30/03/2026
শিশুদের হাম হলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, প্রচুর তরল খাবার (পানি, ডাবের পানি, সুপ) এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। জ্বর ও ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে, তবে অ্যাসপিরিন এড়িয়ে চলতে হবে । চুলকানি কমাতে হালকা গরম পানিতে গোসল করানো ও চোখ পরিষ্কার রাখা জরুরি ।
হাম হলে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
বিশ্রাম ও তরল: শিশুকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে এবং পানিশূন্যতা রোধে ঘন ঘন পানি, বুকের দুধ বা ফলের রস খাওয়াতে হবে ।
জ্বর ব্যবস্থাপনা: জ্বর বা শারীরিক অস্বস্তির জন্য প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ দেওয়া উচিত নয় । শিশুদের ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন বা স্যালিসাইলেট জাতীয় ওষুধ কখনোই ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে 'রে সিনড্রোম' নামক মারাত্মক ঝুঁকি থাকে ।
পৃথকীকরণ ও সচেতনতা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই র্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ৪ দিন পর্যন্ত শিশুকে স্কুল বা ডে-কেয়ারে পাঠানো যাবে না এবং অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে ।
পরিচ্ছন্নতা: আক্রান্ত শিশুর চোখ থেকে নিয়মিত পিঁচুটি বা ময়লা হালকা গরম পানি ও নরম সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে ।
পুষ্টিকর খাবার: শিশুকে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার যেমন—খিচুড়ি, জাউ ভাত, স্যুপ ইত্যাদি খাওয়াতে হবে ।
চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি বাচ্চার শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর, পানিশূন্যতা, বা অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ।
সতর্কতা: হামের চিকিৎসায় কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই, তবে ভিটামিন-এ সাপ্লিমেন্ট দেওয়া যেতে পারে, যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে।👍