক্যাবটিসের সৃষ্টি হয়।
ওই ক্যাবটিস এর কারনে ভালো দাতো নষ্ট হয়ে যায়।

ঠিক তেমনি পঁচা কিছু মানুষ আছে তাদের সাথে ভালো মানুষগুলো থাকলেও একসময় পঁচে যায়।

Address

Dhaka

Telephone

+8801636473737

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atika's Garden&cooking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Atika's Garden&cooking:

Share