Natural Bangla

Natural Bangla natural idea natural beauty homemade tips

24/12/2025

তেলাপিয়া মাছ ভাজি

22/12/2025

Telapia mas ranna

21/12/2025

ফুলকো তেলের পিঠা

05/12/2025

Hlw everyone

24/06/2025

18/03/2025

নিজেকে সম্মান করার উপায়:
এই পৃথিবীতে সবাই ব্যস্ত। যদি আপনি নিজেকে মূল্য দিতে না শেখেন, তাহলে কেউ আপনাকে গুরুত্ব দেবে না। তাই নিজেকে ভালোবাসতে ও শ্রদ্ধা করতে শিখুন। নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখুন এবং শক্তিশালী হয়ে জীবনযাপন করুন।

নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট দেওয়া হলো, যা আপনাকে শেখাবে কীভাবে নিজের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হয় এবং অন্যদেরও আপনার মূল্য বোঝাতে হয়।

১. যে আপনাকে খোঁজে না, তাকে খুঁজবেন না।

যে মানুষ আপনার গুরুত্ব বোঝে না, তার পেছনে ছুটে নিজের মূল্য কমাবেন না।

২. অহেতুক আশা করা বন্ধ করুন।

এটা শুধু অর্থের ব্যাপারে নয়, দয়া, ভালোবাসা বা স্বীকৃতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখুন।

৩. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা বন্ধ করুন।

প্রত্যেক কথার মূল্য আছে। অযথা কথা বলে নিজের গুরুত্ব কমাবেন না।

৪. যখন কেউ আপনাকে অসম্মান করে, সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করুন।

চুপ করে থাকলে তারা আরও অসম্মান করবে। আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচুন।

৫. অন্যের খাবার বারবার খাবেন না, যদি তারা আপনারটা না খায়।

সম্পর্কে ভারসাম্য থাকা জরুরি। কেবল গ্রহণ করলে সম্পর্ক একপাক্ষিক হয়ে যায়।

৬. কিছু মানুষের কাছে কম যান, বিশেষ করে যদি তারা আপনাকে একইভাবে মূল্যায়ন না করে।

যে সম্পর্ক পারস্পরিক নয়, সেটাকে জোর করে টেনে নেওয়ার মানে নেই।

৭. নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন, নিজেকে সুখী করুন।

নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন।

৮. গসিপ শোনা ও করা থেকে বিরত থাকুন।

আপনার চারপাশের পরিবেশ আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি। গসিপে জড়িয়ে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না।

৯. কথা বলার আগে ভাবুন।

৮০% মানুষ আপনাকে আপনার কথাবার্তা দিয়েই বিচার করে, তাই চিন্তাভাবনা করেই বলুন।

১০. সব সময় নিজেকে সেরা দেখানোর চেষ্টা করুন।

যেমন পোশাক পরবেন, মানুষ তেমনভাবেই আপনাকে দেখবে। সঠিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন।

১১. সফল হন, নিজের লক্ষ্যে মনোযোগী থাকুন।

ব্যস্ত থাকুন, আপনার অর্জনই আপনাকে সম্মান এনে দেবে।

১২. নিজের সময়ের মূল্য বুঝুন।

যারা আপনার সময়কে গুরুত্ব দেয় না, তাদের জন্য নিজের সময় নষ্ট করবেন না।

১৩. যেখানে আপনি সম্মানিত ও মূল্যায়িত হন না, সেই সম্পর্ক ছেড়ে দিন।

অসম্মানজনক সম্পর্কে থাকা মানে নিজের আত্মসম্মানকে ছোট করা।

১৪. নিজের জন্য টাকা খরচ করতে শিখুন।

নিজের উন্নতির জন্য বিনিয়োগ করুন, কারণ আপনি যদি নিজেকে মূল্য দেন, অন্যরাও আপনাকে মূল্য দেবে।

১৫. মাঝে মাঝে নিজেকে কম উপলব্ধি করান।

সব সময় সহজলভ্য হলে আপনার মূল্য কমে যায়। মাঝে মাঝে অন্তরালে থাকুন।

১৬. নেওয়ার চেয়ে দেওয়ার অভ্যাস করুন।

পরোপকারী হন, কারণ দানশীল মানুষকে সবাই সম্মান করে।

১৭. যেখানে নিমন্ত্রণ পাননি, সেখানে যাবেন না।

আর যেখানে আমন্ত্রণ পান, সেখানে বেশি সময় ধরে থাকবেন না।

১৮. মানুষকে তাদের প্রাপ্য মতো আচরণ করুন।

অযথা কারও প্রতি বেশি দয়া দেখিয়ে নিজের মূল্য কমিয়ে ফেলবেন না।

১৯. যদি কেউ আপনার ঋণী না হয়, তাহলে দুইবারের বেশি কল করবেন না।

যদি তারা আপনাকে গুরুত্ব দেয়, তারা নিজে থেকেই যোগাযোগ করবে।

২০. আপনি যা করেন, তাতে সেরা হন।

নিজের কাজে দক্ষ হন, সফলতা আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্মান এনে দেবে।

শেষ কথা

নিজেকে ভালোবাসুন, সম্মান করুন, আর দেখবেন বিশ্বও আপনাকে সম্মান করবে!

18/03/2025

ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে
আর নিজের থাকেনা,
বৌয়ের হয়ে যায়,
কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও
মেয়ে কোনোদিন পর হয়না |
এই কথাটা অনেকেই বলেন,
কিন্তু একটু ভেবে বলুনতো কথাটা কি ঠিক?

আসলে কী জানেন,
আপনি যদি মেয়েকে কিছু দেন
তাহলে আপনি মেয়ের কাছ থেকে রিটার্ন কিছু চাননা বা আশা করেননা,
মেয়ে সুখে থাকলেই আপনি সুখি,
আপনি কখনও এটা তুলনা করেননা
যে আপনার মেয়ে আপনার চেয়ে
কত ভালো বা সুখে আছে,
আপনার মেয়ে যদি আপনার চেয়ে ১০ গুন সুখে থাকে, ভালো থাকে আপনি সেটা দেখে ১০ গুন খুশি হন, আপনার মেয়ের জীবনে সমস্যা আসলে
সেটাকে নিজের সমস্যা মনে করেন,
মেয়ে সুখি না হলে আপনিও দুঃখি হন,
সামর্থের বাইরে গিয়েও মেয়েকে,
জামাইকে সাহায্য করেন, বিপদে পাশে দাঁড়ান |

অন্যদিকে ছেলের পিছনে যত খরচা করেন
আর ভাবেন যে একটা সময়
ছেলে এর বিনিময়ে কিছু দেবে,
অনেক সময় দাবীও করেন,
মনেও করিয়ে দেন যে তোর পিছে
এতো খরচা করেছি |
ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলেকে পর ভাবতে শুরু করেন | ছেলে বিয়ে করলে বাবা মায়েদের
ছেলের প্রতি একটা এমন মানসিকতা হয়
যে মনে মনে ভেবে নেই
যে বিয়ে করেছিস তোর সমস্যা তোর,
তোকেই এর সমাধান করতে হবে,
বিয়ে করেছিস তোকে কোন সাহায্য করতে পারবোনা, পারলেও সাহায্য করেনা
অন্যদিকে মেয়েকে সাহায্য করার জন্য রেডি থাকে, সামর্থের বাইরে গিয়েও করে |
ছেলে বৌ কতটা সুখে আছে
এটা নিজেদের সঙ্গে তুলনা করে,
ছেলের বিবাহিত জীবনে সুখ
কতজন সহ্য করেতে পারে |
ছেলের বিপদে ছেলেকে একা করেন
কিন্তু ছেলের বেশি সুখ হলে আবার তার ভাগ চান |

আসলে মেয়ের কাছ থেকে কিছু আশা করেননা,
কোন দায়িত্ব আরোপ করেননা,
তাই মেয়ে যদি ৫% ও কিছু দেয়
আপনি ভাবেন মেয়ে আমাদের কথা অনেক ভাবে
আর এদিকে ছেলের উপর ১০০% দায়িত্ব,
অনেক কিছু আশা করেন,
এখন ছেলে সেটা দিতে না পারলে
অথবা ৭০-৮০ % দায়িত্ব পালন করতে পারলেও
যেটুকু পারছেননা সেটুকু ভেবেই
ভাবেন যে ছেলে অনেক খারাপ |

মেয়ের পড়াশোনার পর বিয়েতে ১০ লক্ষ টাকা
দিতে হলেও কি মেয়েকে পরে বলে
তোর জন্য এতো খরচা করেছি,
ছেলেকে পড়াশোনার পর ব্যবসা করতে ২ লক্ষ টাকা দিলেও মনে করিয়ে দেয় যে ব্যবসা করতে এতো দিয়েছিলাম, চাকরি পেলেও বলে এতো খরচা করে পড়াশোনা করিয়েছি | তো মেয়ের বিয়েতে যত খরচ করে, শখ আহ্লাদ করে, ছেলের বিয়েতে কি অতটা খরচ শখ আহ্লাদ করে |

আচ্ছা বলেন তো মেয়ে-জামাইকে যতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয় ছেলে-বৌ কেও কি এতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয় ? মেয়ের বাচ্চাদের যতটা ভালোবাসে, ছেলের বাচ্চাদের কি অতটা ভালোবাসে |

আসলে ছেলের সঙ্গে বাবা মায়ের সম্পর্কে
একটা বড়ো স্বার্থ থাকে |

16/10/2024

সম্পর্কের অবনতির কারণ হচ্ছে, পরস্পর পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া যাওয়া। আর এই দূরত্ব তৈরিই হয় মূলত সময় না দেয়ার কারণে।

সম্পর্কে পরস্পরকে পর্যাপ্ত সময় দিলে, উভয়ের কেউ কখনো নিজেকে একা মনে করে না। আপনি যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটাকে সময় দিবেন, কথা বলবেন, তবে তার বিষন্নতা, মন খারাপ আর একাকিত্ব এমনিতেই দূর হয়ে যাবে।

মানুষ তখনই নিজেকে একা মনে করে, যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটা তাকে সময় দেয় না। মানুষ সম্পর্কে জড়ায় নিজেকে ভালো রাখতে। আর সেই সম্পর্কই যখন তার খারাপ থাকার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন সে হতাশায় ভুগতে থাকে!

সম্পর্কের মানুষটাকে সময় দিলে আপনার সময় নষ্ট হয় না। বরং সম্পর্ক আরও গভীর হয়। আপনি নিজেই যদি উদাসীন থাকেন, সম্পর্কের মানুষটার অসহায়ত্ব বোঝার চেষ্টা না করেন, তবে সে আপনার সাথে কেন সম্পর্ক রাখতে চাইবে? স্রেফ ভালোবাসে বলে? অবহেলায় অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ আর তখন ভালোবাসা বোঝে না, মুক্তি খোঁজে।

কাউকে বুঝতে হলে, তাকে সময় দিতে হয়। তার সাথে কথা বলতে হয়, তাকে কখনো একা লাগতে দিতে হয় না। সম্পর্কে আপনি যতই যত্নবান হোন না কেন, যদি সামান্য সময়টুকু সম্পর্কের মানুষটাকে দিতে না পারেন, তবে আপনার সমস্ত প্রচেষ্টাই একটা সময় পর বৃথা যাবে। মানুষ যত্ন চায়, সম্পর্কের মানুষটার কাছ থেকে সময় চায়।

আর যদি সম্পর্কে থেকেও সে দুটোর একটাও না পায়, ঠিক তখনই সে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সেখানে যতই ভালোবাসা, মায়া কিংবা পিছুটান থাকুক না কেন, মানুষ সেই সম্পর্ক থেকে একদিন সত্যিই চলে যাবে 😭

Address

Jessore

Telephone

+8801990716777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share