Treasure Glint BD

Treasure Glint BD Treasure Glint BD always thinks of making your life easy, providing life hack gadgets. Let's make our lives easier.

ঢাকার মিরপুরের একটি তিন রুমের ফ্ল্যাট। আয়তনে খুব সাধারণ, ডিজাইনে কোনো আর্কিটেক্টের ছোঁয়া নেই। ফ্ল্যাটের মালিক রাশেদ সাহে...
08/02/2026

ঢাকার মিরপুরের একটি তিন রুমের ফ্ল্যাট।
আয়তনে খুব সাধারণ, ডিজাইনে কোনো আর্কিটেক্টের ছোঁয়া নেই।
ফ্ল্যাটের মালিক রাশেদ সাহেব প্রথমে ভেবেছিলেন—ঘরটা “প্রিমিয়াম” দেখাতে হলে বুঝি দামি সোফা, ওয়াল প্যানেলিং বা ঝাড়বাতিই একমাত্র উপায়। কিন্তু বাজেট যখন কথা বলে, তখন বাস্তবতা সামনে আসে।

একদিন তিনি একটি ইন্টেরিয়র শোরুমে ঢুকলেন শুধুমাত্র “পর্দা দেখতে”। সেখানে ডিজাইনার তাকে একটি সহজ প্রশ্ন করলেন—
“আপনার ঘরে দিনে আলো কেমন আসে?”

এই প্রশ্নটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট।

ডিজাইনার বোঝালেন, পর্দা শুধু জানালা ঢাকার কাপড় নয়। এটি আলো নিয়ন্ত্রণ করে, ঘরের উচ্চতা চোখে বড় বা ছোট দেখায়, এমনকি দেয়ালের রঙও কেমন দেখাবে তা নির্ধারণ করে।

রাশেদ সাহেবের ড্রয়িংরুমে জানালা ছিল মাঝারি আকারের। আগে সেখানে ছিল গাঢ় বাদামি রঙের মোটা পর্দা, যেটা আলো আটকে দিত। ফলে দিনের বেলাতেও লাইট জ্বালাতে হতো। ডিজাইনার পরামর্শ দিলেন—হালকা অফ-হোয়াইট শিয়ার পর্দার সঙ্গে হালকা ধূসর ব্ল্যাকআউট লেয়ার।

ফলাফল?
দিনের আলো ঘরে ঢুকতে শুরু করল, ঘরটা চোখে আরও বড় লাগল। দেয়ালের সাধারণ পেইন্টও পরিষ্কার ও “এক্সপেনসিভ” দেখাতে লাগল। একই ফার্নিচার, একই টাইলস—কিন্তু পুরো অনুভূতিই বদলে গেল।

আরও একটি বিষয় ছিল পর্দার ঝোলানো পদ্ধতি। আগে রড বসানো ছিল জানালার ঠিক ওপরে। এবার রড বসানো হলো সিলিংয়ের কাছাকাছি। এতে ঘরের উচ্চতা চোখে অন্তত ৬–৮ ইঞ্চি বেশি মনে হলো—এটা ইন্টেরিয়র ডিজাইনে পরিচিত একটি ভিজ্যুয়াল ট্রিক।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয়—পুরো এই পরিবর্তনের খরচ ছিল একটি মাঝারি মানের সোফা সেটের চেয়েও কম।

রাশেদ সাহেব পরে বুঝলেন, প্রিমিয়াম লুক মানেই সবসময় দামি জিনিস নয়; সঠিক সিদ্ধান্ত। আর পর্দা এমন একটি উপাদান, যেটা আলো, রঙ আর স্পেস—এই তিনটাকে একসাথে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

আজ যারা তার বাসায় আসে, তারা প্রায়ই বলে—
“ঘরটা খুব এলিগেন্ট লাগছে।”
কেউ কিন্তু জিজ্ঞেস করে না, সোফার দাম কত।

কারণ অনেক সময় ঘরের প্রিমিয়াম ভাবটা আসে নিঃশব্দে—জানালার পাশে ঝুলে থাকা সঠিক পর্দা থেকেই।

কম খরচে  লিভিংরুম কে করুন স্টাইলিশ —ডিজাইনারদের স্মার্ট টিপসলিভিং রুম সাজানো মানেই যে অনেক টাকা খরচ করতে হবে—তা কিন্তু ন...
03/01/2026

কম খরচে লিভিংরুম কে করুন স্টাইলিশ —ডিজাইনারদের স্মার্ট টিপস

লিভিং রুম সাজানো মানেই যে অনেক টাকা খরচ করতে হবে—তা কিন্তু নয়। একটু বুদ্ধি খাটালেই কম বাজেটেও সুন্দর, আরামদায়ক ও ব্যবহারযোগ্য লিভিং রুম বানানো যায়। ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা জানাচ্ছেন, কোন কোন জিনিসে বেশি টাকা না খরচ করলেও চলে

১। দামি আর্টওয়ার্ক (Art)
লিভিং রুমে দেয়ালে আর্ট থাকলে ঘর প্রাণ পায়। কিন্তু দামি পেইন্টিং কেনা জরুরি না।
✔️ অনলাইনে সাশ্রয়ী প্রিন্ট
✔️ নিজে প্রিন্ট করে পুরনো/থ্রিফট ফ্রেমে লাগানো
👉 কম খরচে ইউনিক লুক পাওয়া যায়।

২। অতিরিক্ত অলংকৃত কুশন (Throw Pillow)
খুব বেশি ডিজাইন করা কুশন দেখতে সুন্দর হলেও—
❌ দাম বেশি
❌ সহজে নষ্ট হয়
❌ পরিষ্কার করা ঝামেলা

✔️ তার বদলে লিনেন, কটন বা বৌক্লে (bouclé) ফ্যাব্রিক
✔️ হালকা টেক্সচার বা সিম্পল প্যাটার্ন
👉 টেকসই, আরামদায়ক ও ট্রেন্ড-প্রুফ।

৩। ওপেন শেলফ (খোলা তাক)
Pinterest-এ যত সুন্দরই লাগুক—বাস্তবে ওপেন শেলফ
❌ বানাতে খরচ বেশি
❌ সহজেই এলোমেলো লাগে
❌ সাজাতে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হয়

✔️ মিডিয়া কনসোল বা সাইড টেবিলে ২–৩টা পছন্দের ডেকর রাখলেই যথেষ্ট।

৪। কফি টেবিল বুক
ম্যাগাজিন বা Instagram-এ জনপ্রিয় হলেও—
❌ খুব একটা ব্যবহার হয় না
❌ শুধু জায়গা নেয়

✔️ তার বদলে ছোট গাছ
✔️ সুগন্ধি মোমবাতি
✔️ রিমোট রাখার বক্স
👉 ব্যবহারও হবে, দেখতেও সুন্দর।

৫। হাই-এন্ড রাগ (Carpet)
লিভিং রুমে চলাফেরা সবচেয়ে বেশি হয়।
দামি Carpet সাধারণত—
❌ মেইনটেন করা কঠিন
❌ দ্রুত নষ্ট হয়

✔️ সহজে পরিষ্কার করা যায় এমন Carpet
✔️ টেকসই ম্যাটেরিয়াল
👉 দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পারফেক্ট।

✨ শেষ কথা
সবকিছুতে বেশি টাকা খরচ না করে, ব্যবহার ও টেকসই দিকটা ভাবলেই লিভিং রুম হবে সুন্দর + আরামদায়ক।

আপনার কোন টিপসটা সবচেয়ে কাজে লাগলো? কমেন্টে জানান 💬
আর এমন আরও আইডিয়া পেতে পেজটি ফলো করতে ভুলবেন না ❤️

23/12/2025

Some. tips for your bedroom to make it more beautiful.

মাত্র ৮ টি নিয়ম মেনে আপনার ড্রয়িং/ লিভিংরুমকে করে তুলুন আরো প্রাণবন্ত...।। 😍১. চলাচলের পথ নির্ধারণ করুন    ঘরের ভেতরে মা...
18/12/2025

মাত্র ৮ টি নিয়ম মেনে আপনার ড্রয়িং/ লিভিংরুমকে করে তুলুন আরো প্রাণবন্ত...।। 😍

১. চলাচলের পথ নির্ধারণ করুন
ঘরের ভেতরে মানুষ স্বাভাবিকভাবে যেদিক দিয়ে চলাফেরা করে—দরজা থেকে জানালা, সোফা থেকে বারান্দা বা ডাইনিংয়ের দিকে—এই পথগুলো আগে চিহ্নিত করুন। এসব পথে ফার্নিচার রাখলে চলাফেরা অস্বস্তিকর হয় এবং ঘর ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

২. ব্যবহারযোগ্য জায়গার ‘পকেট’ খুঁজে নিন
চলাচলের পথ বাদ দিলে ঘরের যেসব অংশ অবশিষ্ট থাকে, সেগুলোই ফার্নিচার বসানোর জন্য উপযুক্ত জায়গা।
বড় খালি অংশে মূল বসার ব্যবস্থা করা যায়, আর ছোট অংশে স্টাডি টেবিল, বুকশেলফ বা অন্য সহায়ক ফাংশন রাখা যেতে পারে।

৩. সারিবদ্ধতা ও শৃঙ্খলাকে গুরুত্ব দিন
মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ভারসাম্য ও গুছানো বিন্যাস পছন্দ করে।
ফায়ারপ্লেস, জানালা, টিভি ইউনিট বা সিলিং লাইটের মতো নির্দিষ্ট কোনো অক্ষ (axis) ধরে ফার্নিচার সাজালে ঘর অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক লাগে।

৪. প্রবেশের সময় প্রথম যে দৃশ্যটি চোখে পড়ে, সেটিকে গুরুত্ব দিন
ঘরে ঢুকেই আপনি বা অতিথি প্রথম যা দেখবেন, সেটাই পুরো ঘরের আবহ তৈরি করে।
এই জায়গায় এমন কিছু রাখুন যা স্বাগত জানায়—অগোছালো ফার্নিচার বা অতিরিক্ত প্রাধান্য পাওয়া টিভি নয়।

৫. দৈনন্দিন দৃষ্টিসীমা (sightline) বিবেচনায় রাখুন
সোফায় বসে, ডাইনিং টেবিলে খাওয়ার সময় বা বিছানায় শুয়ে আপনি বারবার যেদিকে তাকান, সেই দৃশ্যগুলো যেন মনোরম হয়।
জানালা, খোলা জায়গা বা পরিপাটি দেয়াল ভালো বিকল্প; অগোছালো স্টোরেজ নয়।

৬. কথোপকথনের উপযোগী বসার বিন্যাস করুন
চেয়ার ও সোফা এমনভাবে সাজান যেন মানুষ সহজে একে অন্যের দিকে মুখ করে বসতে পারে।
এতে ঘর সামাজিক ও প্রাণবন্ত হয়। পাশাপাশি ভিন্ন ধরনের চেয়ার রাখলে বিভিন্ন মানুষের বসার স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে।

৭. বসার জায়গার মাঝখানে একটি কেন্দ্রীয় উপাদান রাখুন
প্রতিটি বসার জোনে একটি কেন্দ্র দরকার—সাধারণত এটি কফি টেবিল।
আর্মচেয়ার বা সোফার পাশে সাইড টেবিল থাকলে জায়গাটি আরও পরিপূর্ণ ও ব্যবহারবান্ধব হয়।

৮. কার্পেট দিয়ে এরিয়া নির্ধারণ করুন
একটি উপযুক্ত রাগ পুরো বসার জায়গাটিকে একত্রে বেঁধে দেয়।
এতে ফার্নিচারগুলো বিচ্ছিন্ন না দেখিয়ে একটি সম্পূর্ণ ও সুসংগঠিত স্পেস তৈরি হয়।

এই টিপস গুলো একবার অ্যাপ্লাই করেই দেখুন না......

17/12/2025
বেডরুম সাজানোর ১০ টি কমন ভুল!🚫 – আর সহজ সমাধান💯আপনার বেডরুম কি সত্যিই মনোরম? অনেক সময় ছোট ছোট ডিজাইন ভুলের কারণে ঘরটা অস...
14/12/2025

বেডরুম সাজানোর ১০ টি কমন ভুল!🚫 – আর সহজ সমাধান💯

আপনার বেডরুম কি সত্যিই মনোরম? অনেক সময় ছোট ছোট ডিজাইন ভুলের কারণে ঘরটা অস্বস্তিকর লাগে। চলুন জেনে নেই কী কী ভুল এড়িয়ে চলবেন👇
1️. বিছানার অবস্থান
বিছানা রুমের কোণায়, দরজার ঠিক সামনে বা জানালার নিচে রাখবেন না। এমনভাবে রাখুন যেন দরজা দেখা যায়, কিন্তু পা দরজার দিকে না থাকে।

2️. বিছানার ওপর ভারী জিনিস নয়
মাথার ওপর ঝুলন্ত তাক বা ভারী লাইট এড়িয়ে চলুন। হালকা আর দৃষ্টিনন্দন আর্টওয়ার্ক বা ট্যাপেস্ট্রি রাখতে পারেন।

3️. ফার্নিচারের সাইজ
ছোট ঘরে বড় ফার্নিচার নয়, বড় ঘরে খুব বেশি ছোট ছোট জিনিসও নয়। ব্যালান্স রাখুন।

4️. চলাচলের জায়গা রাখুন
বিছানা ও দেয়ালের মাঝে অন্তত ৪০–৭৫ সেমি, আলমারি ও বিছানার মাঝে ১ মিটার জায়গা রাখুন।

5️. সব ফার্নিচার ম্যাচিং না হলেও চলবে
একই সেট হলে ঘর একঘেয়ে লাগে। মিল আছে এমন কিন্তু আলাদা পিস বেছে নিন।

6️. দরজার সামনে আলমারি নয়
এতে ঘরে ঢুকতেই অস্বস্তি লাগে।

7️. ওয়ার্কআউট বা অফিসের জিনিস লুকান
বেডরুম মানে বিশ্রাম। দরকার হলে পর্দা বা পার্টিশন ব্যবহার করুন।

8️. আয়না যেন বিছানার দিকে না থাকে
ঘুমের সময় প্রতিফলন বিরক্তিকর হতে পারে।

9️. বিছানার দু’পাশে ব্যালান্স
ডাবল বেড হলে দুই পাশে নাইটস্ট্যান্ড রাখতে পারেন । জায়গা না হলে ল্যাম্প, গাছ বা চেয়ারও চলবে।

10. রঙ বাছাই
উজ্জ্বল বা নীয়ন রঙ এড়িয়ে চলুন। ন্যাচারাল, আর্থি বা হালকা প্যাস্টেল রঙ বেছে নিন।
একটু সচেতন হলেই আপনার বেডরুম হবে আরও সুন্দর, শান্ত আর আরামদায়ক।
পোস্টটা ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না 😊

অগোছালো ঘর নিশ্চই আপনার মুড নষ্ট করে দেয়! আবার সারাদিন ঘর গুছিয়ে রাখাও সম্ভব হয় না। যদি বলি মাত্র ৮ টি হোম টিপস আপনার ঘর...
13/12/2025

অগোছালো ঘর নিশ্চই আপনার মুড নষ্ট করে দেয়! আবার সারাদিন ঘর গুছিয়ে রাখাও সম্ভব হয় না। যদি বলি মাত্র ৮ টি হোম টিপস আপনার ঘরকে Dream Home এ রুপান্তর করবে! Here the tips—

১. রঙ মন বদলায়
রঙ যে মনের উপর প্রভাব ফেলে—এটা সত্যি।
বাংলাদেশি ঘরের জন্য ভালো কাজ করে—
• হালকা হলুদ
• পিচ বা কমলা টোন
• মাটির রঙ (টেরাকোটা)
খুব বেশি গাঢ় রঙ দিলে মাথা ভার লাগে, আবার খুব ফিকে হলে ঘর নিরানন্দ লাগে। নিজের আরামের জায়গা থেকে বুঝে রঙ নিন।
________________________________________
২. ঘরে একটু মজা থাকুক
সবকিছু সিরিয়াস হলে ঘর একঘেয়ে লাগে।
তাই—
• রঙিন কুশন
• আলাদা ডিজাইনের ল্যাম্প
• একটু ইউনিক আয়না বা শোপিস---ব্যাবহার করুন
এমন ছোট জিনিস রাখুন যেগুলো দেখলে “ভালো লাগছে” মনে হয়। নতুন কিছু দেখলে আমাদের ব্রেইন খুশি হয়।
________________________________________
৩. একটু নড়াচড়া থাকলেই মন ভালো
ঘরে এমন কিছু রাখুন যেটাতে বসলে বা ব্যবহার করলে হালকা দুলুনি আসে।
যেমন—
• দোলনা চেয়ার
• বারান্দায় ঝুলানো সুইং
• হালকা দুলে এমন টুল
এগুলো আমাদের মনের ভেতরে ছোটবেলার খেলাধুলার অনুভূতি ফিরিয়ে আনে। তাই অজান্তেই মন ভালো হয়।
________________________________________
৪. পুরো হলুদ না, একটু হলুদ
হলুদ রঙ আশা আর আনন্দের প্রতীক।
কিন্তু পুরো ঘর হলুদ করলে বিরক্ত লাগতে পারে।
বরং—
• টেবিলে হলুদ ফুল
• সোনালি ফটো ফ্রেম
• ব্রাসের (পিতল) শোপিস—রাখতে পারেন
এই ছোট অ্যাকসেন্টই যথেষ্ট।
________________________________________
৫. দামি না, নিজের পছন্দের জিনিসই আর্ট
আর্ট মানেই যে বড় বড় পেইন্টিং, তা না।
আপনি চাইলে—
• পুরোনো সিনেমার টিকিট
• ছোটবেলার আঁকা ছবি
• হাতে বানানো শোপিস
ফ্রেম করে রাখতে পারেন। যেটা আপনার হাসি এনে দেয়—ওটাই আসল আর্ট।
________________________________________
৬. আপনার জীবনের ছাপ ঘরে থাকুক
ঘরটা যেন শুধু শো-রুম না হয়।
ওটা যেন বলে—“এখানে আপনি থাকেন”।
তাই—
• প্রিয় বই
• অর্জনের সার্টিফিকেট
• পরিবারের ছবি
ভাড়াবাড়ি হলেও একটা ছোট শেলফ বা বোর্ডে এগুলো রাখলেই ঘরটা নিজের হয়ে যায়।
________________________________________
৭. গাছ মানেই শান্তি
ঘরে গাছ রাখলে মন সত্যিই ঠান্ডা হয়।
বেশি কিছু না—
• মানি প্ল্যান্ট
• স্নেক প্ল্যান্ট
• তুলসি বা ছোট ইনডোর গাছ
এগুলো সহজে পাওয়া যায় আর যত্নও কম লাগে। কাঠের আসবাব, মাটির রঙের জিনিসও মন ভালো রাখে।
________________________________________
৮. অগোছালো ঘর = অগোছালো মাথা
ঘরে বেশি জিনিস ছড়ানো থাকলে অজান্তেই স্ট্রেস বাড়ে।
সমাধান—
• ঝুড়ি বা বাক্সে জিনিস রাখা
• টেবিলে ট্রে ব্যবহার করা
• কোন জায়গায় বেশি জিনিস জমে সেটা খেয়াল করা
# একটা টিপস: ঘরের ছবি তুলে দেখুন—তখন ক্লাটার চোখে বেশি পড়ে।
________________________________________
শেষ কথা
সুখী ঘর মানে বড় ফ্ল্যাট বা দামি ফার্নিচার না।
সুখী ঘর মানে—আরাম, নিজের ছাপ আর একটু ভালো লাগা।
ছোট ছোট পরিবর্তনই অনেক বড় শান্তি এনে দিতে পারে।

ছোট ডাইনিং রুম?  চিন্তা নেই!৬টি সহজ টিপস অ্যাপ্লাই করলে দেখবেন আপনার ডাইনিং রুম বড় এবং নান্দনিক লাগছে! 😍ইন্টেরিয়র ডিজাই...
08/12/2025

ছোট ডাইনিং রুম? চিন্তা নেই!
৬টি সহজ টিপস অ্যাপ্লাই করলে দেখবেন আপনার ডাইনিং রুম বড় এবং নান্দনিক লাগছে! 😍
ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের দেওয়া টিপসগুলো শেয়ার করছি—
✅ ওপেন-ব্যাক চেয়ার ব্যবহার করুন – ভারী ফার্নিচার এড়িয়ে চলুন
✅ চেয়ারের বদলে বেঞ্চ সিট বসান – জায়গা বাঁচে, লুক হয় স্টাইলিশ
✅ জানালায় হালকা পর্দা লাগান – আলো ঢুকবে, স্পেস বড় লাগবে
✅ সিলিংয়ে ওয়ালপেপার ব্যবহার করুন – ড্রামাটিক ও প্রিমিয়াম লুক
✅ কালার ড্রেঞ্চিং করুন – এক রঙে পুরো রুম, দেখাবে বড়
✅ বড় ও ইউনিক ঝাড়বাতি ব্যবহার করুন – ছোট রুমেও রাজকীয় ফিল
💡 মনে রাখবেন—ছোট স্পেস মানেই ছোট স্বপ্ন নয়!
স্মার্ট ডিজাইনেই বদলাবে আপনার ডাইনিং রুমের পুরো লুক!
👇 আপনি কোন টিপসটা আগে ট্রাই করতে চান?
কমেন্টে জানান!
পোস্টটি ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না ❤️

Address

Level1, Swapniltower, South-East Boxnogor, Demra
Dhaka
1361

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Treasure Glint BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share