Mitul Green Garden

Mitul Green Garden Don't judge me with your won standards....i am very simple.....

31/05/2025

গ্রাউন্ড অর্কিড

🎉 ঈদ স্পেশাল কন্টেস্ট গাছ প্রেমিদের জন্য! 🌿Chandina and Barura gardeners society (CBGS) এই গ্রুপের মাধ্যমে একে অপরকে বিন...
31/05/2025

🎉 ঈদ স্পেশাল কন্টেস্ট গাছ প্রেমিদের জন্য! 🌿
Chandina and Barura gardeners society (CBGS) এই গ্রুপের মাধ্যমে একে অপরকে বিনামূল্যে গাছ উপহার দেওয়া ও অদলবদল করার সুযোগ দেওয়া হয়! পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসুন, গাছ দিন–নিন ভালবাসা দিয়ে! 💚🌱
🎉 কন্টেস্টের বিস্তারিতঃ
২৫ মে থেকে শুরু করে ২ জুন পর্যন্ত গ্রুপে সর্বোচ্চ মেম্বার invite করবেন যারা,
তাদের মধ্যে থেকে একজনকে CBGS এডমিন প্যানেল থেকে স্পেশাল উপহার দেওয়া হবে! আপনি যদি অন্য কাউকে দিয়ে মেম্বার invite
করান,সেক্ষেত্রেও সেটি আপনার হিসেবেই ধরা হবে — তবে অবশ্যই আমাদের জানাতে হবে।
🏆 বিজয়ীর জন্য থাকছে দারুণ উপহার!
🎁 এক সেট মেহেদি 🌿
🎁 কাঠগোলাপ গাছের কাটিং
🎁 বাগানবিলাস গাছ
🎁 কামিনী গাছ
🎁 নয়নতারা গাছ
🎁 কাটামুকুট কাটিং
🎁 পূর্তলিকা (2 কালার)
🎁 এমারিলিস লিলি বাল্ব
🎁 নাগচাঁপা কাটিং
🎁 ড্রাগন ফল গাছের কাটিং
🎁 নাইট কুইন কাটিং
💬 একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত: "আপনি যতোজনকে inviteকরবেন, সেই সংখ্যাটি অবশ্যই নিচের দেওয়া লিংকে comment করে তা অবশ্যই এই পোস্টে কমেন্টে করে জানাতে হবে—নাহলে গণনায় ধরা হবে না!
📣 লিংক: https://www.facebook.com/groups/425349111974908/permalink/1439160643927078/?rdid=Vi9rJNVjSUnRTQ9E #
📣 দেরি না করে এখনই invite করতে শুরু করুন এখনই, আর ঈদের খুশিতে পেয়ে যান এক চমৎকার উপহার! 🎉🌸
🌙✨ ঈদ স্পেশাল কন্টেস্ট – CBGS গ্রুপে সদস্য ইনভাইট করলেই উপহার! ✨🌙

09/05/2025

বাগানবিলাসের সংগ্রহে আরও ৬ টা ভ্যারাইটি যুক্ত হলো ।
১.ফায়ার ওপাল
২.সুফিয়া ইন্ডিয়ান
৩.চাইনিজ স্লিপিং বিউটি
৪.ভিএফ রুবি
৫.এইচবি সিং
৬.ফরমোসা

বাচ্চাদের নিয়ে বাগান করতে উৎসাহিত করছি😍একটি শিশুর জীবনে প্রকৃতির স্পর্শ জরুরি। অভিভাবকেরা যদি বাগান পরিচর্যার কাজ ওদের শ...
18/11/2024

বাচ্চাদের নিয়ে বাগান করতে উৎসাহিত করছি😍
একটি শিশুর জীবনে প্রকৃতির স্পর্শ জরুরি। অভিভাবকেরা যদি বাগান পরিচর্যার কাজ ওদের শেখান, যেমন স্কুল থেকে এসে গাছে পানি দেওয়া, শুকনো পাতা কেটে ফেলা ইত্যাদি,দেখবেন ওদের মধ্যে দায়িত্ববোধ বাড়বে।ওদের হাতের স্পর্শে একটা গাছ বাড়লে, ফুল ফুটলে ওরা যেমন আনন্দ পায়, নিজের হাতে কিছু করার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। আত্মসম্মান তৈরি হয়,মনঃসংযোগ বাড়ে, ধৈর্য ধরতে শেখে, কারণ গাছপালা বড় হতে সময় নেয়। মাটি খোঁড়া,পানি দেওয়া ইত্যাদিতে শারীরচর্চাও হয়।এ ছাড়া প্রকৃতি সম্পর্কেও জ্ঞান বাড়বে, প্রকৃতিকে ভালবাসতে শিখবে।

⛔⛔অভিভাবকদের দায়িত্ব
বাগান করার সময়ে সঙ্গে নিন আপনার সন্তানকে বা বাড়ির ছোট সদস্যদের। তাদের হাতে ধরে শেখান বীজ বা চারা রোপণ, গাছে জল দেওয়া, শুকনো পাতা-ফুল ফেলে দেওয়া, সার দেওয়া,
পাতায় জল স্প্রে করা। এমন হতেই পারে অতি উৎসাহে বাচ্চাটি গাছে বেশি পানি দিয়ে দিল বা মাটি কুপিয়ে ফেলল। তাকে বকুনি না দিয়ে বোঝাতে হবে। যেমন বাচ্চাটি একসঙ্গে বেশি পানি খেতে পারবে না, তেমন গাছও পারবে না অতিরিক্ত জল শোষণ করতে।বাচ্চাটির বড় হওয়ার সঙ্গে গাছের বড় হওয়ার সাদৃশ্য তাকে বোঝাতে হবে। তার মতো গাছও ছোট থেকে বড় হবে।
বাড়িতে গার্ডেনিং-এর পাশাপাশি আশপাশের অঞ্চলের গাছপালা, ফুল চিনতে শেখান। নার্সারিতে নিয়ে গিয়ে পছন্দের গাছ কিনে দিন। অনেক মা-বাবা পড়াশোনা ও খেলাধুলোর ক্ষেত্রে ছোট ছোট পুরস্কার দিয়ে তাঁদের সন্তানদের উৎসাহিত করেন। পুরস্কার হিসেবে চকলেট বা খেলনার বদলে গাছ কিনে দিন। বন্ধুদের মধ্যে গাছ উপহার দেওয়া শেখান। এতে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি হবে, অকারণে গাছের পাতা, ফুল ছেঁড়া থেকে বিরত থাকবে ওরা।
গাছের পাশাপাশি চিনতে শিখবে পাখি, প্রজাপ্রতি ও কীটপতঙ্গদের। ফলে প্রকৃতির সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি হবে ওদের।

সুন্দর ভাবে বীজ জার্মিনেট করে গেলো , আপনিও খুশি , আপনার বীজও খুশি।  হটাৎ একদিন সকালে উঠে দেখলেন গাছের ওপরের দিক সতেজ আছে...
13/07/2024

সুন্দর ভাবে বীজ জার্মিনেট করে গেলো , আপনিও খুশি , আপনার বীজও খুশি। হটাৎ একদিন সকালে উঠে দেখলেন গাছের ওপরের দিক সতেজ আছে কিন্তু গোড়া থেকে ভেঙে মাটিতে শুয়ে পড়েছে ! কি সমস্যা , কি সমস্যা !

এটাকে ভালো ভাষায় "ড্যাম্পিং এফেক্ট " বলে।যাঁরা বীজ থেকে চারাগাছ তৈরী করেন, তারা কখনো না কখনো এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন এটা নিশ্চিত!

আজ এটা নিয়েই কিছু কথা বলবো। ভালো করে বুঝে নিলে এই সমস্যা হবে না। কিন্তু একবার হলে এটা থেকে বাঁচা মুশকিল , সব চারাগাছ একসাথে দু তিনদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে।

আমি গাছ করার সময় খুব একটা পাই না , কিন্তু আমার হাতে বীজ থেকে চারাগাছ খুব ভালো হয়। যেকোনো বীজ আমাকে দিয়ে দিন , জার্মিনেট করে দেখিয়ে দেব। আমি ম্যাজিশিয়ান নই , কিন্তু এমন কিছু জিনিস জানি , যেটা আপনি জানেন না। কিছু ছোটো ছোটো জিনিস মাথায় রাখলে আপনিও বলে বলে বীজ থেকে গাছ করতে পারবেন !

আপনি বলবেন ,"এটা জেনে কি করবো ? কি কাজে লাগবে আমার ?" .একটু পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝাই। ধরুন একটা ভালো জাতের আডেনিয়াম এর গাছ কিনতে চাইছেন , মোটামুটি পাঁচশো টাকা পড়বে। এবার ধরুন আপনি গাছ না কিনে ওই একই গাছের বীজ কিনলেন , পাঁচশো টাকায় পঞ্চাশটা বীজ পাবেন ! এখন আমি যেটা বলবো সেগুলো মেনে চললে পঞ্চাশটা বীজ থেকে পঁয়তাল্লিশ টার বেশি চারা গাছ বানাতে পারবেন। এবার হিসাবটা নিজেই কষুন ! আমি আর কিছু বলছি না।

মোদ্দা কথা গাছ কেনার থেকে বীজ কেনা অনেক অনেক গুণ সস্তা পড়ে। আপনার সময়ের অভাব না থাকলে এর থেকে ভালো জিনিস আর হয় না ! আর তাছাড়া বীজ থেকে গাছ করার একটা আলাদা মজা আছে , সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন দেখবেন মাটি ভেদ করে একটা সবুজ অংকুর আপনাকে "টুকি!" বলছে , সেই আনন্দের কোনো ভাগ হয় না। পারলে আপনার বাচ্চার হাতেও দুটো বীজ দিয়ে দিন , শিখুক কিভাবে বীজ থেকে গাছ হয়। প্রকৃতির থেকে বড়ো শিক্ষক আর কিছু হয় না।

বীজ থেকে চারা গাছ করাটা আসলে একটা আর্ট , আজ কিন্তু সেটা নিয়ে লিখতে বসিনি , আজ চারাগাছ গোড়া ভেঙে নুইয়ে পরার সমস্যা নিয়ে বলবো যেটা খুব কমন , যেটার জন্য অনেকেরই বীজ থেকে গাছ হয় না।

কিন্তু কেনো হয় এটা ? এটা আসলে ফাঙ্গাস লেগে হয়। কোনো একটা ফাঙ্গাস এর জন্য না , বেশ কিছু ফাঙ্গাস এর জন্য এটা হতে পারে। সয়েল বর্ন ফাঙ্গাস( মানে যে ফাঙ্গাস মাটিতে থাকে ) থেকেই এটা হয় , খুব কমন কিছু ফাঙ্গাস আছে যেমন Rhizoctonia ,Fusarium , Pythium এগুলোর জন্য এটা হয়। ফাঙ্গাস এর নাম মনে না রাখলেও হবে কিন্তু এটা অন্তত মাথায় গেঁথে রাখুন যে এটা অনেক রকমের ফাঙ্গাস থেকেই হতে পারে।
আচ্ছা , বড়ো গাছে হয় না কেন ? ফাঙ্গাস তো যা থাকার মাটিতে থাকেই ! তফাৎটা বুঝুন। বীজ থেকে যখন অংকুরটা বেরোয় , তার কান্ডটা খুব নরম থাকে , অন্তত দুটো পরিণত পাতা না বেরোনো পর্যন্ত কান্ডটা শক্ত হয় না । এই নরম কাণ্ডের যে জায়গাটা মাটির সাথে স্পর্শ করে থাকে ওই জায়গাটাতে ফাঙ্গাস লাগলেই আপনার চারাগাছ শেষ।

সেই কারণে দেখবেন ড্যাম্পিং এফেক্ট হলে চারাগাছ টা গোড়া থেকে ভেঙে শুয়ে পরে। এবার হলে একটা চারাগাছ খুব কাছ থেকে দেখুন। দেখবেন একদম গোড়ার কাছটা সরু হয়ে গেছে , রংটাও আর সবুজ নেই , একটু ধূসর রং এর দেখাচ্ছে। দেখলে মনে হবে যেন পচে গেছে। অথচ দেখবেন গাছের ওপরের দিকটা একদম সতেজ আছে ( অন্তত এক দুদিন) . এরকম দেখতে পেলে পাক্কা বুঝবেন ড্যাম্পিং এফেক্ট!

একবার শুরু হলে থামানো মুশকিল , কিছু উপায় আছে , বলছি। কিন্তু আগে থেকে সতর্ক থাকলে কিন্তু এটা এড়াতে পারবেন। তাহলে কি কি করবেন শুনে রাখুন !

(১) মাটিতে বীজ জার্মিনেট করবেন না। মাটিতে ড্যাম্পিং এফেক্ট সবথেকে বেশি হয়। বীজ জার্মিনেট করার মিক্স কিনতে পাওয়া যায় , কিনে নিন। বা নিজের মতো করে মিক্স বানিয়ে নিন , খুব সহজেই বানানো যায় , খুব কম খরচে। বলে দেবো পরের পোস্টে । কিন্তু মাথায় রাখবেন বীজ জার্মিনেট করার সময় মাটি ব্যবহার না করাই ভালো । এটা বলছি দামি গাছ বীজ থেকে জার্মিনেট করার জন্য , যেমন আডেনিয়াম , ক্যাকটাস , সুকুলেন্ট এসব। শাক সবজি মাটিতে ছড়িয়েই সবাই করে।
বীজ থেকে জার্মিনেট করার সময় কোনো সার ব্যবহার করবেন না। অত ছোটো চারাগাছের কোনো সার লাগে না। বীজের মধ্যেই চারাগাছের জন্য খাবার সঞ্চয় করে রাখে , ওতেই খুব ভালোভাবে কাজ চলে যায়। প্রথম পনেরোটা দিন শুধু খেয়াল রাখতে হবে গাছের শিকড় যেন খুব ভালোভাবে ছড়ায়। অনেকে কোকোপিট্ এর সাথে ভার্মি মিশিয়ে বীজ জার্মিনেট করেন , ওটা না করাই ভালো। কোনো কাজের কাজ হয় না , বরং ক্ষতি হওয়ার চান্স থাকে।

(২) একই মিক্স দিয়ে একবার বীজ জার্মিনেট করে নেওয়ার পর আর সেটা ব্যবহার করবেন না। অন্য গাছের গোড়ায় দিয়ে দিন , কিন্তু একই মিক্স দিয়ে বার বার বীজ জার্মিনেট করতে যাবেন না।

(৩) আদ্রতা বেশি থাকলে ফাঙ্গাস এর গ্রোথ বেশি হয় , তাই সারফেস টা শুকনো রাখার চেষ্টা করুন , চারা গাছে ওতো জল লাগে না ! বার বার বলছি মনে একদম গেঁথে নিন , জল খুব অল্প পরিমানে দিন। একটু শুকনো শুকনো ভাব তা বজায় রাখুন। ৯৯% চারা গাছ মরে জল বেশি হয়ে। মিক্সটাও এরকম নেবেন যাতে জল যেন না বসে।
প্রয়োজনে একটু পাখার হওয়া খাইয়ে নিতে পারেন জল দেওয়ার পর, তাহলে সারফেসটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

(৪) নোংরা জায়গায় বীজ জার্মিনেট করবেন না , জায়গা পরিষ্কার রাখুন। এতে ড্যাম্পিং কম হবে। এমন জায়গায় রাখুন যেখানে হাওয়া চলাচল হয়।

(৫) যার কাছ থেকেই কিনুন , আগে জেনে নেবেন বীজ ফাঙ্গিসাইড দিয়ে ট্রিট করা আছে কিনা, নাহলে বীজের সাথেই ফাঙ্গাস আসবে ! বীজ সংরক্ষণ করাটাও একটা আর্ট। কম দামে কেউ বীজ বিক্রি করছে বলেই হুড়িয়ে কিনে নিলাম , এরকম করলে একটাও বীজ জার্মিনেট না করতে পারে। ফ্লিপকার্ট , আমাজন থেকে নিয়ে অনেকেই ঠকেন। বিশ্বস্ত লোকের কাছ থেকেই বীজ নিন ।
বীজ হাতে পাওয়ার পর নিজে একবার ফাঙ্গিসাইড দিয়ে ট্রিট করে নিন , তারপর বুনবেন। আমি তো তাই করি। কে কিভাবে কতোদিন বীজগুলো রেখেছিলো সেটা জানা সত্যি মুশকিল।

(৬) মিক্সে কেমিক্যাল ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করলে কিছু বীজ আছে জার্মিনেট করতে চায় না। মিক্সে ফাঙ্গিসাইড দিতে চাইলে টাইকোডার্মা ব্যবহার করুন। এটা বায়ো ফাঙ্গিসাইড , আদপেএটা নিজেই একটা ফাঙ্গাস , কিন্তু উপকারী ফাঙ্গাস যেটা অপকারী ফাঙ্গাস কে মেরে ফেলে। বীজ বোনার সময় এটা ব্যবহার করলে ড্যাম্পিং হওয়ার চান্স বহুগুনে কমে যায়।
কম পয়সায় করতে চাইলে দারচিনি গুঁড়ো করে মিক্সে দিয়ে দিন , নিমখোল দেবেন না পাকামি করে। নিমখোল ফাঙ্গাস তারায় ঠিক কথা , কিন্তু নিমখোল একটা সার , ওটা চারাগাছে না দেওয়াই ভালো।

(৭) অনেকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখে। ওটা করলে পলিথিনে কয়েকটা ফুটো করে রাখবেন , নাহলে আদ্রতা বেশি হয়ে ফাঙ্গাস এর সমস্যা হবে।

চারাগাছে দুটো পরিণত পাতা না বেরোনো পর্যন্ত সতর্ক থাকুন , তারপর কান্ড শক্ত হয়ে যায় বলে আর ডাম্পিং হয় না। গাছের ওপর দেখে কিছু হবে না , গোড়া দেখুন ! কিছু অস্বাভাবিক দেখলেই পাখা চালিয়ে হাওয়া খাওয়ান ! ডাম্পিং শুরু হচ্ছে এই সময় একদম ফার্স্ট স্টেজে ধরতে পারলে সারফেস শুকনো করে দিলেই দেখেছি অনেক চারা বেঁচে যায়। সাথে একটু দারচিনি গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দেবেন চারাগাছের গোড়ায়।

মোটামুটি এগুলো করলেই চারাগাছে ডাম্পিং হবে না। কোনো কারণে ডাম্পিং শুরু হয়ে গেলেও সারফেস শুকনো করে আর দারচিনি গুঁড়ো ছড়িয়ে আটকাতে পারবেন। কিন্তু ফার্স্ট স্টেজে ধরা পড়লে সামলাতে পারবেন। সময় খুব কম দেয় , তাই আমার মতে আগে থেকে সতর্ক থাকা ভালো।

এই পোস্টে যেগুলো লিখলাম সেগুলো খুব সাধারণ শুনতে লাগলেও মেনে চললে আপনার হাতেও বীজ ম্যাজিক দেখাবে। কিছু বীজ আছে তাদের নিয়ম একটু আলাদা , যেমন সাইট্রাস জাতের গাছগুলো যেমন পাতিলেবু, কমলালেবু এইসবের বীজ এর ওপরের শক্ত খোসাটা ছাড়িয়ে একটা টিসু পেপার এ মুড়ে এয়ার সিল করে অন্ধকার জায়গায় রাখলে খুব সহজে জার্মিনেট করে। তারপর ধোনে বা পালং এই সব বীজ তিনদিন জলে ভিজিয়ে রেখে তারপর বুনলে জার্মিনেশন রেট খুব ভালো দেয় এরকম কিছু জিনিস আছে। এগুলো করতে করতে শিখে যাবেন।

কিন্তু ওপরে যেগুলো বললাম ওগুলো হলো বীজ থেকে গাছ করার অ আ ক খ ! বেসিক ক্লিয়ার থাকলে বাদে নিজেরাই বুঝে একটু আধটু এদিক ওদিক করে নিজের মতো পদ্ধতি বানিয়ে নিতে পারবেন।

লেখাটা পড়লেন ঠিক আছে , কিন্তু পারলে শেয়ার করে দিন। আপনার একটা ছোট্ট শেয়ার আমাকে অনেকটা উৎসাহ দেয়।

গাছপালা নিয়ে ভালো থাকুন 🙏

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।আজ ৫ জুন ২০২৪, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো -‘করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, ...
05/06/2024

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

আজ ৫ জুন ২০২৪, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো
-‘করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা’।

এবারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ।’

বিশ্ব পরিবেশ দিবস সারা পৃথিবী জুড়ে ৫ ই জুন পালনের উদ্দেশ্য হলো, পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের
মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি করা। মানুষ ও পরিবেশ পৃথিবীর অঙ্গ। প্রকৃতি ছাড়া মানুষের জীবন অসম্ভব। মানুষের জীবন পুরোটাই প্রকৃতি নির্ভর।
বিগত কিছু বছর যাবত আমরা দেখে আসছি পরিবেশ দূষণ ক্রমশ বাড়ছে। মানুষ তার সুবিধার জন্য পরিবেশ ধ্বংস করছে নির্বিচারে। পরিবেশ নষ্ট করার কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর সঙ্গে মোকাবেলার জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা হয় বিশ্বব্যাপী। বিশ্ব পরিবেশ দিবসের পালনের মূল কারণই হলো পরিবেশ রক্ষা করা।

 #এসএসসি , দাখিল, ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আশা করি তোমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে।
12/05/2024

#এসএসসি , দাখিল, ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আশা করি তোমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে।

এসময় যখন বাতাসে আর্দ্রতা বেশী থাকে, আমি এভাবে বাগানবিলাস চারা করি...১। ছয় থেকে আট ইঞ্চি পরিমান কাটিং নীচের দিকে ৪৫ ডিগ্র...
07/05/2024

এসময় যখন বাতাসে আর্দ্রতা বেশী থাকে, আমি এভাবে বাগানবিলাস চারা করি...
১। ছয় থেকে আট ইঞ্চি পরিমান কাটিং নীচের দিকে ৪৫ ডিগ্রী এঙ্গেলে কেটে ১৫ মিনিট ফাঙ্গিসাইটের মিশ্রণে ভিজিয়ে রাখি।
২। পরে ছায়ায় ৩০ মিনিট রেখে বাতাসে শুকিয়ে কাটিং এর নীচের দিকে এলেভেরার জেল বা রুট হরমোন দিয়ে পেস্ট করে লাগিয়ে রেখে দেই। কাটিং এর উপরের অংশে মোম বা আইকা গাম দিয়ে সিল করে দেই।
৩। দোঁয়াশ মাটি ৫০%+ গোবর সার বা ভার্মি ৪০%+ ১০% কোকোপিট মিশিয়ে একটি ওয়ান টাইম গ্লাসে ভরে নেই।
৪। পেস্ট লাগিয়ে রাখা কাটিংটা গ্লাসের নিচ পর্যন্ত রেখে বানানো মাটি চেপে দেই, যাতে অন্তত ২ ইঞ্চি মাটিতে ডুবে থাকে।
৫। ফাঙ্গিসাইট মিশ্রিত পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে দেই।
৬। গ্লাসটি ছায়া জায়গায় রেখে দেই।
৭। সকাল, বিকাল দুইবেলা কুয়াশার মত স্প্রে করে কাটিং ভিজিয়ে দেই।
৮। গ্লাসের মাটি উপরের অংশ শুকালে স্বল্প পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেই।
৯। এরপর আর নড়াচড়া করা যাবেনা। তাতে চারা না হয়ে কাটিং শুকিয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
* ১৫-২০ দিন পর পাতা তৈরি হলে, পাতা পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত আলোকিত ছায়া স্থানে রেখে দেই। এর পর ১/২ ঘন্টা সকালের নরম আলো পায় এমন স্থানে রেখে পাঁচ দিন পরপর ফাঙ্গিসাইট স্প্রে করি। ৪৫-৬০ দিনে গাছের শিকড়ের রং সাদা থেকে ধুসর হলে ৬ ইঞ্চি টবে পটিং করি।
* পটিং এর জন্য অন্যভাবে মাটি তৈরি করতে হয়। যা আপডেট পেলে পোস্ট করা হবে।
# ছবি- অনলাইনে আনা কাটিং থেকে আমার করা SPLASH চারা।
#হ্যাপি_গার্ডেনিং।

বজ্রপাত থেকে সাবধানতা অবলম্বন করুন ---দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানী বাড়ছে। গতো বৃহস্পতিবার একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।বেশিরভ...
06/05/2024

বজ্রপাত থেকে সাবধানতা অবলম্বন করুন ---
দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানী বাড়ছে। গতো বৃহস্পতিবার একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।
বেশিরভাগ প্রাণহানি বর্ষা পূর্ববর্তী মৌসুম এবং বর্ষা ঋতুতে ঘটে, যার মধ্যে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা৷ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে আবহাওয়ার ধরণ ও বৈশিষ্ট্য ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে৷ যার ফলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, শৈত্যপ্রবাহ এবং ঋতু পরিবর্তনের মতো ঘটনা ঘটছে৷ এ কারণেই বজ্রপাত বাড়ছে৷
বর্তমান আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বজ্রপাতের মাত্রা বেশি থাকবে। তাই আকাশে মেঘ দেখলেই সকলকে নিরাপদ স্থানে থাকার অনুরোধ করা হলো। আমার প্রানপ্রিয় কৃষক ভাইদের কাছে অনুরোধ, আকাশে মেঘ দেখলে ধান কাটা বন্ধ রাখুন। ফাঁকা মাঠে, নদীতে থাকবেন না। কারন সমীক্ষা বলছে, বজ্রপাতে মৃতদের মধ্যে ৭০ ভাগই কৃষক। আল্লাহ সকলকে হেফাজত করুন।

মে মাসের কৃষি ক্যালেন্ডার।
06/05/2024

মে মাসের কৃষি ক্যালেন্ডার।

 #বাগানবিলাস_সমাচার
03/05/2024

#বাগানবিলাস_সমাচার

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mitul Green Garden posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share