kitchen of Bithi

kitchen  of Bithi Cooking chef master

স্পঞ্জ কেক, ময়েস্ট কেক এবং পাউন্ড কেকের পার্থক্য ❤প্রথমেই বলে নিচ্ছি এটা সম্পূর্ণ আমার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি🥰★স্পঞ্জ কেকঃ ...
30/08/2023

স্পঞ্জ কেক, ময়েস্ট কেক এবং পাউন্ড কেকের পার্থক্য ❤
প্রথমেই বলে নিচ্ছি এটা সম্পূর্ণ আমার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি🥰

★স্পঞ্জ কেকঃ বার্থডে, এনেভার্সারি বা যেকোনো ওকেশনে আমরা বেস হিসেবে স্পঞ্জ কেক তৈরি করি।
ডিমের ফোম, অল্প ময়দা দিয়ে এই কেকটা তৈরি হয়।
ডিমের ফোমের কারণেই কেকটা স্পঞ্জ হয়।
এই কেকে তেল দিতে হয় না, আমি দেই কারণ আমার কাছে মনে হয় তেল না দিলে বেশি ড্রাই হয়ে যায়।
ডেকোরেশন এর আগে অবশ্যই কেকে সুগার সিরাপ বা স্প্রাইট টাইপ কিছু দিতে হবে।
এই কেকটা এমনি খাওয়া যাবেনা,গলায় আটকে যাবে।
বেক হতে সময় ও কম লাগে।
কেক ডেকোরেশন এর ৮-১০ ঘন্টা পর খেলে বেশি স্বাদ পাওয়া যাবে🥰

১ডিমের স্পঞ্জ কেকের রেসিপিঃ
ডিম ১ টি
চিনি ১/৪কাপ
হোয়াইট ভিনেগার ১/৪চা.চা (ভিনেগার দিলে ফোম দ্রুত হয়, আর কেক ডেবে যাওয়ার চান্স একটু কমে)
তেল ১টে.চা(অপশনাল)
ময়দা ১/৪ কাপ
বেকিং পাউডার ১/২চা চামচ
বেকিং সোডা ১/৪ চা.চা(সোডা অপশনাল, আমার কাছে মনে হয় ভিনেগার এবং সোডা একসাথে দিলে কেকের সাইজ অনেক বাড়ে)
লবণ সামান্য পরিমাণে(অপশনাল)
এসেন্স ১/২চা.চা

★ময়েস্ট কেকঃ এই কেকটাও ডেকোরেশন কেকের বেস হিসেবে তৈরি করা হয়। এক্ষেত্রে কেক তৈরিতে খরচ বেশি হয়। এমনিও খাওয়া যায় কিন্তু ক্রীমের সাথে খেতে বেশি মজা।
বেক হতে সময় বেশি লাগে।
ময়েস্ট কেকে আমরা সাধারণত দুধ,ভিনেগার,বাটারমিল্ক,দই,বেকিং সোডা বা গরম পানি ব্যবহার করে থাকি।
ডিমের ফোমের গুরুত্ব এক্ষেত্রে কম।

১ডিমের ময়েস্ট কেকঃ
ডিম ১টি
চিনি ১/২ কাপ
কুসুম গরম দুধ ১/৪ কাপ
ভিনেগার ১/৪ চা.চা
ময়দা ২/৩ কাপ
বেকিং পাউডার ১/২ চা.চা
বেকিং সোডা ১/৪ চা.চা
লবন ১/৪ চা.চা
তেল ১/৪ কাপ
গরম পানি ২টে.চা
এসেন্স ১/২ চা.চা

পাউন্ড কেকঃ এটা মূলত টি টাইম কেক বা ট্রাভেল কেক। বিকেলে চায়ের সাথে এই কেকটা আমরা খাই। কেকটাতে অবশ্যই কেক ফ্লাওয়ার ব্যবহার করতে হবে(ঘরে বানাতে ১কাপ ময়দা থেকে ২টে.চা ময়দা সরিয়ে, ২টে.চা কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে চেলে নিতে হবে)।
এই কেকে বাটার,ডিম,কেক ফ্লাওয়ার,চিনি এ চারটি উপকরণ প্রায় সমপরিমাণ থাকে। অল্প কমবেশি হলে সমস্যা নেই।
বাটারের পরিবর্তে তেল দিয়েও করা যাবে, সেক্ষেত্রে স্বাদ একটু কম হবে।
এই কেকের ব্যাটার তুলনামূলক অনেক ভারী হয়। মোল্ডের দেওয়ার পর চামচ দিয়ে সমান করে নিতে হবে।
ক্রীম দিয়ে ডেকোরেশন করার দরকার হয়না। এটা এমনিতেই অনেক মজা।
কমপক্ষে ২টা ডিম ছাড়া পাউন্ড কেক সম্ভব না।

২ ডিমের পাউন্ড কেকঃ
ডিম ২ টি
চিনি ১/২ কাপ
বাটার ১০০গ্রাম বা ১/২ কাপ (বাটার না থাকলে ১/২ কাপ তেল)
ময়দা ২/৩ কাপ
কর্নফ্লাওয়ার ১চা.চা
গুড়া দুধ ১টে.চা(অপশনাল)
বেকিং পাউডার ১/২চা চামচ
লবণ ১/৪ চা.চা
এসেন্স ১/২চা.চা

★স্পঞ্জ কেক চুলায় ভালো হয়, বাকিসব কেক ওভেনে ভালো হয়।

★ব্লেন্ডারে ডিমের ফোম হয় না। ইলেকট্রিক বিটার না থাকলে হ্যান্ড হুইস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

★আটা দিয়ে কেক ভালো হবেনা,কেক তৈরিতে ময়দা ই নিতে হবে।

★বিট করে যারা চিনি গলাতে না পারেন তারা চাইলে চিনি গুড়া করে নিতে পারেন, কারণ চিনি না মিশলে কেক হবে না। তাপে চিনি গলে যাবে কেকের ক্ষেত্রে এটা আশা করা যায় না।

শেষ টিপসঃ ময়দার প্যাকেট কিনে এনে প্যাকেট টা খোলার পর কেক খুব সুন্দর হবে।
ময়দা পুরনো হয়ে গেলে পাউরুটি/ব্রেড টাইপ খাবার সুন্দর হবে🥰 ❤️

🍁প্রয়জনীয় কিছু কিচেন টিপস্🍁    of Bithi 🌺 মাংসজাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) ছড়িয়ে দিন। এতে স্বাদ বেড়...
27/08/2023

🍁প্রয়জনীয় কিছু কিচেন টিপস্🍁 of Bithi

🌺 মাংসজাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) ছড়িয়ে দিন। এতে স্বাদ বেড়ে যাবে।

🌺 ডিম সিদ্ধ করতে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে নিন। এতে ডিম খেতে সুস্বাদু হবে। আর ঠাণ্ডা করে ডিম ছিলুন, তা হলে খোসায় লেগে ডিম নষ্ট হবে না।

🌺 ডালে বাগার দিতে রসুন কুচি তেলে ভেজে ডালে দিয়ে দিন।

🌺 মাছ রান্না করে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে বিছিয়ে দিন, স্বাদ অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

🌺 আগামী দিন কী রান্না করবেন তার প্রস্তুতি রাতেই নিন, তা হলে সময় বেচে যাবে।

🌺 ভর্তা বানাতে মরিচ খালি হাতে ডলবেন না, এতে হাত জ্বালা করবে

🌺 ভর্তা বানানোর সময় হাতে সামান্য সরিষার তেল মেখে নিন এতে হাত জ্বালা করবে না

👉কিচেন টিপস গুলো ভালো লাগলে পেইজে লাইক এবং ফলো দিতে ভুলবেন না।

   of Bithi 🧑‍🍳🧑‍🍳রান্না সহজ মজার সেরা সুস্বাদু  ও লোভনীয় করার ৪৯ টি নিত্য প্রয়োজনীয় টিপস্🧑‍🍳😇😌 👇👇👇👇বেঁচে থাকার জন্য আমা...
26/08/2023

of Bithi
🧑‍🍳🧑‍🍳রান্না সহজ মজার সেরা সুস্বাদু ও লোভনীয় করার ৪৯ টি নিত্য প্রয়োজনীয় টিপস্🧑‍🍳😇😌 👇👇👇👇

বেঁচে থাকার জন্য আমাদের খাবার খেতে হয় আর খাবার-দাবারের উপাদানগুলো আমাদের গ্রহণের উপযোগী ও স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য যে প্রক্রিয়া আমরা অবলম্বন করি, সেটিই হচ্ছে রান্না। রান্না আসলে একটি শিল্প। সুন্দর ও রুচিশীল রান্নার কদর বিশ্বব্যাপী। আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্টাচ্ছে রান্নাবান্নার কৌশল ও ধরন।

টিপস:👇👇👇👇

❤️) যথাসম্ভব পাতিলে ঢাকানা দিয়ে রান্না করুন। এতে খাবারের পুষ্টিমান ঠিক থাকে।

২❤️) মাংস রান্নার শুরুতেই লবণ না দিয়ে রান্নার মাঝামাঝি সময়ে লবণ দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এর পর দেখে নিন পরিমাণ ঠিক হল কিনা।

৩❤️) তরকারির ঝোল ঘন করতে চাইলে কিছু কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে ঢেলে দিন। লক্ষ্য রাখুন- যেন কর্ণ ফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ভালোমতো তরকারির সঙ্গে মিশে যায়।

৪❤️) চাল ধোয়ার পর ১০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর রান্না করুন অথবা রান্নার সময় ১ চা চামচ তেল দিয়ে দিন। দেখবেন ভাত সুন্দর ঝরঝরে হয়েছে।

৫❤️) মুরগির ফ্যাট এড়াতে চাইলে চামড়া ছাড়িয়ে মুরগি রান্না করুন। কারণ মুরগির চামড়াতেই প্রধান ফ্যাট থাকে।

৬❤️) সবুজ সবজি রান্নার সময় সবুজ রং ঠিক রাখতে চাইলে এক চিমটি চিনি দিন।

৭❤️) রান্না করার জন্য একদিন আগেই মাংস সিদ্ধ এবং ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

৮❤️) রান্নার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।

৯❤️) ফ্রিজের মধ্যে আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।

১০❤️) মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করতে চাইলে খোসাসহ এক টুকরো কাঁচা পেঁপে তরকারিতে দিন।

১১❤️) মাছ, মাংস বা ডিমের ঝোলে লবণ বেশি হয়ে গেলে তরকারিতে কয়েকটি সিদ্ধ আলু ভেঙে দিন। স্বাদ ঠিক হয়ে যাবে।

১২❤️) মুরগির মাংস বা কলিজা রান্নায় ১ টেবিল চামচ সিরকা দিন। এতে মাংসের গন্ধ থাকবে না আবার তাড়াতাড়ি সিদ্ধও হবে।

১৩❤️) মাছ ভাজার সময় তেল ছিটা রোধ করতে একটু লবণ ছড়িয়ে দিন।


১৪❤️) বেরেস্তা করার সময় পেঁয়াজ ভেজে নামানোর আগে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন। এতে পেঁয়াজ তাড়াতাড়ি লালচে হবে।

১৫❤️) কাঁচামাছ বা মাংস ছুরি-চপিং বোর্ডে কাটতে চাইলে বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই পানিতে ভিজিয়ে নরমাল করে নিন।

১৬❤️) আলু ও ডিম একসঙ্গে সিদ্ধ করুন, আলাদা কাজে ব্যবহার করলেও তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে।

১৭❤️) স্যুপ রান্নার সময় পাতলা হয়ে গেলে দুটি সিদ্ধ আলু ম্যাশ করে স্যুপে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।

১৮❤️) ডাল তাড়াতাড়ি রান্না করতে আগের রাতেই ভিজিয়ে রাখুন।

১৯❤️) সহজে মসলাপাতি খুঁজে পেতে কৌটার গায়ে নাম লিখে রাখুন।

২০❤️) আগামী দিন কী রান্না করবেন তার প্রস্তুতি রাতেই নিন, তা হলে সময় বেচে যাবে।

২১❤️) রান্না করার সময় অবশ্যই মাছ ও সবজির কম্বিনেশনের ব্যাপারে নজর রাখবেন।

২২❤️) মাছ রান্না করে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে বিছিয়ে দিন, স্বাদ অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

২৩❤️) ডালে বাগার দিতে রসুন কুচি তেলে ভেজে ডালে দিয়ে দিন।

২৪❤️) মাংসজাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা (পেঁয়াজ কুচি ভাজি) ছড়িয়ে দিন। এতে স্বাদ বেড়ে যাবে।

২৫❤️) ডিম সিদ্ধ করতে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে নিন। এতে ডিম খেতে সুস্বাদু হবে। আর ঠাণ্ডা করে ডিম ছিলুন, তা হলে খোসায় লেগে ডিম নষ্ট হবে না।

২৬❤️) চুলায় হাঁড়ি-পাতিলে ঢাকনা থাকলে তা খালি হাতে ধরবেন না।

২৭❤️) ভর্তা বানাতে মরিচ খালি হাতে ডলবেন না, এতে হাত জ্বালা করবে।

২৮❤️) মাছ ভাজতে কড়াই হতে নিদিষ্ট দূরে থাকুন। মাছে পানি থাকলে কিংবা ফুটে আপনার গায়ে বা চোখে তেল পড়তে পারে।

২৯❤️) শুকনা মরিচ ভাজার সময় মরিচ পোড়ার ঝাঁজে হাঁচি-কাশি রোধে রান্নাঘরের দরজা-জানালা ভালো করে খুলে দিন।

৩০❤️) ভাজিতে তেল বেশি পড়ে গেলে ভাজিগুলো কড়াই বা প্যানের একদিকে সরিয়ে কড়াই কাত করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তেল ভাজি থেকে ঝরে গেলে সংরক্ষণ করে অন্য প্যান ব্যবহার করতে পারবেন। মাংসের তরকারিতে যদি তেল বেশি হয়ে পড়ে, তবে ওপর থেকে চামচ দিয়ে তেল উঠিয়ে ভাজিতে ব্যবহার করলে ভালোই সুস্বাদু লাগে।


৩১❤️) এলাচ সম্পূর্ণ গুঁড়ো করে ব্যবহার করা ভালো। এতে এলাচ কামড়ে পড়ে খাওয়ার মজা নষ্ট হবে না। আবার রান্নাতেও সুগন্ধ হবে।

৩২❤️) সবজির রং ঠিক রাখতে পাতিল ঢেকে রান্না না করাই ভালো। আর কিছু সবজিকে সামান্য সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কিংবা বরফ কুচিতে রাখলে রান্নার পরও রং ঠিক থাকে।

৩৩❤️) কিছু ভাজিতে কড়াইতে তেল গরম হলে, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবণ দিয়ে দিন, তেলের ছিটকা উঠবে না।

৩৪❤️) ডালের মজা বৃদ্ধির জন্য বেশি সময় ধরে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে।

৩৫❤️) তেলাপিয়া মাছের গন্ধ দূর করতে তেলাপিয়া মাছ হলুদ ও ভিনিগার/লেবুর রস মাখিয়ে মিনিট ১৫ রেখে রান্না করুন।

৩৬❤️) লাল সরষের ঝাঁজ বেশি হয়। হলুদ সরষে ব্যবহার করলে তিতা হয় না। সরষে বাটার সময় লবণ আর কাঁচামরিচ একসঙ্গে বাটলে তিতা হয় না।

৩৭❤️) বর্ষাকালে লবণ গলে যায়, তাই একমুঠো পরিষ্কার চাল পুঁটলি করে বেঁধে লবণের পাত্রে রেখে দিন।

৩৮❤️) কাচের গ্লাসে গরম কিছু নিতে গেলে অনেক সময় ফেটে যায়, তাই গরম কিছু ঢালার আগে গ্লাসে একটি ধাতু নির্মিত চামচ রেখে ঢাললে গ্লাস ফাটবে না।

৩৯❤️) আলু ও আদা বালির মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে অনেক দিন পর্যন্ত টাটকা থাকে।

৪০❤️) যে কোনো খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখলে ঢাকনা দিয়ে রাখা ভালো। ফলে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যায় না এবং রেফ্রিজারেটও গন্ধ হয় না।

৪১❤️) শিশি বা কৌটার মধ্যে বিস্কিট রাখার আগে সামান্য চিনি বা মোটা কাগজের ঠুকরো রেখে দিলে বিস্কিট অনেক দিন মচমচে থাকে।

৪২❤️) আঙুর, টমেটো প্রভৃতি ফল ফুটন্ত পানিতে ২ মিনিট রেখে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানিতে রেখে দিলে সহজেই খোসা ছড়ানো যায়।

৪৩❤️) চাল ও ডালের কৌটায় কয়েকটি শুকনো নিমপাতা বা শুকনো মরিচ রাখলে সহজে পোকা ধরবে না।

৪৪❤️) কাঁচকলা ও লেবু প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে বেশি দিন টাটকা থাকে।

৪৫❤️) কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে পানি শুকিয়ে কাপড় বা কাগজের প্যাকেটে সংরক্ষণ করলে বেশি দিন ভালো থাকে।

৪৬❤️) চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল— এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না।

৪৭❤️) খাবার পুড়ে পাত্রের তলায় আটকে থাকলে পাত্রটিকে নুনপানিতে ভর্তি করে পানি ফোটালে পোড়া অংশ দ্রুত আলাগা হয়ে উঠে যায়।

৪৮❤️) আচার বয়াম থেকে নেওয়ার সময় পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করলে আচারে ফাঙ্গাস পড়ে না।

৪৯❤️) চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না।

26/08/2023

👉তরকারিতে ঝাল বেশি হলে কিভাবে ঝাল কমানো যায় আসুন দেখে নেই।

🌺 তরকারিতে কয়েকটুকরা আলু কেটে দিন ঝাল এর পরিমান অনেকটা কমে যাবে।

🌺 লেবুর রস ঝাল কমাতে খুবই সাহায্য করে।তাই যেকোনো তরকারিতে ঝাল কমাতে লেবুর রস দিয়ে দিন পরিমাণ মতো।

🌺 দুধ বা টক দই ঝাল কমানোর জন্য দারুণ উপাদান। তরকারির ধরণ বুঝে দুধ বা টক দই যোগ করুন।ঝাল একদম কমে আসবে।

🌺 কোর্মা,রেজালা,চাঁপ জাতীয় খাবারে ঝাল বেশি হলে তাতে যোগ করুন বাদাম বাটা ঝাল অনেকটাই কমে যাবে।

🌺তরকারিতে ঝালের পরিমাণ বেশি হলে টমেটো পিউরি করে বা টমেটো কেটে দিয়ে ঝাল কমিয়ে ফেলতে পারেন।

👉আমার দেওয়া এই টিপস্ গুলো ভালো লাগলে পেইজে লাইক, এবং ফলো দিয়ে রাখবেন এরকম আরও অনেক নতুন কিছু টিপস্ পেতে।😻🥰

Address

Mohammadpur
Dhaka
DHAKA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when kitchen of Bithi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to kitchen of Bithi:

Share