Khaas Amatullahs Era

Khaas Amatullahs Era ShoppingwithAmatullahsEra . Shopping & Retail & Online Store KHAAS AMATULLAHS ERA IS IN AN E-COMMERCE PLATFORM.

07/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ!

Amatullahs Era এর পক্ষ থেকে জানানো যাচ্ছে যে, আমাতুল্লাহ'স এরা এবং ইয়াশফিন হসপিটালের কোলাবোরেশানে "রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সম্মত অনলাইন রুকইয়াহ কনসালট্যান্সির" সব সময় আপনাদের পাশে আছে।

আল্লাহ রব্বুল আলামীন নিজেই তো কুরআনে বলেছেন-

وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ

"আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত।"
(বনী-ইসরাঈল: ৮২)

✅আপনার কোন সমস্যা আছে কি❓

আমাদের ফ্রী ডায়াগনোসিস ফর্ম ফিল আপ করুন আপনার সমস্যা সম্পর্কে জানতে

Free Ruqyah Diagnosis Form Link
⤵️

https://forms.gle/mkNdaKqoencUYf9r9

📥 ইনবক্সে নক করুন অনলাইন রুকইয়াহ কনসালটেন্টদের ডিটেইলস সহ কনসালট্যান্সির বিষয় বিস্তারিত জানতে।Our Contact us for our Ruqyah Consultancy Service:

Please inbox us ⤵️

https://www.facebook.com/amatullahsera.official/

📣Note: We offer our Services only for Women.

To find your Ruqyah related problems visit our blogs & match your sign and symptoms.
Link⤵️

https://farhanaafroj.com/blog/

TO FIND OUR RUQYAH CONSULTANCY SISTERS FEEDBACK OF AMATULLAHS ERA
LINK⤵️

https://drive.google.com/file/d/1OLJz20pG8wPJcsrgly4_JQ__oQ24ZnFw/view?usp=sharing

For more information visit our Website ⤵️

https://farhanaafroj.com/online-ruqyah-consultancy-service/

Our Telegram Channel ⤵️

https://t.me/amatullahs_era

And also Our Instagram Account ⤵️

https://www.instagram.com/amatullahsera/

We offer our course/service FREE to all our Reverted Muslimah Sisters.

Also Our Service is available for financially challenged sisters.

🌸Share the group link with your sisters to earn Rewards 🌸

#রুকইয়াহ #রুকইয়াহকনসালটেন্সি

جزاكن الله خيرا كثيرا

06/11/2025

🌙 দুঃস্বপ্ন বা খারাপ স্বপ্ন দেখলে কী করবেন? 🌙

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“সৎ ও সুন্দর স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে।” (সহিহ মুসলিম)

তাই যখন কোনো অপ্রিয় বা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখবেন, তখন এসব আমল করুন—

1️⃣ বাম দিকে হালকা করে তিনবার থুতু ফেলবেন।

2️⃣ তিনবার বলবেন:
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
“আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম”
অর্থ: আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

3️⃣ শয়তান থেকে ও স্বপ্নের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবেন।

4️⃣ কাউকে সেই স্বপ্ন সম্পর্কে কিছু বলবেন না।

5️⃣ ঘুমানোর পাশ পরিবর্তন করবেন।

6️⃣ চাইলে উঠে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে পারেন।
---

💡 আরও বিস্তারিত জানতে চান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কালাম ও দু'আর মাধ্যমে কীভাবে আত্মিক ও মানসিক প্রশান্তি পেতে পারি?

তাহলে যোগ দিন আমাদের 🌿 “রুকইয়াহ শারইয়্যাহ কোর্স ২০২৫”-এ!

📜কোর্স আউটলাইন:

🕌শরয়ী রুকইয়াহ, বদনজর, জ্বিন, যাদু ও মানসিক সমস্যার শরয়ী প্রতিরোধ ও প্রতিকার,

🩺 Ruqyah from Medical Perspective সহ বিস্তৃত পাঠক্রম!

💻 মাধ্যম: টেলিগ্রাম লাইভ ক্লাস

🚫আর্লি বার্ড ডিসকাউন্ট শেষ!

🎉 তবে বোনদের জন্য দারুন একটি সুযোগ!
তিনজন বোন একসাথে রেজিস্ট্রেশন করলে পাবেন ১৭% ডিসকাউন্ট! 🩵
(অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য, ইনশাআল্লাহ)

📩 বিস্তারিত কমেন্টে।

06/11/2025

প্রশ্ন: পীর/ হুজুর কিভাবে বলে দেয় যে আমাকে তাবিজ করা হয়েছে? কিভাবে বলে দেয় যে আমি ছোটবেলা কি কি করেছিলাম? এমন সব কথা বলে যে আমি ছাড়া আর কারো জানার কথা না! কিভাবে বলে?

উত্তর:
প্রত্যেক মানুষের সাথে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন কারিন জ্বীন থাকে। সে আমাদের সাথেই থাকে, তাই আমাদের ব্যপারে বেশ ভালো জানাশুনা আছে তার।

এখন যাদুকর তার নিজের জ্বীনকে পাঠিয়ে আমাদের এই কারিন জ্বীনকে প্রভাবিত করে আল্লাহর ইচ্ছায় তার থেকে বেশকিছু তথ্য জেনে নিতে পারে। তাবিজ করা হয়েছে কিনা এটাও প্রায় একইভাবে বলে। যাদুকর যদি জ্বীনদের সাহায্যে যাদু করে তাহলে যাদুর জ্বীনও আশেপাশেই থাকে। এই হুজুরের জ্বীন যাদুকরের নিয়োজিত জ্বীন থেকে বেশকিছু তথ্য জেনে নিয়ে এটা হুজুরকে জানায়। বলে রাখা ভালো উভয় ক্ষেত্রেই হারাম পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। এভাবে জ্বীনদের থেকে সাহায্য নেয়া হারাম। ক্ষেত্রবিশেষে এটা কুফর, শিরক। অবশ্য যাদুকরের জ্বীন তাকে এমনিতেই এই কাজটা করে দিবেনা। এরজন্য যাদুকরকে এই জ্বীনের কথামত গোলামী করতে হয়। গোলামীর ধরন কেমন হতে পারে? যাদুকরকে কোরআন অবমাননার জন্য বলবে, শিরক করার জন্য বলবে। কারীন জ্বীন, যাদুর জ্বীন এদের খুশি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল আল্লাহর নাফরমানী করা।

Courtesy: Ruqyah Support Bd

পূর্বের পোস্টের সম্পূরক প্রশ্ন:তাহলে যাদু/জ্বীনের সমস্যার চিকিৎসা কিভাবে হবে?উত্তরঃ শরীয়তসম্মত রুকইয়াহ করে। কোরআনের আয়াত...
06/11/2025

পূর্বের পোস্টের সম্পূরক প্রশ্ন:
তাহলে যাদু/জ্বীনের সমস্যার চিকিৎসা কিভাবে হবে?

উত্তরঃ শরীয়তসম্মত রুকইয়াহ করে। কোরআনের আয়াত এবং এবং রাসুল (সা) থেকে বর্ণিত উপায়ে।

©Ruqyah Support Bd

✨ রুকইয়াহ শারইয়্যাহর ৬ষ্ঠ ব্যাচে ভর্তি চলছে আলহামদুলিল্লাহ!

রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও শিখতে আজই রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন ইনশাআল্লাহ।

ওয়া মা তাওফীক্বি ইল্লা বিল্লাহ।

বিস্তারিত কমেন্টে ⬇️

06/11/2025

প্রশ্নঃ
ওরা কিভাবে ভবিষ্যতের কথা বলে দেয়? হুজুর যা বলেছিল হবে, সেটাই হয়ে গেছে! কিভাবে সম্ভব?

উত্তরঃ যখন আল্লাহ কোন সিদ্ধান্ত নেন তখন সেটা ফেরেশতাদের জানিয়ে দেন। ফেরেশতারা আল্লাহর ভয়ে ডানা ঝাপটাতে থাকেন তারপর নিজেরা আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলতে থাকেন। এভাবে আল্লাহর সিদ্ধান্ত উপরের দিকে থাকা ফেরেশতা থেকে নিম্ন আসমানের দিকের ফেরেশতাদের কাছে আসে। উনারা বলাবলি করতে থাকেন, আমাদের রব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন!

শয়তানরা একজনের উপর আরেকজন উঠে মইয়ের মত করে উপরের দিকে উঠতে থাকে। উপরে উঠে তারা নিম্ন আকাশের দিকে থাকা ফেরেশতাদের কথা শুনার চেষ্টা করে। দুয়েকটা কথা শুনেও। তবে এরা উপরের দিকে উঠলেই আগুনের উল্কা এদের দিকে নিক্ষেপ করা হয়। তাই বেশি কথা শুনতে পারেনা। এরা যা শুনে সেটা সত্যি কথা। এরা এই সত্যের সাথে আরো কয়েকশ মিথ্যা মিশিয়ে যাদুকর/গণককে বলে দেয়। যাদুকর সেটা বলে মানূষকে চমকে দেয়। মানুষও যখন দেখে যাদুকরের কথামত কিছু কথা মিলে যাচ্ছে তখন সেটা বিশ্বাস করে! যাদুকর/গণক/জ্যোতিষী এদের কাছে গিয়ে নিজের ভবিষ্যত জানতে চাওয়া অনেক বড় ধরনের গুনাহ। গায়েবের খবর একমাত্র আল্লাহ জানেন। সকল কাজে একমাত্র আল্লহর উপরই ভরসা করা উচিত।

©Ruqyah Support Bd

রুকইয়াহ শারইয়্যাহর ৬ষ্ঠ ব্যাচে ভর্তি চলছে আলহামদুলিল্লাহ!

রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও শিখতে আজই রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন ইনশাআল্লাহ।

ওয়া মা তাওফীক্বি ইল্লা বিল্লাহ।

বিস্তারিত কমেন্টে ⬇️

নিদ্রার সময় পড়ার সহীহ যিকরসমূহ১) দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়া এবং সারা শরীরের যতটুকু স...
06/11/2025

নিদ্রার সময় পড়ার সহীহ যিকরসমূহ

১) দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়া এবং সারা শরীরের যতটুকু সম্ভব তিনবার মাসেহ করা।
(বুখারী বর্ণিত।)
২) আয়াতুল কুরসী পড়া — (বুখারী বর্ণিত।)
৩) সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়া
(বুখারী ও মুসলিমে সহমতে বর্ণিত।)
৪) নিম্নোক্ত যিকির ১ বার পড়বেন,
* اللَّهُمَّ أسلمتُ نفسي إليك، وفوَّضتُ أمري إليك، وألجأتُ ظهري إليك رغبةً ورهبةً إليك، لا ملجأ ولا منجى منك إلا إليك، اللَّهُمَّ آمنتُ بكتابك الذي أنزلتَ، وبنبيك الذي أرسلتَ،
“হে আল্লাহ! আমি আমার প্রাণ তোমার কাছে সমর্পণ করেছি, আমার সকল কাজ তোমার ওপর ছেড়ে দিয়েছি, আমার পিঠ তোমার ওপর নির্ভর করেছি—তোমারই ভয় ও আশা নিয়ে। তোমার থেকে রক্ষা ও আশ্রয় নেই তোমারই দিকে না হলে। হে আল্লাহ! আমি বিশ্বাস করেছি তোমার নাযিলকৃত কিতাবে এবং তোমার প্রেরিত নবীতে।”
(বুখারী ও মুসলিমে সহমতে বর্ণিত।)

৫) নিম্নোক্ত যিকির একবার পড়বেন,
* باسمك ربي وضعتُ جنبي، وبك أرفعه، إن أمسكت نفسي فارحمها، وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين
“হে আমার প্রতিপালক! তোমার নামেই আমি আমার পার্শ্ব রাখি (ঘুমাতে যাই), এবং তোমারই নামেই তা উঠাই (জাগি)। যদি তুমি আমার প্রাণ কাড়ো, তবে তার প্রতি রহম করো, আর যদি রেখে দাও, তবে তা হেফাযত করো যেমন তুমি তোমার সৎ বান্দাদের হেফাযত করো।”
(বুখারী ও মুসলিমে সহমতে বর্ণিত।)

৬) নিম্নোক্ত যিকিরগুলো করবেন,
* ৩৩ বার “সুবহানাল্লাহ”,
* ৩৩ বার “আলহামদুলিল্লাহ”, এবং
* ৩৪ বার “আল্লাহু আকবার” বলা
— বুখারী ও মুসলিমে সহমতে বর্ণিত।

৭) নিচের যিকিরটি একবার করবেন
* الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وكفانا وآوانا فكم ممن لا كافي له ولا مؤوي
“সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের আহার দিয়েছেন, পানীয় দিয়েছেন, যথেষ্ট করেছেন ও আশ্রয় দিয়েছেন। অনেকেই আছে যাদের না খাদ্যদাতা আছে, না আশ্রয়দাতা।”
(মুসলিম বর্ণিত।)

৮) নিচের যিকিরটি একবার করবেন,
* اللَّهُمَّ خلقتَ نفسي وأنت توفَّاها، لك مماتها ومحياها، إن أحييتَها فاحفظها، وإن أمتَّها فاغفر لها، اللَّهُمَّ إني أسألك العافية
“হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রাণ সৃষ্টি করেছো, আর তুমি-ই তা কবজ করবে। তার মৃত্যু ও জীবন তোমারই হাতে। তুমি যদি তাকে জীবিত রাখো, তবে হেফাযত করো; আর যদি মৃত্যু দাও, তবে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভালো অবস্থার (আফিয়াহ) প্রার্থনা করছি।”
(মুসলিম বর্ণিত।)

৯) নিচের যিকিরটি একবার করবেন,
* اللَّهُمَّ ربَّ السموات السبع وربَّ الأرض وربَّ العرش العظيم، ربَّنا وربَّ كلِّ شيء، فالق الحبِّ والنوى، ومنزل التوراة والإنجيل والفرقان، أعوذ بك من شرِّ كلِّ شيءٍ أنت آخذٌ بناصيته، اللَّهُمَّ أنت الأوَّل فليس قبلك شيء، وأنت الآخر فليس بعدك شيء، وأنت الظاهر فليس فوقك شيء، وأنت الباطن فليس دونك شيء، اقضِ عنَّا الدَّيْن واغنِنا من الفقر
“হে আল্লাহ! সাত আসমানের রব, জমিনের রব, মহা আরশের রব, আমাদের রব ও সবকিছুর রব, যিনি শস্য ও বীজ ফাটিয়ে বের করেন, যিনি তাওরাত, ইনজীল ও ফুরকান নাযিল করেছেন, আমি আশ্রয় চাই তোমার কাছে প্রতিটি জিনিসের অনিষ্ট থেকে, যার কপাল তোমার হাতে। হে আল্লাহ! তুমি প্রথম, তোমার আগে কিছুই নেই; তুমি শেষ, তোমার পরে কিছুই নেই; তুমি সর্বোচ্চ সত্তা, তোমার ওপরে কিছুই নেই; তুমি কাছের সত্তা, তোমার চেয়ে কাছে কেউ নেই। আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও এবং আমাদের দারিদ্র্য থেকে সমৃদ্ধ করো।”
(মুসলিম বর্ণিত।)

১০) সূরা আলিম লাম মীম (সাজদাহ) একবার
১১) সূরা আল-মুলক একবার।
১২) নিম্নোক্ত যিকির একবার পড়বেন,
* اللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ والشَّهَادَةِ، فَاطِرَ السَّموَاتِ والأرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيءٍ ومَلِيْكَهُ، أشْهَدُ أنْ لا إلَهَ إلاَّ أنْتَ، أعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ، وأنْ أقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءاً، أوْ أجُرَّهُ إلَى مُسْلِمٍ
“হে আল্লাহ! আপনি অদৃশ্য ও প্রকাশ্য সমস্ত বিষয়ের জ্ঞাতা, আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা, সবকিছুর রব এবং মালিক, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি—আপনার ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি আশ্রয় চাই আপনার নিকট আমার নিজের মন্দ দিক থেকে এবং শয়তানের অনিষ্ট ও তার কুমন্ত্রণা (শিরক বা ফাঁদ) থেকে এবং যেন আমি নিজের বিরুদ্ধে কোনো মন্দ কাজ করি না, অথবা তা কোনো মুসলমানের ওপর টেনে না আনি (অন্য মুসলিমের ক্ষতি না করি)।”
(আবু দাউদ, তিরমিযী প্রমুখ; সহীহ হাদীস)

©️ Dr. Abubakar Muhammad Zakaria

06/11/2025

✨ Student’s Review – Ruqyah Shariyyah Course ✨

৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থীর অনুভূতি। 🌿 আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে আমাদের কোর্সটি আরও উন্নত, যেখানে রয়েছে প্রায় ৪৬টি ক্লাস এবং বিশেষ সংযোজন রুকইয়াহ ফ্রম মেডিক্যাল পার্সপেক্টিভ!

ইয়াশফীন হসপিটাল ও আমাতুল্লাহ'স এরার যৌথ প্রযোজনায় পরিচালিত হচ্ছে আমাদের এই সিগনেচার কোর্সটি!
আলহামদুলিল্লাহ!

৬ষ্ঠ ব্যাচের রেজিষ্ট্রেশন চলছে ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত, ইনশাআল্লাহ।

✨ আলহামদুলিল্লাহ! Ruqyah Shariyyah Course-এর আরেক শিক্ষার্থীর হৃদয়ছোঁয়া অভিজ্ঞতা 🌿এই কোর্স কেবল রুকইয়াহ নয় — এটি এক ...
06/11/2025

✨ আলহামদুলিল্লাহ! Ruqyah Shariyyah Course-এর আরেক শিক্ষার্থীর হৃদয়ছোঁয়া অভিজ্ঞতা 🌿
এই কোর্স কেবল রুকইয়াহ নয় — এটি এক আত্মশুদ্ধি ও বিশুদ্ধ তাওহীদের এক অনন্য যাত্রা!

📣 রেজিস্ট্রেশনের আর মাত্র ২১ দিন বাকি!
যারা এখনো ভাবছেন — " রেজিষ্ট্রেশন করব কি না?", এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেয়ার!
চলুন ইস্তিখারা করে, এই বরকতময় ইলমি সফরের অংশ হয়ে যাই একসাথে, ইনশাআল্লাহ 🌿


✨ আলহামদুলিল্লাহ! Ruqyah Shariyyah Course-এর আরেক শিক্ষার্থীর হৃদয়ছোঁয়া অভিজ্ঞতা 🌿
এই কোর্স কেবল রুকইয়াহ নয় — এটি এক আত্মশুদ্ধি ও বিশুদ্ধ তাওহীদের এক অনন্য যাত্রা!

📣 রেজিস্ট্রেশনের আর মাত্র ২ দিন বাকি!
যারা এখনো ভাবছেন — " রেজিষ্ট্রেশন করব কি না?", এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেয়ার!
চলুন ইস্তিখারা করে, এই বরকতময় ইলমি সফরের অংশ হয়ে যাই একসাথে, ইনশাআল্লাহ 🌿


‼️ জ্বীনের সাহায্য নেয়া যাবে কিনা – দ্বিতীয় পর্ব ‼️🔹 সুলায়মান (আলাইহিস সালাম) কি জ্বীনদের সাহায্য নিয়েছিলেন?না, বরং জ্বী...
06/11/2025

‼️ জ্বীনের সাহায্য নেয়া যাবে কিনা – দ্বিতীয় পর্ব ‼️

🔹 সুলায়মান (আলাইহিস সালাম) কি জ্বীনদের সাহায্য নিয়েছিলেন?

না, বরং জ্বীনরাই সুলায়মান (আলাইহিস সালাম)-এর অধীনে কাজ করতে বাধ্য ছিল। আল্লাহ তাঁর জন্যই এমন ব্যবস্থা করেছিলেন। এজন্য সুলায়মান (আ.)-এর ইন্তিকালের পর জ্বীনরা আর কোনো নবী বা বাদশাহর আনুগত্য করেনি।

কুরআনে এসেছে—পানির শয়তানরাও তাঁর অধীন ছিল।
এখন যদি কেউ বলে, যেহেতু সুলায়মান (আ.)-এর অধীনে শয়তানরা ছিল, তাই পানির জ্বীন বা শয়তানের সাহায্য চাওয়া বৈধ—তাহলে সেটা ভয়াবহ ভুল ধারণা।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সুলায়মান (আ.)-এর ওপর জাদু ও জ্বীনসাধনার অপবাদ নতুন কিছু নয়। পূর্বের কিতাবি কাফেররাও একই অপবাদ দিত। এজন্য আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্পষ্টভাবে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন—

“আর তারা অনুসরণ করেছিল সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়তানরা যা আবৃত্তি করত। অথচ সুলায়মান কুফরি করেননি; বরং শয়তানরাই কুফরি করেছিল—তারা মানুষকে জাদু শিখাতো...”
(সূরা আল-বাকারা: ১০২)

🌪 বাস্তব সত্য হলো –

১️. সাধারণভাবে কোনো জ্বীন বিশেষ স্বার্থ বা শয়তানি পরিকল্পনা ছাড়া কাউকে সাহায্য করে না।

হ্যাঁ, এক–দুইটা ব্যতিক্রম থাকতে পারে; কিন্তু সেটাকে দলিল বানিয়ে সবাইকে অনুমতি দেয়া যাবে না। এই বিষয়ে নমনীয়তা বা “দুর্বলতা” দেখানো মোটেও ঠিক নয়।

এই বিষয়ের “দরর” (ক্ষতি) এতই বেশি যে, সামান্য লাভের আশায় নিজের ঈমান ঝুঁকিতে ফেলার পরামর্শ দেয়া কোনো বুদ্ধিমান ফকিহের কাজ হতে পারে না।

২️. যদি কোনো জ্বীন স্বেচ্ছায় এসে সাহায্যের প্রস্তাব দেয়, তবুও আমাদের উচিত তা প্রত্যাখ্যান করা।

বলতে হবে—

“তোমরা যা খুশি করো, আমার সাথে তোমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।”

শয়তানরা অনেক সময় শুরুতে “ফ্রি চা” খাওয়ানোর মতো করে সাহায্য দেয়, তারপর ধীরে ধীরে মানুষকে তাদের ওপর নির্ভরশীল বানিয়ে ফেলে।
আজ অনেকেই জ্বীনের সাহায্য নেয়ার নামে সেই তান্ত্রিকদের মতো কাজ করছে—যা ইসলামে স্পষ্ট হারাম।

আল্লাহ আমাদেরকে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন।

৩️. কেউ কেউ বলে—“আমরা তো জ্বীনের নয়, ফেরেশতার সাহায্য নিই!”

এটাও মিথ্যা দাবি।
ফেরেশতারা নিজ ইচ্ছায় কিছুই করে না; তারা কেবল আল্লাহর আদেশেই কাজ করে।

কিয়ামতের দিনে আল্লাহ যখন বলবেন,

“এরা কি তোমাদের উপাসনা করত?”

ফেরেশতারা বলবে—

“না, হে আমাদের রব! এরা তো জ্বীনদের উপাসনা করত, জ্বীনদের কথাই বিশ্বাস করত।”
(সূরা সাবা: ৪১)

৪️. অনেক কবিরাজ মনে করে তারা জ্বীনকে অনুগত বানিয়ে কাজ করাচ্ছে।

কিন্তু বাস্তবে, কখন সে নিজেই যে শয়তানের অনুগত হয়ে গেছে—তা সে বুঝতেও পারে না।

৫. নবী ﷺ ও সাহাবাদের যুগেও তো জ্বীন ছিল।

কিন্তু তাঁরা কি কখনো জ্বীনের সাহায্যে ঝাড়ফুঁক করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন? না।

সিরাতের ঘটনাগুলোতে দেখা যায়—যারা গণক বা জ্বীনসাধকের কাছে সাহায্য নিতে যেত, তারা ইসলাম-পূর্ব জাহেলি যুগের মানুষ ছিল।
ইসলাম এসে সেইসব অপবিত্র প্রথাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমাদের শিখিয়েছে—এসব সন্দেহজনক পথ থেকে দূরে থাকতে।

📖 এবার শুনুন কুরআনের এক ভয়াবহ সতর্কতা –

“যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, তিনি বলবেন—হে জ্বীন সম্প্রদায়! তোমরা তো অনেক মানুষকে তোমাদের অনুগামী বানিয়ে নিয়েছিলে।
মানুষের বন্ধুরা বলবে—‘হে আমাদের রব! আমরা পরস্পরের দ্বারা উপকার ভোগ করেছি এবং এখন আমাদের নির্ধারিত সময় এসে গেছে।’
আল্লাহ বলবেন—‘আগুনই তোমাদের বাসস্থান; সেখানে তোমরা চিরকাল থাকবে...’”
(সূরা আন‘আম: ১২৮)

🌿 পরিশেষে,
আমাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও বরকতময় পথ হলো—নবী ﷺ, সাহাবায়ে কিরাম ও প্রাচীন ইমামদের পথ।
তাঁরা ঝাড়ফুঁকের জন্য জ্বীনের সাহায্য নেননি; বরং একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চেয়েছেন।

তাই আমরাও বলব—
“إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ”
“আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।” (সূরা ফাতিহা: ৫)

আলহামদুলিল্লাহ, সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাকে এই কোর্সটাতে যুক্ত হওয়ার এবং কোনো রকমে কমপ্লিট করার তৌফিক দিয়েছেন। নানা র...
06/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ, সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাকে এই কোর্সটাতে যুক্ত হওয়ার এবং কোনো রকমে কমপ্লিট করার তৌফিক দিয়েছেন। নানা রকম সমস্যা পারিবারিক, শারীরিক ও অন্যান্য কারনবশত আমি মাতৃত্ব যাত্রাকালীন এই সময়টাতে আগের সময়ের মত করে পড়াশুনা আর কোর্সের আদব ও নিয়ম রক্ষা করে কোর্স কন্টিনিউ করতে পারিনি। ভেবেছিলাম হাল ছেড়ে দেই। তবু পূর্বের স্বভাব বশত শেষের দিকে এসে একটু চেষ্টা করলাম, যাতে অন্তত পরীক্ষাটা দিয়ে কোর্সটা শেষ করতে পারি, কি জানি আর কখনো সুযোগ হয় কিনা এই কোর্সে অংশগ্রহণ করার!

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তৌফিক দিলেন সম্পন্ন করার!

যদিও অনেক কিছু মিস হয়ে গেছে আমার লাস্টের ক্লাসগুলো, হোমওয়ার্ক, রিডিং টাস্ক...ইত্যাদি। তাই আমার রিভিউটাও অসম্পূর্ণ রিভিউই বলা চলে! তবুও ছোট করে যদি বলি..

আলহামদুলিল্লাহ এই কোর্সটা যেকোন মুসলিমাহর জন্যই করা অত্যাবশকীয়। কেননা এই কোর্সটা যেভাবে সাজানো, সেই অনুযায়ী আমি হলে কোর্সটার নাম 'রুকইয়াহ শারীয়াহ'তে সীমাবদ্ধ করতাম না হয়ত!

কেননা কোর্সের শুরুতেই আপনাকে ইসলামি আক্বীদা ( তাওহীদ, শিরক, কুফর, বিদআত, ইসলাম ভংগের নীতিমালা), কুরআন ও হাদীস বোঝার নীতিমালা, ফিকহের বেসিক কিছু আইডিয়া, ইসলামী আদব - আখলাক সংক্রান্ত বিষয়াদি, অন্যান্য আরো কিছু সমসাময়িক বিষয় প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটে আলোচনা করা হয়েছে, এরই সাথে সাথে রুকইয়াহ শারীয়াহ সংক্রান্ত বিষয়াবলি - বদনজর, হিংসা, জ্বিনের স্পর্শ, জাদু, কালোজাদু ও অন্যান্য আরোও অনেক বিষয়কে কুরআন সুন্নাহর আলোকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সাথে সালাফদের এই বিষয়ে দৃষ্টিভংগী কেমন ছিল তাও আলোচনা করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

ক্লাসের সাথে সাথে প্রতি ক্লাসের হোমওয়ার্ক ও পড়াগুলো যদি কেউ নিয়মিত করতে পারে, তাহলে এই এক কোর্সেই তার পক্ষে দ্বীনের বহুবিধ জ্ঞান সম্পর্কে বেসিক একটা ধারনা অর্জন করা সম্ভব।

যদিও এখানে শুধু বেসিক আলোচনাই করা হয়েছে আক্বীদা নিয়ে, তবুও যেকোন মুসলিমের জন্য এটা ফরয যে, সে যেন সহিহ আক্বীদা সম্পর্কে বিশদ ও সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন করে। আক্বীদার কনসেপ্ট অস্পষ্ট রেখে দিলে রুকইয়াহর জ্ঞান অসম্পূর্নই থেকে যাবে।

তাই এই কোর্সের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যদি আলাদা করে সহিহ আক্বীদার জ্ঞান চর্চা করে তবে ইন শা আল্লাহ আরো উপকৃত হবেন ইন শা আল্লাহ।

আল্লাহ সকলের জন্য সহজ করুন।

এই কোর্সের আয়োজক উস্তাযাদের নেক নিয়্যাত ও পরিশ্রম কবুল করুন, এবং তাদের সহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল দ্বীনি ভাই-বোনদের দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম জাযা দান করুন আমিন।

- শওকত আরা জাহান
শিক্ষার্থী, রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (৫ম ব্যাচ)

📣 সুসংবাদ প্রিয় বোনেরা! রুকইয়াহ শারইয়্যাহ কোর্সের রেজিস্ট্রেশন সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে! 🌿আলহামদুলিল্লাহ 💫 আপনাদের ভালোবাসা ...
06/11/2025

📣 সুসংবাদ প্রিয় বোনেরা! রুকইয়াহ শারইয়্যাহ কোর্সের রেজিস্ট্রেশন সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে! 🌿

আলহামদুলিল্লাহ 💫 আপনাদের ভালোবাসা ও প্রবল আগ্রহের কারণে
“রুকইয়াহ শারইয়্যাহ কোর্স ২০২৫”-এর রেজিস্ট্রেশনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে ২৭শে নভেম্বর পর্যন্ত!

🗓️ ক্লাস শুরু হবে ২৮শে নভেম্বর ২০২৫ থেকে, ইনশাআল্লাহ।

✨ এবারের কোর্স আরও সমৃদ্ধ ও আপডেটেড —

🔹 ৪৬+টি লাইভ ক্লাস ও প্রশ্নোত্তর সেশন

🔹 “Ruqyah from Medical Perspective” বিশেষ সেগমেন্ট

🔹 এবং একদম বেসিক আকীদা থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ রুকইয়াহ প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন

🎯 আমাদের লক্ষ্য:
প্রতি পরিবারে অন্তত একজন যেন রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সম্পর্কে জানে,
যে নিজের ও পরিবারের সবার জন্য সুরক্ষার ঢাল হতে পারবে, ইন শা আল্লাহ 🛡️

💌 যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি—এটাই আপনার সুযোগ!

আজই যুক্ত হোন এই বরকতময় ইলমের সফরে 🌸
ইনশাআল্লাহ।

Address

Baridhara DOHS
Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 14:00 - 05:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khaas Amatullahs Era posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share