Nagori Design and Development Limited

Nagori Design and Development Limited Nagori Design and Development Ltd (NDDL) started its journey in 2012 with a clear objective.

03/11/2025

একটি জমি কেনা থেকে শুরু করে খাজনা দেওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে বিশাল আলোচনা দিলাম যেন পড়তে সহজ হয়।

🏡 জমি ক্রয় থেকে খাজনা দেওয়া পর্যন্ত ধাপসমূহ

♦️ ১. জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া

👉 প্রথমেই আপনাকে ভাবতে হবে, কোন জায়গায়, কতটুকু, এবং কী উদ্দেশ্যে জমি কিনবেন।
🏠 বাসা বানানোর জন্য
🌾 চাষাবাদের জন্য
🏢 ব্যবসা বা প্রজেক্টের জন্য

♦️২. জমি নির্বাচন করা 🗺️

👉 জমি কেনার আগে এলাকার অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পাশের রাস্তা, পানি-বিদ্যুৎ সুবিধা দেখে নিতে হবে।

📍 মৌজা (গ্রামের নাম)
📍 জে.এল. নাম্বার
📍 খতিয়ান ও দাগ নম্বর

♦️ ৩. দলিল যাচাই-বাছাই 📜

👉 জমি কেনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো দলিল যাচাই।

🔍 দলিল আসল কি না চেক করতে হবে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে।
🔍 জমির মালিক আসল মালিক কি না যাচাই করতে হবে।
🔍 দলিলে কোনো প্রকার জালিয়াতি আছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে।

♦️ ৪. খতিয়ান যাচাই 📖

👉 খতিয়ান হলো জমির আসল মালিকানার প্রমাণ।

🟢 CS খতিয়ান
🟢 SA খতিয়ান
🟢 RS খতিয়ান
🟢 BS খতিয়ান

👉 এগুলোতে মালিকের নাম, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ সঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নিতে হবে।

♦️ ৫. দাগ ও মানচিত্র (নকশা) যাচাই 🗺️

👉 জমির দাগ নম্বর ও মানচিত্র দেখে নিশ্চিত হতে হবে যে জমিটি কোন স্থানে আছে এবং এটি রাস্তাঘাট, খাল-বিল বা সরকারের জায়গা দখল করে কিনা।

♦️ ৬. নামজারি অবস্থা চেক করা 📑

👉 বর্তমান মালিক তার নামে নামজারি করেছে কিনা দেখতে হবে। যদি নামজারি না থাকে তবে সমস্যা হতে পারে।

♦️ ৭. মামলা-মোকদ্দমা আছে কি না খোঁজ নেওয়া ⚖️

👉 জমি নিয়ে আদালতে কোনো মামলা আছে কিনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে খোঁজ নিতে হবে।

♦️ ৮. ভাগিদার / ওয়ারিশ আছে কি না দেখা 🧑‍🤝‍🧑

👉 জমির মালিক মারা গেলে একাধিক ওয়ারিশ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সবার সম্মতি ছাড়া জমি কিনলে বিপদে পড়বেন।

♦️ ৯. দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রেশন ✍️

👉 সবকিছু যাচাই-বাছাই শেষে দলিল লিখতে হবে।

🖊️ দলিল লেখক (Deed Writer) দিয়ে দলিল লিখতে হবে।
📍 জমির সঠিক বর্ণনা দিতে হবে (মৌজা, দাগ, খতিয়ান, সীমা, পরিমাণ ইত্যাদি)।
📍 বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয় পক্ষ সই করবেন।

👉 এরপর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

♦️ ১০. স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন খরচ 💰

👉 জমির মূল্যের উপর নির্ভর করে স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ওয়ার্ড কমিশন ফি দিতে হবে।

♦️ ১১. নামজারি করা 📝

👉 দলিল রেজিস্ট্রেশনের পর আপনাকে অবশ্যই নামজারি করতে হবে।
🏢 ভূমি অফিসে আবেদন করতে হবে।
📑 দলিল, খতিয়ান, নকশা, রেজিস্ট্রেশন কপি জমা দিতে হবে।
🏷️ তারপর শুনানি শেষে আপনার নামে নামজারি হবে।

♦️১২. খাজনা দেওয়া 💵

👉 নামজারি শেষ হলে জমির খাজনা দিতে পারবেন।
🏢 ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে খাজনা দিতে হয়।
📲 এখন অনলাইনে (https : //land . gov . bd) দিয়েও খাজনা দেওয়া যায়।
🧾 খাজনা দেওয়ার পর আপনি খাজনার রসিদ পাবেন।

🌟 সারসংক্ষেপ

জমি কেনা একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। ভুল করলে আজীবন ভুগতে হতে পারে। তাই প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে করতে হবে।
1️⃣ জমি নির্বাচন 🗺️
2️⃣ দলিল, খতিয়ান, মানচিত্র যাচাই 📜
3️⃣ নামজারি অবস্থা চেক 📑
4️⃣ মামলা/ওয়ারিশ নিশ্চিত ⚖️
5️⃣ দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রেশন ✍️
6️⃣ নামজারি 📝
7️⃣ খাজনা প্রদান 💵
শেয়ার করে দিন।
#দলিল #সম্পত্তি #জমি

17/09/2025

BDS জরিপ শুরু হয়েছে, জমির মালিকদের জন্য ৬টি সতর্কবার্তা

প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ

বাংলাদেশে শুরু হয়েছে BDS জরিপ (Bangladesh Digital Survey)। এবার জরিপ একেবারেই আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে হচ্ছে। আগে CS, SA, RS রেকর্ডে যে ভুলগুলো ছিল, তা ঠিক করার এটি শেষ সুযোগ। তাই জমির মালিকদের অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে, নইলে ভবিষ্যতে বড় বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে।

জমির মালিকদের জন্য ৬টি সতর্কবার্তা

1. সব কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন
দলিল, খতিয়ান, নামজারি (মিউটেশন), কর রশিদ, উত্তরাধিকার সনদ – সব কিছু একত্রে রাখতে হবে। জরিপ টিম প্রমাণ চাইবে।

2. জমির দখল নিশ্চিত করুন
শুধু কাগজ নয়, জমিতে বাস্তব দখল থাকতে হবে। জমি ফাঁকা থাকলে বা অন্যের দখলে থাকলে নাম ওঠাতে সমস্যা হবে।

3. সঠিক তথ্য দিন
জরিপ কর্মকর্তাকে ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে বিপদ হতে পারে। স্বচ্ছভাবে আসল তথ্য দিতে হবে।

4. প্রতিবেশীর সাথে সীমানা মিলিয়ে নিন
পাশের জমির মালিকদের সাথে সীমানা ঠিক না থাকলে জরিপে ভুল হবে এবং পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমা হতে পারে।

5. ভুল দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান
নাম বাদ পড়লে বা জমির পরিমাণ কম-বেশি হলে সঙ্গে সঙ্গে লিখিত আপত্তি আবেদন জমা দিতে হবে।

6. ডিজিটাল রেকর্ডের গুরুত্ব বুঝুন
একবার নাম সঠিকভাবে উঠলে ভবিষ্যতে এই ডিজিটাল রেকর্ড পরিবর্তন করা কঠিন হবে। এখন ভুল করলে ভবিষ্যতে সন্তানরা ঝামেলায় পড়বে।

◆ অনলাইনে জমির খাজনা দিতে কী কী ডকুমেন্টস লাগে?খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ1.  সর্বশেষ রেকর্ড/খারি...
01/07/2025

◆ অনলাইনে জমির খাজনা দিতে কী কী ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ
1. সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি
2. পূর্ববর্তী দাখিলার কপি
3. জাতীয় পরিচয়পত্র
4. একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন।
5. মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড
6. জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ,জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং।

N.B: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◆ অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ
☆ ধাপ ১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ( ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )
☆ ধাপ ২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি নং পাবেন)
☆ ধাপ ৩- প্রোফাইল সেটিং করুন। (প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরন করুন)
☆ ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন
☆ ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন
☆ ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন
☆ ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন
☆ ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন

◆ খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন।
◆ ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে।
◆ যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন।
◆ খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই।

👉গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি শেয়ার করে রেখে দিন যাদের জানা নেই উপকারে আসবে।।

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে। কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট। ★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশ...
29/03/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।
★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।
★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।
★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।
★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজন মনে করলে টাইমলাইনে শে*য়ার করে রেখে দিতে পারেন।

সেভ করে রেখে দিন জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য - ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিট...
14/03/2025

সেভ করে রেখে দিন জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য -
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

14/03/2025

ফ্ল্যট বুকিং দেয়ার পর কি করবেন?
নীচের বিষয়গুলো খেয়াল রেখে, একজন ক্রেতা ফ্ল্যাট বুকিং দিলে বা কিনলে, ঠকে যাবার সম্ভাবনা নেই:-

০১। যেদিন ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, সেদিন টুকেন মানি হিসেবে ৫০ হাজার বা ২০ হাজার টাকা নিয়ে যাবেন না। যদি মনস্থির করেই থাকেন, অমুক প্রজেক্ট থেকে ফ্ল্যাট বুকিং দেবেন, তাহলে, তাদের কাছ থেকে নেয়া অমুক প্রজেক্টর ব্রশিয়্যরের শেষের পৃষ্ঠায় Terms & Condition এ দেখে নিন, কত % টাকা দিলে "নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন" করবে। যার সাথে ফ্ল্যাটের ব্যাপারে সমস্ত আলাপ হয়েছে, তাকে বলে দিন যে, আপনি কবে যাচ্ছেন অফিসে এবং ডাউন পেমেন্টের সব টাকাই পে- অর্ডার ( কি নামে করবেন তা টার্মস এন্ড কন্ডিশনে লেখা আছে) করে নিয়ে যাবেন। তাকে আরো জানিয়ে দিন, উল্লেখিত প্রজেক্টের সকল লিগ্যাল পেপারস যেন এক সেট ফটোকপি করে রাখে।

০২। লিগ্যাল পেপারসে আপনি যা যা দেখবেন:-

* কোম্পানীর সাথে জমির মালিকের চুক্তিপত্র। (এটি অনেক ডেভেলপার দিতে চায় না, আপনি যেভাবেই হোক, তা আদায় করে নেবেন)।
* Power of Attorney এর ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের মূল দলিলের ফটোকপি।
* জমির মূল মালিকের সিটি জরীপ + আর.এস অনুযায়ী নামজারী পর্চা, জমাভাগ, ডি.সি.আর (ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ) ও খাজনার রশিদ।
* বায়া দলিল ( মূল মালিকের আগে কারা কারা এ জমির মালিক ছিল, তাদের দলিল) গুলোর ফটোকপি।
* সকল পর্চা ( ঢাকা মহানগর পর্চা, আর.এস পর্চা, সি.এস পর্চা, এস,এ পর্চা) এর ফটোকপি।
* আপ টু ডেট খাজনার রশিদ।
* সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স এর ফটোকপি।
* রাজউকের প্ল্যান পাসের কপির ফটোকপি। (যদি পারেন কিছু টাকা দিয়ে রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নকসাটিরও ফটোকপি নিয়ে নেবেন। এটি অনেক বড় একটি নক্সা, তাই ডেভেলপার ফটোকপি করিয়ে রাখে না। আপনি নীলক্ষেত বা দৈনিক বাংলার মোড়ে অনেক দোকান পাবেন, সেখান থেকে করিয়ে আনাবেন - প্রয়োজনে।

০৩। যদি ২ নং উল্লেখিত লিগ্যাল পেপারের কোন একটি না থাকে, তাহলে আপনাকে ফ্ল্যাট বুকিং না দেয়াই ভাল। যে কাগজটি নেই, সেটি ডেভেলপার জোগাড় করে যেদিন আপনাকে দিতে পারবে, সেদিনই ফ্ল্যাট বুকিং দিন।

০৪। যদি বুকিং মানি হিসেবে আপনি " ডাউন পেমেন্ট" করবেন বলে ঠিক করে রাখেন, তাহলে সেই ডাউন পেমেন্ট করার আগেই "আপনার সাথে ডেভেলপারের যে "দ্বি-পক্ষীয় চুক্তিটি" হবে" তার একটি নমূনা কপি দিতে বলেন। অধিকাংশ যেভেলপারই সেই চুক্তির কপিটি ইংরেজীতে করে। আপনি ইংরেজীতে ততটা দক্ষ না হলে, তাদেরকে বলুন, " বাংলা ফরম্যাটের চুক্তিনামা দিতে। কারন, ডেভেলপার ইংরেজী চুক্তিনামার অনেক টার্মসেই টেকনিক্যাল বা খুব সুক্ষভাবে কিছু ফাঁক ফুকর রাখে, যা ফ্ল্যাটক্রেতা ধরতে পারেনা। পরবর্তীতে সমস্যা হলে, সেই টার্মসটির কারনে ফ্ল্যাটক্রেতা কিছুই করতে পারে না।

০৫। বাংলায় বা ইংরেজীতে, যে কোন ফরম্যাটের চুক্তিনামার নমূনা কপি আপনাকে দিক না কেন, আপনি নিম্নে উল্লেখিত শর্তগুলো চুক্তিনামায় উল্লেখ আছে কি না তা দেখে নিনঃ-

* চুক্তিনামায় আপনার এবং ডেভেলপারের কর্তাব্যক্তির (যার সাথে জমির মালিকের চুক্তি ও আম-মোক্তার নামা হয়েছে) নাম, বাবা মার নাম,স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার উল্লেখ করেছে কিনা দেখুন।
* রাজউক কর্তৃক প্ল্যান পাসের নাম্বার সহ তারিখটি উল্লেখ আছে কি না দেখুন।
* যেদিন চুক্তি হচ্ছে, সেদিনের তারিখটি উল্লেখ আছে কিনা।
* ফ্ল্যাটের( ফ্ল্যাট মূল্য+ কার পার্কিং মূল্য (যদি কার পার্কিং কিনতে চান)+ ইউটিলিটি বা অন্যান্য কোন মূল্য) মূল্য ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না, তা দেখুন। সবগুলোর আলাদা আলাদা দাম দর করে থাকলে, চুক্তিতেও আলাদাভাবে লিখে সর্বমোট দাম লিখতে বলবেন।
* চুক্তিপত্রে আপনার সাথে আলোচনা করে কিস্তির টাকা কিভাবে দেবেন, তা ঠিক হয়ে থাকলে, সেইভাবে লেখা আছে কি না দেখুন।
* ফ্ল্যাটটি কবে আপনাকে হস্তান্তর করা হবে, সেটির নির্দিষ্ট তারিখ ঠিকমত লেখা হয়েছে কি না দেখুন।
* জমির মালিকের সাথে ডেভেলপারের চুক্তিপত্রে প্রজেক্ট টি বসবাস উপযোগী করে কবে হস্তান্তর করা হবে, সেই তারিখের, সাথে আপনাকে ফ্ল্যাট হস্তান্তরের তারিখের মিল আছে কি না, তা খেয়াল করুন। যদি মিল না থাকে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করুন।
* আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করতে পারলে, সেই তারিখের পর ফ্ল্যাটভাড়া আপনাকে কত করে দেবে, তা উল্লেখ আছে কি না দেখুন। যদি তা উল্লেখ না থাকে, তাহলে তা আলোচনা করে বসিয়ে নিন। তবে, এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, চুক্তি অনুযায়ী আপনি সঠিক সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধের পরেই ফ্ল্যাটভাড়া পেতে পারেন।
* চুক্তিতে " ফ্ল্যাট মালিক সমিতির" জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধরা হয়। সেটি কত তা খেয়াল করুন এবং সকলের চুক্তিপত্রে উক্ত টাকার পরিমান একই আছে কি না জেনে নিন।
* তফসিলে আপনার ফ্ল্যাট নং, কত তলায়,কোন্ পার্শ্বে - তা ঠিকমত উল্লেখ আছে কি না দেখুন।

০৬। ডেভেলপারের সাথে চুক্তিনামায় অবশ্যই " Feature & Amenities" অর্থ্যাৎ ডেভেলপার আপনার ক্রয়কৃত ফ্ল্যাটে কি কি নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করবে তা থাকতে হবে। বাংলায় হলে ভাল। সেগুলো ভালভাবে পড়ে তারপর চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

০৭। চুক্তিনামার শেষে, ডেভেলপারের ছাপানো ব্র্যশিয়্যার (যেটি দেখে আপনি ফ্ল্যাটটি বুকিং দিচ্ছেন, সেটিও "চুক্তিনামার একটি অংশ" -এ কথাটি যেন চু্ক্তিনামায় থাকে। অনেক সময়ই ডেভেলপার তার নিজ স্বার্থে ব্র্যশিয়্যার পরিবর্তন করে। তখন আপনাকে বিপাকে পড়তে হতে পারে।

০৮। একটি বিষয় খেয়াল রেখে চুক্তিনামায় কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল দেয়া উচিৎ। তা হলো, কিস্তির টাকা পরিশোধের সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ কাজ চলছে কিনা। সেটি তদারকি করা খুবই প্রয়োজন। আপনি চুক্তিনামা অনুযায়ী কিস্তির টাকা পরিশোধ করে যাচ্ছেন, কিন্তু ডেভেলপার সেই অনুপাতে নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে না-- তাতে আপনি এক সময় বিপদে পড়তে পারেন। অধিকাংশ ডেভেলপার এক প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটায়। তাতে কোন অসুবিধা নেই যদি দেখেন আপনার বুকিংকৃত প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ সিডিউল অনুযায়ী হচ্ছে।

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো:✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজ...
13/03/2025

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো:

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅ নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅ সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন।

👉 জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা =...
11/02/2025

👉 জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================

১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================

১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================

১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================

১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।

আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।

যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে  ধরা হ‌লো✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজ...
11/02/2025

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল করুন (০১)
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।।
2.সি এস,এস এ,বি এস,আর এস, সহ সকল ধরনের পর্চা স্বল্পমুল্যে লাগলে ইনবক্সে নক দেন।

😱ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন...
16/01/2025

😱ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।
✅ওয়ারিশ সনদ পত্র।
✅পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
✅নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয় কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয় ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখনোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।

#ভূমিসেবা #ভাগবন্টন #দলিল #জমি_মাপা #জমিদারি #জমি_পরিমান #ওয়ারিশ

ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময়...
16/01/2025

ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময় ভূমি মালিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ-

(১) মাঠ জরিপের সময় দখলের ভিত্তিতে নকশা এবং খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় বিধায় কোন মৌজা যখন কিস্তোয়ারের মাধ্যমে নকশা তৈরি করা হয় তখন ভূমি মালিকের কর্তব্য হলো জরিপ শুরু হওয়ার পূর্বে নিজ নিজ জমির আইল অর্থাৎ সীমানা সঠিক ও দৃশ্যমানভাবে চিহ্নিত করে রাখা এবং কিস্তোয়ারের সময় নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে জমিতে হাজির থেকে আমিনকে আইল দেখিয়ে সঠিক নকশা প্রস্তুতে সহায়তা করা।
(২) খানাপুরী-কাম-বুঝারতের সময় ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা, নামজারি কাগজপত্র এবং ক্রয় সূত্রে মালিক হলে রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অথবা দলিলের সার্টিফাইড কপি, কোর্টের ডিক্রি থাকলে তার কপি নিয়ে মালিক বা তার প্রতিনিধির মাঠে হাজির থেকে কাগজপত্র আমিনকে প্রদর্শন করে সঠিকভাবে নাম রেকর্ডভুক্ত করে নেয়া।
(৩) যদি কোন জমির মালিকানা সম্পর্কে অন্য কারো সঙ্গেবিবাদ থাকে তবে মাঠ জরিপের সময় নির্ধারিত ফরম পূরণ করে ডিসপুট দিতে হয়।
(৪) এলাকার কোন জমির পূর্বের রেকর্ডকৃত মালিকের মৃত্যু হয়ে থাকলে এবং তার কোন উত্তরাধিকারী উপস্থিত না থাকলে তার উত্তরাধিকারীদের সঠিক নাম ও ঠিকানা বর্ণনা করে নুতন মালিকদের নাম সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত করতে উপস্থিত অন্য মালিকগণ কর্তৃক আমিনকে সহায়তা করা।
(৫) তসদিকের সময় সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা অথবা ক্রয়সূত্রে মালিকানার দলিল পত্র অথবা সিভিল কোর্টের রায়, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের দাখিলা ইত্যাদি তসদিক অফিসারকে প্রদর্শন করে তসদিক সম্পন্ন করতে সহায়তা করা।
(৬) মাঠে প্রস্তুত রেকর্ডে কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে তথা কোন বৈধ মালিকের নাম বাদ পড়ে থাকলে বা ভুলে বা অবৈধভাবে কারো নাম কোন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে অথবা অন্য কোন প্রকার ভুল হয়ে থাকলে তা তসদিক অফিসারকে অবহিত হয়ে সঠিক কাগজপত্র প্রদর্শন করে সংশোধনের জন্য তসদিক কাজে সহায়তা করা।
(৭) খসড়া প্রকাশনা বা ডিপি এর সময় রেকর্ড পরিদর্শন করে যদি রেকর্ডে কোন ভুলত্রুটি থাকে তবে ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস দাখিল করে সঠিক রেকর্ড প্রস্তুতের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
(৮) তসদিক বা ডিপি এর সময় ভূমি মালিক নিজে বা তার নিজস্ব প্রতিনিধিকে দিয়ে এ কাজ করানো উচিত।
(৯) আপত্তি কেসের রায় যাঁর বিপক্ষে যাবে তিনি ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে ৩১ মোতাবেক আপিল কেস দায়ের করতে পারেন। আপিল কেসের সঙ্গে আপত্তি কেস রায়ের সার্টিফাইড কপি দিতে হবে। আপত্তি অথবা আপিল শুনানির সময় দাবির স্বপক্ষে বাদীকে সাক্ষ্য প্রমাণ হাজির করে দাবি প্রমাণ করতে হবে।
(১০) ভূমি মালিকের আর একটি দায়িত্ব হলো তার উত্তরাধিকার সন্তানদের ভূমির অবস্থান, মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এর সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া যাতে উত্তরাধিকার সন্তানগণ যথাসময় ইহা দেখাশুনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়।

মুদ্রিত রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় পুনরায় মালিক বা তার প্রতিনিধি রেকর্ড দেখার সুযোগ পাবেন। এ সময় ভূমি মালিক মুদ্রিত খতিয়ানের কপি এবং নকশা নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন। যদি মুদ্রিত রেকর্ডে কোন জালিয়াতি, করণিক ভুল, গাণিতিক ভুল বা মুদ্রণ ভুল থাকে তবে এস, এস, ম্যানুয়ালের ৫৩৩/৫৩৪ বিধি মোতাবেক তা সংশোধনের জন্য চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট দরখাস্ত দেয়া যায়। সেটেলমেন্ট অফিসার তদন্ত ক্রমে উল্লেখিত কোন ভুলের প্রমাণ পেলে তিনি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির পূর্বে বিধি মোতাবেক সংশোধন করবেন।

জরিপে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড সংক্রান্ত কোন ব্যাপারে কোন সমস্যা বা অসুবিধা দেখা দিলে বিষয়টি দ্রুত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার অথবা সেটেলমেন্ট অফিসারের দৃষ্টি গোচর করা উচিত। আবশ্যক হলে অভিজ্ঞ আইনবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। এ সব ব্যাপারে পোশাদার দালাল, টাউট ও বাটপার ভূমি মালিককে বিভ্রান্ত করে সর্বস্বান্ত করতে প্রয়াস পায়। এ বিষয়ে ভূমি মালিকের সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

Address

Flat-6B, H-155/2/D, West Kafrul, Mollapara, Taltola, Dhaka
Dhaka
1207

Telephone

+8801685982828

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nagori Design and Development Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nagori Design and Development Limited:

Share