10/09/2024
০১। ১৫ ই জুলাই থেকে ৫ ই আগস্ট পর্যন্ত যত গণহত্যা হয়েছে। প্রতিটি গণহত্যার যথাযত বিচার চাই। এই দিন গুলির আহত ও নিহতের সঙ্গে যারা সরাসরি এবং হুকমের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের সকলের যথাযত বিচার করা উচিত।
০২। অত্র আহত নিহত সঙ্গে যারা সরাসরি এবং সম্পৃক্ত ছিল তারা সকলেই জনগণের শত্রু। অত্র ঘটনা যে রাজনীতিবিদ, নেতা, কর্মী এবং ততকালীন সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারী দায়ী থাকে তাদেরকে আইন অনুযায়ী যথাযত ব্যবস্থা নিতে হবে।
০৩। অত্র ঘটনার সময় যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে সে রাজনীতিবিদ অথবা বহিরাগত যেই থাকুক না কেন তাদেরকে যথাযথ আইনের আওতায় আনা উচিত।
০৪। তৎকালীন সময় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী রাজনীতিবিদ এবং নেতারা যে ঘটনা ঘটিয়েছিল।তারা ছাত্র জনতা কে নির্মূল করার জন্যই অত্র ঘটনা ঘটিয়েছিল। তখন তারা যেভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছিল। যদি আজকের ছাত্র-জনতার বিজয়ী না হতো তাহলে আওয়ামী লীগের দ্বারা কিভাবে আপনারা নির্যাতিত হতেন। সেটা চিন্তা করে দেখুন এবং ভাবুন। সেই অনুযায়ী বাস্তবতা মেনে নিন এবং তাদেরকে সেভাবে রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। যে যাহা করে তাকে সে ভাবে শিক্ষা দেয়াই উচিৎ।
০৫। ৫ আগস্ট যদি সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর বিজয় হত। তাহলে যারা আন্দোলনকারী ছাত্র ও জনগণ ছিল অথবা রাস্তায় নেমেছিল। যারা ছাত্রলীগ-আওয়ামীলীগের প্রতিরোধ করেছিল। তাদেরকে ধরে ধরে আজকে হয়তো আয়না ঘরে না হয় জেলখানায় না হয় পঙ্গুত্ব বরণ অথবা গুম হয়ে জীবনের মনে পরিবার রাষ্ট্র সমাজ থেকে চলে যেতে হত।
০৬। ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ অথবা ফ্যাসিবাদী সরকারের যারা পিছনে অথবা সামনে কোন না কোন কারণে তাদেরকে খারাপ ভাবা অথবা তাদের কোন কিছু অপছন্দ করলে। আওয়ামী লীগ তাদেরকে এমন অবস্থা করত যে জীবন নিয়ে সে আর কারো সামনে দাঁড়াতে পারতো না। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে মানুষের ভালো কে ভালো খারাপ কে খারাপ বলার ও সুযোগ পেত না। আর যারা খারাব কিছু করত তাদেরকে পরামর্শ দিয়ে ভালো কিছু করার অথবা প্রতিবাদ জানান অথবা লেখলিন দ্বারা তাকে জানান এমন কোন কিছুই করতে পারত না। শুধু করতে পারতো না বললেই চলবে না। যারা প্রতিবাদী কিছু করতো তারা হয়তো পঙ্গুত্ব না হয় মৃত্যুবরণ না হয় আয়নাঘর না হয় গুম হতে হত।
০৭। পিছনের ষোল বছরে যারাই এ ধরনের অত্যাচার নির্যাতন রাহাজানি এবং সন্ত্রাসী করেছে তাদের সকলকেই যথাযথ বিচারের আওতায় এনে আইন অনুযায়ী বিচার করা হোক।
সর্বোপরি সকল প্রকার চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইকারী, জুলুম, নির্যাতন, অন্যায়, অত্যাচার, দূর্নীতি, হত্যা, রাহাজানি, পাপাচার থেকে নিজে বেচে থাকুন ও প্রতিরোধ তুলুন এবং অন্যায়কারীকে আইনের হাতে তুলে দিন।
আল্লাহ আমাদেরকে সকল প্রকার পাপাচার থেকে হিফাজত করুন। আমিন।