Rope Crafts

Rope Crafts Macrame Crafting Macramé is a type of textile created using knotting techniques, as opposed to weaving or knitting.

The knots are square and form full-hitch and double half-hitches. The craft required only inexpensive and accessible materials like cotton twine, hemp, leather or yarn, with various beads used to enhance the piece

আমার ওনাদের couple টাকে কি যে সুন্দর লাগে!❤️🥀 মাশাআল্লাহ 🤲​Men in love 🦋​ভালোবাসা সুন্দর 🌸​৩০ মে — ৩০ ডিসেম্বর​একজন জীবন...
31/12/2025

আমার ওনাদের couple টাকে কি যে সুন্দর লাগে!❤️🥀 মাশাআল্লাহ 🤲

​Men in love 🦋
​ভালোবাসা সুন্দর 🌸
​৩০ মে — ৩০ ডিসেম্বর
​একজন জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের জন্য।
​অন্যজন জীবন উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশকে।
​এই ৩০ হয়তো বিচ্ছেদ নয়, পুনর্মিলনেরই সংখ্যা 🕊️

আল্লাহ উনাদের বেহেস্ত নসিব করুক। আমিন 🤲

**“Made slowly, with love and intention.Every macramé piece I create is a reflection of time, patience, and quiet crafts...
15/12/2025

**“Made slowly, with love and intention.
Every macramé piece I create is a reflection of time, patience, and quiet craftsmanship.
No two pieces are exactly the same — because handmade art carries its own character and soul.
This is more than décor; it’s a feeling, a story, and a piece of calm for your space.”*

Dm for order.
We delivered all over Bangladesh. 🇧🇩







রাস্তায় কিংবা বাড়ির পাশের  লাবণ্যময়ী, পরিপাটি মেয়ে দেখলে যদি আরেকবার তাকাতে মন চায়, নিজের বউকে অসুন্দর মনে হয় তাহলে একটু...
28/10/2025

রাস্তায় কিংবা বাড়ির পাশের লাবণ্যময়ী, পরিপাটি মেয়ে দেখলে যদি আরেকবার তাকাতে মন চায়, নিজের বউকে অসুন্দর মনে হয় তাহলে একটু ভেবে দেখবেন,আপনিই হয়তো আপনার বউকে সেভাবে রাখতে পারেননি।পুরনো জীর্ণ কাপড়ের চাইতে নতুন কাপড়ে যতটা সুন্দর লাগে, অলংকার নারীর সৌন্দর্য আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।আর যত্নের অভাবে চেহারার লাবণ্যতা ফিকে হয়ে যায়।স্কিন কেয়ার,হেয়ার কেয়ার প্রডাক্ট কিনতেও নির্দিষ্ট একটা এমাউন্ট লাগে।এসব ছাড়া তো ঝকঝকে ত্বক,ঝলমলে চুল সম্ভব না।

আপনি যখন বিয়ে করেছেন তখন নিশ্চয়ই আপনার বউ এরকম ছিল না। সংসার, সন্তান সামলাতে গিয়েই হয়তো নিজের যত্ন নেয়ার সময় পায় না।আপনার সামর্থ্যের কথা চিন্তা করেই হয়তো মাসে মাসে নতুন পোশাক আবদার করে না।ময়েশ্চারাইজার,সানস্ক্রিন, শ্যাম্পু শেষ হয়ে গেলেও সাথে সাথে বলে না।

রান্নায় মশলা ঠিকঠাক মত না হলে,সব মশলা ব্যবহার না করলে যেমন দেখতেও সুন্দর লাগে না,তেমন খেতেও স্বাদ হয়না।তাহলে যত্নের অভাব,ভালো পোশাকের অভাবেও তো একটা মেয়েকে মলিন লাগা স্বাভাবিক।

পরনারীর যে পরিপাটি,সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে বউকে অসুন্দর ভাবছেন,যত্নের অভাবে আপনার বউয়ের মত তাকেও মলিন লাগবে।একটা নারীর সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য নির্ভর করে তার স্বামী তাকে কিভাবে রেখেছে সেটার ওপর।

অন্য নারীর দিকে নজর না দিয়ে, বউয়ের যত্ন করেন,সামর্থ্যের মধ্যে ভালো পোশাক কিনে দেন,খাবারের খেয়াল রাখেন।দেখবেন আপনার বউও সৌন্দর্যের দিক দিয়ে কারো থেকে কোনো অংশে কম নয়।মনে রাখবেন,বউয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সোওয়াব আর পরনারীর দিকে তাকালে গুনাহ।
©সাদিয়া আফরিন মার্জান

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন? অনেক দিন পরে আবার আপনাদের জন্য কি নিয়ে আসলাম।
04/10/2025

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন?
অনেক দিন পরে আবার আপনাদের জন্য কি নিয়ে আসলাম।

শিক্ষণীয় গল্প(শুধু পিঁপড়ে নয় আমাদের জীবন),,,,একটি পিঁপড়ার কলোনিতে থাকতো একটি ছোট পিঁপড়ে। না ছিলো সে  সবচেয়ে শক্তিশালী, ন...
12/05/2025

শিক্ষণীয় গল্প(শুধু পিঁপড়ে নয় আমাদের জীবন),,,,

একটি পিঁপড়ার কলোনিতে থাকতো একটি ছোট পিঁপড়ে। না ছিলো সে সবচেয়ে শক্তিশালী, না সবচেয়ে দ্রুতগামী, না সবচেয়ে বুদ্ধিমান, কিন্তু তার একটি গুণ ছিল যা তাকে
অন্যদের থেকে আলাদা করতো,,,, আর তা হলো - সে কখনোই অন্যের কষ্ট উপেক্ষা করতে পারতো না।

যদি কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শস্যের দানা বাসায় নিয়ে যেতে না পারে, সে সাহায্য করতো। যদি কেউ হোঁচট খেয়ে পড়ে যেতো, সে তাকে তুলে দিতো। যদি বৃষ্টিতে সুড়ঙ্গ ধসে যেতো, সে-ই সবার আগে তা মেরামত শুরু করতো।

পিঁপড়ারা তার সবসময় পাশে থাকার অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলো। তারা জানতো, যদি তারা কোনো বোঝা ফেলে দেয়, সে তা তুলে নেবে। যদি তারা কোনো পথ শেষ না করে, সে তা শেষ করবে। যদি তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, সে তাদের কাঁধ দেবে ভর দিয়ে চলার জন্য।

কিন্তু কেউ কখনও জিজ্ঞেস করেনি,,,, সে নিজে কি ক্লান্ত,,,,?

দিনের পর দিন, সে শুধু নিজের কাজই করত না, সবার কাজও করে যেতো। তার কখনও বিশ্রামের সময় ছিল না, কিন্তু সে নিজেকে বোঝাতো,,,, “আর একটু, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।” তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অন্যদের যেন কষ্ট কম হয়।

একদিন, পিঁপড়েটি লক্ষ্য করলো তার পা কাঁপছে ক্লান্তিতে। সে আর আগের মতো দ্রুত শস্য বয়ে নিতে পারছিলো না। তার পিঠ ব্যথা করছিলো আর চোখে ক্লান্তি জমে ছিলো সেই অন্তহীন কাজের চাপ দেখে। কিন্তু সে তো পিঁপড়ার ঢিপিকে নিরাশ করতে পারতো না।

যখন এক পিঁপড়ে তাকে একটি বোঝা বয়ে নিতে সাহায্য চাইলো, সে তার শেষ শক্তিটুকু জড়ো করে রাজি হলো।

যখন দ্বিতীয় পিঁপড়ে তাকে নিজের কাজ শেষ করতে বললো, সে দাঁত কামড়ে হ্যাঁ বললো।

যখন তৃতীয় পিঁপড়ে বললো, “তোমার তো সবসময় সময় থাকে, আমাকেও সাহায্য করো,” তখনও সে না বলতে পারলো না।

আর তখনই ঘটলো এমন কিছু, যা সে নিজেও আশা করেনি। সব দায়িত্বের ভারে তার পা ভেঙে পড়ল। সে মাটিতে পড়ে গেলো। অথচ পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া পিঁপড়ারা খেয়ালই করলো না যে সে আর নড়ছে না।

প্রথমে কেউ তার অনুপস্থিতি লক্ষ্যই করলো না। তারপর “ও নিশ্চয়ই শিগগিরই ফিরে আসবে,” তারা বললো।

কিন্তু দিন কেটে গেলো, আর কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠলো। আর কেউ পড়া শস্য তুলে নেয় না। আর কেউ কাঁধ দেয় না। আর কেউ সুড়ঙ্গ মেরামত করে না।
পিঁপড়ার ঢিপিতে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠলো।

সব পিঁপড়ারাই এক এক করে বুঝতে শুরু করলো,,,,সে তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি কিছু করতো। তারা তাকে খুঁজলো, কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া গেল না।

আর তখনই, পিঁপড়ার ঢিপির এক কোণে থাকা এক বৃদ্ধ পিঁপড়ে একদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,,,, “সে চলে গেছে।”
তার কাজের মূল্য তখনই বোঝা গেলো যখন সে আর ছিল না।

“কিন্তু সে আমাদের বলল না কেন,,,,?পিঁপড়ারা ক্ষুব্ধ হলো।
বৃদ্ধ পিঁপড়া বললো,,,,“তোমরা কি কখনো তাকে জিজ্ঞেস করেছিলে, সে কেমন আছে?” পিঁপড়ারা চুপ করে রইলো।

তারা বুঝতে পারলো,,,, তারা তার সাহায্যকে স্বাভাবিক মনে করেছিলো। সে সবসময় পাশে থাকতো, সাহায্য করত, সবাইকে কঠিন সময় থেকে রক্ষা করতো। আর যখন সে নিজেই কষ্টে ছিলো, তখন কেউ তা টেরও পায়নি।

☄️ নৈতিক শিক্ষা
প্রতিটি সমাজে কিছু মানুষ থাকে যারা অন্যদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়।তারা সাহায্য করে, পাশে থাকে, সবার চেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। তারা তখনও “হ্যাঁ” বলে যখন তারা খুব ক্লান্তও থাকে। তারা অন্যদের জীবন সহজ করে তোলে কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে না,,,,তারা কেমন আছে।
একদিন যখন তাদের শক্তি শেষ হয়ে যায় আর তারা চলে যায়, তখনই সবাই বোঝে তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো।

আমার এক বন্ধু আছে, প্রায়ই খুব কষ্ট দেয়ার মতন কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ সব কথা, কিন্তু অন্তরে ব্যথা লাগার মতন। খুব শখ ক...
11/04/2025

আমার এক বন্ধু আছে, প্রায়ই খুব কষ্ট দেয়ার মতন কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ সব কথা, কিন্তু অন্তরে ব্যথা লাগার মতন। খুব শখ করে কেনা একটা জিনিস হয়তো দেখালাম, কিছু না ভেবেই বলে বসবে, খুব বিশ্রী দেখাচ্ছে। যাই হোক, সেসব গায়ে মাখি না। হালকা খারাপ লাগা কাজ করে, কিছুক্ষণের মাঝেই চলে যায়।

গত কয়েক মাসে আমার সবচেয়ে বড় অবযারভেশন হল, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অস্ত্র, লিথাল ওয়েপন হচ্ছে মুখ।

মানুষের কাছে মুখ নামের এত বড় একটা অস্ত্র আছে যে নিমিষেই আরেকজনের মন খারাপ করিয়ে দিতে পারে, কুৎসা গাইতে পারে, মিথ্যা বলে আরেকজনের নাম বদনাম করে দিতে পারে, কারো জীবন নষ্ট করে দিতে পারে, কাউকে তিল তিল কষ্ট দিয়ে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে ফেলতে পারে।

অবাক করার মতন বিষয় হচ্ছে, যারা কথা দিয়ে মানুষকে কষ্ট দেয় তাদের আশেপাশের মানুষ কেমন যেন হিপনোটাইযড। তাদের কাছে এটার অস্বাভাবিকতা চোখেই পড়ে না। আমার যে বন্ধুর কথা বললাম, তার পরিবার/কাছের মানুষকেও কখনো দেখিনি তার এরকম রূঢ় কথার সময় তাকে থামাতে। আড়ালে যদি বুঝিয়েও থাকে সেটার প্রতিফলন তার আচরণে কখনোই দেখি নি।

সেদিন একজন আমাকে তার প্রতি করা আরেকজনের অন্যায়ের কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিল। যতটা না তার ক্ষোভ ছিল অন্যায়কারীর প্রতি, তারচেয়ে বেশী প্রশ্রয়দাতার প্রতি। আসলেই এ জিনিসটা আমাকে খুব ভাবায়। আমরা কি আমাদের প্রিয় মানুষদের অন্যায় আচরণগুলো নরমালাইয করে ফেলি তাদেরকে শুধরানোর বদলে? আগে আমি নিজেও প্রতিউত্তর দিতাম সব কিছুর। আজকাল ক্লান্তিবোধ আসে, বয়সের কারনেই হয়তোবা। মাঝেমধ্যে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে দেই। কিছু মানুষ সরল ভাবে অনেক কিছু বলে, আমার বন্ধুর মতন। কিন্তু কিছু মানুষ সত্যি সর্বোচ্চ কষ্ট দেয়ার জন্যই তীরের মতন কথা শোনায়। এই বয়সে এসে আমি ইন্টেনশন বুঝতে পারি তাই দ্বিতীয় ক্যাটাগরির মানুষের জন্য ঘৃণা পুষে রাখি, কখনো কর্কশ বাক্য, আর কখনো শুধুই করুনা আর তাচ্ছিল্য। ক্ষেত্রবিশেষে আল্লাহর কাছে বলি যেন তাকে উপযুক্ত উত্তর তিনি দিয়ে দেন।

ছোট্ট তিন চার শব্দ মিলে একটা বাক্য হয়। সেই বাক্যের ধার এত বেশী যে মন ফালাফালা করে দিতে পারে, ভাবা যায়? কথা শুনানো মানুষগুলো এই দুনিয়ায় একটু হেসে নিক, কারণ তারা ভাবে যে উপযুক্ত কথাই তো শুনালাম, ক্ষতি কি? কিন্তু যেদিন সব কিছুর হিসাব নিকাশ হবে, আর এই মুখের হিসাব মিলবে না, তখন কি হবে? আমার খুব কৌতূহল হয়, এরা তখন কি যুক্তি তর্ক দিয়ে পার হবে সেটা জানার।

Nabila Noshin Shejuti

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল...
20/03/2025

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।।😌

Self Confidence

19/03/2025

ইয়া রব, রোজাদের দোয়া কবুল হয় শুনেছি। আপনি আমাদের মুসলিম ভাই বোনদের রক্ষা করুন। তাদের হেফাজত করুন। আমিন🤲😥

“বুঝিয়ে বলা কঠিন, তাই চুপ থাকি”জীবনে এমন অনেক সময় আসে, যখন মনের কথা প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। হয়তো কিছু অনুভূতি এতটাই গভী...
18/03/2025

“বুঝিয়ে বলা কঠিন, তাই চুপ থাকি”

জীবনে এমন অনেক সময় আসে, যখন মনের কথা প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। হয়তো কিছু অনুভূতি এতটাই গভীর যে সেগুলো শব্দে প্রকাশ করা যায় না। কিংবা কিছু অভিজ্ঞতা এতটাই জটিল যে বোঝানোর জন্য যতই চেষ্টা করা হোক, শুনতে পাওয়া মানুষটি হয়তো বুঝবে না। তখন আমরা চুপ করে থাকি।

“চুপ থাকা” কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি আত্মনিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। কখনো কখনো চুপ থাকার মধ্যে লুকিয়ে থাকে অগণিত শব্দ, মনের গভীর বেদনা কিংবা অজস্র অপ্রকাশিত গল্প। আমরা হয়তো জানি, কেউ যদি আমাদের কথা বুঝতে না পারে, তবে সেসব বলারও কোনো মানে নেই। বরং চুপ থাকা আমাদের মানসিক শান্তি বজায় রাখে।

তবে চুপ থাকার মানে এই নয় যে, আমরা দুর্বল বা আত্মবিশ্বাসহীন। বরং এটি আমাদের অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার প্রতিফলন। কিছু অনুভূতি শুধুই অনুভবের জন্য, বোঝানোর জন্য নয়। কিছু কথা প্রকাশ না করলেই তা আরও বেশি অর্থবহ হয়ে থাকে।

তবুও, চুপ থাকা সবসময় সঠিক সমাধান নয়। যদি কোনো সম্পর্ক কিংবা পরিস্থিতিতে ভুল বোঝাবুঝি বাড়তে থাকে, তাহলে সেটা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা জরুরি। কারণ, অনেক সময় চুপ থাকাও ভুল বোঝার জন্ম দেয়।

তাই, কখন কথা বলতে হবে আর কখন চুপ থাকতে হবে, সেটি বুঝতে শিখুন। কারণ, শব্দের মতোই নীরবতাও একধরনের ভাষা–যা কেবল বোঝার ক্ষমতা থাকা মানুষের জন্য।

Address

Mirpur
Dhaka

Telephone

+8801799535669

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rope Crafts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rope Crafts:

Share