Asha's kitchen

Asha's kitchen রান্না করতে ভালোবাসি পাশাপাশি খেতে এবং খাওয়াতেও ভালোবাসি
(2)

আমার শাশুড়ি সবকিছুই পছন্দ করেন, কিন্তু একটা জিনিস একদমই সহ্য করতে পারেন না — গামলা ভরে ভাত নিয়ে, হাত দিয়ে চটকাইয়া সবার স...
21/05/2026

আমার শাশুড়ি সবকিছুই পছন্দ করেন, কিন্তু একটা জিনিস একদমই সহ্য করতে পারেন না — গামলা ভরে ভাত নিয়ে, হাত দিয়ে চটকাইয়া সবার সামনে খাওয়া! 😂
একদম খাঁটি বাঙালির অভ্যাস আর কী 😎 আমি তো বাংলাদেশি মানুষ! 🤣

তো বিয়ের সময় অনেক গেস্ট আসছে। নতুন বিয়ে, তার ওপর বিয়ের আগে কোনোদিন রান্নাঘরে যাইনি। তাই এসব নিয়ম-কানুন সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। 😅

সবাই খেতে বসছে ঘরে। জামাইও এসে আমার পাশে বসলো। আমাকে বললো,
— “খাবারটা বেড়ে দাও।”

আমি তো মহা উৎসাহে শুরু করলাম! 😂
একটু একটু করে সব বিদেশি আইটেম, সব তরকারি, সবকিছু প্লেটে দিতে লাগলাম।
দিতে দিতে এমন অবস্থা — পুরো প্লেট ভর্তি! 🤣

শাশুড়ি আর জামাই বারবার বলতেছে,
— “আগে অল্প নিক, পরে আবার নিবে… হইছে, হইছে!”

কিন্তু তাদের কথা কে শুনে! 😂
আমি তো ভাবতেছি, গেস্ট এসেছে, প্লেট ভরা না হলে আবার কী মনে করবে! 😎

হঠাৎ দেখি সবাই আমার দিকে কেমন জানি তাকায় আছে! 😭
ননদের শ্বশুড়-শাশুড়িও বসে আছে… আর আমি কিছুই বুঝতেছি না। একদম বলদ অবস্থা! 🤣

গেস্টরা চলে যাওয়ার পর শাশুড়ি বললো,
— “এমন কেউ করে নাকি বউ! অল্প করে দিবা, খাওয়া শেষ হলে আবার নিবে। এভাবে প্লেট ভর্তি করে না!” 😅

ওনাদের বাড়িতে নাকি সবাই এত অল্প করে খাবার নেয়, মনে হয় ৫ চামচ ভাতও না! 🤭
আর শাশুড়ি তো আমাকে বারবার ইশারা করতেছিল, কিন্তু আমি কিছুই বুঝি নাই। 😂

বেচারা জামাই শেষমেশ প্লেটের দিকে তাকিয়ে বললো,
— “প্লেটের তো কোনো অংশই ফাঁকা নাই! কোথা থেকে খাওয়া শুরু করমু?” 😂🤣

শেষে তার মা আরেকটা প্লেট এনে দিলো! 😭
সেদিন আমার মান-সম্মান, লজ্জা — সব শেষ! 🤣🤣

©Fateha Ilina

21/05/2026

নোয়াখালীতে একটা বিয়েতে গেছি। বিয়ের দিন।

এক চাচি তুলকালাম ঝ/ গ/ ড়া লাগিয়েছে। মহিলার মেয়ের জামাইয়ের নাকি ভালোভাবে খাওয়া হয়নি। বেয়ারা নাকি ইচ্ছা করে তাকে ছোট চিংড়িটা দিছে।

এদিকে বর চলে আসছে। গেটে বিশাল হাউকাউ। মিষ্টি খাওয়াইতে গিয়ে কাঁটা চামচের আ/ ঘা/ তে বরের ঠোঁট কে/ টে গেছে।

বরের এক বন্ধু গেটে আসা মেয়েদের সাথে শরবত ছু/ ড়াছুঁ/ ড়ি করে লাগিয়েছে আরেক ক্যা/ চা/ ল। মেয়েদের ছেলে কাজিনরা ক্ষে/ পে গেছে। বরের বন্ধুকে মা/ রার জন্য পরিকল্পনাও করে ফেলেছে দুএকজন।

বরপক্ষের চারজন মানুষ এক টেবিলে বসে ধুমায়ে খাচ্ছে। পাশে দাঁড়িয়ে শুনতে পেলাম, তাদেরকে ভাড়া আনা হইছে বেশি খেয়ে কনে পক্ষের খাবারের শর্ট ফেলে দিতে। যাতে বর পক্ষ আজীবন কনে পক্ষকে খোঁ/ টা দিতে পারে।

তাদের একজনকে বললাম, ভাই, গলায় আঙ্গুল দিয়ে বমি করে আসেন। এরপর আবার খেতে বসেন। খাবার শর্ট আজকে ফেলবোই, যা আছে কপালে।

আমাকে নিজেদের লোক মনে করে দুইজন গিয়ে সত্যি সত্যি বমি করে এসে হাতা গুটিয়ে আবার খেতে বসছে।

এদিকে ওই চাচী তার 'খাওয়া না হওয়া' মেয়ের জামাইর হাত ধরে তাকে প্যান্ডেলে নিয়ে আসছে। তাকে নতুন মেহমানের সাথে বসাবে।

বরের বন্ধু খাওয়া বাদ দিয়া বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেছে। গেটে বরকে রিসিভ করতে যাওয়া একটা মেয়েকে তার পছন্দ হয়েছে। টিস্যু পেপারে ফোন নাম্বার লিখে ওই মেয়েকে খুঁজছে।

চাচি আবার ঝ/ গ/ ড়া লাগাইছে। তার মেয়ে জামাই নাকি এবার চিংড়ি পায়ই নি!

-নাজমুল হক

“বউয়ের বাপের বাড়ি দিয়ে সোনার কিছু দেয়নি?”চাচী শাশুড়ী কথা শুনে শাশুড়ী আফসোসের সুরে বললেন,“না। সোনা তো দূর এক গাছ কুটাও(খড়...
21/05/2026

“বউয়ের বাপের বাড়ি দিয়ে সোনার কিছু দেয়নি?”
চাচী শাশুড়ী কথা শুনে শাশুড়ী আফসোসের সুরে বললেন,“না। সোনা তো দূর এক গাছ কুটাও(খড়) দেয় নাই। এমনই ভিখারি বাড়ি থেকে মেয়ে নিয়ে আসছি।”
শাশুড়ীর কথা শুনে চাচী শাশুড়ী বিলাপ করতে শুরু করে। আমার শাশুড়ীর কপাল খুব খারাপ। নয়তো এমন ভিখারি বংশের মেয়ে জুটে কপালে। সেদিনই প্রথম তারা এমনভাবে অপমান করার সুযোগ পেয়েছিলো। এরপর কখনো পায়নি। কারণ সেদিন তাদের সব কথা আমার স্বামী পলাশ দরজার কাছে দাঁড়িয়ে শুনেছে। সঙ্গে সঙ্গে সে প্রতিবাদ করে বলে,“তোমরা এভাবে আমার স্ত্রীকে বলছো কেন? শুধু যে ওর বাবা, মা ওকে সোনার জিনিস দেয়নি এমন তো নয়? আমরাও তো দেইনি। তাহলে কি আমরা ভিখারি পরিবার নই? আর দুই ভিখারি পরিবারে মিল হওয়াই তো ভালো।”

পলাশের এই কথাটি শাশুড়ী হজম করতে পারলো না। সে উচ্চবংশীয় মেয়ে। তার সঙ্গে ভিখারি যায়? যায় না। যার জবাবে পলাশ আবার বলে,“তবে নিজের বৌমাকে গয়না দিয়ে ঘরে তুলতে পারোনি কেন? যখন পারোইনি তখন এখানে বসে গয়নার কথা তুলছো কেন? তার পরিবারকেও বা টানছো কেন?”

এই কথা শুনে শাশুড়ী মা চুপ হয়ে যায়। চাচী শাশুড়ী কিছু বলতে নিলে পারে না। পলাশ সেই সুযোগ দেয় না। সে খুব সুন্দরভাবে বলে,“শুনুন চাচী, বর্তমান বাজারদরের অবস্থা ভালো না। এই সময়ে এসে সোনার জিনিস দেওয়া সবার পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার। বিয়ে করে যাকে নিয়ে এসেছি সেও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের। আমাদের কারো পক্ষেই সোনার গহনা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই এটা নিয়ে কথা না বলাই ভালো।”

একটু থেমে পলাশ আবার বলে,“চাচী আজ আমি ভদ্রভাবে বললাম। তবে পরবর্তীতে যদি দেখি আপনি বা কেউ বাড়ি বয়ে এসে কুটকাচালি করে আমার স্ত্রীর অসম্মান করার চেষ্টা করছেন তবে কিন্তু আমি ছেড়ে কথা বলবো না।”

“তুই তোর চাচীর সঙ্গে এভাবে কথা বলছিস?”
শাশুড়ী মা অবাক হয়ে জানতে চায়। পলাশ মাথা নাড়িয়ে বলে,“সে যতটা শোনার যোগ্য ততটা বলিনি। আর হ্যাঁ মা তোমাকে বলছি অন্যের কথা নিয়ে ঘরের মধ্যে অশান্তি করো না। একটা কথা মাথায় রেখো ও আমার স্ত্রী। আমার দায়িত্ব। আমার সম্মান। তাই এমন কিছু বলো না বা করো না যাতে ওর অসম্মান হয়। এটা কিন্তু আমি মানবো না।”

সেদিন পলাশের কথার তেজ দেখে শাশুড়ী মা দ্বিতীয়বার ঐ কথা তোলার সাহস পায়নি। আর কখনো কেউ আমার গায়ে সোনার গহনা নাই কেন এই প্রশ্ন করতে পারেনি। না আমার পরিবারকে কেউ ভিখারি বলতে পারছে। শুধু তাই নয়, শ্বশুড়বাড়িতে আমার কখনো কোন অসুবিধা হয়নি। কেউ আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করার সুযোগ পায়নি। যেটা সম্ভব হয়েছে পলাশের জন্য। পলাশ স্বামী হিসাবে আমার পাশে ছিলো বলেই আমার সংসার জীবনটা সহজ হয়েছে।

আমার এখনো মনে পড়ে, সেদিন বাড়িতে মাছ মাংস হতে সব রান্না হয়েছিলো। কিন্তু আমার পাতে শুধু ডাল সবজি আর মুরগির পা পড়ছিলো। এটাই ছিলো আমার দুপুরের খাবার। যেটা পলাশের চোখে পড়ার পর পলাশ এসে আমার পাশে বসে। তার পাত থেকে মাংস তুলে আমার পাতে দেয়। তার এমন কান্ডে শাশুড়ী মা অবাক হয়ে জানতে চায়,“তুই তোর সব মাংস ওকে দিলে নিজে খাবি কি?”

“তোমার হাঁড়িতে যদি আমার স্ত্রীর জন্য মাংস, মাছ রান্না না হয় তবে তো আমাকে মাছ মাংস ছাড়াই খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।”
সেদিনই প্রথম এমন ঘটনা ঘটে। এরপর কোনদিন আমার পাতে মাছ, মাংসের অভাব হয়নি। আর কখনো খাওয়ার কষ্ট হয়নি। পলাশের জন্য কেউ কখনো আমাকে কথা শোনাতেও পারেনি। কখনো অসম্মান করার সুযোগ পায়নি।

হ্যাঁ পলাশের এভাবে আমার পাশে থাকায় শাশুড়ী মা, ননদ একটু অসন্তুষ্ট ছিলেন। তার আড়ালে অবশ্য বলে বেড়াতেন,“আমার ছেলেকে এই মেয়ে তাবিজ করেছে। এই মেয়ে ভালো না।” কিন্তু প্রকাশ্যে কখনো বলার সাহস পায়নি। কারণ এসব কথা পলাশের কানে গেলে সে প্রতিবাদ করতো।

পলাশের এই প্রতিবাদ। তার পাশে থাকা আমার সংসার জীবনকে সুন্দর করে তুলেছে। বিয়ের প্রথম প্রথম কাজ পারতাম না। এটা নিয়ে শাশুড়ী কখনো বকার সুযোগ পায়নি। পলাশ প্রথম দিকেই স্পষ্ট করে বলেছিলো,“ও আমার স্ত্রী। ও ভুল করলে ওকে শাসন করার অধিকার আমি ব্যতীত কারো নেই। ও সদ্য বউ হয়েছে। সংসারের কাজ, দায়িত্ব হয়তো বুঝবে না। তোমরা ওকে সব শেখাও৷ শেখানোর পরও যদি না পারে তখন আমি ব্যবস্থা নিবো। কিন্তু অযথা ওর সঙ্গে তর্ক করবে না। ও কাজ পারে না দেখে কথা শোনাবে না। আগে কাজ শেখাও তারপর যা বলার বলো।”

ব্যস। তার এই কথাই যথেষ্ট ছিলো। এরপর কাজ নিয়ে তত প্যারা খেতে হয়নি। তাই বলে এমন নয় গায়ে হাওয়া লাগিয়ে চলেছি। বরং স্বামীর কথা মেনে তাদের শেখানো অনুযায়ী সব শিখে নিয়েছি। দায়িত্ব খুব দ্রুত বুঝে নিয়েছি। কারণ পলাশ বিয়ের প্রথম রাতেই বলে দিয়েছিলো,“এই সংসার তোমার। এখানে থাকতে হলে তোমাকে দায়িত্ব নিতে হবে। কোন হেলাফেলা করা যাবে না। হ্যাঁ স্বামী হিসাবে আমাকে যেভাবে তোমার পাশে দরকার সেভাবে আমি থাকবো। তবে তোমাকেও কথা দিতে হবে, তুমি এই সংসারকে আপন করে তার প্রতি থাকা তোমার সব দায়িত্ব কর্তৃব্য যথাযথ পালণ করবে।”

পলাশের সেই কথা মেনে আমি সব করেছি। খুব অল্প সময়ে সংসারটাকে আপন করে নিয়েছি। এই সংসারও আমায় আপন করে নিয়েছি। অবশ্য নিতে বাধ্য হয়েছে পলাশের জন্য। যদিও বিয়ের আগে আমার সংসার জীবন নিয়ে নানা ভয় ছিলো। আপাকে দেখেছি, সারা রাজ্যের কাজ করার পরও শ্বশুড়বাড়িতে কারো মন পায়নি। বরং দু’দিন পর পর অশান্তি হয়। বাবার বাড়ি এসে কেঁদেকেঁদে নিজের দুঃখ ভাগ করে নেয়। অনেক বান্ধবীকেও দেখেছি। শ্বশুড়বাড়ি মানে তাদের কাছে নরক। তাদের সংসার জীবনের ভয়াবহ গল্প শুনে মনের মধ্যে অজান্তে ভয় জন্ম নিয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের পর বুঝেছি, সংসার জীবন ততটাও খারাপ নয়। এটাও সুখের। তবে এই সুখটা এমনি এমনি আসবে না। এজন্য একজন প্রকৃত স্বামী প্রয়োজন। একজন যোগ্য স্বামীর হাত ধরে শুরু করা সংসার কখনো দুঃখের হয় না। একজন স্বামী যদি শুরু থেকেই তার স্বামী হওয়ার দায়িত্ব পালণ করে তবে সংসারের এত এত যুদ্ধ অনেকটা কমে যাবে। এক সময় হয়তো পুরোটা কমে যাবে। কিন্তু আফসোস সবাই তো পলাশের মতো স্বামী পায় না। তাই তো সবার জন্য সংসার জীবনটা এত কঠিন।


©নুসরাত জাহান মিষ্টি*

শখগুলো সময় থাকতেই পূরণ করে নিতে হয়, কারণ জীবনের এক পর্যায়ে এসে হয়তো সেই শখগুলো আর মানিয়ে উঠবে না সময়ের সাথে। 🙂
21/05/2026

শখগুলো সময় থাকতেই পূরণ করে নিতে হয়, কারণ জীবনের এক পর্যায়ে এসে হয়তো সেই শখগুলো আর মানিয়ে উঠবে না সময়ের সাথে। 🙂

আমার লিস্টে অনেক প্যারেন্টস আছেন। ধরেন, একদিন সকালে কী হলো, হুট করে আপনার ভীষন আদরের মেয়েটাকে খুঁজে পাচ্ছেন না। ভাবলেন হ...
20/05/2026

আমার লিস্টে অনেক প্যারেন্টস আছেন। ধরেন, একদিন সকালে কী হলো, হুট করে আপনার ভীষন আদরের মেয়েটাকে খুঁজে পাচ্ছেন না। ভাবলেন হয়তো পিচকি কালের সেই লুকোচুরি খেলছে। খুঁজতে খুঁজতে গিয়ে তাকে পেলেন পাশের ফ্লাটের খাটের তলায় লুকিয়ে। পা দুটো বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছে। টেনে বের করে এনে দেখলেন, আপনার কলিজার টুকরা মেয়েটার মাথাই কেটে আলাদা করে দিয়েছে আপনারই প্রতিবেশী।

ধ র্ষ ণ চেষ্টা কালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখে আপনার ছোট্ট মেয়েটার মাথাই কেটে ফেলে দিলো আপনার ঠিক পাশের বাসায় বাস করা মানুষটা।
মাথা কাটতে সাহায্য করেছে তার স্ত্রী।
তাকে পালাতেও সাহায্য করেছে সেই মহিলাই।

আপনি তখনো জানেন না, আপনার অনুভূতি ঠিক কোন পর্যায়ে আছে। আপনি জেগে আছেন, না দুঃস্বপ্ন দেখছেন, আপনি আলাদা করতে পারছেন না।

সারা দেশব্যাপী একটা “অতিমাত্রায় ক্ষনস্থায়ী” আহা-উহু শুরু হয়েছে। সবখানে লেখালেখি হচ্ছে। ফেসবুক ভরে গেছে হতাশা, হাহাকার, প্রতিবাদ জানিয়ে।

তারপর দেখলেন আপনার মেয়ের সাথে হওয়া সেই ঘটনার খবরের নিচে আপনার দেশের কিছু মানুষের কমেন্ট।
'সাত বছরের বাচ্চা এত সাজবে কেন? এমনই তো হবে সাজলে।'
'দেখলে তো সাত আট বছরের বাচ্চা মনেই হয় না। আরো বড় হবে।'
“পর্দা না করলে তো এমন হতেই থাকবে।’

আপনি এগজাক্টলি কাকে ঘৃণা করবেন?
যে আপনার মেয়েকে মে রে ফেললো, তাকে?
নাকী কালেক্টিভ স্যাডিজমে আক্রান্ত সিংহভাগ সাধারণ মানুষকে?

বিচার ব্যবস্থার উপর ভরসা করবেন?
মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো সম্প্রদায়ের কথা মতো “রেপিস্টদেরও ভালো মানুষের জীবনে ফেরানো সম্ভব” টাইপ কথা মেনে ওদের জাস্ট জেল খাটানোর পক্ষে থাকবেন?

নাহ।
এদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন না প্লিজ।
এই দেশ কুত্তার বাচ্চারা চালায়।
কুত্তার বাচ্চারা বিচার করে না।
কুত্তার বাচ্চাদের শুধু রাজনৈতিক দলের নাম পরিবর্তন হয়। ৫৫ বছর ধরেই এই দেশ শুধুমাত্র কুত্তার বাচ্চারাই চালাচ্ছে।
যারা ক্ষমতায় আসে তারাই কুত্তার বাচ্চা হয়।
যারা আসে না তারাও কুত্তার বাচ্চাই থাকে।

মানুষ হয়ে কুত্তার বাচ্চাদের কাছে বিচার আশা করবেন না।
এদের ছাড়িয়ে আনুন।

যেহেতু বিচার হবে না, ভয় নামক জিনিসটার সৃষ্টি করতে এই ধ্বজভংগ বিচার ব্যবস্থা ব্যর্থ সেহেতু...

চাইল্ড রেপিস্টদের প্রত্যেকটাকে ছাড়িয়ে আনুন।
তারপর, এদের নিজের হাতে ধরে ধরে মে রে ফেলুন।
নিজের হাতে এদের জ্যন্ত রেখে শরীরের চা ম ড় ছিলে মাংস হাড় থেকে চেঁছে আলগা করে ফেলেন।
চৌরাস্তার মোড়ে মোড়ে এদের লা শ ঝুলায়ে রাখেন।
বর্বরতম, নিষ্ঠুরতম উপায়ে এদের মে রে ফেলুন।

পোস্টের নিচে কমেন্ট করা এদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করেন।
ইউ নো হোয়াট? এগুলারেও মে রে ফেলেন।
এরা প্রত্যেকে একেকটা ফিউচার চাইল্ড রে পি স্ট।
শো নো মার্সি।
দিস ইজ নো জেন্টলম্যানস সোসাইটি।
নো সিভিলাইজড প্রসিডিওর।

দেখবেন নপুংসক কুত্তার বাচ্চারা আপনার বিচার করার জন্য ঠিকই হাজির।

আপনার মেয়েরে যে এমনে মারলো, তারে নিজের হাতে মে রে ফাঁসিতে ঝুলতে আপনার আপত্তি আছে???

থাকলে আপনি তার জন্মদাতা-জন্মদাত্রীই না।

এখন অজস্র শূয়রের বাচ্চা সুশীল এসে বলবে, কলিং ফর ভায়োলেন্স ইজ নট দ্য সলিওশন। কলিং ফর মব জাস্টিস ইজ নট দ্য সলিউশন। দেশের বিচার ব্যবস্থা শক্ত করতে হবে... তোদের সুশীলতার মুখে মুতি আমি শূয়োরের বাচ্চারা। বা ল ডা করবা তোমরা বিচার ব্যবস্থার।

সপ্তাহে সপ্তাহে শুধু নামই চেঞ্জ হচ্ছে ধ র্ষন হয়ে খুন হওয়া বাচ্চাগুলার।

আর কিছুই হচ্ছে না।

Every single Child R-apists Should be, must be,
f u c ki n g brutally K I L L E D immediately, on the spot, publicly.

দ্য অনলি, অনলি ফাকিং সলিওশন।

©Sajjad

রান্নাঘরে মাছ ধুতে গিয়ে হঠাৎ নখের ভেতরে কাঁটা ঢুকে যায়…এক ফোঁটা রক্ত বের হয়, তারপর কয়েকদিন ধরে সেই আঙুলটা টনটন করে ব...
20/05/2026

রান্নাঘরে মাছ ধুতে গিয়ে হঠাৎ নখের ভেতরে কাঁটা ঢুকে যায়…
এক ফোঁটা রক্ত বের হয়, তারপর কয়েকদিন ধরে সেই আঙুলটা টনটন করে ব্যথা করে।
তবুও কাউকে কিছু বলা হয় না।
কারণ এই ছোট ছোট ব্যথাগুলোর জন্য আলাদা কোনো ওষুধ থাকে না… শুধু সহ্য করে নিতে হয়।

মাছগুলোতে মসলা মাখিয়ে গরম তেলে ছেড়ে দিতেই কয়েক ফোঁটা তেল ছিটকে এসে হাতে, গলায় কিংবা জামা ভেদ করে পেটে লাগে।
হঠাৎ ঝলসে ওঠা সেই জ্বালায় চোখ বন্ধ হয়ে আসে, তবুও চুলার সামনে দাঁড়িয়ে রান্নাটা শেষ করতে হয়।
কারণ সংসারের রান্না মাঝপথে থেমে থাকে না…
আর এই কয়েক ফোঁটা পোড়ারও কোনো ওষুধ নেই, শুধু সহ্য করার অভ্যাস আছে।

বাচ্চা ঘুমিয়ে যাওয়ার পর সারাদিনের জমে থাকা কাজগুলো শেষ করতে গিয়ে হঠাৎ খাটের কোণায় পায়ের ছোট আঙুলে প্রচণ্ড একটা ধাক্কা লাগে।
উফ!
চোখে পানি চলে আসে…
ইচ্ছে করে জোরে চিৎকার করতে, কিন্তু করা যায় না — বাচ্চা উঠে যাবে।
তাই দুই সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে আবার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কাজে ফিরে যেতে হয়।
ব্যথাটা দুই-একদিন ঠিকই থাকে, তবুও থেমে থাকা যায় না…
কারণ এই ব্যথারও কোনো ছুটি নেই।

তরকারি কাটতে গিয়ে আঙুলে বড় একটা আচড় লাগে, সামান্য রক্তও বের হয়।
তারপরও কাটাকাটি থামে না, রান্নাটাও শেষ হয়।
পেঁয়াজ কাটলে জ্বলে, পানিতে ভিজলে জ্বলে, খাবার খেতেও জ্বলে…
তবুও সেই আঙুলে ব্যান্ডেজ জড়ানো হয় না।
কারণ সংসারের কাজের মাঝে এইটুকু ব্যথাকে গুরুত্ব দেওয়ার সময় কোথায়!
এই ব্যথাগুলোর কোনো ওষুধ হয় না… শুধু সহ্য করতে হয়।

নারীরা আসলে অনেক ব্যথা লুকিয়ে বেঁচে থাকে…
শরীরের ছোট ছোট ক্ষতগুলো কেউ দেখে না, অনুভবও করে না।
কারণ তারা অভ্যাস করে ফেলেছে —
চুপচাপ সহ্য করে যেতে।

মনের আঘাতের গল্পটা না হয় আরেকদিন বলা যাবে…!

লেখা সংগৃহীত, হাতের ক্ষতটা আমার 😭

20/05/2026

ননদ সম্পর্কে এক লাইন লিখলাম😊
আমি বাবার বাড়িতে পর্যাপ্ত বিলাসিতা নিয়ে বড় হলেও শ্বশুর বাড়িতে মোটামুটি ভালোই মিতব্যয়ী হিসেবি থাকি😊কেননা আমার বাচ্চা অসুস্থ তাই, এমনি অনেক টাকার বেপার সেপার আছে। আর যেহেতু আমি ৩০ সপ্তাহের প্রেগন্যান্ট। মুসকানরে আমার দিনে আনুমানিক ১০+ বার খাবার খাওয়ান লাগে। আর আমি সব পেস্ট করা নরম, সুজি জাতীয় খাবার ই খাওয়াই। তাই একটু সময় নিয়ে মাটির চুলায় রান্না করি যাতে বেশি গ্যাস অপচয় না হয়😞যাকগা কিন্তু শরীর আমার বেশি ভালো না।।যদি আমি কখনো গ্যাসে কিছু রান্না করি। সাথে সাথে আমার ননদ বলে উঠে গ্যাসের কি দাম😲😲২২০০ টাকা গ্যাস।। রিয়াজ এত টাকা কই পাবে?? আমার ননদ কিন্তু আমার থেকে আনুমানিক ১২/১৫ বছরের বড়।। তার বাচ্চা মাত্র ৪ মাস।তারে দৈনিক সুজি খাওয়ায় ৫ বারের মত।৷ এক একবার করে সব গ্যাসেই রান্না করে।।। সাথে সে কিন্তু তার জামাই নিয়ে ঢাকায় ই থাকে। সব গ্যাসেই রান্না করে।
পরিশেষে কেউ কারোর সুখ/ দেখতে পারেনা💔

©HR Habiba

19/05/2026

সাদা মুরগী রোস্ট

Asha's kitchen fans

মেয়েদের কখনো চোখে আইলাইনার লাগানো অবস্থায় দেখেছেন? এক চোখের সাথে আরেক চোখের লাইন ম্যাচ করতে তারা ঠিক কতোখানি সময় নেয়, কত...
19/05/2026

মেয়েদের কখনো চোখে আইলাইনার লাগানো অবস্থায় দেখেছেন? এক চোখের সাথে আরেক চোখের লাইন ম্যাচ করতে তারা ঠিক কতোখানি সময় নেয়, কতোটা গুরুত্ব দেয়?

কখনো খেয়াল করেছেন আলুভাজি কাটার সময় সব আলুকে সমানভাবে কাটতে কতো দ্রুত মেয়েরা বটির ওপর হাত চালায়? একটুখানি উনিশ-বিশ হলেই ধাঁরালো বটিতে আঙুল দু'ভাগ হয়ে যেতে পারে।

দেখেছেন কি, হাড়ির ভাতগুলোকে ঝরঝরে করতে ভাতের পানি ফেলার জন্য গরম হাড়িটা কিভাবে রিস্ক নিয়ে উপুড় করে দেয়?

একবেলার খাবারকে মনমতো করতে তারা এতোকিছু করে আবার কিছু মানুষ বলে,

“এখনকার মেয়েরা সংসার টেকাতে সম্পর্কে এফোর্ট দিতে চায় না!”

এফোর্ট বলতে আসলে কী বোঝায়? কাঁদতে কাঁদতে মেয়েরা শহীদ হয়ে যাবে আর স্বামীগুলো “যা হবে সকালে দেখা যাবে” ভেবে ঘুমিয়ে যাবে, এটাই নাকি?

এফোর্ট সবাইকেই দিতে হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমাদের সমাজে কোনো একটা সংসার ভেঙে গেলে দোষটা কেবল মেয়েদের ওপর এসেই পড়ে। মেয়ে ভালোনা, মেয়ে সংসারী না, মেয়ে এফোর্ট দিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখতে পারেনাই। সাথে আজীবনের জন্য নানান ট্যাগ তো আছেই।
~ইসরাত জাহান আশরাফি

“এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর খারাপ থাকাটা যেন স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে গেছে।একটা নারী বছরের পর বছর কষ্ট সহ্য করবে, নিজের ইচ্...
19/05/2026

“এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর খারাপ থাকাটা যেন স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে গেছে।
একটা নারী বছরের পর বছর কষ্ট সহ্য করবে, নিজের ইচ্ছা মেরে বাঁচবে, মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে— তখন সমাজ বড়জোর কিছু সহানুভূতির বুলি ছুড়ে দেয়ঃ
‘সহ্য কর’,
‘ধৈর্য ধর’,
‘মেয়েদের জীবন এমনই’,
‘ত্যাগ স্বীকার করতে হয়’,
‘একদিন ঠিক হয়ে যাবে।’

কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন হাজারো নারীর ভিড়ে একজন নারী সিদ্ধান্ত নেয়— সে ভালো থাকবে।
সে নিজের শান্তি, নিজের সম্মান, নিজের মানসিক সুস্থতাকে বেছে নেয়।
তখনই তার ভালো থাকাটা সমাজের চোখে অপরাধ হয়ে যায়।

তার হাসি সহ্য হয় না,
তার স্বাধীনতা সহ্য হয় না,
তার নিজের মতো বাঁচার সিদ্ধান্ত সহ্য হয় না।
শুরু হয় আক্রমণ, হেয় করা, চরিত্র নিয়ে টানাটানি, ঘৃণা ছড়ানো।

কেন?
একটা মানুষ ভালো থাকতে চাইলে এত সমস্যা কোথায়?
একটা নারীর কি নিজের পছন্দমতো জীবন বেছে নেওয়ার অধিকার নেই?

একজন পুরুষ নিজের আনন্দের জন্য যা-ই করুক, সমাজ সেটাকে খুব সহজেই ‘স্বাভাবিক’ বলে মেনে নেয়।
বরং অনেক সময় বাহবাও দেয়।
কিন্তু একজন নারী নিজের ভালো থাকার জায়গা খুঁজে নিলেই সেটাকে বানিয়ে ফেলা হয় বিচার করার বিষয়।

আমি একটা জিনিসই দেখি—
একটা নারী ভালো আছে কি না।
সে যদি প্রতারণার মধ্যে পড়ে আরও ভেঙে যেত, আমি নিজেও তাকে প্রশ্ন করতাম।
কিন্তু আজ যদি সে আগের চেয়ে ভালো থাকে, শান্তিতে থাকে, হাসতে পারে— তাহলে বুঝতে হবে সে নিজের জন্য ভালো কিছুই বেছে নিয়েছে।

আর একজন মানুষ নিজের জীবনে ভালো থাকতে চাওয়ার জন্য ঘৃণা পাওয়ার না, সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে।

✍️ ফেরদৌস Mawa's by Ferdous

fans Asha's kitchen Farjana Benta Ela

Address

Tongi
Gazipur
1711

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asha's kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Asha's kitchen:

Share