Family Diary By Mimmi

Family Diary By Mimmi আমরা কেবল আল্লাহর নামগুলিকে বিশ্বাসের
সাথে স্মরণ করতে পারি। সকলকিছুর মালিক
আল্লাহ।।

26/01/2025

কি লিখবো কিছুই খুজে পাইনা।।

26/01/2025

আজ সোমবার দিবাগত রাতে
পবিত্র সবে মিরাজ

25/08/2024

゚viralシfypシ゚viralシalシ

09/08/2024

আজ সবার জন্য গ্রামীণ ফোনের ইন্টারনেট ফ্রি!!!

এমন সাজানো দেশ কোথাও খুজে পাবেনা ইনশাল্লাহ। ধর্ম মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে আছেন মিজানুর রহমান আজাহারি হুজুর
08/08/2024

এমন সাজানো দেশ কোথাও খুজে পাবেনা ইনশাল্লাহ।
ধর্ম মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে আছেন মিজানুর রহমান আজাহারি হুজুর

07/08/2024

ডিবি অফিসের মূল গেইটের সাথে কাউন্টার টেরোরিজমের যেই বিল্ডিংটা আছে, তার সাত তালায় একটি গুমখানা রয়েছে। যেখানে নিরীহ আলেম ও সাধারণ মানুষদের নিয়ে গুম রাখা হয়। (আমাকেও সেখানে গুম রাখা হয়েছিল) তাই দায়িত্বশীলদের নিকট জরুরী ভিত্তিতে সেখানে খবর নেওয়া প্রয়োজন, কেউ ভিতরে গুম অবস্থায় আছে কিনা।

যদি থেকে থাকে তবে তারা বন্দী অবস্থায় মারা পড়বে। কারণ ডিবি অফিসের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তারা কোনপ্রকার খাওয়া দাওয়া করার সুযোগ পাবে না। তাই খুব দ্রুতই খবর নেয়া প্রয়োজন।

- মাহমুদুল হাসান গুনবী

Share now‼️

07/08/2024

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনীর ক্যাম্পসমূহের সাথে যোগাযোগের নম্বর
ঢাকা, ০৭ আগস্ট ২০২৪ (বুধবার): সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান-মাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। যেকোন নাশকতামূলক কর্মকান্ড, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখিন হলে নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্পে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। এক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান ও গুজবে আতঙ্কিত হয়ে সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকুন। সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত নম্বরসমূহে যোগাযোগ করুনঃ

বরিশাল বিভাগ
১। বরিশাল
০১৭৬৯০৭২৫৫৬
০১৭৬৯০৭২৪৫৬
২। পটুয়াখালী
০১৭৬৯০৭৩১২০
০১৭৬৯০৭৩১২২
৩। ঝালকাঠি
০১৭৬৯০৭২১০৮
০১৭৬৯০৭২১২২
৪। পিরোজপুর
০১৭৬৯০৭৮২৯৮
০১৭৬৯০৭৮৩০৮

চট্টগ্রাম বিভাগ
১। নোয়াখালী
০১৬৪৪-৪৬৬০৫১
০১৭২৫-০৩৮৬৭৭
২। চাঁদপুর
০১৮১৫-৪৪০৫৪৩
০১৫৬৮-৭৩৪৯৭৬
৩। ফেনী
০১৭৬৯-৩৩৫৪৬১
০১৭৬৯-৩৩৫৪৩৪
৪। লক্ষীপুর
০১৭২১-৮২১০৯৬
০১৭০৮৭৬২১১০
৫। কুমিল্লা
০১৩৩৪-৬১৬১৫৯
০১৩৩৪-৬১৬১৬০
৬। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া
০১৭৬৯-৩২২৪৯১
০১৭৬৯-৩৩২৬০৯
৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা
০১৭৬৯১০৭২৩১
০১৭৬৯১০৭২৩২
৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ব্যতিত)
০১৭৬৯২৪২০১২
০১৭৬৯২৪২০১৪

ঢাকা বিভাগ
১। মাদারীপুর
০১৭৬৯০৭২১০২
০১৭৬৯০৭২১০৩
২। কিশোরগঞ্জ
০১৭৬৯১৯২৩৮২
০১৭৬৯২০২৩৬৬
৩। টাঙ্গাইল
০১৭৬৯২১২৬৫১
০১৭৬৯২১০৮৭০
৪। গোপালগঞ্জ
০১৭৬৯-৫৫২৪৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৪৮
৫। রাজবাড়ী
০১৭৬৯-৫৫২৫১৪
০১৭৬৯-৫৫২৫২৮
৬। গাজীপুর
০১৭৮৫৩৪৯৮৪২
০১৭৬৯০৯২১০৬
৭। মুন্সিগঞ্জ
০১৭৬৯০৮২৭৯৮
০১৭৬৯০৮২৭৮৪
৮। মানিকগঞ্জ
০১৭৬৯০৯২৫৪০
০১৭৬৯০৯২৫৪২
৯। নারায়ণগঞ্জ
০১৭৩২০৫১৮৫৮
১০। নরসিংদী
০১৭৬৯০৮২৭৬৬
০১৭৬৯০৮২৭৭৮
১১। শরিয়তপুর
০১৭৬৯০৯৭৬৬০
০১৭৬৯০৯৭৬৫৫
১২। ফরিদপুর
০১৭৬৯০৯২১০২
০১৭৪২৯৬৬১৬২

ঢাকা মহানগর
১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এ্যালিফেন্ট রোড এবং কাঁটাবন
০১৭৬৯০৫১৮৩৮
০১৭৬৯০৫১৮৩৯
২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী
০১৭৬৯০১৩১০২
০১৭৬৯০৫৩১৫৪
৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
০১৭৬৯০২৪২১০
০১৭৬৯০২৪২১১
৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা
০১৭৬৯০৯২৪২৮
০১৭৬৯০৯৫৪১৯

ময়মনসিংহ বিভাগ
১। শেরপুর
০১৭৬৯২০২৫১৬
০১৭৬৯২০২৫২৪
২। নেত্রকোণা
০১৭৬৯২০২৪৭৮
০১৭৬৯২০২৪৪৮
৩। জামালপুর
০১৭৬৯১৯২৫৪৫
০১৭৬৯১৯২৫৫০
৪। ময়মনসিংহ
০১৭৬৯২০৮১৫১
০১৭৬৯২০৮১৬৫

খুলনা বিভাগ
১। বাগেরহাট
০১৭৬৯০৭২৫১৪
০১৭৬৯০৭২৫৩৬
২। কুষ্টিয়া
০১৭৬৯-৫৫২৩৬২
০১৭৬৯-৫৫২৩৬৬
৩। চুয়াডাঙ্গা
০১৭৬৯-৫৫২৩৮০
০১৭৬৯-৫৫২৩৮২
৪। মেহেরপুর
০১৭৬৯-৫৫২৩৯৮
০২৪৭৯৯২১১৫৩
৫। নড়াইল
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭
৬। মাগুরা
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৫
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৬
৭। ঝিনাইদহ
০১৭৬৯-৫৫২১৫৮
০১৭৬৯-৫৫২১৭২
৮। যশোর
০১৭৬৯-৫৫২৬১০
০১৭৬৯-০০৯২৪৫
৯। খুলনা
০১৭৬৯-৫৫২৬১৬
০১৭৬৯-৫৫২৬১৮
১০। সাতক্ষীরা
০১৭৬৯-৫৫২৫৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৫৪৮

রাজশাহী বিভাগ
১। রাজশাহী
০১৭৬৯১১২৩৮৬
০১৭৬৯১১২৩৮৮
২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ
০১৭৬৯১১২০৭০
০১৭৬৯১১২৩৭২
৩। পাবনা
০১৭৬৯১২২৪৭৮
০১৭৬৯১১২৪৮০
৪। সিরাজগঞ্জ
০১৭৬৯১২২৪৬২
০১৭৬৯১২২২৬৪
৫। নাটোর
০১৭৬৯১১২৪৪৬
০১৭৬৯১১২৪৪৮
৬। নওগাঁ
০১৭৬৯১২২১১৫
০১৭৬৯১২২১০৮
৭। জয়পুরহাট
০১৭৬৯১১২৬৩৪
৮। বগুড়া
০১৭৬৯১১২৫৯৪
০১৭৬৯১১২১৭০
রংপুর বিভাগ
১। রংপুর
০১৭৬৯৬৬২৫৫৪
০১৭৬৯৬৬২৫১৬
২। দিনাজপুর
০২৫৮৯৯২১৪০০
০২৫৮৯৬৮২৪১৪
৩। নীলফামারী
০১৭৬৯৬৮২৫০২
০১৭৬৯৬৮২৫১২
৪। লালমনিরহাট
০১৭৬৯৬৮২৩৬৬
০১৭৬৯৬৮২৩৬২
৫। কুড়িগ্রাম
০১৭৬৯৬৬২৫৩৪
০১৭৬৯৬৬২৫৩৬
৬। ঠাকুরগাঁও
০১৭৬৯৬৬৬০৬২
০১৭৬৯৬৭২৬১৬
৭। পঞ্চগড়
০১৯৭৩০০০৬৬২
০১৭৬৯৬৬২৬৬১
৮। গাইবান্ধা
০১৬১০৬৫২৫২৫
০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬

সিলেট বিভাগ
১। সিলেট
০১৭৬৯১৭৭২৬৮
০১৯৮৭৮৩৩৩০১
২। হবিগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৫৯৬
০১৭৬৯১৭২৬১৬
৩। সুনামগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৪২০
০১৭৬৯১৭২৪৩০
৪। মৌলভীবাজার
০১৭৬৯১৭৫৬৮০
০১৭৬৯১৭২৪০০

07/08/2024

আসিফ আদনান ভায়ের লেখা 👇

১.
আসেন কঠিন কথাগুলো শুরু করি।
হাসিনা পতনের যে আন্দোলন তার বাস্তবতা আমাদের মনে রাখা দরকার, এবং বারবার মনে করিয়ে দেয়া জরুরী। তা না হলে বিভিন্ন বয়ান তৈরি করে সেগুলো দিয়ে অনেক কিছু জাস্টিফাই করা হবে।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে:
এটা কোন নির্দিষ্ট আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ছিল না। কোন নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় আনার আন্দোলন ছিল না। কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের প্রধান বানানোর আন্দোলন ছিল না।
এটা ছিল একটা পিওরলি রিয়্যাকশানারি বা প্রতিক্রিয়ামূলক আন্দোলন। এই আন্দোলনের প্রধান তিনটা স্লোগান লক্ষ্য করুন-
তুমি কে, আমি কে - রাজাকার রাজাকার
ভুয়া ভুয়া!
ছি ছি হাসিনা, লজ্জায় বাচি না।
একটা পিওর রিয়্যাকশান, একটা পিওর রেইজ, আর শেষেরটা নিরেট হাসিনা বিরোধিতা।
এই আন্দোলনকে মানুষ যোগ দিয়েছে দুটো কারণে -
প্রথমে, আবু সাইদ-মুগ্ধদের খুনের প্রতিবাদে
তারপর, আওয়ামী জাহিলিয়াতের পতনের লক্ষ্যে
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক আন্দোলন ১৬ তারিখেই থিতিয়ে যেতে পারতো। খুনী পুলিশের সহায়তায় এই রাতে পাবলিক ইউনিগুলোর দখল নিয়ে ফেলে ছাত্রলীগ। হল বন্ধ করে দেয়। আন্দোলনকারী এবং সমন্বয়কদেরও বের করে দেয় ক্যাম্পাস থেকে।
পরের দুইদিন আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট ইউনি, কলেজ এবং স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। এটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। প্রাইভেট ইউনির ছাত্ররা বিসিএস দিতে আগ্রহী না। তাদেরকে আন্দোলনে নামতেও আহ্বান করা হয়নি। তবু তারা রাস্তায় নেমে যায় আবু সাইদসহ নিহত ও আহত পাবলিক ইউনির ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে।
এ দুইদিনে নিহতদের বড় একটা অংশ ছিল ঢাকার আরবান মিডল এবং আপার-মিডল ক্লাসের সন্তান। এসময়টাতেই শহুরে মিডল ক্লাসের বিশাল অংশ হাসিনার বিরুদ্ধে চলে যায়। মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায়, বাংলাদেশ একটা অদৃশ্য লাইন অতিক্রম করে ফেলেছে। যা হয়েছে, তারপর সব কিছু আর আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে না।
এই সময়টাতে এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় আন্দোলনে কী-রোল প্লে করে ঢাকা এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার ছিন্নমূল মানুষ। অনেক ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্ত হলেও, তাদেরকে মোবালাইয করার ক্ষেত্রে প্রায় নিশ্চিতভবেই বিএনপি এবং জামআতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ছিল। এই শ্রেনীরও কোটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না।
আন্দোলনের শেষ দিকে কওমী মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ইসলামী দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল রাজপথে, তারাও কেউ কোটা নিয়ে মাথা ঘামায়নি।
ইন্টারনেট ফেরার পর প্রথম ৩-৪ দিন ফেইসবুকে মানুষ খুব ভয়ে ভয়ে কথা বলছিল। এই সময়ে বিভিন্ন ঘরানার যেসব ফেইসবুক আইডি আন্দোলনের পক্ষে জনমত তৈরি করেছে, ভয় ভেঙ্গে মানুষকে কথা বলতে উৎসাহিত করেছে, তাদের অ্যাটলিস্ট ৯০% এর কাছে কোটার কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই।
বাস্তবতা হল হাসিনার পতনের যে আন্দোলন তার,

- প্রধান উসকানিদাতা হাসিনা

- প্রধান সমন্বয়ক হাসিনা

- প্রধান স্থপতি হাসিনা
হাসিনার লাগামছাড়া বক্তব্য, তার চরম ঔদ্ধত্য এবং তার ক্রমাগত মিসস্টেপ পুরো দেশের মানুষকে, দেশের সবচেয়ে অ্যাপলিটিকাল, নির্বিবাদী অংশকেও হাসিনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে।
জুলাইয়ের ২ তারিখ থেকে শুরু করে অগাস্টের ২ তারিখ পর্যন্ত যে কোন সময় দাবি মেনে নিয়ে হাসিনা এই আন্দোলন বন্ধ করে দিতে পারতো। কিন্তু তা না করে, সে বারবার মানুষ খুন করে, তার দম্ভ এবং ১৫ বছরের আওয়ামী জাহিলিয়াতের মাধ্যমে সবাইকে তার বিরুদ্ধে এক কাতারে নিয়ে আসে।
এই বাস্তবতাগুলো আমাদের মনে রাখা জরুরী।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হাসিনার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে সত্য। কিন্তু মানুষ কীসের জন্য তাদের নেতৃত্ব মেনেছে? কোন বিষয়ে তাদের নেতা মেনেছে?
কোটার জন্য? ইউনুসকে ৬ বছরের জন্য সরকার প্রধান বানানোর জন্য? তারা পছন্দমতো নানা সংস্কার করবে, তারপর বলবে জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন স্বরূপ জনগণের পক্ষ হয়ে আমরা এগুলো করেছি - তার জন্যে?
না।
মানুষ তাদের নেতৃত্ব মেনেছে হাসিনার পতনের জন্য। সোজাসাপ্টা কথা। কোন সৎ এবং বিবেকবান মানুষ এই সত্যকে অস্বীকার করবে না।
ছাত্রনেতাদের কৃতিত্ব ও ত্যাগ কেউ অস্বীকার করে না। তারা নির্যাতিত হয়ে বক্তব্য বদলাননি (গুটিকয়েক ছাড়া), তারা বুদ্ধিমত্তার সাথে কর্মসূচী দিয়েছেন, আন্দোলনের গতি ধরে রেখেছেন - এই সব ক্রেডিট তাদের দেয়া যায় নির্দ্বিধায়।
কিন্তু কোন নির্দিষ্ট আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য জাতি তাদের নেতা বানায়নি। তাদের এমন কোন ইশতেহার কিংবা ম্যানিফেস্টো ছিল না, যা জনগণ দেখেছে, বুঝেছে এবং সেটায় সমর্থন দিয়েছে।
মানুষ রাস্তায় নেমেছে কেবল, এবং কেবলই নিহত ও আহতদের সাথে সংহতি প্রকাশ, গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী জাহিলিয়াতের পতনের উদ্দেশ্য। 👇
( Collected )

07/08/2024

⛔ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের দেশব্যাপী
মোকাবিলা করুন।

এই নতুন বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ থাকতে পারবে না।

যে-কোনো চাঁদাবাজ, মাস্তান, ডাকাত সে যে দলীয় পরিচয়ই দিক না কেনো তাদেরকে প্রতিহত করুন।

এখনই প্রতিহত না করলে
ভবিষ্যতে প্রশ্রয় পাবে।

07/08/2024

মন্ত্রী এমপিদের মধ্যে অনেকেই আটক হচ্ছে আরো হবে । এই মুহূর্তে কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নিবেন না । আমরা শুধু ২০২৪ সালের গণহত্যার বিচারের দাবি তুলবো না । আমরা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি বৈঠা দিয়ে হত্যার, ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে আমাদের গর্বিত সেনা অফিসার হত্যার, ২০১৩ সালে শাপলায় হাজার হাজার হেফাজত কর্মীর হত্যার, এই একই বছর দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় কেন্দ্র করে জনতার উপর গুলি বর্ষণ করে এক দিনেই দুই শতাধিক হত্যার, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে নিপীড়ন ও নির্যাতনের, বুয়েট হলে ছাত্রলীগের হাতে আবরার ফাহাদের হত্যার, এ ছাড়া প্রতিটি নির্বাচনে ভোট ডাকাতির সময় যে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তার অবশ্যই বিচার হবে । এ ছাড়া অবৈধ ক্ষমতা স্থায়ী করতে দীর্ঘ ১৬ বছর খুন ও গুমের কালচার তৈরি করেছে । যারা যারা এই ক্রাকডাউন ও গণহত্যার সাথে জড়িত তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে । হাসিনা এখনো ভারতে আছেন বলে জানা যাচ্ছে । দ্রুত মামলা রুজু করে তাকে সহ তার খুনী লেসপেন্সারদের আটক করতে হবে । ভারতের কাছে অনুরোধ থাকবে দেশের গণশত্রুকে আমাদের দেশে ফিরিয়ে দিন । তাকে অবশ্যই আইনের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে । যে শাহবাগে ফ্যাসিবাদ ও গণহত্যার শুরু হয়েছিল সেই শাহবাগ থেকেই এই ফ্যাসিবাদ ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে আওয়াজ উঠবে । ছাত্রজনতা কোন ভাবেই গণহত্যাকারীদের ছেড়ে দেবে না ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

Address

Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Family Diary By Mimmi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Family Diary By Mimmi:

Share