17/07/2024
দুইবার শুনলাম রানীমা এর বক্তব্য। উনি খুবই ঠান্ডা মাথায় হুমকি দিয়ে গেলেন অভিনয়ের মাধ্যমে। মিথ্যার সাথে কিছুটা সত্য মিশিয়ে কি করে একটা প্লট তৈরি করতে হয় তা জানতে পারবেন আপনি যদি এই বক্তব্য দেখেন।
উনি যে সকল ছাত্রদের জন্য মায়াকান্না করলেন তারা আসলে ছাত্র না, তারা হচ্ছে ছাত্রলীগ।
গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টুপ টুপ করে পরে যাওয়ার ভিডিও দেখেছিলাম কিন্তু তখন আমি শিউর ছিলাম না যে এটা ছাত্র নাকি ছাত্রলীগ। এখন রানীমার কথাতে বুঝলাম এরা আসলে ছাত্রলীগ ছিলো।
হাতের রগ, পায়ের রগ কেটে দিছে বলে যেটা বললো সেটা উনি জামাত শিবিরকে যুক্ত করবার জন্য চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলে দিয়েছেন। কেউ যাতে কিচ্ছুটি বুঝতে না পারে।
তারপর ইনিয়ে বিনিয়ে আরো কিছু বলেছেন যেগুলো আসলে সত্য কিন্তু ঘটনা গুলো ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। উনি যাস্ট পুরো প্লটে যে সকল কার্জক্রম ছাত্রলীগরা করেছে তা ছাত্রদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।
কতোটুকু ঠান্ডা মাথার মিথ্যুক হলে এমন অভিনয় করে সত্যের মতো মিথ্যা কথাগুলো বলতে পারে। আমি তো অভিভূত।
এবার আসি মূল পয়েন্টে, এই পয়েন্টগুলো তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেছেন-
- ছাত্রদের বিরুদ্ধে কঠির একশন নিবেন, আজ কাল অথবা পরসু। যারা যারা এই আন্দোলন করছেন। 😞
- ছাত্রলীগদের যে সকল প্রানী মারা গিয়েছে তাদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবেন।
- অভিভাবকদের হালকার উপর হুমকি দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন যে ঘরের ছেলে ঘরে নিয়ে যেতে
আর যারা ভাবছেন তারপর তো উনি কোন সমাধান দেন নাই। হুট করেই বক্তব্য শেষ করে দিয়েছেন। কোন সমাধানের কথা বলেন নাই।
আসলে বিষয়টা ভুল- উনি এসেছিলেন তার ছাত্রলীগদের ভরসা দিতে, যা উনি তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেছেন। যদি না বলেন তাহলে গতকাল যে ২ হাজার ছাত্রলীগ আহত হলো তারা কি ভরসায় আবার উঠে দারাবে। এসেছিলেন ছাত্রদের ভয় দেখাতে, যা উনি দেখিয়েছেন, শুধু তাদের নয় তাদের বাবা মা দেরও দেখিয়েছেন।
এবং উনি আর কোন সমাধানে যাবেন না, সর্বচ্চ বল প্রয়োগ করবেন। এটাই ছিলো তার মূল বক্তব্য।
আমরা অনেকেই উনার বক্তব্য দেখে হাসাহাসি করছি। আসলে বিষয়টা সিরিয়াস। ঠান্ডা মাথায় উনি অনেকগুলো ম্যাসেজ দিয়ে গিয়েছেন।
©️