07/05/2026
এটি একটি পরকীয়ার চটি গল্প অথবা কট খাওয়ার ইতিহাস মজা করে পরুন দিন দিন আমি আপনি গরীব হচ্ছি শুরু থেকে দেশের চলমান ব্যাবস্থার অপরিবর্তিত রেখে মুখে মুখে জনগনকে ভালোবাসি প্রকৃত অর্থে আমরা একটি বুর্জোয়া ব্যবস্থার ভিতরে জন্মলগ্ন থেকে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি: পকেট কাটার অদৃশ্য হাতিয়ার ,সহজ কথায়, মুদ্রাস্ফীতি হলো সাধারণ মানুষের জমানো টাকার মান কমিয়ে দেওয়া। ধরুন, ২০ বছর আগে ১০০ টাকা দিয়ে যা কেনা যেত, আজ তা কিনতে ১০০০ টাকা লাগে।
দুষ্টচক্র: সরকার যখন বেশি টাকা ছাপে বা বাজারে মুদ্রার সরবরাহ বাড়ে, তখন জিনিসের দাম বাড়ে। এতে গরিবের প্রকৃত আয় কমে যায়। অন্যদিকে, ধনীদের কাছে জমি, সোনা বা কোম্পানির শেয়ার থাকে, যার দাম মুদ্রাস্ফীতির সাথে সাথে বাড়ে। ফলে গরিব আরও গরিব হয়, আর ধনীরা না খাটলেও আরও ধনী হয়।
বাজার সিন্ডিকেট ও একচেটিয়া আধিপত্য বাজার ব্যবস্থা যদি মুক্ত হতো, তবে প্রতিযোগিতার কারণে দাম কম থাকত। কিন্তু বাংলাদেশে যা ঘটে তা হলো 'অলিগোপলি' (Oligopoly)।
সুবিধাভোগী গোষ্ঠী: গুটিকয়েক বড় ব্যবসায়ী বা আমদানিকারক (সিন্ডিকেট) ঠিক করে দেয় আজ চাল বা তেলের দাম কত হবে। সাধারণ মানুষের কাছে বিকল্প থাকে না। ফলে জনগণের পকেট থেকে বাড়তি টাকা সরাসরি ওই গুটিকয়েক মানুষের সিন্দুকে চলে যায়। এটিই হলো জনগণকে "গরিব বানিয়ে ধনী হওয়ার" সবচেয়ে সহজ পথ।
কর ব্যবস্থা: গরিবের ওপর বোঝা
আমাদের দেশে 'পরোক্ষ কর' বা ভ্যাট (VAT) বেশি। একজন রিকশাচালক এক লিটার তেল কিনলে যে পরিমাণ ভ্যাট দেন, একজন কোটিপতিও একই ভ্যাট দেন।অসাম্য: ধনীদের আয়ের ওপর যে 'প্রত্যক্ষ কর' বা ইনকাম ট্যাক্স দেওয়ার কথা, তারা দুর্নীতির মাধ্যমে তা ফাঁকি দেয়। ফলে রাষ্ট্রের খরচ মেটানোর পুরো চাপটা এসে পড়ে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।
ঋণের দুষ্টচক্র ও খেলাপি ঋণ
সাধারণ মানুষ ব্যাংক থেকে ছোট লোন নিতে গেলে শত বাধা। অথচ প্রভাবশালীরা হাজার হাজার কোটি টাকা লোন নিয়ে আর ফেরত দেয় না (খেলাপি ঋণ)।প্রক্রিয়া: এই টাকাগুলো আসলে সাধারণ মানুষের জমানো টাকা। যখন বড় বড় গ্রুপ লোন ফেরত দেয় না, তখন ব্যাংকিং সেক্টরে সংকট তৈরি হয় এবং সরকার সেই ঘাটতি মেটাতে জনগণের করের টাকা ব্যবহার করে অথবা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। এভাবে জনগণের সম্পদ কয়েকজনের হাতে পুঞ্জীভূত হয়।সুযোগের অসমতা একজন গরিব মানুষের প্রতিভা থাকলেও সে পুঁজি এবং রাজনৈতিক কানেকশনের অভাবে বড় ব্যবসা করতে পারে না। কিন্তু সুবিধাভোগী গোষ্ঠী দুর্নীতির মাধ্যমে লাইসেন্স বা কাজ বাগিয়ে নেয়। একে বলা হয় 'ক্রোনি ক্যাপিটালিজম' বা স্বজনতোষী পুঁজিবাদ।